Luther

Luther

Download Bengali Subtitle

Season 1

Release info

লুথার সিজন ১ এপিসোড ৬ বাংলা সাবটাইটেল
লুথার সিজন ১ এপিসোড ৬ বাংলা সাবটাইটেল আনকাট ব্লুরে
A Commentary by Kudrate_Jahan
ব্রিটিশ গোয়েন্দা সিরিজ লুথারের প্রথম সিজনের ষষ্ঠ এপিসোডের সাবটাইটেল। প্রিন্ট- আনকাট ব্লুরে (mlwbdতে পাবেন)। বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।

Tags

other
Published on: 2020-08-18
Downloads: 65
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

এখনো সব ঠিক করার সময় আছে।

- তুমি জানো না আমি কী করেছি। - ইয়ান!

আমি তোমার ক্ষতি করার জন্য এখানে আসিনি।

আমি শুধু ওকে বিশ্বাস করতে চাই।

- ইয়ান রিড এসেছে! একটা পিস্তল নিয়ে! - না, না, না!

- জোয়ি? - না!

জোয়ি?

তুমি কী করেছ, ইয়ান?

নতুন মেসেজ এসেছে।

রোজ, রোজ, আমি লুথার!

ইয়ান মনে হয় ওকে কিছু করেছে। ডাক্তার পাঠান, প্লিজ।

এখানে জলদি ডাক্তার পাঠান!

তুমি ঠিকই ধরেছিলে।

বেচারা।

বেচারা না ঘোড়ার ডিম! বেচারা জোয়ি!

অনুবাদে -কুদরতে জাহান

বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।

কী হচ্ছে এখানে?

- আর আপনি স্যার? - মার্ক নর্থ, জোয়ি কোথায়?

আহ, খোদা!

না, না, না...

কী হচ্ছে?

ঘন্টাখানেক আগে 999 এ ফোন এসেছে।

23 পার্থেনিয়াল স্ট্রিটে গুলির শব্দ শোনা গেছে।

একজন গিয়ে এক মহিলার লাশ খুঁজে পেয়েছে।

- একটা বুলেটের ক্ষত। - জোয়ি লুথার।

- না... - ওর হয়ে কথা বোলো না জাস্টিন।

এখন না।

ওর সাথে তর্ক করা মানে এই না যে ও ওকে খুন করেছে।

ও ওইখানে ছিল।

পুরো ঘরজুড়ে ওর রক্তমাখা আঙুলের ছাপ,

ওর স্ত্রীর রক্ত।

স্ত্রী খুন হয়েছে, স্বামী পলাতক।

এর মানে কী মনে হয়?

ও একাজ কখনোই করবে না।

মন খারাপ লাগলেও, তথ্যপ্রমাণ ওর বিরুদ্ধেই যাচ্ছে।

তুমি প্রস্তুত?

প্রস্তুত।

প্রথমেই বলি, আমরা আগে ক্ষতি সামাল দেবো।

সমাধান না হওয়া পর্যন্ত কাউকে কিছু বলা যাবে না।

কোনো প্রেস ব্রিফিং করা যাবে না,কাউকে কিছু বলা যাবে না।

প্রেস একটু পরেই ওখানে চলে যাবে।

সেজন্যই যত দ্রুত সম্ভব লুথারকে কাস্টডিতে নেয়া লাগবে।

'খুনে পুলিশ পলাতক' এধরনের শিরোনাম দেখতে চাই না।

বোঝা গেছে?

তদন্তের দায়িত্বে আছে টেলার,

মার্টিন পাশে থেকে সাহায্য করবে।

তুমি ওকে যথাসম্ভব সহযোগিতা করবে।

কিন্তু উপদেশ নেবার জন্য আমাদের একজনকে লাগবে তোমার।

- যে ওকে চেনে। - সেটা কে হবে? তুমি?

হ্যাঁ, অবশ্যই আমি।

জন লুথার তার স্ত্রীকে খুন করেছে, এটা তুমি বিশ্বাস করো তাহলে?

আমি এখনো নিশ্চিত হতে পারছি না।

- এত তাড়াতাড়ি কিছুই বলা যাচ্ছে না... - ঠিক তাই!

তোমার বিশ্বস্ততা দিয়ে এই অপারেশন ভন্ডুল হোক,

তা আমি চাই না।

ডিএস রিপ্লি, আপনি ডেপুটি চিফ সুপারইনটেন্ডেন্ট...

যথাযথ সম্মান রেখেই বলছি, দুঃখিত জাস্টিন, কিন্তু রিপ্লি...

