The first 200 lines.
একটা জিনিস খোলাসা করো, ব্লাঙ্কো।
একটু আগেই ওর জীবন বাঁচানোর জন্য এত চেষ্টা করলে...
...আর এখন তাঁকে খুন করতে চাইছ?
এই লোকটা...
কোনোভাবেই আমার বন্ধু হতে পারে না!
- তোমার প্রেমিকার সাথে যা হয়েছে... - ওর নাম ছিল সারা!
খুব ভালো একটা মানুষ ছিল সে।
শুধু তোমার জন্যই তাকে মরতে হয়েছে।
তো এটা এক প্রকার প্রতিশোধ, তাই না? চোখের বিনিময়ে চোখ।
একবার ঘোষণা দিয়ে দিলে, আর পিছু হঠার সুযোগ নেই।
আমার আর কোনো পিছুটান নেই।
ভালো। তাহলে আরেকটা লড়াই হতে যাচ্ছে।
এখন তোমরা দুজনেই, বাকি কাজগুলো সমাপ্ত করে...
...যার যার ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করো।
আমরা ১৫ মিনিটের মধ্যেই এখানে ফিরে আসছি।
হেই।
- আর কোনো সাহায্য লাগবে? - যথেষ্ট করেছ ভাই।
ধরো, বেশি নেই। কিন্তু শুরু করার জন্য যথেষ্ট।
না। আমি এটা নিতে পারব না। তোমাদেরকে সাহায্যের ইচ্ছা থেকেই এটা করেছি।
গাড়ি, বাস, যেকোনো একটা টিকিট কেটে উঠে পড়ো।
- যেভাবেই পারো, এখান থেকে ভাগো। - ধন্যবাদ।
গাড়িতে একটু গ্যাস ভরতে হবে। একটু পর দেখা হচ্ছে।
ঠিক আছে।
সে তোমার সাথে বিনিময় চুক্তিতে আবদ্ধ?
হ্যাঁ।
কাজটা ঠিক হচ্ছে? একটু গড়বড় বাঁধলে তার যদি কিছু হয়ে যায়?
যদি হুইসলার আবার বেঁকে বসে যায়, সেজন্য আরকি!
সে এতো সহজেই রাজি হয়ে যাবে, মনে হয়?
এতো সহজেই ওরা এলজেকে চলে যেতে দিবে?
সমস্যা নেই। ওরা কী করতে পারে, তা ভালো করেই জানি।
আমি আমার ছেলের জীবন নিয়ে জুয়া খেলতে চাই না।
তোমাকে তা করতেও হবে না।
অ্যালেক্স।
অ্যালেক্স।
হ্যাঁ?
আমরা বিচারালয়ে ১৫ মিনিটের মধ্যেই পৌঁছে যাব।
এরপর কিছুক্ষণ মধ্যেই তোমার শুনানি শুরু হবে।
সকল প্রক্রিয়া ১ ঘণ্টার মধ্যেই সমাপ্ত করা হবে।
ভালো।
ভালোই হবে তাহলে।
তো এই ডিলে, ওরা আমার থেকে কী চায় মূলত?
সবকিছু জানতে চায়।
প্রেসিডেন্ট সম্পর্কে, কোম্পানি সম্পর্কে।
তোমার যে কাছে কার্যকরী কিছু অভিযোগ তথ্য আছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে চায়।
এর মাধ্যমে তুমি বিশ্বাসযোগ্য সাক্ষীর ভূমিকা পালন করতে পারো।
ওদেরকে যদি পুরোপুরি সহযোগিতা করি...
...তাহলে অভিযোগ স্বীকার ছাড়াও অন্যান্য জিনিস বেরিয়ে আসছে।
তুমি ঘরের শত্রু বিভীষণদের নিয়ে ভয়ে আছ।
কিন্তু তোমাকে পূর্ণ সুরক্ষা দেয়া হবে।
তুমি শুধু সত্যটা স্বীকার করলেই, সব ঠিক হয়ে যাবে।
এতো অধৈর্য হইয়ো না।
ওর সাথে হাত মিলিয়ে আয়।
তোমার মাথায় কী চলছে বুঝতে পারছি না,
- আমাকে মারলে সমস্যার সমাধান পাবে? - আরে মিয়াঁ!
- তোমাকে মারব না। - তাহলে এসব করলে কেন?
