The first 200 lines.
❤️সাবটাইটেল সমন্ধে "বাংলা সাবটাইটেল মেকার্স বিডি" গ্রুপে আপনার মতামত দিন❤️
তুমি কি অন্ধ নাকি অন্যকিছু?
ওই বদমাস আমার পাশে আয়নাতে আঘাত করেছে, আর আমি আপনার গাড়িতে আঘাত করেছি।
গাড়ি যখন নিয়ন্ত্রণই করতে পারেন না, তখন গাড়ি চালাতে যান কেন?
সে আমার গাড়িতে আঘাত করেছে। বাচ্চাটা কি ঠিক আছে?
ও কি ঠিক আছে? ওরা মাথাটা পরীক্ষা করে দেখুন।
কিছুই হয়নি, সোনা।
আমাকে তোমার হাত দেখতে দাও।
কিছুই হয়নি।
- তোমার কি ব্যথা আছে? - আমার মাথা...
কোথায়? আমাকে দেখতে দাও।
পুলিশকে ডাকুন।
আমি একজন ডাক্তার।
- তোমার কি বমি বমি লাগছে? - বমি?
- তুমি কি বমি করতে চাও? - না, শুধু এখানে ব্যথা করছে।
কোথায়?
- কতগুলো জায়গাতে ব্যথা পেয়েছ? - এক জায়গাতে।
- পুলিশ ডাকুন, আমার কাছে মোবাইল নেই। - ঠিক আছে, কিন্তু ওকে প্রথমে পরীক্ষা করা যাক।
আপনি কোনও মানুষের মত গাড়ি চালাতে পারেন না।
ওকে কোলে তুলে নাও, ও কাঁদছে।
তুমি কীসের জন্য অপেক্ষা করছ?
- আমাকে তোমার মোবাইল দাও। - ব্যাটারি শেষ হয়ে গেছে।
পুলিশের কোনও প্রয়োজন নেই।
আমি ক্ষতিপূরণ দেবো, আর আপনাদেরকে ক্লিনিকে নিয়ে যাব।
ক্লিনিকের দরকার নেই, পুলিশ ডাকুন!
আমি কি একটা পিক-আপ ভ্যান ডেকে এটাকে গ্যারেজে নিয়ে যাব?
এটা নষ্ট হয়ে গেছে, এটা এমনকি আমারও নয়।
আপনার গাড়ির আলো জ্বালান।
- আপনি কি ঠিক করতে পারবেন? - আমি কীভাবে জানব?
- ম্যাডাম, প্লিজ গাড়িতে গিয়ে বসুন। - আমি এখানেই ভালো আছি।
তুমি গাড়িতে গিয়ে বসো, খোকা।
- গাড়িতে বসলে কি সমস্যা আছে? - ভিতরে গিয়ে বস।
- আপনার স্ত্রীকেও গাড়িতে বসতে বলুন। - দরকার নেই!
হ্যালো? আজার?
জানালার পাশে যাও। তুমি কি আমার কথা শুনতে পাচ্ছ?
হ্যালো?
তার স্বামী কি জানে, সে ওখানে রয়েছে?
সে তার ছবি রেখে যেতে পারে, কিন্তু আমি রাখব না।
আমি এখন ব্যস্ত আছি, আজার। আমরা রাতে কথা বলব, বিদায়।
- তুমি ঠিক আছ, খোকা? - হ্যাঁ।
- তোমার নাম কী? - আমির আলী।
আমির আলী!
তোমার শার্টের হাতা গুটাও।
- তোমার ডাকনাম কী? - আমির আলী খানরুদি।
- তোমার কি ঠান্ডা লাগছে? - একটু লাগছে।
তোমার হাত এরকম করতে থাকো।
- তুমি কোন ক্লাসে পড়? - আগামী বছর তৃতীয় শ্রেণীতে উঠব।
তারমানে তুমি বড় হয়ে গেছ।
- এখন এরকম করো। - ব্যথা করছে।
- তোমার মাথাও কি ব্যথা করছে? - এখানে একটু করছে।
- তুমি কি একটু ঘুমাতে চাও? - না।
এটা কী?