ও হয়তো লুথারকে তোমার মতো চেনে না,

কিন্তু নিরপেক্ষ হিসেবে ওকে দলে রাখাই যায়।

তুমি এখানে থাকবে,

দরকারমতো উপদেশ দেবে।

দুঃখিত, আমার মনে হয় সেটা ভুল হবে।

আমি জন লুথারকে বাঁচাতে আগ্রহী না।

আমি চাই, সূর্যোদয়ের আগেই ও

আইনবাহিনীর হাতে ধরা পড়ুক। তুমিও সাহায্য করবে এ ব্যাপারে।

বোঝা গেছে?

ভালো। এখন ওকে নিয়ে এসো।

তুমি কী করেছ, তা আমি জানি, ইয়ান।

তুমি আমাকে ওর খুন দিয়ে ফাঁসাতে চাচ্ছ, ভেবেছ, ওরা আমার পিছে লেগে থাকলে

আমি তোমাকে ধরতে আসতে পারবো না। তুমি ভুল করছ।

আমি আসছি তোমাকে ধরতে।

নিজে মরার আগে তোমাকে মরতে দেখলেই চলবে আমার।

আর আমি সেকাজই করবো, ইয়ান।

আমি তোমাকে মৃত দেখেই ছাড়বো।

আমি তোমাকে মৃত দেখে ছাড়বো।

জাস্টিন। জাস্টিন।

হেই।

- কী মনে হয়? - কী ভাবা উচিত, তাই বুঝছি না।

আমিও না।

কথা হলো, ও যদি একাজ করে না থাকে,

তাহলে ও গেল কোথায়?

মনে হয় ও জানে কে এটা করেছে, সেজন্য ওদের ধরতে গেছে।

যা ঘটার, তা তো ঘটেই গেছে।

ওর কাছ থেকে খবর পেলে

যোগাযোগ করবে, ঠিক আছে?

টেলার বা শেঙ্কের সাথে না, আমার সাথে।

বন্ধুদেরকে দরকার ওর।

হ্যাঁ অবশ্যই।

ঠিক আছে।

আপনার জন্য অনেক খারাপ লাগছে।

আমি ওকে হারাইনি।

ওকে আমার কাছ থেকে কেড়ে নেয়া হয়েছে।

কেন জানেন?

আমরা এখানে "কেন" এর জবাব জানতে আসিনি, সে প্রশ্ন পরে আসবে।

এখন মূল প্রশ্ন হলো "কে"।

মানে জন লুথার।

সেটার সম্ভাবনা আছে। আমরা সেটা চিন্তা করে দেখবো।

জোয়ির সাথে দেখা করার পরে,

জন নামের লোকটাকে নিয়ে সবসময়ে কথা বলা লাগত।

জন। বেচারা জন। অসহায়, ভেঙে পড়া জন।

গত কয়েক দিনে জোয়ি আর জন লুথারের মধ্যে

কিছু কি ঘটেছিল ...

- ওরা একজন আরেকজনের সাথে দেখা করছিল। - দেখা করছিল?

একসাথে বিছানায় গিয়েছিল।

কবে জানতে পারলেন?

আমি আজকে বন্ধুদের সাথে ছিলাম। ওরা সাক্ষ্য দেবে আমার পক্ষে।

আমরা জানি আপনি কোথায় ছিলেন। জন আর জোয়ির ব্যাপারে কবে জানতে পারলেন?

দেড়দিন আগে।

ওকে বললাম, "আমাদের দুইজনের মাঝে একজনকে বেছে নাও,

"আর নিজের সিদ্ধান্তেই অটল থাকো।"

আর ও আমাকে বেছে নিলো।

ও আমাকে বেছে নিয়েছিল।

তারই খেসারত দেয়া লাগলো ওকে।

যদি তাই হয়ে থাকে,

তাহলে আপনার কখনোই নিজেকে দোষ দেয়া উচিত না।

কেউ কাউকে খুন করলে,

সেই দায়ভার একমাত্র তার নিজের।

জন যদি জোয়িকে মেরে থাকে,

তাহলে ওর শাস্তি না দেখে আমি ছাড়বো না।

আমাকে একটু যেতে হচ্ছে,

আরেক অফিসার এসে অফিশিয়াল স্টেটমেন্ট নেবে আমার।

দুঃখিত...

না, না, আমিই দুঃখিত।

আমি কয়েক মাইল দূরে ছিলাম।

এটা কি আসলেই ঘটছে?

না, কয়েক মিনিটের মাঝে আমি জেগে উঠবো,

আর বেজে ওঠা অ্যালার্মটাকে থামাবো।

তারপর যখন অফিসে যাবো,

তখন তো এই স্বপ্নের কথা ভুলেই যাবো।

ও মাত্রই আমাকে ফোন করেছিল।

কে?

- কে মনে হয়? - কখন?

- এইমাত্র। - কী বললো? ও কোথায়?

