Prison Break

Prison Break

Download Bengali Subtitle

Season 1

Release info

Prison Break 01x10 Bangla subtitle by Mohasin Alam Roni
প্রিজন ব্রেক 01x10 বাংলা সাবটাইটেল বাই মোহসিন আলম রনি
Prison Break 01x10 Bangla subtitle
প্রিজন ব্রেক 01x10 বাংলা সাবটাইটেল
প্রিজন ব্রেক - সিজন ১, এপিসোড ১০ [মোহসিন আলম রনি]
প্রিজন ব্রেক - সিজন ১, এপিসোড ১০
Prison Break S01 E10 720p BluRay ReEnc DeeJayAhmed
বাংলা সাবটাইটেল - প্রিজন ব্রেক [সিজন ০১, এপিসোড ১০]
Prison Break S01 E10 720p BluRay x265-HaxxOr
প্রিজন ব্রেক - সিজন ১, এপিসোড ১০ (বাংলা সাবটাইটেল)
A Commentary by LeoMohosin
রানটাইমঃ ৪৩ঃ৫৮....মাতৃভাষায় উপভোগ করুন বিখ্যাত থ্রিলার টিভি সিরিজ প্রিজন ব্রেকের ১ম সিজনের ১০ম এপিসোড। ভালো লাগলে গুড রেটিং ও ফেসবুক গ্রুপে ফিডব্যাক পোস্ট দিয়ে উৎসাহিত করুন।

Tags

other
Published on: 2020-05-16
Downloads: 658
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

বেলিক।

- হেই বস! - আস্তে কথা বলো।

আমরা তো অনেক ধরেই লেনদেন করছি। ঝামেলাটা চুকিয়ে ফেলা যাক তাহলে।

শোনো, তোমার-আমার বুঝাপড়া শেষ। এখন আমি ফ্যালজোন থেকে পয়সা পাচ্ছি।

সে হচ্ছে চেক, আমি হচ্ছি নগদ টাকা। আমরা নগদে বিজনেস করছি।

আমার দিকে কেউ পেশাব, থুথু ছিটালে আমার ভালো লাগে বুঝি?

অন্যরা হয়ত বছরে ৪০ হাজার ডলারের বিনিময়ে রাজি হয়ে যাবে, কিন্তু আমি এতটা বলদ নই।

ফ্যালজোনের চেকগুলোর জন্যই প্রতিদিন এই বেড়া ডিঙিয়ে বেরিয়ে আসি।

আর এই কাজ অনবরত চলতে থাকবে, যতক্ষণ পর্যন্ত...

লেক গ্রে'তে বাড়ি কিনার মতো টাকা না জমাতে পারছি।

দ্রুত অবসরে যাবার চিন্তাভাবনা করছি, জন। আর সেটাতে তুমি বাঁ হাত ঢুকাতে চাইছ!

বস, আমাকে একটু সময় দিন। আমি ফ্যালজোনের চেয়ে বেশি টাকা দিতে পারব।

তোমার সাথে লেনদেন খতম।

হেই, বস। বস!

ওরা গর্তটা দেখে ফেলবে। যত বেশি সময় ওইখানে থাকবে, বের করার সম্ভাবনা তত বেশি।

আমাদেরকে ওইখানে ফিরে যেতে হবে।

- তোমায় আজগুবি কিছু কথা বলতে চাচ্ছি। - সারপ্রাইজ, সারপ্রাইজ।

- ফিবোনাচ্চিকে নিয়ে আমার আর মাথাব্যথা নেই। - ঠিকই বলেছ। কথাটা আজগুবি শোনাচ্ছে।

কারণ বেঁচে থাকা নিয়ে মাথা ঘামানোটা বেশি জরুরি।

খেয়াল করেছ হয়ত, এখানে কিন্তু আমার বেশি বন্ধু-বান্ধব নেই।

আমাকে এখনই বের হতে হবে। কারণ আমার পুরো জীবনটাই পড়ে আছে!

তাহলে ফিবোনাচ্চিকে নিয়ে মাথা ঘামিয়ে লাভ কী?

এখান থেকে বের হলেই ফিবোনাচ্চি বুঝতে পারবে আমার দম এখনো ফুরোয়নি...

আর ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করা আমার এক মিনিটের ব্যাপার।

আর ওর হাতে ফিবোনাচ্চিকে তুলেই দিলেই একমাত্র সেটা সম্ভব।

জটিল হিসাব!

ব্যাপারটা এখন 'তুমি-আমি' থেকে 'আমাদের' হয়ে গেছে।

আমাদের সবার। বুঝেছ? এখানে সবার পালানোর ব্যাপার জড়িত।

তাই নাকি? নাকি এর মাধ্যমে আবার গ্যাংয়ে হাত মিলানোর সুযোগ পাবে?

