The first 200 lines.
একটা উন্মাদের সাথে হাত মেলানো কখনোই উচিত হয়নি আমার।
ওরা এখন কোথায়?
সারাজেভোতে, স্যার।
আর ছেলেটা এখন ওর জিম্মায়।
ওয়াও, এটা বেশ জোরে-সোরেই লেগেছে।
এখন ঝুলে থাকো বাছাধন।
ঝুলে থাকলে কষ্ট পাবে আরও বেশি।
তো, ঝামেলার পাঠ চুকিয়ে ফেলা যাক, কুমড়োপটাশ?
কোনটায় ব্যথা পাওয়া যায় বেশি? A?
নাকি B?
সামনের দিকে?
নাকি পিছনের দিকে?
আরেকটু জোরে, পুঁচকে খোকা।
মনে হচ্ছে তোমার ওই নিষ্ক্রিয় ফুসফুসটা প্রার্থনায় বাধা প্রদান করছে।
অভদ্রের মতো কাজ করলে।
ছেলেটা কিছু রীতিনীতি ভঙ্গ করেছে।
তাই তোমায় কিছু রীতিনীতি শেখাতে যাচ্ছি...
যাতে তার পদচিহ্ন ভালো করে অনুসরণ করতে পারো।
এখন এই শাবলটা দিয়ে তোমায় পিটানোর তালে থাকব।
ডিটেকটিভ-টা কোথায়?
রাস্তায় আছেন।
কাজটা উনি সঠিক সময়ে করতে পারবেন বলে মনে হয় না!
ওহে, বাছাধন, যাবার সময় হয়েছে।
অনেক মজা হলো, তাই না?
বলতে গেলে, তোমার থেকে আমি মজা পেয়েছি বেশি।
তুমি অবশ হবার পর থেকে আমার কেমন জানি সন্দেহ হচ্ছে।
যাইহোক, গুডবয় হয়ে থাকবে। হোম-ওয়ার্ক শেষ করে ন'টার মধ্যে ঘুমোতে চলে যাবে।
আর, হেই...
আর সেই বড় মানুষটাকে আমার সালাম দিও।
না।
জ্যাসন।
কী যা তা বলছ!
তোমরা এই পার্টির আয়োজন করনি?
তাহলে এই সভা বসিয়েছে কারা?
আমার-তো মনে হয় তুমি বসিয়েছ, ইস্ট-সাইড লুজার।
হয়ত তুমি ব্ল্যাক মাস্কের সাথেও হাত মিলিয়েছ,
আর এখানে লোক দেখানো সভা ডেকেছ।
হাত মিলিয়েছে? মাস্ক এই মাসে আমার ছ' ছটা লোককে মেরেছে।
আমার সেরা কিছু লোকদেরকে...
এজন্যই এই সভা বসিয়েছ?
না, চি চি বসিয়েছে মনে হয়।
আমি বসাইনি।
এসব বালই চলতে থাকবে, আমি গেলাম। তোমরা ব্রেন ডোনোর-রা এখানে ঘষাঘষি করো...
বসে পড়ো, ফ্রেডি।
এই সভা আমি ডেকেছি।
- সে-ই তাহলে খলনায়ক! - ব্যাটম্যান?
আমরা কিছু করিনি।
আমরা সবাই জানি এটা একটা মিথ্যা।
- তুই কে রে? - জ্বালিয়ে দাও শালাকে।
আমি বসতে বলেছি।
মরতে চাস তুই? মরার-তো আরও সোজা পথ খোলা আছে।
AK-47 ওয়ালা ব্যক্তিকে মারার ভয় দেখাচ্ছ?
মনোযোগ দিয়ে শোনো, ড্রাগ চোরাচালান-কারীরা...
এখন থেকে এই ড্রাগ ব্যবসার দেখ-ভাল করব আমি।
তোমরা ৮ জন হলে গোথামের সেরা ড্রাগ ডিলার।
তোমাদের সাথে একটা চুক্তি করছি...
তোমরা তোমাদের ব্যবসা চালিয়ে যাবে, কিন্তু এর ৪০% যাবে আমার পকেটে।
ব্ল্যাক মাস্কের হাতে মরতে না চাইলে চুক্তিটা মেনে নাও।
এর পরিবর্তে, ব্যাটম্যান আর ব্ল্যাক মাস্ক থেকে তোমাদের...
পরিপূর্ণ সুরক্ষা দিব আমি নিজে।
কিন্তু ছোট পোলাপান আর স্কুল থেকে তোমাদের দূরে থাকতে হবে।
বাচ্চাদের কাছে তা বেচা যাবে না, বুঝেছ?
আর যদি বেঁচো, তাহলে মরণ নিশ্চিত!
আচ্ছা, ভাই, সবই বুঝলাম।
কিন্তু তোমার কথা আমরা কেন শুনব?
কল্লাগুলো হচ্ছে তোমাদের সকল লেফটেন্যান্টদের।
ওরা আমার দুই ঘণ্টা খেয়েছে।
আমার শক্তির পরীক্ষা নিতে চাও?
