The first 200 lines.
The Beginning লুকাঃ দ্য বিগিনিং
(আমরা নিশ্চিত করছি এই এপিসোডে উপস্থিত শিশু অভিনেতারা নিরাপদে...)
(ছিল, পুরো শুটিং জুড়ে তাদের ভালোভাবে যত্ন নেওয়া হয়েছে।)
কে আপনি?
কোথায় আমি?
আমি জানি না।
আমি এটা করিনি।
আমি কিছু জানি না।
দয়া করে, শয়তানটাকে তাড়িয়ে দিন।
দয়া করে, শয়তানটাকে তাড়িয়ে দিন।
প্লিজ, এই ধূর্ত সাপটাকে অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষেপ করুন।
প্লিজ, তাকে অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষেপ করুন।
প্লিজ, এই অশুভ ধূর্ত ছেলেটাকে নরকে নিক্ষেপ করুন।
প্লিজ তাকে তাড়িয়ে দিন।
- থামুন! - প্লিজ, মূর্খ পিশাচটাকে শিকলে...
আটকে অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষেপ করুন।
- বন্ধ করুন এসব। - প্লিজ, শয়তানটার ছল-চাতুরি থেকে...
আমাদেরকে রক্ষা করুন।
আমি আপনার কাছে ভিক্ষা চাইছি!
প্লিজ, তাকে বন্দী করুন!
আমি থামতে বলেছি।
প্লিজ, এ শয়তানটাসহ দুনিয়ায় ঘুরে বেড়ানো সকল অশুভ প্রেতাত্মাদের...
অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষেপ করুন!
বন্ধ করুন এসব!
আমি কিছুই জানতাম না, তবুও আপনি আমাকে পিশাচে পরিণত করেছেন।
আপনি পিশাচ ডাকার আগ পর্যন্ত আমি মানুষই ছিলাম।
আপনিই আমাকে পিশাচ বানিয়েছেন।
অগ্নিকুণ্ডে গিয়ে মর, পিশাচ কোথাকার।
কেন যাব?
তুই...
একটা পিশাচ যার সর্বাংশে অশুভ শক্তিতে পরিপূর্ণ!
কেন যাব আমি?
অনুবাদে জায়েদ আল আরাফ শিহাব মোঃ জমির উদ্দীন খাঁন
এই পিশাচটাকে...
অগ্নিকুণ্ডের পথ দেখান।
বন্ধ করুন এসব!
আরো দ্রুত চালাও।
সম্পাদনাঃ মোঃ জমির উদ্দীন খাঁন
আপনি ঠিক আছেন?
চলো যাই।
ইয়া!
এটা আমি ছিলাম না। আমি এসব করিনি।
আমরা কি ভিতরে যাব?
আমরা তো ওকে খুঁজে পাওয়ার আগেই দম বন্ধ হয়ে মারা যাবো।
জি ওহ, চল বাইরে গিয়ে খেলি।
ইয়া!
হেই, বাস্তবে ফিরে আসো। তুমি এখানে থাকলে...
মনে পড়েছে।
এটা আমার কাজ ছিল। আমি এখানে ছিলাম।
আমিই এই জায়গায় আগুন লাগিয়ে ছিলাম।
তোমার কি আমার বাসায় আসার কথা মনে আছে?
তুমি জানো আমার মা-বাবা কোথায় গিয়েছে?
তোমার মনে নেই?
চলো যাই।
সিস্টার। সিস্টার স্টেলা।
গাড়িতে উঠে। জলদি।
সিস্টার।
এখানে একটু অপেক্ষা করুন।
লোকটা কোনদিকে গিয়েছে?
ওরা কি এখানে নেই?
মেয়েটার গাড়ি নিয়ে চলে গেছে।
তোমাকে বলেছিলাম, আমাদের ভিতরে যাওয়া উচিত না।
এখানে অপেক্ষা করলে, এতক্ষণে আমরা ওদেরকে ধরে ফেলতাম।
মেয়েটার ফোনের কী খবর?
আমি ওদের অবস্থান খুঁজে বের করতে পারছি না।
মনে হয়, সে ফোনটা বন্ধ করে দিয়েছে।
না হয় ফোনটা নিজে নিজেই বন্ধ হয়ে গেছে।
তুমি কবে থেকে...
এসব করতে পারো...
বুঝোই তো, এসব স্পার্কস?
কখনো কখনো আমার মরে যেতে ইচ্ছে করে।
যখন ব্যাপারগুলো খুব বেশি কঠিন আর যন্ত্রণাদায়ক হয়ে উঠে,
তখন নিজেই চিন্তা করি, হয়তো মরে গেলেই ভালো হতো...
