The first 176 lines.
অনুবাদ এবং সম্পাদনা মোহাম্মদ ইউসুফ
"আতাপি ভাতাপি" (আতাপি আর ভাতাপি ছিল দুই রাক্ষস সহোদর। রাস্তার ক্ষুধার্ত পথিকদের ভুলিয়ে ভালিয়ে আপ্যায়নের নাম করে বাসায় নিয়ে গিয়ে অতিথিদের দিয়ে উদরপূর্তি করাই ছিল তাদের কাজ।)
আপনি যে কাজটা দিয়েছিলেন সেটা হয়ে গেছে।
আমি আসি। তুমি নজর রেখো।
কোথায় সে?
সারতাজ স্যার?
বানচোদ!
বানচোদ!
মজিদ, গাদ্দারের মতো কাজ করিস না।
আমি র অফিসারের নির্দেশ অনুসরণ করছি।
ফাউল প্যাচাল বন্ধ কর।
রুমে গিয়ে দেখ।
বলেছি না চুপ করতে?
আগে তো গিয়ে দেখে আসবি?
কিছু বুঝলি?
পারুলকারকে যদি বলি, বহিষ্কারের পরেও এই কেসে তুই সক্রিয়...
বাঁশ ঢোকাবে তোর পেছনে দেখিস।
পারুলকারের বলয় থেকে বেরিয়ে আয়, মজিদ। অ্যাকাডেমির টপার ছিলিস তুই।
তুই তোর নিজের চিন্তা কর।
আচ্ছা, দে ফোন!
অই র এর ম্যাডাম আসলে প্রথমে তোর কীর্তির কথা বলবো যখন আমি এই কেস সলভ করছিলাম।
জয় হিন্দ, স্যার।
হ্যাঁ, স্যার।
মনে হচ্ছে, সব জাল কারেন্সি এখানেই মজুদ আছে।
- কীভাবে বের করলেন? - গাড়িটা অনুসরণ করেছিলাম।
জোজো মাসকেরানাস সম্পর্কে আরও তথ্য পারবেন বের করতে?
ম্যাম, হচ্ছেটা কী?
আমরা জাল কারেন্সি নিয়ে খুব শীঘ্রই কিছু অপারেশনে নামবো।
গাইতোন্ডের হুমকির সাথে এই কারেন্সির যোগসূত্র থাকতে পারে।
ম্যাডাম, আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
যদি পারুলকার সাহেব জানতে পারে বিষয়টা, আমার চাকরি চলে যাবে।
চাকরি তোমার কাছে এত কিছু হলে, তুমি এখানে থাকতে না সারতাজ।
বের করো, জোজো ওখানে কী করছিল।
গাইতোন্ডে কিসের কথা বলছিল? ২৫ দিনের হুমকিটা কী?
আর ত্রিভেদী...কে এই ত্রিভেদী?
প্রশ্ন অনেক, কিন্তু সময় অনেক কম।
ম্যাম, এটা ইমারজ্যান্সি।
সারতাজ।
কারেন্সিগুলো জব্দ করার জন্য একটা টীম পাঠাচ্ছি।
কী হয়েছে?
ভেতরে কেউ গিয়েছে?
আমাকে দেখতে দিন ওকে।
বালটা আবার এসেছে!
ঘাড়ে ধরে বের করে না দিলে যাবে না এখান থেকে।
ধুর বাল!
হ্যাঁ, স্যার।
মুম্বাইতে এসেছি এই জন্যই কারণ আমার সপ্ন, আকাঙ্ক্ষাগুলো এখানেই পূরণ হতে পারে।
আর আজ আমি এখানের বড় মডেল, অভিনেত্রী।
- মেয়েটা কে? - হবে কোন বান্ধবী।
আইটেম।
আরে সাহেব! এটাতো, ওই মেয়েটা...
- নায়ানিকা। - কে?
নায়ানিকা সেহগাল। সিরিয়ালে অভিনয় করে।
"শক্তির দৃষ্টি"
সবাই চেনে তাকে।
- একে? - হ্যাঁ।
আপনার মা আমার শোয়ের ফ্যান, ঠিক?
