The first 200 lines.
অনুবাদ ও সম্পাদনায় ❝ আর. এ. রিফাত ❞
👽 ⭐ ⭐ এটি আমার ❝ চার তম ❞ পূর্ণাঙ্গ বাংলা সাবটাইটেল ⭐ ⭐ 🤖
মূর্তিতে কেউ হাত দেয়নি তো? না, স্যার।
কী হয়েছে?
স্যার, ওরা আসল মূর্তির নকল মূর্তি রেখে গিয়েছে...
আসলটা চুরি করে নিয়েছে।
আচ্ছা, মূর্তি ঠিক আছে এবং শুধু খুন হয়েছে এরকম একটা এফআইআর লিখে...
খুনের তদন্ত শুরু করো।
স্যার, আসল মূর্তিটা টা তো গায়েব।
কাজটা অন্যায় হবে।
আমি এরকম ১৫টা এফআইআর বানিয়েছি।
কী চাও তুমি?
চুরির মামলা দায়ের করি আর মানুষ এসে মিছিল শুরু করুক।
এতে করে আইন শৃঙ্খলা বাধাগ্রস্থ হবে।
এসব মারপ্যাচ তুমি বুঝবে না, যেরকম বলি সেরকম করো।
ঠিক আছে, স্যার।
চলো!
ভার্মা ভাই, চোখ খুলে তাকাও।
আমি কিছুই করিনি।
আমি আর কখনো বেঈমানী করবো না।
ভার্মা ভাই, প্লিজ কথাটা শোনোনা।
আমাদের মধ্যে যেকোনো একজন বেঈমান।
তাহলে তিনজনকেই কেনো সাজা দিচ্ছো?
একটু ভালোভাবে খবর নিয়ে তারপর সিদ্ধান্ত নাও, ভাই।
আমি সিবি-সিআইডি নাকি যে তদন্ত করবো?
তারচেয়ে ভালো সবকটাকে মেরে ফেলা।
একটু তো দয়া করো আমাদের।
এই, দশ বছর আমার সাথে কাজ করে সব দেখে...
এখন ভাবছিস আমি দয়া দেখাবো?
পাগল পাইছস নাকি ?
হেই, ধনরাজ!
তাদের দয়া দেখা।
ধুর! এই মাটির তলায় নেটওয়ার্কই পাচ্ছি না।
এই, দেখ।
হেই! হেই, ধনরাজ!
আমার পরিবারকে ছেড়ে দাও, বার্মা ভাই! হায় ঈশ্বর!
এই, তুই কেন কাঁদছিস?
এটা তোর পরিবার না কি? ওর পরিবারকে দেখা তো।
চাইলে তুমি আমাদের সবাইকে মেরে ফেলো কিন্তু পরিবারকে ছেড়ে দাও।
এটাই হলো আমার দয়া।
তোর পরিবার তোকে ছাড়া কী করবে?
একইভাবে, পরিবার ছাড়া তুই কী করবি?
বার্মা, এই জুলুম যদি তুই চালিয়ে যাস...
শেষে তোকে বাঁচানোর মতো কেউ থাকবে না।
ভার্মা নিজেই নিজেকে বাঁচানোর জন্য যথেষ্ট।
ভার্মা ভাই, ছেড়ে দাও। তুই কে রে, হাহ?
দয়া কর ভার্মা, এমনটা কর না।
হেই, ভার্মা!
হেই! হেই, মুরুগা!
হেই, চোখ খুল! মরে গেলি নাকি?
হেই, জলদি পানি নিয়ে আয়!
জলদি আয়, হেই! চোখ খুল বলছি!
হেই! ও মরে গেছে, বার্মা!
তুই আর আগের ঠান্ডা মাথার মানুষ নেই।
এক ঝাটকায় মেরে ফেললি তাকে!
তাকে কত রকমের কষ্ট দিয়ে মারবো ভেবেছিলাম।
এই তাকা বলছি।
ভার্মা, ধনরাজ নিজেকে বিশ্বস্ত বলে দাবি করে!
যদি সেই বিশ্বাসঘাতক হয়ে থাকে?
ও আমার দিকে আঙ্গুল তুললো?
আয়, মার।
ঠিক ওর মতো আমাকে মার।
হেই, ও আজেবাজে বকছে। তাতে তুই সিরিয়াস কেন হচ্ছিস?