গ্যাং-ট্যাংয়ের খাতায় আর নাম লিখাবো না।

বলতে গেলে ওরা আমায় পঙ্গু করে দিয়েছে।

ওরা চায় আমি এখানে পচে মরি, তাই ওদের সাথে সব মামলা ডিসমিস।

তুমি তো এখনো ওদেরকে সাহায্য করতে চাও।

ফ্যালজোন আসলে হতাশায় ভুগছে।

ফিবোনাচ্চি যদি সামনের মাসে সভার সামনে এসে মুখ খুলে...

তাহলে ফ্যালজোনের খেল খতম।

তাই, ফিবোনাচ্চিকে ওর হাতে তুলে দিলে, সে আমাদের কথা শুনতে বাধ্য।

যা ইচ্ছা তাই। এমনকি ওই স্পেশাল রুম সহ।

তোমার মতামত কী, চান্দু?

- ওর চিন্তা বাদ দে। - ওরা তাঁকে মেরে ফেলবে।

- হয়ত মৃত্যুটাই ওর পাওনা। - মৃত্যু ওর পাওনা নয়।

কে ওই লোক? তুই তো বলেছিলি সে একজন মাফিয়া।

নিজের অজান্তেই সে মাফিয়াদের হয়ে কাজ করত।

ফিবোনাচ্চির অবস্থা ঠিক....তোমার মতোই।

নির্দোষ এক লোক, ভুল জায়গায় ভুল সময়ে ধরা পড়েছে।

কী করছ এটা? আমি তোমার থেকে চুরি করিনি, জন।

অ্যাব্রুজ্জির একটা গুদামঘর তদারকির দায়িত্বে ছিল সে।

বাকি দশটা লোকের মতোই, ধার্মিক।

হেই, নিকি, নিকি, নিকি!

মুখ খুললে পরিণাম কী হতে পারে বলেছিলাম?

জন, প্লীজ।

জনি, প্লিজ! না!

কিন্তু একজন এই খুনের আগুনে আরও ঘি ঢেলে দিলো।

সে ভেবেছিল, তাঁর বস অ্যাব্রুজ্জি আর ফ্যালজোন হচ্ছে মুখোশ-ধারী খুনি।

ওর হাতে এমন জিনিস ছিল, যা তাঁদের জীবনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াত।

এখন ওর সাক্ষ্যর উপরেই তাঁদের বাঁচা-মরা নির্ভর করছে।

জজ বলেছিল, কেন সে এই প্রমাণগুলো সবার সামনে উপস্থাপন করতে চাচ্ছে!

সে বলেছিল, এটা করাই উচিৎ বলে তাঁর মনে হয়েছে।

আমাদের এখন কী করা উচিৎ, মাইকেল?

ঠিক জানি না।

কিন্তু এখন ওর সাথে না থাকলে, পুরো জিনিসটাই ভেস্তে যাবে।

মানে কী বলছিস তুই? যদি আমি বাঁচতে চাই...

একজন ভালো মানুষকে মরতে হবে।

- কেলারম্যান। - একটু সময় নিয়ে কথা বলা যাবে?

হ্যাঁ। আমরা এখন ঠিক কোথায় আছি জানি না, কিন্তু...

- আমার এক বন্ধু মাঠে নামতে চাইছে। - বন্ধু?

তোমরা কোন অবস্থায় আছ, শুধু তা দেখার জন্য।

আমরা তো সঠিক পথেই এগোচ্ছি। সবকিছু নিয়ন্ত্রণেই আছে।

পরে কী হবে, তা নিয়ে একদম চিন্তা করবেন না।

পরের চিন্তা করছি না। শুধু জেনে রাখো, আমার বন্ধু একজন সমস্যা সমাধান-কারী।

কোনো সমস্যা থাকলে ওকে জানাতে পারো। সে সমাধান করে দিবে।

ওকে দলের অংশ ভেবে নিতে পারো। বুঝলে?

পরে কথা হবে।

- কী? - দলে নতুন মাল ঢুকচ্ছে।

- এর মানে কী? - কথাবার্তায় অন্য কিছুর আভাস পাওয়া গেছে।

সে কি ছোকরাটার কথা জেনে ফেলেছে?

জানি না তো।

তাঁকে ছেলেটার ব্যাপারে কিছু জানানোর দরকার নেই।

ওকে কি বলব, ছেলেটা পালিয়ে গেছে বলে আমরা অন্য জায়গায় আছি?

- খোদা, ক্রমশ জট পাকিয়ে যাচ্ছে। - কী বুঝাতে চাইছ?