আর জীবনটা শেষ হয়ে গেলে, আমিও আরামে থাকতে পারতাম।
আর যখনই এরকম চিন্তা করি,
আমার শরীর গরম হতে শুরু করে।
জানি না, এটা কীভাবে সম্ভব।
কিন্তু ঠিক এমনটাই হয়।
আর সবকিছু নীল বর্ণ ধারণ করতে শুরু করে।
যখনই আমি মরে যাওয়ার তাড়না অনুভব করি,
যেন তখনই আমার শরীর না মরার জন্য লড়াই করতে থাকে।
ঠিক যেই মুহূর্তে তোমার মরে যেতে ইচ্ছে করে...
প্রকৃতপক্ষে সেই মুহূর্তেই তুমি সবচেয়ে বেশি বাঁচতে চাও।
না, আমার তেমনটা মনে হয় না।
আমি এতে ভিন্ন মত পোষণ করছি।
তুমি যখন ছাঁদ থেকে পড়ে গিয়েছিলে,
হাসপাতাল থেকে পালিয়ে গিয়েছিলে,
এমনকি ঠিক এই মুহূর্তেও, মনে হচ্ছিলো তুমি সত্যিই বাঁচতে চাও।
যাইহোক, তুমি বেঁচে থাকার জন্যই...
নিজেকে পুড়িয়ে ছিলে।
আর তুমি সেখানে ছিলে কি ছিলে না...
বা পর্দায় আগুন লাগিয়েছো কি লাগাওনি...
তাতে আমার কিছু যায় আসে না...
আমার জানা দরকার...
তুমি অনাথাশ্রমে আসার ঠিক আগে কি ঘটেছিল।
বলেছিলে, তুমি আমার মস্তিষ্ক চষে বেড়াবে, ঠিক না?
আমি চাই, তুমি এবার অন্তত থামো।
আমার মস্তিষ্কে কী আছে, তা আমি আর জানতে চাই না।
আমি তোমাকে কোনো ভুল করতে নিষেধ করেছিলাম।
তুমি ইতোমধ্যেই তাকে অনেকবার হাতছাড়া করেছো।
আমরা গীর্জার পাশে পার্ক করা গাড়িটা চেক করেছিলাম,
আর তা থেকে বুঝতে পারলাম, সেটা ওই মহিলা পুলিশের গাড়ি ছিল।
সে আর জি ওহ একসাথেই ঘুরে বেড়াচ্ছে।
তার মোবাইলও বন্ধ আছে, তাই তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
আমার ধারণা, ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গের কারণেই এমনটা হচ্ছে।
সে মোবাইল চালু করলে, আমরা আবারও তার অবস্থান খুঁজে বের করবো,
আর আমার লোকদের থানার বাহিরে পাহারায় রেখেছি...
সাবধানতাবশত তার বাড়ির বাহিরেও।
আমরা শীঘ্রই তাদেরকে খুঁজে বের করব।
- তুই খেয়েছত? - না, এখনও খাওয়া হয়নি।
অবশ্যই ভালোভাবে খাবি। একবেলাও খাবার বাদ দিবি না।
জি, স্যার।
তুই জানস, আমি কাউকে বিশ্বাস করি না, তাই না?
- হ্যাঁ, জানি। - কিন্তু তোর ওপর আমার বিশ্বাস আছে।
তাই কাজ করে দেখা।
প্রফেসর রিউ, তোমাকেও বিশ্বাস করি।
তাই কাজটা দ্রুত শেষ কর, ঠিক আছে?
প্লিজ।
তুমি ঠিক আছ?
হ্যাঁ, ঠিক আছি।
আমি দুঃখিত।
আমি তোমার হাতটাকে বাঁচিয়েছি তার জন্যই তুমি এখান থেকে যেতে পারছ না।
নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো।
সে যাইহোক, এটা তো সামান্য একটা হাত,
কিন্তু আমাদের দিকে দেখো।
ডাক্তার রিউ।
জি ওহ'কে আপনার কাছে এনে দিলে,
ওর হাতটা আমার করে দিতে পারবেন?
কেউ নিশ্চয়ই তোমাকে কথা দিয়েছে যে...
তার হাতটা তোমার করে দেওয়া হবে।
এটা কি সম্ভব?
বিজ্ঞান হলো অমরত্বের প্রতিচ্ছবি।
শুধুমাত্র বিশ্বাসই ফলাফল এনে দিতে পারে।
তার মানে শুধু বিশ্বাস করলেই হয়ে যাবে?
