The first 200 lines.
এখানে কী করছ তুমি?
আমি মাত্রই কাটলাম এগুলো।
আমাদের সাথে আসতে হবে তোমাকে।
অনুবাদে - কুদরতে জাহান
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।
জামা খুললাম, বস।
ঠিক আছে ড্র্যাগলাইন, খোলো।
- ঘাম মুছবো, বস? - ঠিক আছে, কোকো, মুছে ফেলো।
পানি খাবো, বস?
ঠিক আছে, গ্যাম্বলার, খাও।
কোনদিকে নজর দিচ্ছ, সোসাইটি?
আমার ইয়ো ইয়োটা চেক করছি, বস।
ড্র্যাগ, নতুন মাল এসেছে।
একটা, দুইটা না, কম করে হলেও ছয়টা।
পাঁচটার বেশি হবে না, ঠাণ্ডা কোক বাজি ধরলাম।
ঠিক আছে, সবাই লাইন ধরে দাঁড়াও এখানে।
ডগবয়, কুত্তাগুলোকে থামাও।
বস, নতুন মানুষের গন্ধ পেয়েছে তো, তাই এমন করছে।
আজকে কাদেরকে নিয়ে এলে?
গিবসন, ইচ্ছাকৃতভাবে মানুষ খুন।
৪০ বছরের যাবজ্জীবন।
ওটা দুর্ঘটনা ছিল। আমি আগে কোনো অপরাধ করিনি।
তুমি ক্যাপ্টেনকে "ক্যাপ্টেন" বলে ডাকবে।
এডগার পটার, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বাধা দিচ্ছিল, স্বেচ্ছায় ধরা দেয়নি।
এক বছর।
আমি বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে চাচ্ছিলাম।
কানে ময়লা ঢুকেছে নাকি? ক্যাপ্টেনকে "ক্যাপ্টেন" বলে ডাকবে।
আর আমাদের সবাইকে "বস" বলে ডাকবে, বুঝেছ?
আমরা সবাই মনে হয় এই লোককে নিয়ে গর্ব করতে পারব, মিস্টার হানিকাট।
রেমন্ড প্র্যাট।
জ্বি, ক্যাপ্টেন।
দরজা ভেঙে ডাকাতি এবং আক্রমণ।
৭৫ বছর যাবজ্জীবন।
এই লোক নাবিক।
আমাদের এখানে কাজে লাগবে, ক্যাপ্টেন।
হয়তো।
লুকাস জ্যাকসন।
আছি, ক্যাপ্টেন।
মদ্যপ হয়ে নির্মমভাবে নাগরিক সম্পদ ধ্বংস করেছে।
কী বললে?
পার্কিং মিটারের মাথা কেটে ফেলেছে, ক্যাপ্টেন।
এরকম অপরাধ তো আগে কাউকে করতে দেখিনি।
এসব করে কী উদ্ধার করবে ভেবেছিলে?
আমি আসলে কিছু ভেবে এসব করিনি, ক্যাপ্টেন।
তুমি নাকি যুদ্ধে দারুণ পারদর্শিতা দেখিয়েছ।
একটা সিলভার স্টার, ব্রোঞ্জ স্টার, কয়েকটা পার্পল হার্ট পেয়েছ...
...সার্জেন্ট হয়েছ। কিন্তু এসবের কিছুই গ্রহণ করোনি তুমি।
বাক প্রাইভেট হয়েই বেরিয়ে এসেছ।
আমি আসলে শুধু সময় কাটাচ্ছিলাম, ক্যাপ্টেন।
বেশ, এখানেও কিছু সময় কাটাতে পারবে, দুই বছর ধরে।
আচ্ছা। তেমন কিছু না।
এখানে ৩০০ বছরের যাবজ্জীবন পাওয়া লোকও আছে।
একজন আছে যে সবধরনের শাস্তি পেয়েছে।
সবধরনের লোক আছে এখানে, তুমি ভালোই মানিয়ে নিতে পারবে।
অবশ্য, খরগোশের স্বভাব জাগতে পারে তোমার মনে...