আগে যদি জানতাম, সবকিছু এত ভেজালের দিকে আগাবে...

তাহলে ফেডেরালের সাথে আগেই সব বন্দোবস্ত করে রাখতাম।

তারপর ঝামেলা থেকে দূরে থেকে, সারাদিন ডেস্কের পিছনে বসে কফি গিলতে পারতাম।

এমন কথা বললে, তোমার কপালে বন্দুক ঠেকাতে বাধ্য হবো।

যে-ই ওর বন্ধু হোক না কেন,

তাঁর উদ্দেশ্যটা আমাদেরকে জানতে হবে। তারপর ঝোপ বুঝে কোপ মারা যাবে।

মাইকেল, আয় একটা জিনিস দেখাই।

জার্সি! কার্পেটটা কি গার্ড রুমে বিছানো হবে?

হ্যাঁ, তাই মনে হচ্ছে।

- কখন? - জঞ্জাল সাফ করার পর।

যত তাড়াতাড়ি জঞ্জাল সাফ করা যায় আরকি! আজ রাতেই সম্ভবত।

ওরা গর্তটা বের করে ফেলবে ব্রো!

আমাদেরকে কিছু একটা করতে হবে।

লিংক, চো।

- কী এটা? - এটা হলো...

তোমার লাস্ট মিলের জন্য।

যা খেতে চাও, এখানে লিখে দাও।

লিংক, এখানে কিছু একটা লিখতে হবে।

আমার কোনো খায়েশ নেই।

কিছু না লিখলে, ওইদিনও কিন্তু চো দেয়া হবে।

- তো? - এই সস্তা জিনিস খেয়ে কী লাভ ভাই?

যদি কিছু মনে চায়, লিখে রেখো।

হেই, কানা ভাই।

তোর কি কিছু লাগব, নিগগা?

একটা চাকরী দরকার।

আমরা কি এখানে কোম্পানি খুলে বসেছি?

প্রতি মাসে ১০০ করে দিব।

তুই কাজ করবি, আর টাকা দিবি আমাকে?

রান্না ঘরে ৮ মাস যাবত আছি। ওইখানে থাকতে থাকতে পাগল হয়ে যাচ্ছি।

হেই! ফিওলেরো, এত কথা কিসের?

১৫০।

দলে নিয়ে নাও তাহলে।

তুমি ঠিকই বলেছিলে,

ব্যাপার এখন আর তোমার-আমার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়,

এটা এখন আমাদের।

- ঠিক ধরেছ। - তো এর জল কতদূর পর্যন্ত গড়াবে?

- যতদূর পর্যন্ত গড়াতে হয়। - তারপর ফ্যালজোনির সাথে আমার একটা মিটিং সেটআপ করিয়ে দিও।

ওর সাথে সরাসরি কথা বলতে চাই।

ফ্যালজোন তোমার সাথে সরাসরি কথা বলবে না।

ফিবোনাচ্চিকে চাইলে, তাকে আমার সাথে সাক্ষাৎ করতেই হবে।

না, না। আমার কথা শোনো।

ছোকরাটা ফিবোনাচ্চিকে এনে দিবে? শিউর?

পাক্কা। পরিবর্তে, সে তোমার সাথে সরাসরি দেখা করতে চায়।

হারামজাদা, এতদিনে একটা কাজের কাজ করেছ।

মনে হচ্ছে, গুণ্ডাগুলোকে ডাকিয়ে তোমায় একটু শায়েস্তা করতে হবে।

- মজা করেছিলাম, জন। - বুঝেছি।

আমি বিকালে এখানে আসব।

আর এসে যদি মনে হয়, আমার সময় নষ্ট হয়েছে...

তাহলে তোমার বিচিগুলো থেথলে দিব। আশা করি বুঝেছ।

- ভালো থেকো, বন্ধু। - তুমিও ভালো থেকো

সে আসছে।

সুযোগটা কাজে লাগিয়ো।

- হ্যালো? - আমি বলছিলাম।

জানি। 'কারাগার' দিয়ে সেভ করে রেখেছিলাম।

ফিবোনাচ্চিকে নিয়ে কী প্ল্যান সাজিয়েছিলাম, মনে আছে?

- হ্যাঁ। - বেশ...সেটার সময় হয়েছে।

- তোমায় হতবিহ্বল লাগছে। - মাথায় অনেক চিন্তাভাবনা ঘুরপাক খায় যে!

আসলেই?

যারা তোমার আঙুল কেটেছিল, তাদের কী হবে?