এয়ার কন্ডিশন, হিটার, আর কাচের বাষ্প পরিষ্কারের জন্য।
- ৫টা গিয়ার? - হ্যাঁ, তোমার হাত এখানে রাখো।
১, নিচে নামাও।
তুমি কি শক্তিশালী, চ্যাম্পিয়ন? তাহলে, উপরে নাও।
৩, নিচে নামাও।
ব্যথা করছে?
৫, এবং পিছন দিকে।
- এটা কি হর্ণ? - না, এটা হর্ণ।
ওটা সামনের গ্লাসে পানি দেবার জন্য।
আমি এখনি ফিরে আসছি।
ঠিক করতে পেরেছেন?
শুধু সামনের কাচ আর হেডলাইট ভেঙেছে।
- ঠিক করতে কত খরচ হবে? - জানি না।
- আমাকে বলুন। - আমি এখন বলতে পারছি না।
ঠিক আছে, গাড়িতে চলুন।
আমি আপনাদের ক্লিনিকে নিয়ে যাব, আর ক্ষতিপূরণ দিয়ে দেবো।
- আমি ওদেরকে নিয়ে যাব। - আমি আপনাদের পৌঁছে দিতে পারি।
গাড়ি থেকে বের হ!
ঠিক আছে।
আপনার যত খুশি এখান থেকে নিন।
- আমি ক্ষতিপূরণ পাব না। - এখান থেকে নিন।
তোর মার কাছে যা।
এখান থেকে নিন।
ধন্যবাদ।
- এটুকুতেই হবে আপনার? - হ্যাঁ, সমস্যা হবে না।
সামনে একটা আন্ডারপাস আছে। ওটার পাশেই ক্লিনিক।
আমি জানি ক্লিনিক কোথায়।
উঠে পড়।
- খোদা হাফেজ। - খোদা হাফেজ, হাত মেলাবে না?
যদি সে নড়াচড়া না দেখায় তাহলে, প্রতি দুই ঘন্টায় তার অবস্থান পাল্টে দিবে।
অবশ্যই।
ট্যাক্সি নিচে আছে, আমি কি যেতে পারি?
একটু অপেক্ষা করো।
- শেষ কখন তার প্রসাবের ব্যাগ পাল্টিয়েছ? - এক কী দুই ঘণ্টা আগে।
- আজকে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে? - না।
দরকার নেই, আমার কাছে টাকা আছে।
ধন্যবাদ।
- সায়েহ বাক্স এনেছে? - হ্যাঁ।
বাক্সে জামাকাপড় ছিল। সে বলেছে, সে নাকি জোগাড় করেছে।
আমার বোনকে আমি কী বলব? সে তার ছবি রেখে গিয়েছে।
এটা জটিল কিছু নয়।
সে বিশেষজ্ঞের কাছে গেলে তারাই ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করবে।
সে চেয়েছিল আপনি যেনো তাকে একবার দেখেন। কারণ, অনেক সময় চলে গেছে।
তোমাকে কি বলিনি যে আমার কাজের ব্যাপারে কিছু বলবে না?
সে তো অপরিচিত কেউ নয়।
ঠিক আছে।
তাকে আগামীকাল লিগ্যাল মেডিসিনে আসতে বোলো।
- কখন? - সকালে।
ধন্যবাদ, আমি কি যাব?
- শক্তভাবে দরজা বন্ধ করে দিও। - অবশ্যই, খোদা হাফেজ।
এখন ঠিক আছে!
আমাকে তোমার অপেক্ষা করাতে ভালোই লাগে।
গত মাসে তাদেরকে বলেছিলাম আমি চলে যাব আর বিল্ডিং পরিচালনার ভার ছেড়ে দেবো।
কিন্তু, আমাকে দেখলেই ওরা নালিশ দেয়া শুরু করে।
"লিফট কাজ করছে না। তারা টাকা দেয় না!"