...বাড়িতে চলে যাওয়ার ইচ্ছা হতে পারে, তাহলে জেলের মেয়াদ আরো বাড়িয়ে দেয়া হবে...
...সাথে পায়ে একজোড়া বেড়িও জুটবে, যাতে ছোটাছুটি করতে না পারো।
তোমাদের ভালোর জন্যই এসব, আস্তে আস্তে শিখে যাবে সব নিয়ম।
সবকিছুই তোমাদের ওপর নির্ভর করছে।
আমি এমনিতে ভালো মানুষ, তবে পাঁড় শয়তানও হয়ে যেতে পারি চাইলে।
সবকিছুই তোমাদের ওপর।
ঠিক আছে, চলো সবাই।
একজন একজন করে যাও। !
জামাগুলোর গায়ে লন্ড্রি নম্বর দেয়া আছে।
নিজেদের নম্বর মনে রাখবে, সবসময়ে সেই নম্বরের জামা পরবে।
কেউ নিজের নম্বর ভুলে গেলে তাকে এক রাত বাক্সে থাকতে হবে।
এই চামচগুলো নিজের সাথে রাখবে।
কেউ নিজের চামচ হারিয়ে ফেললে তাকে এক রাত বাক্সে থাকতে হবে।
এই বিল্ডিঙে কোনো মারামারি কিংবা পুটকিমারা চলবে না।
কারো বিরুদ্ধে তোমার ক্ষোভ থাকলে, শনিবার বিকালে তার বিরুদ্ধে লড়ার সুযোগ পাবে।
কেউ এই বিল্ডিঙে মারামারি কিংবা পুটকিমারার চেষ্টা করলে তাকে এক রাত বাক্সে থাকতে হবে।
ব্যাঙ্কে ফিরে আট মিনিট সময় পাবে, পাঁচ মিনিটের মাথায় প্রথম ঘণ্টা পড়বে।
আট মিনিটের মাথায় শেষ ঘণ্টা।
আট মিনিটের মাথায় কেউ ব্যাঙ্কে না গেলে তাকে এক রাত বাক্সে থাকতে হবে।
বিছানায় আধাশোয়া হয়ে সিগারেট টানা যাবে না।
সিগারেট খেতে চাইলে দুই পা বিছানার এক পাশে ঝুলিয়ে রাখবে।
কাউকে আধাশোয়া হয়ে সিগারেট টানতে দেখা গেলে ...
...তাকে এক রাত বাক্সে থাকতে হবে।
তোমরা দুইটা চাদর পাবে।
প্রতি শনিবারে পরিষ্কার চাদরটা ওপরে বিছাবে...
..ওপরের চাদরটা নিচে...
...নিচের চাদরটা কাপড় ধোয়া ছেলেটাকে দেবে।
কেউ ভুল চাদর জমা দিলে তাকে এক রাত বাক্সে থাকতে হবে।
কেউ নোংরা প্যান্ট পরে বাংকে বসবে না।
নোংরা প্যান্ট পরে কাউকে বাংকে বসতে দেখা গেলে তাকে এক রাত বাক্সে থাকতে হবে।
কেউ নিজের খালি কাঁচের বোতল জমা না দিলে তাকে এক রাত বাক্সে থাকতে হবে।
কাউকে জোরে কথা বলতে শোনা গেলে তাকে এক রাত বাক্সে থাকতে হবে।
কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার কাছে আসবে।
আমি কার, এখানকার ফ্লোর ওয়াকার। এখানকার শৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব আমার।
কেউ শৃঙ্খলাভঙ্গের চেষ্টা করলে তাকে এক রাত...
