The first 200 lines.
লিও? উঠে পড়ো।
আমাদেরকে রেজিমেন্টে যেতে বলা হয়েছে।
আরে নিক্স, উঠো।
- জরুরি কাজ আছে। - তুমি যাও, আমি আসছি।
- ১০ মিনিটের মধ্যে রেডি হবে। - আচ্ছা যাও এখন।
উঠো, উঠো। তাড়াতাড়ি।
- যাও তো ভাই। - আচ্ছা।
- এবার তো উঠবে। - করলেটা কী!
ওটা আমার নিজের প্রস্রাব ছিল!
আমরাই একমাত্র ইউনিট যারা জার্মানদেরকে রাইন নদীর পাড়ে ধরাশায়ী করতে পেরেছি।
অ্যান্টওয়ার্পে পা রাখা গেলে...
...জার্মান সৈন্যদের জব্দ করে কিছু অস্ত্র-রসদ পাওয়া যেত।
এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ারকে ফোনে জানালেই হতো! আমার কথা কানে যাচ্ছে?
মাথার উপর দিয়ে গেছে।
- মুজ, তুমিও? - হ্যাঁ, সিংকের মন বেজার।
নিক্সন, হেইলিগার।
কর্নেল ডোবে, ব্রিটিশ ফার্স্ট এয়ারবোর্ন। নিক্সন হলো আমাদের এস২.
এটা ফার্স্ট লেফটেন্যান্ট হেলিগার।
মার্কেট গার্ডেন পতনের সময় ব্রিটিশরা ৮০০০ এর মতো লোক হারিয়েছিল।
যারা গ্যাঁড়াকলে আঁটকে ছিল, কর্নেল ডবি...
...তাদের জন্য একটা উদ্ধার কার্য চালিয়েছিল।
১৪০ জন সৈন্য নিয়ে ডাচ রেসিস্টেন্স...
...নদীর উত্তরের একটা শহরে ঘাপটি মেরে আছে।
ওরা বনের গহীনে গিয়ে মিলিত হবে।
একটা টিম নিয়ে ওদেরকে রাইন নদী পার হতে দাও।
- ১৪০ জন? - কানাডিয়ানরা ৬ টা নৌকা পাঠিয়েছে।
ওই জায়গায় ল্যান্ড করার উপযুক্ত। আমি দেখে এসেছি গত রাতে।
সাড়ে বারোটায় ওরা হ্যান্ড-হেল্ড রেড টর্চ দিয়ে একটা V সিগন্যাল দিবে।
ফ্ল্যাশলাইটটা হবে লাল রংয়ের।
অপারেশন পেগাসাস। সেকেন্ড ব্যাটালিয়নের ওই স্পটেই আছে।
কর্নেল ডবির সাথে থাকো। কিছু লাগলে, আমাকে বলবে।
আপাতত কিছু লাগবে না।
তুমি কিন্তু মার্কেট গার্ডেন রিপোর্ট বা TO&E নিয়ে...
- ...খোলামেলা-ভাবে কিছু জানাওনি। কেন? - ওদের সাথে CP1300 তে দেখা করব, স্যার।
ব্রিটিশ ৪৩ ব্যাচের খরচা কৃত সব রসদের ফর্দ চাই এখুনি।
জ্বি, স্যার।
- ডিক। - স্যার।
ওই অপারেশনে তোমার রিপোর্ট চাই।
- জ্বি, স্যার। - আগুনে ঘি ঢেলে দাও।
আমরা এটা চেয়েছিলাম গতকাল। একটা দিনও গেলো, সাথে পয়সাও।
S2 তে এনিমি ম্যাপ আছে। ওইদিকে একটু নজর দাও।
ওইখানে ১০০ জন আছে?
বাঁধ পেরিয়ে ওদেরকে নদীটাও পার হতে হবে।
- অনেকখানি জায়গা কভার দিতে হবে। - কোথায় যাচ্ছি আমরা?
এসেছ হ্যাশে? তোমরা রুম সবার উপরের তলায়।
সবার উপরে পাঠিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
- এতে সমস্যার কী আছে? - একটু পরেই বুঝবে।
- ওইখানে তো জায়গা আছে প্রচুর। - রেগুলার জিআই জো কাপলও আছে।
নবাগতদের চালচলন কীরকম জানি অদ্ভুত রকমের ঠেকছে!
