The first 200 lines.
সাবটাইটেল
সাবটাইটেল অনুবাদেঃ
সাবটাইটেল অনুবাদেঃ রৌদ্র মুহাম্মাদ
সাবটাইটেল অনুবাদেঃ রৌদ্র সরকার মুহাম্মাদ নাজমুল
সাবটাইটেল অনুবাদেঃ রৌদ্র সরকার মুহাম্মাদ নাজমুল হাসান
রাজাপ্পা কোথায়? এখানে দেখো।
হ্যালো, রাম। কাল সন্ধ্যায় ক্রাইম প্রোগ্রামের সময় যেন অন্য কিছু না দেখানো হয়।
কেন স্যার?
এতদিন স্টিং অপারেশনের (সাঁড়াশি অভিযান) যত ভিডিও করেছি সেগুলি প্রচার করতে হবে।
আর শুনো,
প্রতি ২০ মিনিট পর পর প্রচার করতে থাকো যে...
আমরা বড়ো একটা ব্রেকিং নিউজ প্রকাশ করতে যাচ্ছি।
ঠিক আছে, স্যার।
আমি চাই পুরো রাজ্য যেন এটা দেখে।
অবশ্যই, স্যার।
- এখানে আয়, আয়। - তুমি কোথায়, আমি তো খুঁজে পাচ্ছি না।
এখানে এইদিকে আয়...
এদিকে আয়।
বেবী।
ধরে ফেলেছি।
দুঃখিত।
না জেনে ধরা ভুল কাজ নয়,
চেনার পরেও আমাদেরকে ধরা...
ভুল কাজ!
আমার বাসায় ঢুকার সাহস কীভাবে হলো, বেরিয়ে যা।
শান্ত হন, আরাধ্য।
আসুন কথা বলি।
বলুন।
ওদিকে ফাঁকা চেক,
এদিকে গুলি ভরা বন্দুক,
পছন্দ আপনার।
আমাকে ভয় দেখাচ্ছিস?
পোষমানা কুকুরগুলোর এটাই সমস্যা।
এগুলোও রুটি খায় না,
আর বন্দুকেও ভয় পায় না।
আরও একবার ভেবে দেখুন।
আগামীকাল খবর সম্প্রচার করা বন্ধ করবেন,
নাকি, যেই গুলিটা এখন বের হবে, সেটা বন্ধ করবেন?
এখনই আপনার সময় শুরু হচ্ছে।
- আম্মা! - কী?
গ্যাব্রিয়েল...
কোনোকিছুই রেখে যাবে না,
সমস্ত প্রমাণ সাফ করে ফেলো।
সে আমার সম্পর্কে সব কিছু জেনে গিয়েছিল।
গ্যাব্রিয়েল...
আমার সবকিছু ভিডিও করেছিল।
পুরো রাষ্ট্র হতবাক হয়ে গিয়েছে।
সাপ্তাহিক পত্রিকা এবং নিউজ চ্যানেলের প্রধান সম্পাদক...
আরবিন্দ আরাধ্যকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছে,
আর এই মামলার তদন্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পুলিশ অফিসার প্রতাপ মিশ্রাকে।
স্যার, আপনি কি এই নৃশংস হত্যাকারীকে ধরতে পারবেন?
স্যার।
অপরাধী একটা ছোট্ট চিহ্নও রেখে যায়নি।
আমার মনে হয় সে খুব চালাক।
স্যার, আপনি কি কোনও প্রমাণ পেয়েছেন?
স্যার, এই হত্যার পিছনে কার হাত রয়েছে সে বিষয়ে কোন তথ্য পেয়েছেন?
তদন্ত চলছে...
আপনাদের এরচেয়ে বেশি কিছু বলতে পারব না, ধন্যবাদ।
কী হয়েছে?
স্যার,
সে কোনও প্রমাণ না রেখেই খুন করেছে।
এর সমাধান করা আপনার জন্য কঠিন হবে।
দশ লোকের হাত থেকে সাপ হয়তো বাঁচতে পারে,
কিন্তু, ঈগলের হাত থেকে বাঁচতে পারে না।
ইন্সপেক্টর বিক্রম,
নামেই বুঝা যায় যে সে তরুণ, তেজী এবং সামান্য দুষ্টু।
আর গতি, তার নামের সাথে আরও বেশিকিছু যোগ করেছে।
আমাকে গ্রেফতার করার সাহস ওই বাহিনীতে কার আছে?