"যদি আমি ভালো কোনো কাজ করি,"
"তাহলে একটা স্বাভাবিক হাত পাব।"
কেবল এটা বিশ্বাস করলেই হবে?
শুধু বিশ্বাস করা ছাড়া তোমার আর কী-ই বা করার আছে?
আর কিছু করার থাকলে, সেটাও করো।
তাহলে এটা অসম্ভব?
ধারণা অনুযায়ী, এটা সম্ভব।
যাইহোক, ধারণা দিয়ে তো আর দুনিয়া চলে না।
চলে বাস্তবতা দিয়ে।
আর বাস্তবতার কাছে...
আমি একজন দাস।
আর তুমিও ঠিক তাই।
এখানকার সবাই...
একরকম।
কেউই কখনো সঠিক উত্তর দেয় না।
ঠিক।
এ জায়গাটা কোনো প্রাক্তন সামরিক কর্মকর্তার জন্য মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াতো।
তোমার কেমন লাগছে, বুঝতে পারছি,
কিন্তু প্লিজ জি ওহ'কে আমার কাছে অক্ষতভাবে নিয়ে আসবে।
তার যেন কোনো ক্ষতি না হয়। সম্পূর্ণ নিরাপদে নিয়ে আসবে।
অনেকদিন যাবৎ আমি...
তার সাথে সাক্ষাৎ করার স্বপ্ন দেখে আসছি।
আপনি কি এটা খুলেছেন?
হ্যাঁ, খুলেছি। তারপর বলো।
০১এম ৫২৭৩।
০১এম...
৫২৭৩।
নম্বরটা ভুল না তো?
উঠে পড়ো।
০১এম ৫২৭৩।
এই রেকর্ড অনুযায়ী, গাড়ীটা বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।
কী?
এটা একটা রেন্ট-এ-কার কোম্পানির ছিল। কিন্তু গত বছর,
এটাকে জাঙ্কইয়ার্ডে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
সাধারণত যেকোনো গাড়ীকে এভাবেই বার্নার কার'এ পরিণত করা হয়।
কিন্তু এসব তথ্য দিয়ে তুমি কী করবে?
কিছুনা।
আরে, বলো আমাকে।
ড্রাইভারটা বেশ জোরে গাড়ী চালাচ্ছিলো।
তোর শরীর খারাপ লাগছিল বলে আগে চলে গিয়েছত। তাহলে গাড়ি চালাচ্ছত কেন?
ঠিক আছে, বাই।
এই, তুমি আবারও কিছু একটা করতে যাচ্ছো না তো?
না, আমার শরীর খারাপ লাগছে। এখন যেতে হবে।
এই, গু রিউম।
যে ব্যক্তি একটা ইলেকট্রিক ঈল'এর মতো শক্তিধর বিদ্যুৎপ্রবাহ সৃষ্টি করতে পারে...
অথবা জেলিফিশ'এর মতো শক্তিশালী বিষাক্ত পদার্থ ছুঁড়ে মারতে পারে।
সেই ব্যক্তিকে কি মানুষ বলা যায়?
যং কোয়ং আসলে এ ব্যাপারটা নিয়েই কাজ করছিল।
প্রফেসর, আমি বলছি।
কিছু বিষয় নিয়ে আপনার সাথে কথা বলা দরকার।
কেউ আমাদের অনুসরণ করছে।
এখন?
না, এখন না।
আরও আগে।
আমরা গীর্জায় ঢোকার সময় সেখানে কোনো গাড়ী না দেখলেও, বের হওয়ার সময় একটা গাড়ী দেখেছিলাম।
আমার সহকর্মীকে গাড়ীটার ব্যাপারে খোঁজ নিতে বলার পর জানতে পারলাম, ওটা একটা বার্নার কার।
তাহলে কে ছিল ওটা?
ওটা একটা বার্নার কার, তাই জানতে পারিনি।
না...
ঐ লোকটা আমাদের অনুসরণ করেনি।
তারা কোনো একটা ফন্দি এঁটেই এখানে এসেছিল।
তুমি কি এখানে আসার ব্যাপারে কাউকে জানিয়ে ছিলে?
না, কাউকে কিছু জানাইনি।
তাহলে ঐ লোক আমাদেরকে কীভাবে খুঁজে পেলো?
বেশ, খুঁজে পাওয়ার অনেক উপায় আছে।
হতে পারে ওরা আমার গাড়িতে বা ফোনে ট্র্যাকার লাগিয়ে ছিল।
No comments yet. Be the first to leave one.