The first 200 lines.
সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিটি অর্ডার নম্বর 385
তুমি এসেছ।
শোনো, আমাকে একখানে যেতে হবে।
রাতে ওখানেই থাকব। কালকে ফিরব।
তুমি থাকতে পারবে না, খোকা?
আবার?
এবার কোথায় যাচ্ছ?
চিন্তা কোরো না। অনেক টাকা আয় করব।
কিন্তু তুমি তো প্রতিদিনই টাকা বানাও। আরো চাও?
তোমার কি ভাইয়ের কথা মনে পড়ে না? হাহ?
ওকে ফেরানোর জন্য যত টাকা লাগে, ততো টাকা আনা লাগবে।
অনেক টাকা লাগবে।
ঠিক আছে।
তাহলে যাও।
কিন্তু, বাবা, দাঁড়াও।
এত টাকা কোথায় বানানো হচ্ছে?
একটা বড় ফ্যাক্টরি আছে, সরকার সেখানে টাকা বানায়।
আমরা যে টাকা ব্যবহার করি, সব টাকা ঐ বিল্ডিং এই বানানো হয়।
তাহলে ওরা ওখানে আরো বেশি টাকা বানাচ্ছে না কেন?
তাহলে আর কোনো গরিব মানুষ থাকবে না,
আর আমরা যা খুশি তাই খেতে পারব।
ওরা সবাই কী বোকা।
তুমি ঠিকই বলেছ।
আমি ফিরে আসবো।
ব্যাঙ্ক ডাকাতিতে জড়িত একজনের
বয়সে চল্লিশের কোঠায়, পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলে মারা গেছে সে।
তার নাম সং, সে উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে এসেছে,
উত্তর কোরিয়া সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিল সে।
দুই বছর আগে এখানে আসার পর
দক্ষিণ কোরিয়ায় মানিয়ে নিতে না পারার কারণেই
সম্ভবত অপরাধটি ঘটিয়েছে সে।
অনুবাদে - কুদরতে জাহান
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।
আমাদের কাজ প্রায় শেষ।
কোনো সমস্যা?
না।
চলো খুঁড়ি।
- হেই, আমি পারব। - ঠিক আছে।
প্রফেসর! সেরেছে!
তুমি কি ওখানে আছ? হাহ?
- তুমি কি ওখানে আছ? - ডেনভার। এখানে!
- হ্যাঁ, আমি শুনতে পাচ্ছি! - শুনতে পাচ্ছ?
- সেরেছে! হাত চালাও! - ডেনভার!
আমরা এখানে!
হাত চালাতে থাকো, প্রায় এসে গেছি।
এসো। আর অল্প একটু।
- হেই, প্রফেসর? - হেই, ডেনভার! হেই!
- হেই, ডেনভার! ডেনভার! - প্রফেসর! প্রফেসর!
- ডেনভার! ডেনভার! - প্রফেসর!
- প্রফেসর! বহুদিন পরে! - তুমি পেরেছ।
দারুণ দেখিয়েছl!
আহ, এটা...এটা...
আমি...
আহ ও ...
আমার নাম স্টকহোম।
তুমি দারুণ দেখিয়েছ।
তোমার ছেলে ঠিক আছে। হুম?
অসংখ্য ধন্যবাদ।
রিও।
তুমি ঠিক ছিলে তো?
হ্যাঁ, আমি ঠিক ছিলাম।
ঠিক আছে, এদিক দিয়ে।
আমরা ঐ সময়ে এক বুক আশা বাঁধছিলাম,
কিন্তু বাইরে,
ঐমুহূর্তে, প্রফেসরের দুঃস্বপ্নটা সত্যি হয়ে যাচ্ছিল।
২০২৬ কোরিয়ান পেনিনসুলা আন্তঃ কোরীয় অর্থনৈতিক সহযোগী সম্মেলন
চুক্তিপত্রের ভেতরে আগে যেমন দেখেছিলে, তেমনভাবেই আছে।
এখন ঐ চোরগুলোকে সরিয়ে
টাকাটাকে বগলদাবা করতে হবে।
স্পেশাল অপারেশন ইউনিট অপেক্ষা করছে।
সম্মেলন তো শেষ, এখন এই প্রসঙ্গে আসি।
এর কোনোকিছু তো ভবিষ্যতে প্রভাব ফেলবে না, তাই না?