তাহলে আমাকে কেনো দুষলো? উচিত হয়েছে এটা?
আমাকে হাতুড়িটা দে এবার।
এভাবে ঝুলে থাকার পরও আমাকে চ্যালেঞ্জ করিস কেন?
আমাকে দেখা।
মুখটা দেখাও তো, বাবু।
আমার এবং ভার্মার সম্পর্কে এসব কেন বললি?
মূর্তি পাহাড়া দেওয়ার বদলে তুইই আমাকে বকছিস?
মর! মর!
মর!
ভার্মার ব্যপারে তুই কী জানিস?
সে আজীবনের বন্ধু আমার।
বল এখন!
বল। কথা বলছিস না কেনো?
কথা বুলসিস না কেনো।
বকবকওয়ালা মুখ বন্ধ।
ভার্মা, ভাই... ভাই... ভাই...
ভার্মা! হেই, সবাই কান পেতে শোন!
ভার্মা নিজের জন্য কবে মরবে জানিনা।
তবে আমি ভার্মার জন্য মরতে রাজি।
দেখ আমাকে! দেখ আমাকে!
পুনা, ভার্মাকে দেখে রাখবি।
হেই, ভার্মা!
ভালো করে শুন!
হিসাব-নিকাশ সব ল্যাপটপে আছে।
ল্যাপটপ পাসওয়ার্ড : "বার্মা ইজ মাই ফ্রেন্ড"।
বার্মা, কাউকে বিশ্বাস করবি না।
সবকটা ধান্দাবাজ!
ওরা তোকে ঠকাবে!
আমি শালারা মরতে যাচ্ছি, আর তোরা দেখছিস!
বোকাচোদারা, সর!
হেই! তোল ওকে। গেলাম রে! ওয়াও!
হেই, ঢোকা। ভাই, এরকম করো না।
ভাই, ক্ষমা করে দাও।
রবি, ঢোকাস না ভাই।
ঠিক আছে। কী করছে দেখো।
রাখ এখন। আমি পরে দিচ্ছি ফোন।
ভার্মা, কন্টেইনার ধরা পরেছে।
সিনুকে কল কর।
সকাল ৭টায় ঢুকেছিলেন উনি।
আর এখন বাজে ১০টা।
আর কত সময় লাগবে?
ভিডিওই বা কখন বানাবো?
দিনদিন ওনার পতন হচ্ছে।
একটা ইউটিউব চ্যানেল চালানো কত কষ্টের জানা আছে ?
ঋত্বিক, বলেছি না তোর ভিডিও আমি করে দিবো।
আমার তোমার সাহায্য লাগবে না।
তুমি শুধু কাপড় ধুতে থাকো।
হেই, সে করলে কেনো হবে না?
কে এটা?
কে এটা?
আমি। ওহ।
এতো ভালো যে আমিই নিজেই নিজেকে চিনতে পারছি না।
এখনো তিনি বের না হলে, আমি কান্না শুরু করবো।
একটানা ছয় ঘন্টা কাঁদবো।
সবাইকে জ্বালিয়ে তুলবো। হেই, এসব করিস না।
থাম বলছি। কোনো দামই নেই আমার ঘরে।
কোনো সম্মান নেই। কান্নার ভয় দেখাবি না বলছি।
শেষে ঘন্টার পর ঘন্টা শুধু কাদবেই।
আর এদিকে ওনার পূজা শেষ হওয়ার নাম গন্ধ নেই।
শোনো...
তোমাদের কতবার বলেছি পূজা চলাকালীন দরজায় ধাক্কা না দিতে।
তুমি তাকে বলেছিলে ভিডিও করে দিবে।
ঘর থেকে বেরোচ্ছো না বলে অনেক তলি ফলি করছে।
যাও, গিয়ে এখন নিজেই সামাল দাও।
প্রত্যেকবার শুধু আমার উপর চিৎকার।
কোনো একদিন আমার মূল্য কী দেখাবো।
ছেলেটা গেলো কোথায়?
কী বলবে কে জানে।
ওহ স্যার, আপনি এখানে। আসুন, আসুন। দেরি হয়ে যাচ্ছে।
নিজেই দেরি করে...
এখন তাড়াহুড়োর অভিনয় করছো।
তার উপর স্যার বলে মাখন লাগাচ্ছো।
স্যরি স্যার, একটু দেরি হয়ে গেলো।
হ্যাঁ, ক্যামেরাটা দিন। আজ কীসের ভিডিও?
