The first 186 lines.
তোমাকে চলে যেতে বলেছি না?
যতো যাই হোক, তোমাকে চাবিটা দিচ্ছি না!
কীভাবে চাবিটা ব্যবহার করতে হয় সেটাও দেখাব ভেবো না!
কী হচ্ছে ওখানে?
ওরা দু'জন কি ঝগড়া করছে?
কী করা উচিৎ আমার? ওদের কথার মাঝে ঢুকলে তো অভদ্রতা হবে!
কিন্তু, ওরা ঝগড়া করলে আমার উচিৎ তাদেরকে থামানো!
থামো!
এরকম করছ কেন? ওকে ছেড়ে দাও!
তোমার কন্ঠস্বর একদমই বিরক্তিকর!
কে তুমি?
একটা ছোট্ট বাচ্চার সাথে কেউ এরকম ব্যবহার করে?
তোমার হাত...
ওর হাত একটুও কাঁপছে না!
ওর হাতের আকার তো আমার হাতের চেয়েও সরু!
উচ্চতা তেমন একটা লম্বাও নয়!
আমার হাত থেকে তোমার হাত সরাও।
তুমি বেশ দুর্বল।
ডেমন স্লেয়ার কর্প্সে কীভাবে ঢুকেছ বুঝতে পারছি না।
বক্সটা দেখে কেমন একটা অদ্ভুত অনুভূতি হচ্ছে।
ভেতরে কি কোনো ডেমন থাকতে পারে?
কী আছে ভেতরে?
দেখি?
এটা ছুঁয়ে দেখার সাহসও করবে না!
YORIICHI TYPE ZERO
ও ছেলেটাকে ছিনিয়ে নিয়ে গেল!
তুমি ঠিক আছো?
ছেড়ে দাও আমাকে!
তোমার নিশ্চয়ই মাথা ঘোরাচ্ছে!
যাও তো তুমি এখান থেকে!
আমি... আমি চাবিটা কাউকে দেব না!
আমাকে শত নির্যাতন করলেও না!
চাবিটা আরেকবার ব্যবহার করলে ভেঙে যেতে পারে!
কখনও টর্চার ট্রেনিং করেছ?
শক্তপোক্ত যুবকেরাও এই টর্চারে ধকল নিতে পারে না। তুমি তো আরো পারবে না।
তোমার বিশ্বাসের মতো তুমিও বেশ নির্বোধ।
চাবিটা ভেঙে গেলেই বা কী? আরেকটা বানাবে।
গোত্রীয় ব্যাপারস্যাপারে নাক গলানোয় কত মানুষের প্রাণ যেতে পারে ধারণা আছে তোমার?
একজন হাশিরাকে তার কর্তব্য পালন থেকে বাধা প্রদানের পরিণতি এমন হতে পারে।
একজন হাশিরার সময় তোমাদের সময়ের চেয়ে শতগুণে মূল্যবান।
মাথাটা একটু খাটালেই গোটা ব্যাপারটা জলের মতো পরিষ্কার হয়ে যাবে।
কামারে লড়তে পারে না।
তোমরা কারো জীবন বাঁচানোর সামর্থ্য নেই।
তোমাদের একমাত্র কাজ তরবারি বানানো।
এবার সুবোধ ছেলের মতো...
চাবিটা আমার হাতে দাও।
তোমার স্থান সম্পর্কে ভুলে যেয়ো না।
যেহেতু, এখন তুমি আর বাচ্চা নও।
কী করছ তুমি?
আমি শুধু...
জানি না কেন..
তোমাকে সহ্য করতে পারছি না!
তোমার মধ্যে ভদ্রতাবোধের বড়ই অভাব!
তুমি নিষ্ঠুরের মতো কষ্ট দিয়ে কথা বলো!
আমি কষ্ট দিয়ে কথা বলেছি?
তুমি মিথ্যা বলোনি!
স্বীকার করছি যে যা বলেছ সেটা সত্য...
যেটা মেনে না নেওয়ার মতো যৌক্তিক কারণ নেই!
কিন্তু, তরবারি বানানো...
চাট্টিখানি কথা নয়!
ওদের দক্ষতার সাথে আমাদের দক্ষতার রাত দিনের পার্থক্য আছে!
ওরা আমাদের জন্য এসব তরবারি না বানালে...
আমরা ডেমনদের বিরুদ্ধে লড়তে পারতাম না!