অবশ্যই না।
আমরা ওদেরকে ওখানেই মেরে ফেলব। ওদের সবাইকে।
আহ, হ্যাঁ।
বুঝতে পেরেছি।
তুমি ঠিক আছ?
হ্যাঁ, আমি ঠিক আছি।
এখান থেকে বেরোবার পর তোমার সাথে আর দেখা হবে না, তাই না?
তুমি কী...
এরকম আর কিছু কখনো করবে না, ঠিক আছে?
তোমার পরিবারের সাথে শান্তিপূর্ণ জীবন যাপন কোরো।
ওর সাথে দেখা করবে কিন্তু।
তোমার ছেলের সাথে দেখা কোরো।
মিসুন,
এখানে যা ঘটেছে সব ভুলে গিয়ে নতুন করে শুরু করবে, ঠিক আছে?
কোনোভাবেই না। আমি তোমার সাথে যাবো না।
হেই, তুমি কি সত্যিই ওর সাথে যোগ দেবার কথা ভাবছ?
ঐ তিন বিলিয়ন তোমাকে অনেক ভালো একটা জীবন দেবে।
তুমি এই কাজ করতে চাও কেন?
মিন্টে যখন থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছ, তখনই তোমার ভবিষ্যৎ লেখা হয়ে গেছে।
আমিও আমার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছি।
এখন যেতে হবে।
মিন্টের ভেতরে ঢুকে সব চোরকে মেরে শেষ করো!
- এক্ষুণি যাও! - জ্বি, স্যার!
এইযে।
পালানোর জন্য সুড়ঙ্গ খোঁড়াটা ,
কাহিনীর শেষ নয়, বরং শুরু ছিল।
মাটির নিচের সুইয়্যার দিয়ে লুকানোর জায়গায়
টাকা সরাতে যে সময় লাগবে ভেবেছিলাম, তার চেয়ে বেশি সময় লাগল।
আর সব টাকা সরানোর পর
বাকি রইল পালানোর রাস্তার মুখ বন্ধ করা।
যাতে পুলিশ আমাদের তাড়া করতে না পারে।
আমরা ঢোকার জন্য প্রস্তুত।
এখান থেকে বেরিয়ে কী করবে?
গা ঢাকা দিয়ে থাকব।
আর তারপর?
তুমি কি একজন বিপ্লবী হয়ে যাবে?
ঠিক জানি না।
এখান থেকে জ্যান্ত বেরোতে পারব কি না, তার ওপর নির্ভর করছে।
অন্যপ্রান্তে জান নিয়ে বেরোনোই
এখন আমার একমাত্র ইচ্ছা।
ঐ ইচ্ছা পূরণ হলে কি আমার ইচ্ছা পূরণ করবে?
কী?
আমার সাথে একটা দ্বীপে গিয়ে থাকবে?
মানে...
একটা কথা বলি,
আমি এই কাজে যোগ দিয়েছি হাস্যকর কারণে।
আমি আমার বাবা-মায়ের ওপর প্রতিশোধ নিতে নিজের জীবনটা শেষ করে দিতে চেয়েছিলাম।
কিন্তু এখন মনে হয় ওসব ভুলে যাওয়ার সময় হয়েছে।
তুমি কী ধরনের দুনিয়া চাও জানি না।
আমার মতো বুদ্ধিমান মানুষও
তোমার স্বপ্নকে ধরতে পারছে না।
কিন্তু আমি এটা দেখতে চাই।
এটা কোনো স্বর্গ হতে হবে না।
এটা জ্বলন্ত কূপই হোক,
আর দোযখই হোক,
আমি তোমার সাথে থাকব।
তুমি কি কবি হয়ে গেছ নাকি?