বিক্রমের পায়ে পড়ে মানুষকে আমি বলতে শুনেছি,
তার আনুগত্যের মনোভাবের জন্য সবাই তাকে কোহিনুর ইন্সপেক্টর বিক্রম বলে ডাকে।
সে সহজ সমস্যাকে কঠিন করে সমাধান করে,
আর কঠিন সমস্যাকে দ্রুত গতিতে সহজ উপায়ে সমাধান করে ফেলে।
দেখ, পুলিশ।
কিরে, এভাবে উপস্থিত হয়ে নিজেকে ডায়নামিক স্টার দেবরাজ মনে করছিস!
আমি নিজেকে তার ছেলে প্রজওয়াল দেবরাজ ভাবি।
বাবা তোদেরকে আটকে রেখে মারে, কিন্তু তার ছেলে তোদের জায়গাতেই মারবে।
মার শালাকে।
- তোর লাগবে নাকি? - দেখ, পুলিশ...
তুই আমার ব্যাপারে জানিস না।
এই কাম্বি কৃষ্ণ কোন লেভেলের সন্ত্রাসী, তা তুই জানিস না!
যদি জানতে পারিস, তাহলে তুই এসে আমার পায়ে পড়ে থাকবি।
তুই এসে আমার পায়ে ধরে থাকবি।
আমি না কারও পায়ে পড়ি, না কারও পা ধরে টানি।
আবার বলছি।
এই যুবরাজ...
না কারও পায়ে পড়ে, না কারও পা ধরে টানে।
সমালোচকদের লম্বা জিহ্বা থাকে, কাঁকড়ার লম্বা হাত থাকে।
সাহস থাকলে আয়।
আরে ভাই, বাইরে আয়।
আয়, এটা নে।
যেমন লাফ, তেমন থাবা!
আমাদের অফিসার।
ইন্সপেক্টর বিক্রম,
কর্ণাটক পুলিশ বিভাগের দ্বিতীয় কোহিনূর হীরা।
🔥'ইন্সপেক্টর বিক্রম'🔥
স্যার।
- কী হয়েছে? - প্রথম হীরা কে?
কিছুই জানিস না নাকি?
তিনবারের নায়ক,
করুণারা চক্রবর্তী,
ডাঃ শিবরাজ কুমার।
নমস্কার স্যার, মহিলারা এখানে ঠিকমতো কাজ করতে পারছিল না!
ওদের হাত থেকে আমাদের বাঁচানোর জন্য...
আপনাকে ধন্যবাদ স্যার, ধন্যবাদ।
কাঁদবেন না।
যতো বেশি কাঁদবেন মানুষ আরও বেশি আপনাদেরকে শোষণ করবে।
আপনারা পুরুষ হয়েও এসবের প্রতিবাদ করেন না কেন?
আমরা কীভাবে ওদের বিরুদ্ধে যাবো?
এটাই আপনাদের বড় সমস্যা।
অসহায় ভাবতে ভাবতে নিজেদের জীবনকে নষ্ট করেছেন।
আপনারা তো কাপড় ধুয়ে থাকেন, ওদের কেন ধুয়ে তাড়িয়ে দেন না?
যদি শ্রমিকেরা একসাথে হয়, তবে কোনও খারাপ শক্তি আপনাদের সামনে দাঁড়াতে পারবে না।
আপনাদের একটা কথা বলি মনে রাখবেন।
- ঐক্য শক্তির প্রতীক। - হ্যাঁ, স্যার।
- কী বলেন? - সত্য, স্যার।
- স্যার, আমি কি আসতে পারি? - ভিতরে এসো।
বিক্রম, তুমি আর কলেজের ছাত্র না। দাড়ি পুরোটা কেটে নিও।
এখন, তোমাকে যা করতে হবে তা হলো...
ফুর্তি আর মজা করতে হবে?
কী বললে?
আমি তিনদিনের ছুটির জন্য আবেদন করেছিলাম, এবং ছুটি মঞ্জুর হয়ে গেছে।
আমার ছুটি দুই ঘন্টা আগে শুরু হয়ে গেছে।
কাম্বি কৃষ্ণাও জেলের ভিতরে আছে।
কাজের সময় কাজ, আর পার্টির সময় পার্টি।
এখন পার্টির সময়।
চাচা, আমি যাচ্ছি।
- আরে বিক্রম, অপেক্ষা করো। - তিন দিন পর।
তোমার ভুঁড়ি তো খুব ভালোই বানিয়েছ।
আপনি কীভাবে সবসময় এত খুশি থাকেন, স্যার?
