The first 182 lines.
পাকিস্তানী ড্রামা সিরিজঃ আলিফ(Alif) Episode-12
আমাকে এই পরীক্ষায় ফেলিও না আল্লাহ!
শতবছর ধরে আমার পরিবার তোমার ইবাদত করে আসছে।
অনুগ্রহ করে এটাকে শেষ করে দিও না।
ও আমার আল্লাহ,
তাহার মন থেকে হুসন-ই-জাহানকে বের করে দাও।
সে তার মন ০৭ দিনে হরণ করেছে।
তুমি যদি চাও তাকে ০৭ মিনিটে বের করতে পারবে।
তুমি ছাড়া এটা আর কেউ করতে পারবে না।
অনুবাদ আয়োজনেঃ ۞ T E A M │ │ │ │ W B M F ۞
সহযোগিতায়ঃ ۞ Team │ │ │ │ Projapoti ۞
অ
অনু
অনুবা
অনুবাদে
অনুবাদেঃ
অনুবাদেঃ সু
অনুবাদেঃ সুম
অনুবাদেঃ সুমন
অনুবাদেঃ সুমন হো
অনুবাদেঃ সুমন হোসে
অনুবাদেঃ সুমন হোসেন
অনুবাদেঃ সুমন হোসে
অনুবাদেঃ সুমন হো
অনুবাদেঃ সুমন
অনুবাদেঃ সুম
অনুবাদেঃ সু
অনুবাদেঃ
অনুবাদে
অনুবা
অনু
অ
মুভি, সিরিজ এবং সাবটাইটেল সম্পর্কিত সকল লেটেস্ট আপডেট পেতে জয়েন করুন আমাদের গ্রুপেঃ
Film Society
মনে হয় তুমি তোমার পছন্দ ঠিক করে ফেলেছ।
বাবা,
তার সামনে এমন কিছু বলবেন না।
সে কী ভাববে?
আমি তার পরোয়া করি না।
তার এখানে আসা উচিত হয় নি।
কেন তাকে এনেছ?
তুমি কী বলতে চাও যে হুসন-ই-জাহান...বাবা,
কারো সাথে আপনার তুলনা হয় না, আপনি জানেন।
তুমি আমার কোন সম্মান রাখোই নাই।
তুমি এর আগে কখনই আমার কথার অবাধ্যতা করো নাই।
এবং যখন করলে,
এত বড় করলে যে তুমি আমাকে কোন কিছুর যোগ্যই রাখলে না।
আমার সব অহংকার আর গৌরব ধূলিস্মাৎ করেছ তুমি।
আপনি বললে, আমি আপনার পদতলে বসে থাকব।
মনে করুন যে আমার ভুল হয়েছে, আমাকে মাফ করে দিন।
কতবার ক্ষমা চাবে?
গত ১০ দিনে এতো বার ক্ষমা চেয়েছ আর প্রতিবার,
মাফ চাওয়ার পরে তত বড় ভুলই করেছ তুমি।
আপনি আজ পর্যন্ত আমার সাথে উচ্চস্বরে কথা বলেন নাই।
আপনার রাগ নামক জিনিসের সাথে পরিচিতও নই আমি।
আপনার কপালে আমার জন্য কখনো চিন্তার ভাঁজ পড়ে নাই। এখন কী হলো? কী এমন করেছি আমি?
ঝুঁকিতে ফেলেছ তুমি,
আমাদের পরিবারকে, অনাগত প্রজন্মকে, ঝুঁকিতে ফেলেছ তুমি।
এখন তোমার এই হাত শুধু একজন নারীর ঠোঁট, তার চোখ, তার চেহারা আঁকবে।
এই হাত আল্লাহর নামকে আঁকবে না।
ঠিক আছে,
আপনার যদি এমন মনে হয় তাহলে আমি চলে যাচ্ছি আপনার বাড়ি থেকে, আর কখনো ফিরে আসব না।
সে একটা শয়তান।
সে তােমাকে প্রলুব্ধ করছে, সে তোমাকে ভুল বুঝিয়ে এখান থেকে নিয়ে যাবে।
সে হুসন-ই-জাহান।
আল্লাহ তাকে আমার কাছে এনেছে।
আমার হৃদয়ে জায়গা দিয়েছে।
সে একটা খারাপ আত্মা!