সেরেছে, ভেবেছিলাম, এতে কাজ হবে।
চেষ্টা তো করেছ।
টোকিও!
এখানে যতক্ষণ পারা যায়, ওদেরকে ঠেকিয়ে রাখতে হবে!
সামনে যাও! এক্ষুণি!
সামনে যাও!
- বাল! হারামিগুলো এরই মধ্যে.. - জলদি, টোকিও আর রিও বিপদে আছে!
ওদেরকে ঠেকিয়ে রাখতে হবে! চলো!
হেই! সবাই সাবধান হও! কোথায় যেতে হবে জানো তো?
জানি।
তাহলে এক্ষুণি এসো। যাও!
তেকসু।
মাটির নিচের পানি যাবার জায়গা।
জলদি যাও ওখানে। আমি শীঘ্রই আসছি।
আমাকে নিয়ে চিন্তা কোরো না, ঠিক আছে?
আমাকে যাবার সুযোগ করে দাও!
বাল আমার! বাল!
- আমাকে যাবার সুযোগ করে দাও! - খুবই ভয়ানক!
শালারটা!
টোকিও!
হ্যাঁ!
টোকিও! টোকিও! হেই! হেই, টোকিও, প্লিজ! তাকাও!
টোকিও!
টোকিও!
টোকিও!
হেই, টোকিও. টোকিও, তাকাও!
মর, হারামজাদার দল!
গুলি করো!
নিচু হয়ে থাক, মাদারচোদ!
হেলসিংকি, এরকম কোরো না।
- ঠিক আছে? - চলো!
হেলসিংকি, এমন কোরো না! এসব থামাও!
কুত্তার বাচ্চা, তোর মাথার খুলি উড়িয়ে দেবো!
হারামজাদা!
- মারা খা! - হেলসিংকি!
আমি জানি তোমার কেমন লাগছে।
হেই!
হেলসিংকি! এখানে এসে ওদের ঠেকাতে সাহায্য করো! এসো এক্ষুণি!
আমি এখানে এসব সামলাতে পারব।
টোকিও, প্লিজ, ওঠো।
টোকিও!
টোকিও!
জলদি এখান থেকে বের হই চলো, ঠিক আছে?
তোমরা প্রেম-পীরিতি বন্ধ করে সাহায্য করবে একটু?
গর্তটা এক্ষুণি খুঁড়তে হবে। আর একটু অপেক্ষা করো।
আমি এসে গেছি!
হেই! মাদারচোদের দল!
ওটা কী ছিল?
ফিরে যাও। এক্ষুণি!
ওরা তাড়াতাড়ি চলে এসেছে। আমরা ভুল ভেবেছিলাম।
জলদি, ওরা ওদেরকে বেশিক্ষণ আটকে রাখতে পারবে না।
একটা পেশিও নড়াবে না।
এরপরের গুলিটা মাথায় করব।
হেই, কুত্তার বাচ্চারা!
আরেকটু সামলাও তোমরা!
- কিম সাংম্যান! - কিম সাংম্যান!
কিম সাংম্যান হলো জবাব।
কোনো মন্তব্য করবেন?
কাগজের বাড়ি হলো আমাদের
মিথ্যা অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিরুদ্ধে আমরা!
কিম সাংম্যান! কিম সাংম্যান!
বেরিয়ে এসো!
হেই, কুত্তার বাচ্চা!
ওদের সবাই মরলেও কিছু যায় আসে না। হারামিগুলোকে ধরো।
ওদের কাছে কাঁদানে গ্যাস আছে!
হেই, সাবধান!
সবাই সাবধান!
আমরা আর এসব করতে পারব না। আমাদের যেতে হবে।
যতোটা পেরেছি করেছি। চলো. এসো। চলো!
সামনে।
ওরা নিশ্চয়ই মাটির নিচে গেছে।
No comments yet. Be the first to leave one.