যোদ্ধা এবং তলোয়ার প্রস্তুতকারদের একে ওপরকে প্রয়োজন!
আমরা সবাই একই যুদ্ধক্ষেত্রে লড়ছি!
রাত দিন আমরা যে যার মতো লড়ে চলেছি...
দুঃখিত...
এসব একঘেয়ে বক্তৃতা শোনার মতো যথেষ্ট সময় আমার কাছে নেই।
কী করব? উনাকে কাঁধে করে বয়ে নিয়ে যাব?
না, আমি ওকে কাঁধে বহন করব।
যতক্ষণ না ওর হুঁশ ফেরে।
ওর চোখের পাতা কাঁপছে!
ওর চেতনা আসতে চলেছে!
পরে কথা হবে!
তুমি ঠিক আছো?
এত তাড়াতাড়ি শোয়া থেকে উঠে বসা তোমার ঠিক হয়নি!
জনাব হেগানেযুকা ছিলেন এখানে?
- কী? - উনি ছিলেন এখানে?
না, ছিলেন না!
আচ্ছা, আমি তাহলে স্বপ্ন দেখছিলাম!
ওই হাশিরা'টা কোথায়?
ওকে চাবিটা দেওয়ার পর নিয়ে চলে গেল।
শেষ পর্যন্ত চাবিটা দিয়েই দিলে?
বুঝেছি, তোমার কাছে আর কোনো উপায় ছিল না।
যাক, ঘটনার আদ্যোপান্ত যেহেতু জানি না, এটা নিয়ে আর ঝামেলা বাড়ানোর দরকার নেই।
এভাবে বলো না!
তোমার আচরণে আমি খুব খুশি হয়েছি!
আমি অপরিচিত হওয়ার পরও তুমি আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছ!
অসংখ্য ধন্যবাদ তোমাকে!
না, তোমাকে সেভাবে তেমন সাহায্য করতে পারিনি!
লোকটা কোথায় গেল? কী নিয়ে এমন জোর করছিল?
অই মেকানিক্যাল পুতুলটার জন্য।
মেকানিক্যাল পুতুল?
ওকে সাথে করে নিয়ে গেছে হাশিরা'টা।
পুতুলটাকে সচল করার জন্য চাবিটা দরকার ছিল তার।
এজন্যই তোমার কাছে এটা এত মূল্যবান!
কিন্তু, একজন হাশিরা পুতুল দিয়ে কী করবে?
ওটা কোনো সাধারণ পুতুল নয়।
ওই মেকানিক্যাল পুতুলটা একটা মানুষের চেয়েও ক্ষমতাশালী যেটা ১০৮ টা রণকৌশল জানে!
এটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হয়।
সেজন্যই বুঝি...
তবে...
ওটা এখন...
কিসের শব্দ?
লোকটা নিশ্চয়ই...
এদিক দিয়ে চলো!
একজন হাশিরার বিরদ্ধে...
অবিশ্বাস্য!
আমার পূর্বপুরুষ এই মেকানিক্যাল পুতুলটা বানিয়েছে।
ইয়োরিচি টাইপ জিরো।
কিন্তু, পুতুলটার...
ছয়টা হাত কেন?
ওটার হাত?
আমার বাবা বলেছিল, এই পুতুলটা বানানো হয়েছে একজন্য সত্যিকার তলোয়ারবাজকে মাধ্যম করে।
কিন্তু, তার রণকৌশল ভালোভাবে রপ্ত করতে না পারায় সেজন্য ছয়টা হাত দেওয়া হয়েছে।
পুতুলটার মুখ...
কেমন যেন পরিচিত লাগছে!
কে ওই তলোয়ারবাজ? সে কী করে? কোথায় থাকে?
দুঃখিত, তার সম্পর্কে আমিও যথেষ্ট জানি না।
যেহেতু তিনি সেনগোকু যুগের সময়কালীন যোদ্ধা ছিলেন।
সেনগোকু? মানে, ৩০০ বছর আগেকার একজন যোদ্ধার কথা বলছিলে তুমি?
আমি বাবার মুখে এমনটাই শুনেছি।
পুতুলটা কখনো ভেঙে পড়েনি?
এর ভেতরের প্রযুক্তি এতোটাই জটিল যে এখনও আমরা এটার কার্যপদ্মতি সম্পর্কে বুঝতে পারিনি।
যদি এটা ভেঙে যায়, তবে সারাইয়ের কোনো পথ নেই আর।
আমার বাবা হঠাত করে মারা গেছেন। তাছাড়া, কোনো ভাই-বোনও নেই আমার।
পুতুলটার ভার আমার ওপর ন্যস্ত হয়েছিল...