কিছু পেতে হলে কিছু দিতে হয়।
- এখন আমরা একটা সুযোগ পেয়েছি। - তোমার মাথাটা গেছে।
- ওরা অপেক্ষা করছে। - হাতে সময় নেই, ৩ টা বেজে গেছে।
তারমানে ড্রাগ এতক্ষণে কাজ করে ফেলার কথা।
৩ঃ১৩ তে সূর্য রশ্মি ওই টাওয়ারের গার্ডকে কাবু করে ফেলবে।
সব ব্যবস্থা হয়ে গেছে। এখন না পারলে আর পারা যাবে না।
শোনো, মাইকেল, আমি...
মানে সারার ব্যাপারে যা বলেছিলাম।
তোমার জায়গায় থাকলে, এ কথা এখন বলতাম না। কারণ, আমরা এখন পালাচ্ছি।
তোমাকে আমার ভাতিজার সাথে বিনিময় করছি।
তারপর সারার খুনিকে খুঁজে বের করব।
এরপর ওদের শিরশ্ছেদ করব।
- শোনো, মাইকেল। - এখন নয়।
একটু।
উঠোনে যা বলেছিলে, তা আমি শুনেছি।
সারার ব্যাপারটা কি সত্যি?
- হ্যাঁ। - এটা হতে পারে না...
মানে এটা...
সে কি...
আমি দুঃখিত মাইকেল।
বুঝতে পারছি ব্যাপারটা।
অনেক ভালো একটা মানুষ ছিল।
দুঃখিত রে ভাই।
কোনো সমস্যা?
কেউ জিজ্ঞেস করলে বোলো ফুয়েল পাম্প লিক হয়ে গেছে।
- না, আমিও তোমার সাথে বিচে যাব। - না, এখানটায় নজর রাখবে তুমি।
ওরা এখানে আসলে, তোমায় কল দিব।
যদি আজকের মধ্যেই সব হয়ে যায়...
...তাহলে আমাদের দুজনেরই উদ্দেশ্য সফল।
এখানেই থাকো।
- এর জন্য সরি। - সমস্যা নেই।
তুমি শুধু তোমার দায়িত্ব পালন করছ
আমার মতো তুমিও উদ্বিগ্ন হয়ে আছ।
হেই, একবার পানামা থেকে বের হয়ে গেলে...
...আমি, বাবা আর চাচা মিলে একটা স্কুবা শপ খুলব।
- সমুদ্র তীরে একটা বাড়ি বানাব। - ভালো।
প্রতিদিন সাঁতারে যাব।
- এর আগে কখনো সমুদ্রে কাছে থাকিনি। - হয়েছে।
- সবসময় এরকমই ইচ্ছা ছিল। - বুঝেছি।
তোমার স্বপ্ন অনেক বড়, ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক পরিকল্পনা তোমার।
আসলে এখন আমার হাতে আর কিছুই নেই।
সব তোমার চাচার হাতে। দোয়া করো, ভালোই ভালোই যাতে কাজটা করে ফেলতে পারে।
কীসের অপেক্ষায় আছ?
ম্যাহোন কোথায়?
সে চলে গেছে।
ওইটার মতোই?
কেন? মানে কীভাবে?
এখন নিজেদেরকে নিয়ে একটু ভাবলে হয় না?
সে হুট করেই এখান থেকে বেরিয়ে গেছে।
সে যে আমাদের প্ল্যান ফাঁস করে দেবে না, কিসের বিশ্বাস?
সালিনস, হাহ।
এটা কখন হলো?
তুমি শিওর?
আচ্ছা, আমি সেটা সামলে নিব।
কোনো সমস্যা?
কিছু পানামা-বাসী হয়ত একটু ইতস্তত বোধ করতে পারে।
- কীরকম? - ওদেরকে একটু ভরসা দিলেই হবে।
এটা নিয়ে চিন্তার কিছু নেই, সব সামলে নেয়া যাবে।
যথাসময়ে, আমরা তোমাকে একটা হোটেলে নিয়ে যাব।
তো, কী হচ্ছে এখন?
রিল্যাক্স, জয়ের পাল্লা এখনো তোমার দিকে ঝুঁকে আছে।
যদি কেউ তোমায় ছোনা মুক্তির টিকেট না দিয়ে থাকে।
পুরো বিষয়টা কভার করার জন্য মাত্র ৪ মিনিট রয়েছে হাতে।
তাই মাটিতে নামার পরে, সোজা বেষ্টনীর দিকে দৌড়োবে।
কোনোদিকে তাকাবে না, কোনো কথা বলবে না।
- যদি ওরা আমায় দেখে ফেলে? - কেউ থামতে বললে, থেমে যাবে।
- এটুকুই? - এটুকুই।
সময় হয়ে গেছে। স্যামি কোথায়?