বললো যে, আমি এই কাজ করেছি। আবার।

ওহ, ইয়ান।

তুমি কী ডায়াল করেছ, তা আমি জানি ইয়ান।

তুমি আমাকে ওর খুন দিয়ে ফাঁসাতে চাচ্ছ, ভেবেছ, ওরা আমার পিছে লেগে থাকলে

আমি তোমাকে ধরতে আসতে পারবো না। তুমি ভুল করছ।

বুঝলাম না।

ও আমার ওপর দোষ চাপাচ্ছে কেন?

কী করব বুঝতে পারছি না, মনে হচ্ছে আমি ওর সাথে প্রতারণা করছি।

তুমি অবশ্য বলেছ যে এতে কিছু যায় আসে না।

ওর ফোন ট্র্যাক করতে পারো কিনা দেখো।

ও কোথায় থাকতে পারে সেটা খুঁজে বের করো।

- আচ্ছা ঠিক আছে। - আমরা যদি দোষটা

মানসিক সমস্যার ওপর চাপাতে চাই,

তাহলে আমাকে দোষী বানানো যাবে না। ইউনিটটাও সম্ভবত টিকে যাবে।

আচ্ছা ঠিক আছে। এভাবেতো ভেবে দেখিনি।

তোমাকে এভাবে ভাবা লাগবে না, আমি ভাবলেই চলবে।

আমার ওকে ফিরিয়ে নেয়া ঠিক হয়নি।

আমি এ ঝুঁকির কথা জানতাম!

ওরা আমাকে সতর্ক করেছিল, "ও নাইট্রো গ্লিসারিনের মতো।"

আমি ওর কথা শুনিনি, প্রাণপণে ব্যাপারটা চালিয়ে যেতে চেয়েছিলাম।

আমি শুধু ব্যাপারটা চালিয়ে যেতে চেয়েছিলাম!

বস।

এটা তোমার দোষ না।

এটা তোমার দোষ না।

জিজ্ঞেস করলেই চাবি দিয়ে দিতাম।

মনে হয় তুমি ঘুমাওনি।

মাত্র কিছুক্ষণের জন্য।

তুমি কেন এখানে এসেছ?

মাথা ঠাণ্ডা করে ভাবার জন্য একটা জায়গা লাগত।

কী নিয়ে ভাববে?

জোয়ি মারা গেছে।

রূপক অর্থে?

না।

তুমি ওকে খুন করেছ?

- তাতে কি কিছু যায় আসে? - আমার কাছে?

তোমার রসিকতার ক্ষমতা ফিরে আসছে দেখে ভালো লাগছে।

সত্যি বলছি।

আমি ওকে পছন্দ করতাম।

তুমি যদি ওকে খুন করে থাকো, তার যথাযথ কারণ আছে নিশ্চয়ই।

আমি খুন করিনি।

বেশ।

কে করেছে?

নতুন একজনের সাথে ওর সম্পর্কের চিহ্নগুলো ভেঙে ফেলেছে।

ব্যাপারটা খুবই ব্যক্তিগত হয়ে যাচ্ছে।

আমরা জানি যে রেগে গেলে ও জিনিসপত্র ভাঙচুর করে।

এসবকিছু লুথারের দিকেই নির্দেশ করছে।

কিংবা কে জানে, সবই হয়তো সাজানো।

কে সাজালো?

মিস্টার নর্থ?

সাজাতেও পারে, বলা যায় না।

ওর কোনো অ্যালিবাই না থেকে থাকলেও,

যখন কোনো লোক মার্ডার সিন সাজায়, তখন সে তার

নিজের কল্পনামতো কাজটা করে।

তাই সাজানো জিনিস দেখেই বোঝা যায়।

কিন্তু এই মার্ডার সিন সব যুক্তির সাথে মিলে যাচ্ছে।

এরকম নির্ভুলভাবে যে মার্ডার সিন সাজায়, নিঃসন্দেহে সে বরফশীতল স্নায়ুর অধিকারী।

তারমানে এই অপরাধ রাগের মাথায় করা হয়নি।

কিন্তু এটা তো ঠিক না।

কীভাবে বলো।

খুনে, হিংসুটে স্বামী, সেক্স, ক্ষোভ এতকিছু।

তাহলে রাগের চোটে ছুরি কিংবা ঘুষি দিয়ে মারার কথা, গুলি করে মারার কথা না।

সাদাসিধে ভাবে মেরেছে লুথার নিষ্পাপ হয়ে গেল?

ও নিষ্পাপ হোক, এটাই চাই।

কিন্তু যদি ও দোষী হয়, তাহলে আমি নির্দ্বিধায় আমার দায়িত্ব পালন করবো।

সাহসী জবাব দিয়েছ।

এটা হবার কথা না। এটাই হয়েছে।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left