- তাদের নতুন কোনো ম্যানেজার নেই? - আছে, কিন্তু সে একটা পাঠা।
একটা পাঠা?
নয়তো কী!
তুমি অন্য কিছু বলতে চাও?
আমি আরেকটু ভদ্রভাবে বলতাম। আমি বলতাম, সে একটা উল্লুক!
অভদ্র!
- এখানে তো শুধু রুটি। - তোমার সীট বেল্ট বেঁধে নাও!
হ্যালো, ডাক্তার। এখনি হয়ে যাবে।
সায়েহ, সোনা? আমরা পৌঁছে গেছি।
- হ্যালো, ডাক্তার। - হ্যালো।
- একজন মহিলা আপনার সাথে দেখা করতে চায়। - তাকে এখানে আসতে বলুন।
- হ্যালো, ডাক্তার। - হ্যালো।
- আমি আপনাকে বিরক্ত করতে চাইনি। - আপনার চশমা খুলে ফেলুন।
- এটা কখন ঘটেছিল? - এক সপ্তাহ অথবা ১০ দিন আগে।
- আপনি তখন কেন আসেননি? - সে যখন কাঁদছিল, তখন তাকে সান্ত্বনা দিচ্ছিলাম।
- সে কি একটা আংটি পরা ছিল? - হ্যাঁ, আংটি পরা ছিল।
- শুধু আপনার মুখেই? - না, আমার পিঠেও।
ছবিগুলো আমার মোবাইলে আছে।
- আপনি কি বেহেস্ট স্ট্রিটের ফরেনসিক চিনেন? - আমি খুঁজে নেবো।
- মিঃ গারুসির কাছে যান, আমি তাকে ফোন করছি। - আপনি করতে পারবেন না?
না, পরীক্ষা করার অফিস সেখানে। আপনার ছবিও প্রিন্ট করে নিয়েন।
তারা ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করবে আজকে নাকি ১০ দিন আগের?
মনে হয়, ১০ দিন আগের।
- রেজাল্ট কি আপনার কাছে আনব? - না, তারা ওটা ওখানেই করবে।
ধন্যবাদ।
এটাতে একটু সাইন করবেন, ডাক্তার? এটা গতকালকের।
- এটা কীসের? - একটা যুবকের দুর্ঘটনার।
আবারও গাড়ী দুর্ঘটনা লিখেছে।
ডাঃ মশিরি বলেছেন, গাড়ির কাঁচ আর পাশের গার্ডের কারণে কেটেছে।
তার কানের পিছনে খুব সুক্ষ্মভাবে কেটেছে।
- তুমি কী করছ? - দুঃখিত, স্যার।
ভাঙা টুকরোগুলো পরিষ্কার করো।
- তোমার হাত কি ঠিক আছে? - জ্বি, স্যার।
আমি এটাতে সাইন করব না।
সাইন করার জন্য কমিশনে পাঠাও, নয়তো ডাঃ সালেহীকে দাও।
- ডাঃ সালেহী আজকে নাও আসতে পারে। - ফারুক, আমি এটাতে সাইন করব না।
একটু খেয়ে নাও, ডাক্তার।
আমার ক্ষুধা নেই।
তুমি কিন্তু পরে পস্তাবে, এটা অর্গানিক খাবার।
ওকে প্রতিদিন ডিম দিও না। তার লিভারে চর্বি জমেছে।
- ওর যত্ন বাড়িতে নিও। - কিছু সময়ের জন্য তার কোনোই বাড়ি নেই।
- তুমি কি তোমার জিনিসপত্র নিবে না? - হ্যাঁ, নিয়ে যাব।
- এতগুলো আবেদনকারী কেনো? - তারা গত সেমিস্টারের হতে পারে।
এখানে আসার দুইদিন পর থেকেই অনুশোচনা করছে।
এসব দিয়ে আমার কী করা উচিৎ?