- এদের মধ্যে একজনের তো দাঁড়িই গজায়নি। - বাচ্চা ছেলে।
কুকুরটা বেশ জ্বালাতন করছে, ট্যাব।
- এই যে নাও। - এটাকে কী নামে ডাকো, ট্যাব?
- ট্রিগার। - ট্রিগার! বেশ ভালো নাম।
- কিছু পেলে? - নাহ, তেমন কিছু না।
- অনুপ্রবেশ! - অ্যালে গুরুতর-ভাবে আহত!
এটা অ্যালি। ওকে টেবিলের উপর নিয়ে যাও।
আমি ধরছি।
অ্যালি, তুমি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যাবে।
- ডক্টর রো কে নিয়ে এসো। - আমি কোথায়? কী হয়েছিল আমার?
- কোথায় ঘটেছে এসব? - ক্রসরোডে।
- তোমার ফাঁটাবাঁশের গলার জন্যই এই অবস্থা! - যাও তো এখান থেকে!
লে. ওয়েলশকে খবর দাও। একটা স্কোয়াড রেডি করো।
ফার্স্ট স্কোয়াড, তৈরি হও! শুধু অস্ত্র আর গোলাবারুদ!
জুতাগুলো খুলে পা'টা ছড়িয়ে দাও। লিবগট, সালফারটা কাজে লাগাও
তাড়াতাড়ি হাত চালাও। আমাদেরকে যেতে হবে।
হেই, অ্যালে।
- MG42? - হ্যাঁ।
ওরা কাকে গুলি করছে? কী আছে ওইখানে?
হেডকোয়ার্টার।
সেটা তো তিন মাইল দূরে। ওরা নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছে কেন?
- ওদের মাথায় ঘিলু বলে অবশ্যই কিছু আছে। - আমি দেখে আসি একটু।
- এখানে থেকে আমার সিগন্যালের জন্য অপেক্ষা করো। - জ্বি, স্যার।
নড়ো না। আমি সিগন্যালের অপেক্ষায় আছি।
এটা আমাদের ফল ব্যাক পজিশন।
কামানের গোলা এখান থেকে ছাড়তে হবে। ফার্স্ট স্কোয়াড, আমার সাথে থেকো।
যাও!
ডানদিকের দ্বিতীয় জন।
ডানদিকের প্রথম জন।
ডানদিকে তৃতীয় জন। মেশিন গানটা রেডি রাখো।
বাঁ দিকের তৃতীয় জন। বাঁ দিকে প্রথম জন।
আমার সিগন্যালের জন্য অপেক্ষা করো।
- গুলি করার প্রস্তুতি নাও! - দুই রাউন্ড ছাড়তে হবে, গতি কেমন এটার?
- পিছিয়ে যাও! - ফায়ার!
ফায়ার!
হিগিন্স।
এখন বাঁধের দিকে না গেলে ওদেরকে আর ঠেকানো যাবে না!
- আর কয়জন জীবিত আছে? - জানি না।
এক ধাক্কাতেই তো সাতটাকে উড়ালাম।
বয়েল আর পারকোন্টে নিয়ে আসো। যাও!
পিছিয়ে যাও!
সাপ্রেসিং ফায়ার!
সাপ্রেসিং ফায়ার!
হ্যাশে, গার্সিয়া, ফলো মি!
পিকককে বলো ফার্স্ট প্লাটুনে আরও রসদ যোগান দিতে!
আরেকটা মেশিনগান স্কোয়াড লাগবে।
ডিউকম্যান! মেশিনগানটা নিয়ে রাইট ফ্ল্যাংকে যাও!
ক্রিস্টেনসন।
ডিউজম্যান গুলি খেয়েছে।
স্যার, ফার্স্ট প্লাটুনের রসদ এসেছে।
গর্ডন এবং বাকিরা .৩০ ক্যালিবার নিয়ে এসেছে।
স্যার?