কিন্তু, আমি তরবারি কিংবা পুতুলটা ভালমত চালাতে না পারায়...
সেজন্যই তুমি...
এবার পুরো ব্যাপারটা পরিষ্কার হয়ে গেছে।
অসাধারণ লড়ছে সে!
বয়স আমার মতোই হবে...
কিন্তু, পদবীতে সে একজন হাশিরা এবং বেশ মেধাসম্পন্ন!
তো, কী আশা করেছিলিরে?
সে সান ব্রিদিং টেকনিকের আবিষ্কারকের বংশধর!
ছেলেটা একটা অনন্য প্রতিভা!
সে তোর মতো অকর্মা নয়!
তুমি তোকিতোর কাক?
প্রথম ব্রিদিং স্টাইলটার নাম সান ব্রিদিং না?
সেজন্যই তার লড়াইয়ের পদক্ষেপ এত সাবলীল!
কিন্তু, এখন তো সান ব্রিদিং এর সাহায্য নিচ্ছে না?
কথাবার্তা সাবধানে বলবি নয়তো ঠোকর মেরে অবস্থা খারাপ করে দেব!
এখন মনে পড়েছে!
ওই স্বপ্নটা!
লোকটাকে আমি সেই স্বপ্নে দেখেছি!
তুই কি বেকুব নাকি অন্যকিছু?
আগে কখনও এই গ্রামে এসেছিস?
এরকম উদ্ভট কথাবার্তা বলে হাসানোর চেষ্টা করছিস আমাকে?
তুই বলছিস, সেনগোকু যুগের একজন যোদ্ধার সাথে কথা বলেছিস?
তোর বয়স কত রে?
আমি দুঃখিত!
নিশ্চয়ই আমার মাথায় কোনো সমস্যা হয়েছে!
একদমই না!
নিশ্চয়ই এটা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত কোনো স্মৃতি!
গ্রামবাসীরা এটা নিয়ে প্রায়ই কথা বলে।
মৃত্যুর পর তোমার দেহটাই শুধু মাটির সাথে মিশে যায় না!
দেহের সাথে সাথে স্মৃতিও প্রকৃতির সাথে মিশে যায়!
স্বপ্নে যা দেখেছ নিশ্চয়ই সেটা তোমার পূর্বপুরুষের স্মৃতি!
স্বপ্ন আবার উত্তরাধিকার সূত্রেও দেখে কেউ? আজব!
ধন্যবাদ আমার মনের ভারটা লাঘব করার জন্য! ধন্যবাদ!
আমার নাম তানজিরো।
তোমার নাম কী?
আমার নাম কোতেতসু।
এই মেয়ে কাকটার কথায় পাত্তা দিয়ো না!
পুতুলটার হাত!
কোতেতসু!
KIMETSU NO YAIBA SWORDSMITH VILLAGE ARC
KIMETSU NO YAIBA SWORDSMITH VILLAGE ARC
কোতেতসু!
কোতেতসু!
আমি তোমাকে খুঁজে বের করবোই!
ঘ্রাণশক্তির সাহায্যে কাউকে খুঁজে বের করতে আমার জুড়ি নেই!
যদিও নাকের অবস্থা এখন তেমন সুবিধার না!
মনে হচ্ছে, ও এদিক দিয়ে গেছে।
কোতেতসু!
গাছের এত উঁচুতে বেয়ে উঠতে পারো তুমি?
তোমাকে যে কোনভাবে সাহায্য করতে পারলে খুশি হবো!
পুতুলটার ব্যাপারে এভাবে হাল ছেড়ে দিয়ো না!
তোমার একটা উজ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে!
তোমার দশ, বিশ বছর পরের মানুষটার কথা ভেবে...
তোমাকে সচেষ্ট হতে হবে!
এখন যেটা করতে পারছ না একদিন সেটা অবশ্যই পারবে করতে!
না, আমি পারব না!
আমি চাই না কেউ আমাকে দূর্ভাগা বলুক।
আমার প্রজন্মের পতনের মাধ্যমেই এই দূর্ভাগ্যের শেষ হবে!
এভাবে তুমি হাল ছেড়ে দিতে পারো না!
No comments yet. Be the first to leave one.