হ্যাঁ, উনি প্রতিটা এপিসোড দেখেন।
আর আপনি?
দেখা শুরু করবো।
অটোগ্রাফ চাচ্ছেন?
কে?
ইন্সপেক্টর সারতাজ সিং।
মুম্বাই পুলিশ।
আপনাকে কিছু প্রশ্ন করতে চাই।
জোজো আমার ম্যানেজার। আমার কাজ দেখাশোনা করতো।
কী ধরনের কাজ?
কাজ মানে, টিভি, অ্যাড...
আমি একটা এড করলাম। আগরবাতি নিয়ে।
আর?
আর কি করতো সে?
ক্লায়েন্টদের কাছে পাঠাতো আপনাকে?
কার কাছে পাঠিয়েছিল আপনাকে?
নায়ানিকা...
আমরা তোমাকে সাহায্য করতে চাই।
ঘাবড়ানোর কোন প্রয়োজন নেই।
গণেশ গাইতোন্ডের কাছে পাঠাতো তোমাকে?
আর কার কাছে পাঠাতো তোমাকে?
জোজোকে খুন করা হয়েছে।
মরে গেছে সে।
ও তোমার আর কোন ক্ষতি করতে পারবে না।
আমি ওকে ভয় পাচ্ছি না, সারতাজ স্যার।
তাহলে কাকে?
সে প্রতি রাতে আলাদা আলাদা নাম্বার থেকে ফোন পায়, স্যার।
প্রত্যেকটা নাম্বার আলাদা। কোন রিপিট নেই।
মেয়েটা কিছু বলেছে?
ভয়ে হীম হয়ে আছে। কিছুই বলেনি।
স্যার, আমি ওই পুরনো কন্সটেবলদের সাথে কথা বলেছি।
সবাই বলেছে, আপনার বাবার সাথে গাইতোন্ডের কোন সম্পর্ক নেই।
অইতো এসেছে।
যে গ্যাংস্টারের কাছে এসেছ সে এখন নেই।
গেট বন্ধ।
প্লিজ, পরে আবার চেষ্টা করবেন।
আপনার সোশ্যাল সিকিউরিটি নাম্বার-
চুপ।
দারুন বাড়ি, স্যার!
শুয়োরটার বিছানাটা দেখুন!
আমার পুরো পরিবার এই বিছানায় শুতে পারবে।
হ্যান্ডকাফ।
পুলিশের মনে হচ্ছে।
কখনও ব্যবহার করেছেন এগুলো?
আমাদের ঘরে শোওয়ারই জায়গা নেই, এই বিছানা রাখব কোথায়?
মানুষের কত বিচিত্র শখই না থাকে!
এগুলো ঘরে নিয়ে গেলে আমার বউ আমাকে ফাঁস লাগিয়ে মারবে।
ফ্যানের সাথে দড়ি বেঁধে আমাকে ঝুলাবে, তারপর নিচে আগুন লাগিয়ে দেবে।
কিরে ভাই! এগুলো কী?
এস এন্ড এম বলে এগুলোকে।
কী?
মজার জন্য। বিছানা নিজেকে বাঁধে।
ব্যাথার মাধ্যমে মজা পায়, এরকমই হবে কিছু।
চলেন এগুলো থানায় নিয়ে যাই। মৌজ মাস্তি সব কিছুই হবে।
কে এই পাগলটা?
বান্টি, কেউ ওকে বিকৃতমনস্ক আবার কেউ জানোয়ার বলতো।
কিন্তু, বান্টিকে কেউই বুঝতে পারেনি।
ওর শরীরে রক্ত ছিল না, ঘৃণা ছিল।
দুনিয়ার জন্য। আর বিশেষ করে, মুসলিমদের জন্য।
হিন্দু মুসলমান দাঙ্গা এই শালাই লাগাতো।
দুনিয়া ধ্বংস হলে বান্টির অবদান থাকবে তাতে বেশি।
মার জোরে!