ওরা লুকিয়ে আছে মজবুত বাঁধের পিছনে, আর আমরা বসে আছি এক পরিখায়।
আমাদের উপস্থিতি টের পেলে, ওরা চট করেই বাঁধ ছেড়ে বেরিয়ে আসবে।
- ওইখানে ক'জন সৈন্য আছে? - সামনে একটা ফেরী ক্রসিং পড়ে...
...তাই পুরো ব্যাটালিয়ন থাকার সম্ভাবনাই বেশি।
এখন কী করব আমরা তাহলে?
আর কোনো পথ খোলা নেই।
ট্যালবার্ট, ১০ জন সেনা নিয়ে বাঁধের দিকে যাও।
পিকক, ১০ জন নিয়ে তুমি লেফট ফ্ল্যাংকে যাও। আমি ১০ জন নিয়ে মধ্যে থাকছি।
কোনো প্রশ্ন? যাও।
ভেতরে আসুন।
- এখনো কেন এসব করছি, বুঝে আসছে না। - কী, মদ্যপান?
না, বোতলটাকে যে তোমার ট্রাংকে লুকিয়ে রাখছি। এখন তো আমি ক্যাপ্টেনই হয়ে গেছি।
তাহলে কেন তুমি...?
তাহলে এই অভ্যাস ত্যাগ করছ না কেন?
- মদের? - না।
আমার ট্রাংকে লুকিয়ে রাখা। তুমি তো এখন ক্যাপ্টেন।
এই জায়গাটা বোধহয় মদ্যপানের অভ্যাসটা ত্যাগ করার জন্য উপযুক্ত।
এরকম দু'নম্বরি কাজ করলে, নিজের লোকদের আর সুবিধা দেয়া যাবে না।
চিয়ার্স!
এটা তো সাহিত্য-সংস্কৃতি নয়, এত প্যারা নিচ্ছ কেন?
প্রথম পুরুষের বহুবচন ব্যবহার করার চেষ্টা করো। "আমরা" লিখবে বেশি।
সাহায্যের জন্য ধন্যবাদ।
বেয়নেট লাগাও।
লাল ধোঁয়া ধরে ধরে এগোবে।
না! সিগন্যালের জন্য অপেক্ষা করো!
খোদা!
চার।
পাঁচ!
ধ্যাত্তেরী!
- এখানে তো দেখি পুরো কোম্পানি! - সেরেছে!
ইজি বেভার টু ইজি মাইনর! ফেজ ওয়ান ইয়োলোতে ইজিকে রসদের যোগান দাও!
প্লাস ওয়ান, স্ট্রাইক থ্রি। ফায়ার কনসার্ন্ট্রেশন চার্লি।
ড্রপ করা হয়েছে ২০০, বাকি আছে ১০০!
রিপিট, প্লাস ওয়ান, স্ট্রাইক থ্রি। ফায়ার কনসার্ন্ট্রেশন চার্লি।
ড্রপ করা হয়েছে ২০০, বাকি আছে ১০০!
ক্রাউটসরা সামনে এসে গেছে! গুলি ছোঁড়ও!
- কী বলছে সে? - সে বলছে ওরা নাকি পোলিশ!
হিটলারের দলে কোনো পোলিশ নেই!
জেসাস ক্রাইস্ট!
- একটা লাইটনিং রিপোর্ট পাঠাও! - লাইটনিং, লাইটনিং, ওভার।
ওইদিকটা একটু গিয়ে সামাল দাও।
ইজি কোম্পানি, কভার নাও!
- বয়েলের চোট লেগেছে! - খোদা, ধরা পড়ে গেছি!
কভার নাও! এটা জার্মানদের তোপ!
বয়েলের কাছে যাও, ও পড়ে গেছে। আসো আমায় সাহায্য করো!
জেসাস, ক্যাপ্টেন, ওরা হিটলারের বাহিনী!
জো!
- জো, থামাও এসব! - কেন? কী হয়েছে?
- রক্ত ঝরছে তোমার। - আমি ঠিকই আছি।
বন্দীদেরকে কমান্ড পোস্টে নেয়ার পর পরিষ্কার হয়ে নাও।
জ্বি, স্যার। কাম অন, ক্রাউট বয়েজ।
- জো? - হ্যাঁ।
- গোলাবারুদ রেখে দাও। - কী?