সমস্যা কী?
তার পরিবার অভিযোগ বা ময়নাতদন্ত কিছুই করতে চায় না।
- ডাঃ সালেহী এসেছে? - এখনও আসেনি।
- বিচারক কী আদেশ দিয়েছেন? - আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে।
তাহলে কী করবে জিজ্ঞেস করছ কেন?
তার পরিবারের কাছে পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করো।
হ্যাঁ?
সে কী দেখতে চায়?
সে এখন কোথায়?
তাকে বলো ডিএনএ পরীক্ষা করাতে। যদি সে বাবা হয়, তাহলে আমি তাদেরকে জানাব।
এটা কোনো সমস্যা না।
খোদা হাফেজ।
- তুমি কি এটা নিবে না? - না, আমার হাত ময়লা। ফারুক নিয়ে আসবে।
- আপনি কি ওগুলোও উল্টাপাল্টা করেছেন? - না, ওগুলোও নিয়ে যাও।
- পুরুষ, ৩০ বছর, অনেকটা পুড়ে গেছে। - হত্যা করা হয়েছে?
তার পরিবার এখনও কিছু বলেনি, কিন্তু এর সম্ভাবনা আছে।
পুরুষ, ৬৭ বছর...
- হ্যালো। - হ্যালো।
- একটু ভালো আছেন? - হ্যাঁ, প্রফেসর।
পড়তে থাকো।
৬৭ বছর, ফুসফুসের রোগ। পুরুষ, ২৩ বছর, ব্রেইন স্ট্রোক।
- ফারুক, তুমি কি ডাক্তারকে ফাইল দিয়েছিলে? - উনি ফাইল কমিশনে পাঠিয়ে দিয়েছেন।
- সমস্যা হবার আগেই সাইন করো। - সমস্যা হবে কেনো?
সে গতকাল বলছিল যে, তুমি তার ময়না তদন্তের সবকিছু কমিশনে পাঠিয়েছ।
- তার কাজ তাকে ভালো করে করা উচিত। - তুমি তো আর ছেড়ে দেবে না।
পুরুষ, ৩১ বছর, বিষ দেয়া হয়েছে।
- কার্বন ডাই অক্সাইড? - না, অ্যালুমিনিয়াম ফসফাইড।
পুরুষ, ৪৯ বছর, হার্টের সমস্যা রেকর্ড করা হয়েছে।
হাসপাতাল নিশ্চিত করেছে হার্টের সমস্যা, কিন্তু পরিবার বলছে রাস্তায় মারামারি করে মারা গেছে।
- সিআইডি তদন্ত করেছে? - এখনও করেনি।
আমির খানরুদি, বয়স ৮, মৃত্যুর কারণ অজানা।
ভর্তির পর মারা গেছে।
পুরুষ, বয়স ৫২, বাড়ীতে মৃত্যু হয়েছে।
কে?
- শেষটা? - না, আগেরটা।
আমির খানরুদি, বয়স ৮, মৃত্যুর কারণ অজানা।
ভর্তির পর মারা গেছে।
- ওকে তারা কখন এনেছিল? - আজ সকালে।
- সে কি হলে আছে? - হ্যাঁ।
আপনি ওকে চিনেন?
মাজিয়ার? আপনি কি ডাঃ নারিমানকে দেখেছেন?
সে হাসপাতালের পেছনে ছিল।
- আমি কি আপনার সাথে আসব? - না!
ফারুক বলল তোমার খুব মন খারাপ হয়েছে।
কিছুই হয়নি, সব ঠিক হয়ে যাবে।
তুমি কি বাচ্চাটাকে চিনতে?
বাচ্চাটা কার?
পরিচিত এক লোকের ছেলে।
No comments yet. Be the first to leave one.