...বাক্সে থাকতে হবে।
আশা করব তোমাকে সামলাতে খুব বেশি বেগ পেতে হবে না।
মাত্র চারজন। কী বলেছিলাম? আমাকে একটা ঠাণ্ডা কোক খাওয়াও।
হ্যাঁ, হ্যাঁ, আমি তোমার কাছে ঋণী।
হেই, তোমাদের কারো বাড়ি কি কানেক্টিকাটে?
আচ্ছা বাদ দাও।
পরিষ্কার হও সবাই!
পরিষ্কার হও!
তোমরা এখনো বসে বসে কী বাল ফেলছ? পা চালাও!
পরেরবার আমার জায়গা থেকে দূরে থাকবে।
আরেকবার এখানে বসতে আসলে ছুঁড়ে নিচে ফেলে দেবো।
এই সিট শুধুই তোমার, জানতাম না.
তুমি আরেকজনের সিটে বসতে পারো না, মিয়া।
এটা ওর দোষ না, কেউ ওকে কিছু বলেনি...
একটু সামলে চলো, ছেলে। গেঁয়ো চণ্ডালের মতো ভাব দেখাচ্ছ।
"চণ্ডাল।" এই তো। খুব সুন্দর।
ভালো, তুমি তোমার অকর্মা কামলা নামটা পেয়ে গেলে।
আমি এর থেকে খারাপ গালি শুনেছি।
আমি যখন নেভিতে ছিলাম...
নতুন মালেরা শোনো...
...এই কামলার দলে ঢুকতে হলে জলদি জলদি শরীর বানাতে হবে।
আমাদের এখানে কিছু নিয়ম আছে।
সেগুলো শিখতে চাইলে ...
...মুখের চেয়ে কানটাকে বেশি চালাতে হবে।
কেউ কি কিছু বলল?
না, আমি কিছু বলিনি, বস।
তোমার নাম কী হে?
লুকাস জ্যাকসন।
নাহ, ড্র্যাগলাইন তোমাকে যে নাম দেবে, ওটাই তোমার নাম।
এটাকে বয়রা বলে ডাকা যায়। তুমি কথা শুনতে পছন্দ করো না, তাই না ছেলে?
শোনার মতো তেমন কিছু তো কানে আসলো না।
একগাদা লোক মিলে একগাদা আইন-কানুন বেঁধে দিচ্ছে।
ড্র্যাগ, নতুন মালকে দেখে তো পোকার খেলোয়াড় মনে হচ্ছে।
হলে আমি অবাক হবো না।
আমি জানি তোমার হাতখরচের জন্য পাঁচ ডলার আছে।
তাতে এক মুঠোভর্তি কার্ড কিনতে পারবে। খেলবে, নাকি খেলবে না?
খেলব না।
প্রথম ঘণ্টা।
কাটা দাগটা কীভাবে হয়েছে?
কোন কাটা দাগ?
শেষ ঘণ্টা।
শেষ ঘণ্টা।
পঞ্চাশ, বস।
ঠিক বলেছ, কার। পঞ্চাশ।
এখানে উঠলাম, কার।
আমার নজর রাখার সিট থেকে সর, বুদ্ধু। এসব নতুন মাল নিয়ে ঝামেলা।
আমি সেলসম্যান ছিলাম, এ রাস্তাগুলোতে সবসময়ে গাড়ি চালাতাম।
ড্র্যাগ, আজকের দিনের গরমটা একদম গোয়া মেরে দেবে।
আমি নিশ্চিত আজকে রাস্তা দিয়ে একটা ভালুককে হাঁটতে দেখা যাবে।
হাতে ঝাড়ু পেয়ে নিজেকে ভাগ্যবান লাগছে।
আমি ওপরে কাজ করব, আরামের চাকরি। আজকে খাদে কাজ করতে পাঠালে জান শেষ।
আমাদের খাদে কাজ করাবে?
কী সমস্যা তোমার?
চেইন গ্যাং - কয়েদীদের শাস্তির অংশ হিসাবে কায়িক শ্রম করানো
এত যে গাড়ি হাঁকিয়ে বেড়াতে, জীবনে কোনোদিন চেইন গ্যাং দেখোনি?