প্রথমে কে যাবে?
আমার তুলনায় তোমার জীবনের মূল্যই বেশি।
প্ল্যান ভেস্তে গেলে, প্রথমে নামা ব্যক্তিটাকেই গুলি খেতে হবে।
সেটা তুমি হলে সমস্যা।
আমিই যাব প্রথমে।
কাজ হয়ে গেছে।
পাঁচ।
চার।
তিন।
দুই।
এক।
- সূর্যরশ্মি, হতচ্ছাড়া সূর্যরশ্মি কোথায়? - জানি না।
এই যে।
কেউ আসছে।
- শুভকামনা। - তোমাকেও।
আলো কমে যাচ্ছে!
ফিরে যাও, ফিরে যাও।
যাও!
এটাই ছিল আমাদের একমাত্র সুযোগ।
ধুর শালার!
ওদেরকে খুঁজে বের করো।
চেঁচামেচি শুনছ? ওরা আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে।
- আমাদের বের করা সময়ের ব্যাপার মাত্র। - জানি। আসো।
বালটা আসছে না কিছুতেই।
হেই, শ্বেতাঙ্গের দল।
বেরিয়ে এসো ভাইয়েরা।
আসো, আসো।
এটা লুকানোর সময় নয়।
বেরিয়ে এসে খেলায় নেমে পড়ো।
আমাদেরকে যেতে হবে। ওরা আমাদেরকে এখানে খুঁজে পাবে না।
- এটাকে কী করব? - লুকিয়ে রেখে দাও।
আসো।
আরে আসো মিয়া।
যাও, যাও।
কোথায় ছিলে এতক্ষণ?
কোথায় ছিলে এতক্ষণ?
বাথরুমে?
আসলে গুরুতর একটা ভুল হয়ে গেছে।
ভুল হয়ে গেছে?
এখন বুঝতে পারছি আরকি।
এসব ঝামেলার আসলে কোনো দরকার নেই।
তোমরা তাহলে নিয়মটা বুঝতে পারনি।
তোমাদেরকে এখানে বোকামি করতে দিতে পারি না।
প্রথমে ভেবে নেয়ার জন্য যথেষ্ট সুযোগ দিয়েছি।
প্লীজ।
আমরা সবাই নিয়মটা জানি।
দুইজন যাবে, একজন জীবিত ফিরে আসবে।
এই লড়াইটা হতেই হবে।
যাও!
কীসের জন্য অপেক্ষা করছ তোমরা?
না জমাতে পারলে বলো। আমি আসছি।
দুঃখিত, যেহেতু একজনই বের হয়ে যেতে পারবে...
- ওইখানের কী অবস্থা? - ওরা এলজেকে একটা ভ্যানের মধ্যে রেখেছে।
- সে ঠিক আছে? - তাই তো মনে হচ্ছে।
ওরা সংখ্যায় কত?
- একজন ড্রাইভার আর একজন বডি-গার্ড। - এটুকুই।
ওইখানে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
একসাথে সব শুরু করেছিলাম।
একসাথেই শেষ করব।
মাইকেল, কোথায় তুই ভাই?
আমার উপর নজর রাখছ মনে হচ্ছে।
সবকিছু ঠিক আছে কি না, চেক করছি।
একটু দেরি হয়েছে খালি, এটুকুই।
তো প্ল্যানটা কী?
পুলিশ ধাওয়া করলে, সাঁতার কেটে...
...কারো নৌকায় গিয়ে উঠবে নাকি?
ওইরকমই কিছু।
- এরপর? - একটা কথা বলি...
- তোমার গাড়িতে ফিরে যাওয়া উচিত। - নড়বে না।
ওয়াও! অভিভূত হয়ে গেছি।
তোমার তাহলে মুখে মধু আর অন্তরে বিষ!
- আমায় গুলি করবে নাকি। - না।
তুমি জেমসকে ওদের হাতে তুলে দিবে? আমি তা হতে দিব না।
- কী করছ একবার ভেবে দেখো। - দেখেছি।
সারাকে ওরা কী করেছে, তা জানার পর থেকেই ভাবছি।
ওরা এখানে আসলে, জেমস আর আমি পালিয়ে যাব।
- কোথায়? - জানি না।
No comments yet. Be the first to leave one.