কোনো ভুল করা চলবে না।
এখানে কোনো অনুরোধের আসর বসাতে আসিনি।
এসেছি জরুরি কথা বলতে।
কাজের ৪০% আমার।
- যাও, যাও, যাও! - রেইমন্ড আর ড্যানি কোথায়?
- ওর কাছে ধরা পড়েছে। মাত্র ধরা পড়েছে। - সেরেছে!
তাড়াতাড়ি, আমাদের এখানে থেকে নিয়ে চলো।
মনে হয় ওকে হারিয়ে ফেলেছি।
- তোমার কী মনে হয়? - মনে হয় হারিয়ে ফেলেছ।
আমরা তো ভালোদের দলে।
না, আর যা-ই হোক তোমরা ভালোদের দলে নও।
তোমরা কার হয়ে কাজ করো?
কারোর হয়ে না।
দেখো, আমরা শুধু গাড়িটাকে এখানে এনে...
আবার মিথ্যা বললে, দেয়ালে ঠুকে মাথা ফাটিয়ে ফেলব...
যাতে এই সন্ধ্যাটা হয় তোমার জীবনের জঘন্যতম সন্ধ্যা।
না, কসম কেটে বলছি...
- এটা আবার কী? - তোমার কার্গো।
এটার নাম হচ্ছে অ্যামাজো।
অ্যামাজো আপদটা আবার কী?
একটা হাইলি অ্যাডভান্সড, সাইবারনেটিক অ্যান্ড্রয়েড...
যার সুপার হিউম্যানের শক্তি শোষণ করার ক্ষমতা রয়েছে।
কোন ধরণের সুপার হিউম্যান?
বড় ধরণের।
জখমের ভারে তো স্টিল পর্যন্ত বেঁকে গেলো!
- সাহায্য লাগবে? - না।
আচ্ছা, তাহলে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মজা দেখলে কেমন হয়?
আরেকজন এলো কোত্থেকে? আঁটসাঁট পোশাক পড়া ওই বালকটা?
ওইটা হচ্ছে নাইট-উইং। সে ছিল ব্যাটের প্রথম সহযোগী।
দ্য ফার্স্ট রবিন।
এর থেকেও ভালো কিছু করতে পারতে।
হ্যাঁ, পারতাম।
- এতে কোনো কাজ হবে? - ওর গতি খানিকটা কমিয়ে দেবে।
আসলেই কমিয়ে দেবে?
আরও উঁচুতে যেতে হবে।
- ও যে উড়তে পারে, তুমি তা জানতে? - ভাগো!
গোটাকতক পরামর্শ দিলে এমনভাবে মারা খেতাম না!
মানুষের মতো ওর-ও দুর্বল দিক আছে।
পেয়েছি, এতে কাজ হতে পারে।
লেজার, সে লেজার ছাড়ছে...
এই আঠা ওর চোখের কিছু করতে পারবে বলে মনে হয় না।
কিন্তু প্লাস্টিক পারবে।
এই জাহাজটা ব্ল্যাক মাস্ককেই ইঙ্গিত করছে।
আমার মনে হয়, এর মূল হোতা তোমরাই।
তোমরা কার হয়ে কাজ করো?
কসম কেটে বলছি, আমরা কারও হয়ে কাজ করি না।
এটা ছিল আমাদের কোঁচ, আমাদের সকল উদ্দেশ্য।
- একটু খেলা দেখাও। - ঠিক আছে।
বলছি, আমি বলছি, এটাকে দূরে সরাও।
রেড হুড, আমরা রেড হুডের হয়ে কাজ করি।
এছাড়া আমাদের আর কোনো বিকল্প পথ খোলা নেই...
গুলি ছোড়া হয়েছে ছাদের উপর থেকে, স্নাইপারে কাজ এটা।
বুদ্ধিমান কারও কাজ এটা।
- দেখতে পেয়েছ? - হ্যাঁ।
হেই, দাঁড়াও।
ভালোই, ওদের কাছে ছেড়ে দিয়ে গেলে।
প্লীজ, না, আমার কথা শোনো।
এটা একটা সেট-আপ, দাঁড়াও।
আমি কোনো স্মাগলার নই, কসম কেটে বলছি।
ওই রাতটা ভুলা আসলেই কষ্টকর, তাই না?
এক দৃষ্টিকোণ থেকে, এটা ছিল তোমার ব্যর্থতার প্রথম ধাপ।
হতে পারে সবচে বড় ব্যর্থতা, কিন্তু এখানেই সব শেষ নয়, ঠিক আছে?
আহারে, সাধের স্মৃতি!
এই ইন্টেলের একটু অংশই আমায় শহরে নিয়ে গিয়েছিল।
সুযোগের সদ্ব্যবহার করি আমি।
একটু দেখো।
জিনিসটা এক গোয়েন্দার থেকে সংগ্রহ করেছি। সে বলেছে...
