The first 165 lines.
অনুবাদে: কুদরতে জাহান
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।
এসো, যেতে হবে।
- আমি পারবো না। - হ্যাঁ, তুমি পারবেই।
কত রাত জেগে জেগে কাজ করেছ?
২-৩টা পর্যন্ত, জানি না।
- একটু বেশি বেশি হয়ে গেলো না? - আমি একটু ঘুমাবো।
তোমার অ্যালার্ম বেজেছে। সোয়া সাতটা বাজে।
ঘুমাতে পেরেছ?
- আমার নীল শার্ট দেখেছ? - না, তোমার নীল শার্ট দেখিনি।
- জিজ্ঞেস করছিলাম শুধু। - উত্তর দিচ্ছিলাম শুধু।
সুপ্রভাত। সাতটা বাজে। পিটার ডিক্রোবেলের খবরটা...
ওয়াল্টার বসো, সব জায়গায় ছিটাচ্ছো।
- আমার ভালো লাগছে না। - কেন কে জানে!
- মনে হয় আজকে আমার বাসায় থাকা উচিত। - কেন?
আমার শরীর খারাপ লাগছে।
হয় বেশি ক্লান্ত হয়ে পড়েছ, নয়তো ঠাণ্ডা লেগেছে।
যাবার সময়ে মুছে দিও।
আজকে তাড়াতাড়ি ঘুমিও।
দ্য ডে
- বাবা। - হাই বন্ধু।
- ভালো ঘুম হয়েছে? - না।
না মানে?
দুইটা চকোলেট স্প্রেড স্যান্ডউইচ বানিয়েছি, সমস্যা আছে?
- হ্যালো। - হ্যালো। এত দেরি হলো যে?
একটা অ্যালার্ম বেজে উঠেছিল।
বিস্তারিত সহ সব রিপোর্ট লিখতে হবে।
- নূর কি এখনো ওঠেনি? - ও এখনো বাথরুমে।
দুই ঘন্টা হয়ে গেলো।
- নূর। - হ্যাঁ!
- কুত্তা! - হেই!
এইটা? এই নাও তোমার ব্যাকপ্যাক, সোনামণি।
এভাবে থাকলে চলবে?
আমাকে দাও।
আমাকে দিয়ে প্রতিদিন টাই বাঁধিয়ে কী উদ্ধার করছ?
সবসময়েই কি কিছু একটা উদ্ধার করা লাগবে?
হ্যাঁ।
হেই!
- যেতে পারবে? - হ্যাঁ।
তোমার খসখসে মুখ দিয়ে বাচ্চাটাকে ছিলে দিও না।
হেই রবি। মা কি ঘ্যানঘ্যান করে তোমার ঘুম ভাঙিয়ে দিয়েছে?
- এটা ভুলো না, হ্যাঁ? - কী?
তোমার বেডসাইড টেবিলে ছিল।
কবে জানাতে আমাকে?
নাকি আদৌ জানাতে না?
ইনগে, এসব কী!
- হাই। - হাই মাইকেল, ও এখনো রেডি হয়নি।
- সমস্যা নেই। - ইনগে কোথায়?
এখনো গাড়িতে। ওর খারাপ লাগছে।
- সোনা, এসো। বাইরে ঠাণ্ডা। - আচ্ছা।
আর তুমি কেমন আছ?
ওটা কোথায় আছে জানো?
তোমার চার্জার কোথায় তা আমি কীভাবে জানবো? দাঁড়াও...
ওকে নিয়ে যেতে পারবে?
এটা এখানেই।
- এইযে। - এরকম।
- সাবধান। - নিশ্চয়ই।
আমি ড্রয়ারে দেখছি।
- সুপ্রভাত। - সুপ্রভাত।
- কাল রাতে কোথায় ঘুমিয়েছিলে? - তাতে কি কিছু যায় আসে?
আমরা চাই না যে তুমি ওর বিছানায় ঘুমাও।
না, না, না।
একবার, ঠিক আছে, দুইবার, দরকার পড়লে, কিন্তু তিনবার. ..
প্রতিবারেই একই লোকের সাথে। এটাকে কি আর কাকতালীয় ঘটনা বলা যায়?
হ্যাঁ, পরে ফোন করো।
- কী হয়েছে? - ইউসেফ হাওয়াল, একজন নিরাপত্তাকর্মী।
ওয়ারহাউজের অ্যালার্ম একমাসে তিনবার বেজে উঠেছে।
প্রতিবারই ঐ মরোক্কান লোকের শিফট ছিল।
- ইরাকি। - কী?
ও ইরাকি। ওর সাথে ওপেন ডে তে কথা হয়েছিল আমার।
চাইনিজ, ইরাকি, মরোক্কান, আলু, টম্যাটো ...
একটা বিষয় নিশ্চিত, ঐদিন ছিল ওর চাকরির শেষ দিন।
তুমি কি আজ চাকরিতে যাবে নাকি বাসায় থাকবে?
চিন্তা নেই, আমি শীঘ্রই এক অ্যাপয়নমেন্টে যাবো।
আচ্ছা, কাল রাতে কোথায় ঘুমিয়েছিলে?
- আমি বলছি কাল রাতে কোথায় ঘুমিয়েছিলে? - কী সমস্যা?