- মজা করছেন? - অস্ত্রটা আমার কাছে দাও।
জনি, ওইখানে কতজন বন্দী আছে?
১১ জন, স্যার।
একজন বন্দিকে মুক্ত করো, বাকিরা তোমায় পথ দেখাবে। আমি সব বন্দীকে জীবিত চাই।
জ্বি, স্যার।
"ওদের কাছে ধরা পড়েছি" আমি এরকম বলেছি বলে তোমার মনে হয়?
- ওদেরকে কমান্ড পোস্টে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারবে? - হ্যাঁ।
আশা করি, তোমার সাথে অন্য কোথাও দেখা হবে।
এদেরকে ব্যাটালিয়নে ফিরিয়ে নিয়ে যাও।
- ওদেরকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে দাও। - জ্বি, স্যার।
ঠিক আছে।
- আমরা ওদের মুখোমুখি ছিলাম একেবারে। - মুখোমুখি সংঘর্ষটা এড়ালো কীভাবে?
কামান দিয়ে গোলাবর্ষণ করার পরেই ওরা পিছিয়ে গেলো অনেকটা।
এটাকে বলা যায় 'টার্কি শট'।
ক্রসরোডের ওই জিরো পয়েন্টে, ওরা 88sকে দিয়ে আমাদেরকে আক্রমণ করিয়েছে।
তবুও আমরা ভাগ্যবানদের কাতারে। মাত্র ২২ জন আহত!
ভাগ্যবান!
- ক্যাপ্টেন উইন্টারস কোথায়? - ওইখানে স্যার।
ঠিক আছে, চালিয়ে যাও।
২২ জন আহত, তাই না? তুমি ঠিক আছ?
- হ্যাঁ। কিন্তু একজন মারা গেছে। - কে?
ডিউকম্যান।
ডিউকম্যান।
হিটলারের দুইটা কোম্পানির দিকে তাকাও।
মরেছে জন-পঞ্চাশেক, গুরুতর জখম হয়েছে শ'খানেকের মতো।
৭ জনকে রেজিমেন্টাল কেজে ফিরিয়ে নেয়া হচ্ছে, সাথে অনেক রসদ যোগান দেয়া গেছে।
ডিউকের আত্মত্যাগের বিনিময়ে তা কম কিছু নয়।
সাথে কি মদ? নাকি পানি?
হ্যাঁ, পানি।
ধন্যবাদ।
যখন তোমার ওই নাৎসি বাহিনী আমার কমান্ড পোস্টের দিকে পা বাড়াচ্ছিল...
তখনই ৩৬৩ তম ভল্কসগ্রিনাডির অপেহেসডেনে হামলা চালিয়েছে।
থার্ড ব্যাটালিয়ন ওইখানে ধরাশায়ী হয়েছে।
- ওলি হর্টন ওইখানে শহীদ হয়েছে। - মেজর হর্টন মারা গিয়েছেন?
সে যখন প্রতিরক্ষার ছক কষায় ব্যস্ত, ঠিক তখনই ওরা সে. ব্যাটালিয়ন কমান্ড পোস্টে হামলা চালিয়েছে।
ক্যাপ্টেন, আমি একটু আসছি।
পুরাদস্তুর একটা ব্যাটালিয়ন সামলানোর অভিজ্ঞতাটা কেমন?
স্যার?
তুমি সেকেন্ড ব্যাটালিয়নের এক্সিকিউটিভ অফিসার। কর্নেল স্ট্রেয়ার হচ্ছে...
সে ইচ্ছা করলে কিছু সুযোগ পেতে পারত।
ময়দানে ওদেরকে সামলাতে পারব।
তুমি যেমন একজন দক্ষ অধিনায়ক, তেমনি একজন সুকৌশলী যোদ্ধা।
প্রশাসনকে নিয়ে এত মাথা ঘামানোর দরকার নেই।
- ইজির পরবর্তী দলনেতা হতে যাচ্ছে কে, স্যার? - মুস হেইলিগারকে দেয়া হবে।
- আমি হলে হেইলিগারকেই বেছে নিতাম। - ভালো।
গাট্টি-বোচকা গুছিয়ে ব্যাটালিয়ন কমান্ড পোস্টের দিকে চলো।
No comments yet. Be the first to leave one.