The first 200 lines.
অনুবাদ ও সম্পাদনায় কে এন হাসান
অনেকেই এই ছোট জীবন থেকে হারিয়ে গেছে। সাবটি উৎসর্গ করলাম সেই সব হারিয়ে যাওয়া ভালবাসার মানুষদের।
দেবা, নেমে আয়।
আমাদের আর বোকা বানাস না।
গর্ব করার মত আর কি বা আছে?
ব্যাংক সবকিছু তছনছ করে দিয়েছে।
না।
সে করেছে।
সে মানুষ না।
তাকে মরতে দে।
দাড়া। -নেমে আয়।
একদিন তুমি বলেছিলে, সে অসাধারন।
এখন,উল্টো বলছো।
তোমার মুখ নাকি তাল পাতা?
ওইটা..... কি করে তোকে বোঝাতাম?
তোর আপাকে বিয়ের পর থেকে, সব মেয়েরাই আমার কাছে সুন্দর।
আমি তোমার ফিলিংস বুঝতে পারছি।
কিন্তু, আমি আমার মৃত্যু স্থগিত রাখতে পারব না।
I'm Sorry.
স্যার, এটা মনে হয় সুইসাইড করার হুমকি।
যদি তার লাফ দিতে দেরি হয়, তাই উদ্ধারের জন্য ফায়ার টিম পাঠান।
যদি লাফ দিয়ে মরে যায়, সেজন্য অ্যাম্বুলেন্স পাঠান।
সুইসাইড? কিসের জন্য?
জনগণ ঘটিত কোনো সমস্যা?
No, Sir.
প্রেম ঘটিত সমস্যা?
প্রেমে ব্যার্থতা, স্যার।
তাহলে, অ্যাম্বুলেন্সই ঠিক আছে।
প্রেমে ব্যার্থতা নয়, স্যার। -তাহলে?
পুলিশ একে প্রেমে ব্যার্থতা বলতেছে।
সত্যই তো।
আসল জিনিসটাই ধরেছে।
সে তোর প্রস্তাবে রাজী হয়েছিলো, তাই না?
আর তোর প্রেমজীবন ও ভাল চলছিলো।
তাহলে প্রেমে ব্যার্থ হলি কি করে?
পাগল দুলাভাই।
যদি আমরা একটা মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দিই.. সে না করলে সেটা হয় "" ব্যার্থ চেষ্টা""""।
কোনো চিন্তা নেই, তখন।
অন্য মেয়ে দেখতে পারি।
কিন্তু, ভালবাসার নামে, একটা মেয়ে আমাদের জীবনে প্রবেশ করে..
সময়, টাকা নষ্ট করে.... আর শেষে আমাদের সর্বশান্ত করে চলে যায়।
এটাই প্রেমে ব্যার্থতা।
তাই, আমারটা প্রেমে ব্যার্থতা।
আমি এখন সামনে এগোবো। বুঝলে?
নেমে আয়।
এ ব্যাপারে আমরা আলোচনা করে নেবো।
আমি নেমে আসবো, যদি আমি পড়ে খোড়া হয়ে যায়।
বুঝেছেন।
খুব মনে পড়বে তোমাকে।
আমার বোনের খেয়াল রাখিও।
ওহ, না!
সে ফোন কেটে দিয়েছে।
আবার ফোন দেন।
এটা আমার মৃত্যুপূর্ব সেল্ফি।
সেল্ফিতে স্বার্থপর।
Hi, Honey!
এখানে কি করছ?
কিছু না।
নিচে অনেক গরম তো, তাই হাওয়া খেতে উপরে উঠেছি।
তাহলে কি ব্রিজের জন্য এরকম ছাদের কিনারায় দাঁড়িয়েছিলে?
যখন ফোনে কথা বলা শুরু করেছিলাম তখন মাঝখানেই ছিলাম।
এখন, আমি কিনারায়।
নিচে দেখেছো?