আমি কোনোদিনও এত কষ্টের কাজ করিনি। সবসময়ে এসব এড়িয়ে চলার চেষ্টা করতাম।
আমি নিজেও এ নিয়ে খুব খুশি নই।
বেশ, ঠেকে শেখার জন্য আজকের দিনটা খুব কষ্টে যাবে।
নতুন মালটাকে আজকের জন্য ...
...তোমার ঝাড়ুটা দাও না?
কী যে বলো, সোসাইটি। আমি ওই খাদে নামবো না।
নামলে খুব খুশি হতাম। আমার শরীরটা আজকে ভালো নেই।
হেই, কোকো, তুমি সত্যিই তোমার কাজ বেচতে চাও?
এছাড়া তো উপায় নেই, ড্র্যাগ।
যুদ্ধজয়ী বীর লুকাস হয়তো এক্ষেত্রে তোমাকে সাহায্য করতে পারবে।
আমি তোমাকে পঞ্চাশ সেন্ট দেবো।
এরকম কাজের জন্য পঞ্চাশ সেন্ট? অন্তত এক ডলার লাগবে।
এক ডলারই দেবো।
তাহলে সেই কথাই রইলো।
যুদ্ধজয়ী বীর? কোথা থেকে জানলে?
একটা ছোট পাখি বলেছে আমাকে।
কীসের যেন মাথা ভেঙ্গে ফেলছিলে?
গামবল মেশিনের?
এই বয়সে এসব কী ধরনের ছেলেমানুষি কাজকারবার?
ছোট শহর তো, সন্ধ্যাবেলায় করার মতো কোনো কাজ থাকে না।
একটা পুরানো ঘটনার শোধ নিচ্ছিলাম আসলে।
বস, এই লোকের ঝাড়ু নেবার চুক্তি করেছি আমি।
- আপনি বুঝছেন না, আমি একটা চুক্তি করেছি। - হাঁটো তো।
কিন্তু আমি তো একটা চুক্তি করেছি।
কাজে যাও।
আস্তে, আস্তে। এভাবে চললে দুই ঘণ্টাও টিকবে না।
জামা খুলব, বস?
হ্যাঁ, ড্র্যাগলাইন, খোলো।
- জামা খুলব, বস? - হ্যাঁ, খোলো।
পানি খাবো, বস?
একজন মাথা ঘুরে পড়ে গেছে, বস!
ঠিক আছে।
খেতে বসো সবাই!
ও শেষ করতে না পারলে ঠাণ্ডা কোক খাওয়াবো।
ও পারবে না।
হেই বাবালুগাটস, ধরলাম বাজি তাহলে।
- বস, পানি খেলাম। - ঠিক।
কে ওটা?
ওটা গডফ্রে।
হেঁটে হেঁটে তদারকি করা বস।
সে কি কখনো কথা বলে না?
মনে হলো এইমাত্র কিছু বলল।
ঐ লোককে একটা কোক খাওয়াতে হবে তোমার।
ঠিক আছে!
অ্যাই গিবসন, সামনে এসে দাঁড়াও।
পল বস বলল, তুমি নাকি তোমার কাজ নিয়ে খুশি নও।
তুমি নাকি অভিযোগ করেছ।
আমরা তোমাকে এ নিয়ে একটু ভাবার সুযোগ করে দিচ্ছি।
ঠিক আছে।
চলো।
জামা খোলো।
প্রথম ঘণ্টা।
কঠিন কাজটা অবশেষে আমাদের যুদ্ধজয়ী বীরকে টলাতে পেরেছে।
আমি সকালেই এ কাজে ফিরব। একটু ঘুমিয়ে নেই কেবল।
হায়রে, প্রথম দিনেই ওকে বাক্সে পাঠাবে, ভাবিনি।
No comments yet. Be the first to leave one.