লোকটার দৌড়ানোর ভঙ্গিমা ছিল একটু অন্যরকম।
দ্য রেড হুড।
হতে পারে। সে আসলটাকে অনুকরণ করে বেড়াচ্ছে।
অনেক অপরাধীই এই ছদ্মবেশ ধারণ করেছে।
অপরাধী একজন, স্বার্থ অনেকগুলো।
- কিন্তু সে-তো এখন বন্দি। - ওর এম.ও নয়তো?
দূর্বহ পাচারের সংখ্যা বেড়েই চলেছে, যেখানে অপরাধের সংখ্যা কমছে।
এটা সত্যিই।
মাস্টার ব্রুস গত দুইদিনে মাত্র তিন ঘণ্টা ঘুমিয়েছেন।
যেন বাস ড্রাইভারের চাকরি করছেন।
কিন্তু ও-তো এখন বন্দি।
মানে ভালোভাবেই বন্দি।
ওকে একটু দেখে আসা দরকার।
একটু বলতে পারো না, "গাড়িতে এসে বসো"? এতে কি মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যায়?
তোমাকে ভালোই দেখাচ্ছে, কাজে বেরোলে নাকি?
তুমি-তো লিটল সান ব্যবহার করতে পারতে।
কিন্তু, আমি এসব বলার কে?
সে নিজেকে রেড হুড বলে পরিচয় দিচ্ছে।
তুমি এ-সম্পর্কে কী জানো?
সে অনেকটা উগ্র স্বভাবের।
যখন ওই নাম্বারটা আমি ব্যবহার করতাম, তখন এটা ছিল ক্ল্যাসি।
More flashy maitre d' than motorcycle fetish.
Oh, the kids today.
এর পিছনে তোমার হাত থাকলে, আমরা অবশ্যই খুঁজে বের করব।
আর না থাকলে...
ওহে, আঁতেল বালক, কীভাবে মজা করতে হয় এখনো শিখোনি।
তোমার ওই মোটা-সোটা প্যান্টের ফাঁক গলিয়ে সবাই বেরিয়ে যাচ্ছে।
তার বদলি থেকেও-তো তা ভালো, নাকি?
যখন তোমার বাসায় বসে হাওয়া খাচ্ছ, তখন সে জল ঘোলা করেই যাচ্ছে।
এখনই মেরে ফেলতে চাইছ?
নাকি আবারও ছ'মাসের জন্য কোনো জেলখানায় পুড়ে দিতে চাইছ?
খুবই হতাশাজনক!
ওই ছবির বিষয়টায় ফিরে আসি...
এটা নতুন এক হুডি।
তুমি-তো ঠিকই ভেবেছিলে যে, আমি একটা বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করব...
তবুও আমার প্রতি কিছু সন্দেহ তোমার থেকেই যাচ্ছিল।
জানি, ওর সাথে কখনো দেখা হয়নি তোমার। কিন্তু সমস্যার কিছু নেই।
ও হচ্ছে ব্ল্যাক মাস্ক।
২০ বছরের ইতিহাসে পুরো শহরের দখল নেয়া প্রথম ব্যক্তি সে।
গোথামে সে যা চায়, তা-ই পায়।
কিন্তু দেখে একটু অস্বস্তি-বোধ হতে পারে।
কী করেছে সে? কী?
ওরে খোদা, সে খেপেছে।
আমাদের চিন্তার বিষয় হচ্ছে, অ্যান্ড্রয়েন্ড-ছিনতাইকারী।
সে রেড হুড নাম দিয়ে পার পেয়ে যাচ্ছে।
কার নামে পার পাচ্ছে, তাতে আমার কিছু যায় আসে না।
গর্দভের দল, তোমরা জানো অ্যামাজোর উপর আমি কত বাজি ধরেছিলাম?
আমার তুরুপের তাস ছিল ওই অ্যামাজো।
খরচ করা সবকিছুই গচ্ছা গেছে!
- গচ্ছা যাওয়া টাকাগুলো কার? - আপনার।
আমার টাকা, আমার।
ও ছিল আমার গেম চেঞ্জার!
অ্যামাজো থাকলে চোরাচালান ব্যবসাটা থাকতো হাতের মুঠোয়।
এখনতো এলাকার আতিপাতি মস্তানরা আমায় টেনে নিচে নামাতে চাইবে!
আবার ওই রোবটের কল্লা কাটা ব্যাটম্যান, পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে!
ওর কল-কব্জাগুলো ভালো দামে বিক্রি করা যেত, কিন্তু ব্যাটম্যান তা রেখে দিয়েছে।
হ্যাঁ, এসব জিনিস রেখে দেয়াই তার স্বভাব।
রেড ফুট নামের ওই ছোকরাটার উপর নজর রাখো...
রেড হুড।
যাইহোক।
ওর মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে এসেছে। ওর দিকে দিকে খেয়াল রেখ।
তুমি, নতুন আগন্তুক।
- স্যার। - এতো নার্ভাস হওয়ার কিছু নেই।
কিন্তু আমার দিকে হাবার মতো চেয়ে থাকলে, চোখ দুটো তুলে ফেলব।
আজ রাতের শিপমেন্টের বিস্তারিত পাঠিয়ে দিয়ো।
No comments yet. Be the first to leave one.