কি হয়েছে? অ্যাক্সিডেন্টের সাথে কেউ দেখা করেছে?
অনেক লোকজন।
না কিছু না, চলো।
লাভ, প্যার, ইশক, কাদাল,প্রেমা,.. যে ভাষায় বলা হোক না কেনো।
ফলাফল অত্যাচার।
ব্রিটিশ কবি "" জন মিল্টন"" প্রেমকে তিন ভাগে ভাগ করেছেন।
যদি একটা ছেলে একটা মেয়েকে ভালবাসে তাহলে, স্বর্গসুখের শুরু হয়।
যদি একটা মেয়ে ছেলেকে ভালবাসা দেয় তাহলে, স্বর্গসুখের সমাপ্তি ঘটে।
যদি মেয়েটা ছেলেকে ছেড়ে চলে যায় তাহলে, স্বর্গসুখ পুনরায় ফিরে আসে।
এখন আমি দ্বিতীয় স্তরে আছি, স্বর্গসুখের সমাপ্তি।
মুভিঃ হিপ্পি অনুবাদেঃ কে এন হাসান
এই কারণেই এই স্বাময়িক মিটিং এখানে,
শিশুকাল থেকে, আমাদের সবার মধ্যে একটা সাধারণ ভয় থাকে।
সেটা হল স্কুল নামক ভয়।
অন্য কোনো কারণেই চিন্তিত নয়, একমাত্র ছুটির ঘন্টার আওয়াজ শোনা ছাড়া।
এখানেও তাই।
অফিসেও সেই একই ভয়।
মাকে ভয় পায় অফিসে আসার আগ পর্যন্ত।
অফিসে কাজ করতে আলসেমী করে।
যখন বস ফোন করে তখন খেপে যায়, তাইতো?
এসব কি?
এই পৃথিবীতে তোমার মত এত ফোন কারো আসে না।
ভেতরে রাখো।
Sorry, boss.
এটা সবার সাধারণ অনুভূতি।
আমিও অনূভব করি। তোমরা কর কি না?
হ্যা, আমরাও করি।
কিন্তু...
আমাদের অফিসে একজন পালোয়ান আছে।
তার নাম.....
'শিভা'
এত ভক্ত।
তুমি তো সুপারস্টার। -তেমন কিছু না, স্যার।
শিভা, তোমার সমস্যা কি?
অফিস শব্দ শুনলেই আমার অস্বস্তি শুরু হয়ে যায়।
ঠিক আছে।
কোথায় গেলে তুমি ভাল পরিবেশ অনুভব করো?
আমার খেলার মাঠ পছন্দ।
ভাল।
ভাবো এই জায়গাটাই ফুটবল খেলার মাঠ।
আর তুমি গোল দিয়ে দিয়েছো।
এখন কেমন প্রতিক্রিয়া দেখাবে?
আনন্দে ভেসে যাব।
আমি তোমার ভাইস প্রেসিডেন্ট।
আচ্ছা, আমি তোমাকে বলছি।
তুমি এখন একটা গোল দিয়েছো।
এখন কেমন প্রতিক্রিয়া দেখাবে?
Sir, please.
তোমরা কি দেখছো?
উৎসাহ দাও।
Come on.
Come on, Shiva.
Come on.
Hey, guys!
Guys!
Great!
দেখেছো, পাগালামি খুশির আবিষ্কারের চাবি।
Okay? -okay, sir.
হেই, দেবা। তোমার বোনের গর্ব।
তোমার ফোনে সাইলেন্ট মুড চালু করো।
কোন সময় তোমার ফোনের জন্য পাগল হয়ে যাব।
মি. কানান, শুনলাম আপনি নাকি তিনবার মদ খেয়ে অফিসে এসেছেন।
কেনো?
কিভাবে এই অচেতন লোকদের সাথে শান্তিতে কাজ করতে পারব?