বাগান! বাগান!
বাপরে, বাইরে তো অনেক গরম।
তারচেয়ে চলুন বাথরুম ট্যুর করি। বর্তমানে সেটা বেশ চর্চায় আছে।
বাথরুম ট্যুর?
হ্যাঁ।
দেখুন, তারা কী সুন্দর করে পরিষ্কার করছে।
এখন একটু কমেন্টে গিয়ে দেখো।
মানুষ কী ধরনের গালাগালি করছে।
একশন স্যার!
দীর্ঘ দুইমাস এটার পরিচর্যা এখন এর ফলাফল দেখো বন্ধুরা।
থামো, থামো, থামো।
স্যার, মনে হচ্ছে গাজরটা বাজার থেকে কিনে এনেছেন।
আসল মনেই হচ্ছে না।
৯৬ জন সাবস্ক্রাইবারের জন্য এটাই যথেষ্ট।
সাবস্ক্রাইবারের প্রতি আমাদের বিশ্বস্ত হওয়া দরকার না?
দেখতে যাতে একদম আসল লাগে।
কীভাবে?
দারুণ! এখন একদম আসল লাগছে।
এটাই তোমার কাছে আসল জিনিস?
ভাগ্যিস, বাথরুম ট্যুর করিনি।
যদি করতাম তাহলে আমাকে নেংটা হতে হতো ।
স্যরি, ঠিক আছে, টেক।
শুনছো?
ও তোমাকে ডাকছে। গিয়ে দেখছো না কেনো কীজন্য ডাকছে?
নাহলে দুজনই শিশ দিয়ে শুধু খেলতে থাকবে।
ঠিক আছে, স্যার।
এটা কী ভাই? ছুরি রাখার সময় পেট কেটে গেছে?
আরো সাবধান হওয়া উচিত ছিলো।
আরে সেটা না। এটা দেখ।
কারে গিয়ে বস।
কী হয়েছে, মুত্থু?
আমার বন্ধু। একটু কথা বলছি।
বন্ধু? দেখে তো বস্তি বস্তি লাগছে।
বড়দের সম্মান দিয়ে কথা বলবে। স্যরি বলো।
স্যরি।
স্যরি'র গোষ্ঠী গিলাই
তুই আসছিস নাকি তোর নাতিকে নিয়ে যাবো?
আমি আসছি। আয়।
একটা কফি নিয়ে আয়।
আমি নিয়ে আসবো! আর মাথায় ম্যাসাজ কে করবে?
এই, সামনে আয়।
বোকা শালা।
উনি পুলিশ। একটু সম্মান দিয়ে কথা বল।
গিয়ে কফি নিয়ে আয়।
সবকিছু আমাকেই করতে হয়। স্যার, যা লাগবে আমি সব দিবো।
শুধু গতকাল জব্দ করা মূর্তিটা দিয়ে দিন।
মূর্তিটা তামিলনাড়ু থেকে...
ট্রিভেনড্রাম, মুম্বাই, সিঙ্গাপুর, লস এঞ্জেল্যাসে পৌঁছাবে।
পাঁচ বছর ধাওয়া করে পাকরাও করেছি।
তোর বলার সাথে সাথেই তো মূর্তি দিয়ে দিবো না।
তোদের প্রত্যেককে গ্রেফতার করবো।
জানেনই তো স্যার, আমাদের নেটওয়ার্ক কতটা গভীর।
কেনো এসব প্যারার মধ্যে পড়ছেন।
যদি সত্যটা বলে দিস তোকে ছেড়ে দিবো।
নাহলে তোর ছেলেদের সামনে কেলানি দিয়ে লেংটা করে নিয়ে যাবো।
কী রে, পাখি তো হুমকি দিচ্ছে।
মানি, এসি'র ভয় পাওয়ার মতো কোনো কথা বলি।
মূর্তিটা আমাকে দিয়ে নিজের বাবাকে নিয়ে যান।
বাবাকে?
ওনাকে কেনো কিডন্যাপ করলি?
বিড়ালের ভয়ে মানুষকে বাঘের লেজ ধরতে দেখেছি।
কিন্তু তুই তো সোজা ডাইনোসরের লেজ ধরে ফেললি।
ডাইনোসরের কাটা হাত কখনো দেখেছেন?
No comments yet. Be the first to leave one.