- ফুলগুলো সুন্দর। - ঠিক।

- বয়-ফ্রেন্ড দিয়েছে নাকি? - বাবা দিয়ে পাঠিয়েছে।

- কী উপলক্ষে? - আমার জন্মদিন উপলক্ষে।

- আজ? - হ্যাঁ।

- শুভ জন্মদিন। - ধন্যবাদ।

আচ্ছা।

জন্মদিনে আসলে আফসোস করার কিছু নেই...

যদি সে মানুষটার বয়স নিয়ে মাথাব্যথা না থাকে।

বিষয়টাকে কীভাবে নিবে, তা সম্পূর্ণ তোমার ব্যাপার।

আমার বয়স এখন ২৯, মাইকেল। আর বয়স নিয়ে আমার বিশেষ মাথাব্যথা নেই।

এই ২৯ বছরে পা রাখার পরেও, বাবা আমায় এখনো...

সেই ৬ বছরের খুকির মতোই আদর করো।

তাই ফুলগুলো পাঠিয়ে দিয়েছে।

কিন্তু ফুলগুলো এক হপ্তা পরে শুকিয়ে আবর্জনায় পরিণত হবে।

- কথাটা মন্দ শোনাচ্ছে, তাই না? - কিছুটা।

সেটা ব্যাপার না। তোমার কাজ শেষ। কাল আবার দেখা হবে।

আচ্ছা।

এটার জন্য দুঃখিত।

মানে, ফুলগুলোর জন্য আরকি!

- এগুলো অন্য রুমে নিয়ে যা! - ঠিক আছে বস।

ওই, আমার কাছে দে। আমি নিচ্ছি।

- ছেলেটা অনেক কষ্টে আছে, তাই না? - মাত্রই মাকে হারিয়েছে।

১০ দিন পর হারাতে যাচ্ছে বাবাকে।

এখন কেমন লাগছে?

আসলে জানো...

আমিও এমন পরিস্থিতি পার করে এসেছি, এলজে।

ওহ, আমার তা জানা ছিল না।

না, বাবার সাথে...

তোমার বয়সী থাকতে, আমার সাথেও ঠিক একই ঘটনা ঘটেছে।

তোমার বাবার মতো তিনিও নির্দোষ হওয়া সত্ত্বেও জেলে বন্দী ছিলেন।

কী হয়েছিল? মানে এই কাহিনীর পরিসমাপ্তি?

আমার মনে হয় তাঁকে ফাঁসানো হয়েছিল।

- ওরা তাঁর উপর কী দোষ চাপিয়েছিল? - অনেক কিছুই।

এগুলোর একটাও সত্য ছিল না। আমরা প্রমাণ পেয়েছিলাম।

জানতাম কিছু করা যাবে না। তবুও আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করতাম।

প্রিয় মানুষগুলো এমন অবস্থায় পড়লে কেমন লাগে? এভাবে তাদেরকে চলে যেতে দিবে?

তাই তুমিও শক্ত থাকো। চেষ্টা চালিয়ে যাও।

কখনো হাল ছেড়ে দিও না।

আমরা একসাথে এই দুঃসময় কাটিয়ে উঠবো।

বুঝলে?

- হ্যালো। - হ্যালো।

আমার জন্য অপেক্ষা করছিলে? এসব তো মিউচুয়াল ফ্রেন্ডের মাধ্যমে অ্যারেঞ্জ হয়েছে।

- হ্যাঁ। - ভেতরে আসতে পারি?

অবশ্যই।

হেই, কী অবস্থা...

- আসলে আপনার নামটা? - কুইন।

মি. কুইন, যদি বলতেন এখানে আমাদের কাজটা কী মূলত?

আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে থাকলে কাজের ব্যাপারে কিছু জানতে পারবে না।

ধরে নাও আমি একজন পরিদর্শক...

সবকিছু ঠিক ভাবে চলছে কি না, নিয়ন্ত্রণে আছে কিনা, তা নিশ্চিত করে এসেছি।

কোনোসময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেছে বলে মনে হয় না।

তোমরাই তো সেটা ভালো জানবে, তাই না?

আমার আসার একমাত্র কারণ হলো, তোমরা ভাইস প্রেসিডেন্টকে যা বলেছ...

আর তোমরা যা করেছ, তার মধ্যে কোনো মিল নেই।

যে আইনজীবীদের মারার চেষ্টা করেছ, তারা এখনো হাওয়া খেয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

ছোকরাটারও কোনো খোঁজ-পাত্তা নেই।

অথচ বুড়ো মহিলাকে বুঝিয়েছ যে, সবকিছু ঠিক ভাবেই চলছে।

আমি যা বলেছি, তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলো।

সবকিছু আমাকে বুঝিয়ে দাও, যাতে নিজেদের ইজ্জতটা বাঁচাতে পারো।

সবার প্রথমে...

না! না।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left