ক্লায়েন্ট আর অফিসে সবার কাছে অত্যাচারিত হই।
এসব শেষ হলে বেচে যেতাম।
ক্লায়েন্ট ফোন করে জালাত্বন করে মারে।
জালাত্বন?
আমি জানি না জালাত্বন মানে কি?
তোমরা কি জালাত্বন অনুভব কর?
ওটার মানে কি?
এদের সাথে কাজ করতে আমি খুব চাপ অনুভব করি।
আমি অনেক চিন্তিত, স্যার।
আমি চেন্নাই যাব, স্যার।
আমার এখানে ভাল লাগছে না।
Come on! -আমার পছন্দ না, স্যার।
আমি যাব।
আমি খুবই অশান্তিতে আছি, স্যার।
Come on! -আমি পছন্দ করি না, স্যার।
Yeah! -আমি পছন্দ করি না, স্যার।
You'll like it, gently! -I don't like, sir.
Look, Mr.Kannan!
যখন আপনি মদ্যপ অবস্থায় সমস্যার কথা ভাববেন, সমস্যা আরো বাড়বে।
যখন আপনি মদ্যপ, তখন খুশি, সুখ সেটা থেকে গ্রহন হতে থাকে।
যখন কাজের চাপের কারণে মদ্যপ, তখন চাপ আরো বেড়ে যাবে।
তাহলে, কাজের চাপ থেকে মুক্তি পাব কিভাবে?
সব আপনার হাতে।
সঠিক ভাবে চিন্তা করেন।
আপনাদের ডান হাত উচু করেন।
তারপর, বাম হাত উচু করেন।
এখন, দুইহাত দিয়ে তালি দেন।
তালি দেন এখন।
Come on.
কাজের চাপ মুক্ত হয়ে যাবেন।
হাই, জান।
কোথায় তুমি?
অফিসে।
আজকে জিমে আসনি কেনো?
গতরাতে দেরিতে ফিরেছি বাসায়।
কখন ঘুমিয়েছিলেন?
১২:৩০ এ
আমি ১৩:২৭ এ ফোন দিয়েছিলাম, তুমি ধরোনি।
১২:৩০ এর কাছাকাছি ছিলো।
কিন্তু তোমার 'WhatsApp' লাস্ট সিন হয়েছে ১টা ১২।
-Hi! তাই নাকি?
কেউ আমার ফোন আমি ঘুমিয়ে যাওয়ার পর ব্যাবহার করেছে।
কে তোমার ফোন ব্যাবহার করেছে?
Hello!
আমার নাম বলিস না।
আমার দুলাভাই।
তার বুদ্ধি নেই?
তোমার বোন তাকে তোমার কাছে পাঠিয়ে ছিলো বিনয় আর শৃঙ্খলা শিখতে।
যখন সে জানে না যে ফোন একটা ব্যাক্তিগত জিনিস,
তাহলে সে শিখলো কি?
এটাই।
আচ্ছা, এক কাজ করো।
পাসওয়ার্ড পাল্টে ফেলো।
১৪১৬
আচ্ছা, ডারলিং।
কিসের নাম্বার এটা?
আমাদের সম্পর্কের জন্মদিন। বুঝেছো?
আচ্ছা, সন্ধ্যায় দেখা করছি।
আচ্ছা, ডারলিং।
জান, 'I love you'
Mwahhh... mwahhh...(Kisses)
I miss you.
আচ্ছা সন্ধ্যায় দেখা হচ্ছে।
তুই আমাকে ফাঁসাছিস।
Sorry.
সমস্যা নেই, এসব আমার কাছে আলুভাত।
দেবা খুবই স্মার্ট।
কেনো তার উপর অত্যাচার করিস?
আমি জানি সে স্মার্ট। -তাহলে।
ছেলেরা শুরুতে ঠিক ভাবে ব্যবহার করে।
এক কলেই ফোন রিসিভ করে।
এখন আমাদের সময়। আমাদের, তাদের বিশ্বাস ভাঙা দরকার।
কি?
No comments yet. Be the first to leave one.