আল্লাহ নয়!
আপনার যা ইচ্ছা বলেন। তাহা,
তুমি জানো তুমি কী আঁকতে?
আর এখন তুমি কী আঁকছ?
এটা?
এটা?
এটা।
০৭ প্রজন্মে আমাদের পরিবারের একজনও,
আল্লাহর নাম ছাড়া অন্য কিছু আঁকে নাই।
তুমি কোন হুসন-ই-জাহানের ঠোঁট, চোখ এবং অবয়ব আঁকা শুরু করেছ?
তাকে ত্যাগ করো, এখনই।
ফিরে আসো।
ভ্রান্ত রাস্তা থেকে।
সেখানে ভালোবাসা আছে।
ওখানে ভালোবাসার ভ্রম আছে।
আমি তাকে ছাড়া কিছু দেখতে পাই না।
তাহলে নিজেকে আল্লাহর বান্দা বলিও না।
চোখ থেকে সরে গেলে,
এখানে চলে আসবে।
এখান থেকে চলে গেলে,রক্তে দৌড়ানো শুরু করবে।
যদি এখান থেকে চলে যায়, এখানে আসবে।
এখানে, এখানে এবং এখানে; সবখানে। কোথা থেকে বের করে দিব?
এখানে,
এখানে, এখানে, এখানে,
এখানে কেবল আল্লাহ থাকতে পারে।
তিনিই
যিনি সবখানে আছেন।
ভালোবাসাও হতে পারে।
ভালোবাসা তোমার মৃত্যু। তাতে জাদুও আছে।
যে হাত,
আল্লাহর নাম লেখার জন্য পছন্দ করা হয়েছে,
কারো স্তুতির জন্য তাদের ব্যবহার করিও না তাহা।
করিও না।
আল্লাহ তোমার কাছ থেকে ওই মেধা কেড়ে নিবে।
আপনার কী মনে হয়?
আমি আল্লাহর নাম লেখা ভুলে যাব?
আপনি ভুল বলছেন। আমি ১০ বছর ধরে ক্যালিগ্রাফি করছি।
আমি তাঁর নাম কিভাবে ভুলতে পারি?
তিনি অদ্বিতীয়,
অন্য কারো উপস্থিতি মেনে নেবেন না।
তোমার হাত যদি,
অন্য কারো স্তুতি করে,
তিনি সেই সৌন্দর্যই ছিনিয়ে নিবেন।
সে হুসন-ই-জাহান।
এবং আল্লাহ সৌন্দর্য পছন্দ করেন।
আমার মনে আল্লাহই তার জন্য ভালোবাসা সৃষ্টি করেছেন।
তিনিই সেটা বের করতে পারবেন। আপনি বের করতে পারবেন না।
আমি দোয়া করি যে তিনি তোমার মন থেকে তাকে বের দিক।
হুসন-ই-জাহানকে তোমার মন থেকে বের করে দিক।
চলো এখান থেকে।
ওটাই শেষ বার যখন আমি তাহাকে জীবিত দেখেছিলাম।
এবং জীবনে প্রথম বার কাউকে ঘৃণা করেছিলাম।
হুসন-ই-জাহানকে।
তার যাওয়ার পরে, প্রথম বার
তার একটা চিঠি এসেছিল।
প্রথম চিঠির পর প্রতিমাসে তার একটা চিঠি আসত।
শুধু একটা বাক্য "বাবা আমাকে মাফ করে দিন।"
আর আমি প্রতিবার তার চিঠি একবার পড়ে রেখে দিতাম।
শুধু এই চিঠিটা প্রথম বার পড়ার পরে আমি রাখতে পারি নাই।
যাতে তোমার জন্মের খবর ছিল।
কালবে মোমিন এসে গিয়েছিল।
আর আমিও তাকে মাফ করার ব্যাপারে চিন্তা করতে লাগলাম।
প্রতিরাতে মাফ করার কথা লেখার জন্য কাগজ নিতাম, কিন্তু ওই কাগজে হুসন-ই-জাহান চলে আসত
এবং আমার সব কথা হারিয়ে যেত।