- ও আমার ভাই ও। - কিন্তু তুমি তো আমাদের বাসায় থাকো।
যখন ইচ্ছা তখন ঢোকা আর বের হওয়া হলো এক কথা।
কিন্তু এখানে ঘুমাতে চাইলে নিজের ঘরে ঘুমাবে।
নিলের ঘরে না।
-ফ্রেয়া। -সমস্যা নেই, ওর ঘরকে একটা মিউজিয়াম বানিয়ে ফেলো।
থাকার জন্য ভাড়াও হেঁকো।
জায়গাটা অস্বস্তিকর জানি, কিন্তু বাইরে ঠাণ্ডা।
- ওহ, এইতো তুমি। - ওটা কী?
- কী মনে হয়? - স্যান্ডউইচ না।
চিপস কেনার জন্য আমাকে লাঞ্চ মানি দেবার কথা তোমার।
সত্যি। সরি, তোমাকে বলতে ভুলে গেছিলাম।
সাবধান। বাবা, আমি কি ৫ ইউরো পেতে পারি?
নূর, ক্যাথলিন তোমার জন্যই স্যান্ডউইচগুলো বানিয়েছে।
- তুমি কথা দিয়েছিলে। - হয়তো, কিন্তু...
আরেকবার, পরের সপ্তাহে, ঠিক আছে?
বোকার হদ্দ।
ক্যাথলিন.. নূর একটা টিনেজার, না?
- হ্যাঁ, কিন্তু তাতেই সব মাফ? - না, কিন্তু...
ওর বয়সী অন্য মেয়েদের তুলনায় অনেক কিছুর মধ্য দিয়ে গেছে ও।
বুঝেছি, কিন্তু...
এতে কি প্রতিটা ব্যাপারে আমার বিরুদ্ধে যাওয়া জায়েজ হয়ে যায়?
এহ?
তাহলে এটা সবসময়ে একই থাকবে। তুমি কিছু বলবে না। আমি কিছু জানবো না।
কালকেও একই থাকবে।
ধন্যবাদ ইনগে।
- ওর কী অবস্থা? - বেশি ভালো না।
- ও কবে ফিরবে ও জানে? - কিছুদিনের মধ্যে না।
ওয়াল্টার।
কোনো কথা নয়। বাটনটা চাপো। তুমি মাথায় হাত তোলো।
বাটনটা চাপো বলছি।
- চাপো বলছি। - দরজা খোলো।
- ওগুলো ফেলে দিচ্ছ কেন? - তুমি নিতে চাও?
- আগেই নিয়েছি। - হ্যালো নূর।
- তোমার ভাই কী করছে? - কী জানি!
- লাঞ্চের সময়ে চিপস খাবে? - হয়তো, কেন?
- আমিও আসতে যাচ্ছিলাম। - মা কি স্যান্ডউইচ বানায়নি?
ও আমার মা না। আর আজকে আমার কাছে টাকা আছে।
নূর, আমি পেয়েছি ওগুলো।
আচ্ছা বাদ দাও। ডাস্টবিন থেকে তুলে তুলে খাও।
বুদ্ধু।
হ্যালো?
হ্যালো?
দোকান এখনো বন্ধ।
মাইকেল ভ্যান হ্যামের সাথে মিটিং আছে আমার।
হয়তো তাড়াতাড়ি চলে এসেছি।
নূর, বিকালের চায়ের জন্য রাখবো? চাইলে আমার বিস্কূট খেতে পারো।
তোমার বিস্কুট রাখো।
- নূর? - একটু আমাকে একা থাকতে দাও!
এখানে কে যেন এসেছে।
বাসিল, পালাও!
- এটাই? - হ্যাঁ।
বাক্সগুলো সরাও।
এসো।
এখানে দেরি করার মেকানিজম আছে।
৩০ মিনিটের মধ্যে খুলবে।
জানি।
এটা আসল না। এটা কেবল একটা গেম।
দ্যাখো, অন্য সবাইও খেলছে।
দেয়ালের কাছে হাঁটু গেঁড়ে বসো।
এখানে এসো।
- বাচ্চাটার কী হবে? - মানে?
- ও সামলাতে পারবে না। - পারবে।
- কখনোই পারবে না। - পারবে।
আমরা চালিয়ে যাবো। ঘ্যানঘ্যান বন্ধ।
- এসো। - না।
না!
না!
না।
হাই, নূর বলছি। বিপের পরে বলো।
হাই নূর, ক্যাথলিন বলছি। সকালের জন্য দুঃখিত।
ঠিকই বলেছিলে। বাবা যদি চিপস খাবার অনুমতি দেয়, তাহলে ঠিকই আছে।
আমি ব্যাঙ্কে যাবো আর টাকাটা স্কুল অফিসে রেখে যাবো।
বাই।
শান্ত থাকো।
বসো।
ভ্যানটা সরিয়েছি। ওটা দৃষ্টিসীমানার বাইরে।
আচ্ছা আমি দেখছি আর কেউ আছে কি না।
- হ্যালো? - কার সাথে কথা বলছি?
আমি ইন্সপেক্টর ডি-হুই, লোকাল পুলিশ।
- আমার কথা শুনতে পাচ্ছেন? - হ্যাঁ পাচ্ছি।
আমি ফোন করেছি কারণ, আমি ব্যাঙ্কের ভেতর নিজেকে আটকে রেখেছি।
আমার সাথে আরো কয়েকজন আছে।
টিকটক করা সেফটা আমাকে পাগল করে দিচ্ছে।
- ওটার ভেতরে কী? - জানি না।
ওটা বহু বছর ব্যবহৃত হয়নি।
তুমি কী করতে যাচ্ছ?
আমি হলে একাজ করতাম না।
আরেকটু কাছে আসো।
তোমরা দুইজন আমার জন্য কিছু একটা করবে। তোমরা একে অপরের লাইফ ইনস্যুরেন্স।
No comments yet. Be the first to leave one.