ওই, কেউ তোকে জামিন করিয়ে দিয়েছে।
হেই, সাইন করে যা এখানে!
এত দ্রুত পালিয়ে যাচ্ছিস কোথায়? লজ্জা পাচ্ছিস নাকি?
তোর ধান্দার সময় গেছে নাকি? ২৪ ঘন্টাই এখন কাপড় খুলে বসে থাকিস?
মাদারচোত, তোকে জামিন করানোর জন্য আমাকে ধন্যবাদ দেওয়া উচিত!
কতজনের চোদন সহ্য করেছিস আমাকে জামিন করানোর জন্য?
তোর মতো চুতিয়ার জন্য এসবে জড়াতে হয়েছে। কামাই করে খেতে পারবি কোনদিন?
তোর ভাগ্য ভালো আমরা এখন থানার সামনে আছি!
বস। ভাই তোর সাথে দেখা করতে চায়?
কোন ভাই?
শুধু ট্যালকম পাউডারই ব্যবহার করো? পারফিউম নেই?
আছে। পরে দেবো নে।
ইসা ভাই শুধু বিদেশী পারফিউম ব্যবহার করে।
তার কাছে অনেক আসে এগুলো...
প্রতি মাসেই পায়।
এই মাগি, তুই বিদেশী পারফিউমের যোগ্য নস।
ভাই, যে ছেলেটাকে আনতে বলেছিলেন এনেছি।
তোমরা খেলো।
আমার এলাকায় আমার অনুমতি ছাড়া কোন ঝামেলা করবি না।
জি ভাই।
তোর লোকজনদের নিয়ে আয়।
ও তোকে বলে দেবে কী করতে হবে।
ভাই, আমি জানি কী করতে হবে।
আমার সব লোক আপনার জন্য প্রাণ দিতে প্রস্তুত আছে।
কাজ শেখ আগে।
প্রাণ যখন দিতে হবে, তখন বলবো।
জি ভাই।
- কী নাম তোর? - বান্টি।
বাবা মা নাম রেখেছিল দীপক শিন্দে। কিন্তু, সবাই আমাকে বান্টি বলে ডাকে।
সবাই আমাকে "আবর্জনার রাজা" বলে ডাকতো।
কিন্তু, আমি ছিলাম এক ধাপ এগিয়ে। বান্টির মতো জানোয়ার ছিল আমার সাইডে।
সময় এসেছিল ইসার সাথে বোঝাপড়াটা সেরে ফেলার।
গতবার কী যেন বলেছিলি?
"যোগ্যতা"
কুক্কু... জাদু ছিল ওর মধ্যে।
কুক্কু যার, মুম্বাই তার। এমনটাই শুনেছিলাম আমি।
ইসার প্রভাব এত বেশি ছিল, কেউই তাকে মারতে পারতো না।
ইসার ব্যবস্থা করার জন্য কুক্কুকে জয় করা অনিবার্য ছিল।
বলো, বেবি।
আমার সাথে চল।
- কোথায় নিয়ে যাবি আমাকে? - বেহেশতে।
ওটাইতো আমি।
যারা বেহেশত দেখতে চায়...
আমার কাছে আসে।
আর এমনিতেও, তোকে দেখতে গাঁজাখোরের মতো লাগে।
কী করিস তুই?
আমি তো এখন রাস্তায়।
কোথায় যাবে? চলো, পৌঁছে দেই?
দেখ, ওই লাল গাড়িতে কে বসে আছে?
সুলেমান ইসা।
যদি তাকে গিয়ে বলি, তুই কী বলেছিস আমাকে...
কেটে টুকরো টুকরো করে সমুদ্রে ফেলে দেবে।
তুই কি উনার সম্পত্তি?
- কুক্কু কারও সম্পত্তি নয়। - প্রমাণ কর। আয় আমার সাথে।
ইসার সময় শেষ হয়ে আসছে।
এখন সময়টা আমার।
ভেবে দেখ।
No comments yet. Be the first to leave one.