০৩ বছর পরে, তাহার চিঠি আসা বন্ধ হয়েছিল।
আমি প্রতিদিন তার চিঠির অপেক্ষা করতাম এবং প্রতিদিন আফসোস করতাম যে কেন তাকে মাফ করলাম না।
মাফ করা উচিত ছিল।
তারপরে একদিন আমি তাকে চিঠি লিখলাম ওই ঠিকানায়,
যেখান থেকে চিঠি আসত।
এবং ০৮ বছর পরে যখন আমি আল্লাহকে হাজারো প্রশ্ন করতে শুরু করলাম, আমি একটা পার্সেল পেলাম,
তোমার মা হুসন-ই-জাহানের কাছ থেকে।
ওই পার্সেলে একটা চিঠি ছিল, তাহার নামে।
কালবে মোমিনের সব চিঠি পাঠাচ্ছি তোমাকে।
আমার কাছে তার কোন প্রশ্নের জবাব নাই। হয়ত তোমার কাছে আছে।
তোমাকে ওয়াদা করেছিলাম,
যে তোমাকে কখনো ডাকব না।
কিন্তু কালবে মোমিন সব ওয়াদা ভাঙালো।
ওই চিঠি পড়ে আমি বুঝতে পারি নাই সে কেন আমার কাছে তাহাকে খুঁজছিল।
আমি মনে করলাম যে তাহা কোন কারণে রাগ করে সেখান থেকে চলে এসেছে।
জীবন আমাকে আরেকটা সুযোগ দিয়েছিল, সবকিছু ঠিক করার জন্য।
আমি সেই সুযোগ হারাতে পারতাম না।
আমি হুসন-ই-জাহানকে চিঠির উত্তর দিলাম।
তোমার চিঠি পড়ার পরে, আমিও তোমাকে লিখছি
কিন্তু আমি হুসন-ই-জাহানকে বললাম না যে তাহা আমার কাছেও নাই।
কালবে মোমিন, কালবে মোমিন,
আমার বাবা কোথায়? তিনি আসেন নাই?
আসসালামু আলাইকুম!
ওয়ালাইকুম আসসালাম। - তাহা কোথায়?
আমার বাবাকে ডাকুন।
সে আমার কাছে নাই।
যখন তোমাকে প্রথম দেখি তখন তোমার বয়স ০৮ বছর।
এবং আমি অনুভব করলাম যে আমি তাহার শৈশব দেখছি।
সে তোমার মতোই ছিল।
বাইরে সাইকেল পড়ে আছে, ভিতরে নিয়ে আসো।
যদি সে আপনার কাছে থাকে, দয়া করে তাকে পাঠিয়ে দিন, আমি ক্লান্ত হয়ে গেছি।
মোমিনের তাকে প্রয়োজন।
আমি ওর মা-ই থাকতে চাই, বাবা হতে চাই না।
সে আমার কাছে নাই।
আমাকে সন্দেহ করিও না।
আমি যদি মিথ্যা বলতাম, এখানে কেন আসলাম?
আমি তার মুখটা দেখার জন্য বহু বছর ধরে অস্থির হয়ে গেছি।
সে আমার একমাত্র পুত্র।
ভুল আমার ছিল,
জেদি হয়ে গিয়েছিলাম,
আপনি অহংবোধ দেখিয়েছিলেন।
আমাকে প্রত্যাখান করেছিলেন, তাই আমি তাকে আপনার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছিলাম।
ভুল তোমার ছিল না।
আমার ভুল ছিল।
সেটা অহংবোধ ছিল না,
ভয় ছিল।
আমার বোঝা উচিত ছিল যে,
আমি তাকে খুঁজে আনব, বুঝিয়ে দিব।
সে তোমার কাছে ফিরে আসবে।
এই পৃথিবীতে আপনি একমাত্র ব্যক্তি যাঁর কথায় সে আমাকে ক্ষমা করতে পারে।
No comments yet. Be the first to leave one.