রাঙ্গানা, জীবনে খুশি হওয়া খুব সহজ।
আমাদের চেয়ে এগিয়ে থাকা লোকদের দেখে যেমন ঈর্ষা করা উচিত নয়,
আবার যারা পিছিয়ে আছে, তাদের দেখেও খুব ভালো বোধ করা উচিত নয়।
আমাদের সাথে থাকা লোকদের হারাতে দেয়া যাবে না।
এই তিনটা জিনিস অনুসরণ করো, জীবন এমনিতেই সুখের হয় যাবে।
স্যার, আপনি তরুণ হলেও আপনার কাছে অনেক কিছু শেখার আছে।
থাকবে না কেন, দ্বিতীয় কোহিনুর হীরা যে!
বাই, দুষ্টু!
Hunter
Expert
Hunter
Folks some classical touch
কেমন আছ, বিক্রম?
- দারুন আছি, চাচি। - বিক্রম।
জানো, কেন তোমার ছুটি বাদ দিয়ে আমি তোমাকে এখানে আসতে বলেছি?
আপনার বিবাহ বার্ষিকীতে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য।
সেজন্য না।
তাহলে?
তোমাকে একটা গুরুত্বপূর্ণ মাদক তদন্তের মামলা দেওয়ার জন্য।
তোমাকে এখনি মনিপালে যেতে হবে।
ঠিক আছে চাচা, আমি এখনই যাচ্ছি।
আরে এখন না, কালকে যেও।
থানায় গেলে রঘুরাম তোমাকে সবকিছু জানিয়ে দিবে।
ঠিক আছে?
একটু দাঁড়াও, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পি.এ ফোন করেছে।
- হ্যালো, বলুন স্যার। - এটা কী ডিউটি?
কপালে এটাই ছিল।
বিয়ের দিনের বিশেষ আর কী খবর, চাচি?
এই দিনের কথা মনে ও রেখেছে আর আমার সাথে আছে, এটাই বিশেষ কিছু।
চাচি, এটা তেমন কিছু না।
চাচা সবসময় আপনার কথা মনে রাখে।
উনি সবসময় আমাকে বলেন যে,
"আমার এবং আমার স্ত্রীর মধ্যে অনেক মিল আছে"।
তাই নাকি? আর কী বলে?
যারা আমার হাতে মার খায়, আর যারা...
আমার হাতের স্ত্রীর খাবার খায়, তাদের সবাই হাসপাতালে ভর্তি হয়।
ও এই কথা বলেছে?
কিন্তু, আমার রান্না তো সে পছন্দ করে।
চাচা সবসময় ইন্দিরা ক্যান্টিনের কাছে গাড়ি পার্ক করেন।
ইন্দিরা ক্যান্টিনে?
একদিন ইন্দিরা ক্যান্টিনে, আরেকদিন আপাজি ক্যান্টিনের কাছে।
আজকাল উনি বলেন যে, তার একটু পরিবর্তন দরকার।
জানেন আন্টি, উনি কয়েকদিন আগে কী বলেছিল?
কী বলেছিল?
থাক আন্টি, বাদ দেন!
সমস্যা নেই, বিক্রম! আমাকে বলো।
বলব?
হোয়াটসঅ্যাপে যেভাবে ডিপি (প্রোফাইলের ছবি) পাল্টাই,
বাস্তবজীবনে সেভাবে পাল্টাতে পারলে কতই না ভালো হতো!
ডিপি মানে কী?
ধর্মপত্নী (স্ত্রী)।
ও এসব কথা বলেছে?
- সে আমার সাথে এমন কথা কখনও বলেনি! - চাচি।
স্বামীরা কেবল দুই সময় এমন কথা বলে।
যখন সে মাতাল হয় তখন,
আর, বউ যখন বাইরে যায় তখন।
যাই হোক চাচি, একটু সাবধানে থাকবেন।
তাই নাকি?
উনি সবসময় বলেন যে, ওনার একটু পরিবর্তন দরকার।
উনি যদি আপনাকেই পাল্টে ফেলে!
বিক্রম!
দুঃখিত।
চাচা, আপনার জন্য কি টমেটো স্যুপ অর্ডার করব?
না, একটু পাল্টানো দরকার।
মাশরুম স্যুপ অর্ডার করো।
- এই যে শুনছেন? - জি, স্যার।
দুটি টমেটো স্যুপ আর একটা মাশরুম স্যুপ দিয়েন।
- ঠিক আছে, স্যার। - ধন্যবাদ।
বিক্রম,
প্রতিবার আমাদের বিয়ের দিনে আমরা এই হোটেলে আসি।
সবসময় ওই টেবিলে বসতাম।
No comments yet. Be the first to leave one.