The first 200 lines.
কেনো সিংগেল থাকবো? কাওকে চুম্বন করতে পারার মানুষ থাকা মানেই তো ভালোবাসা।
যে আমাকে কেয়ার করবে। যার সাথে নিতে পারবো বাবু।
এটাই তো সত্যিকারের ভালোবাসা।
"MY GIRL" অনুবাদে মোঃ সায়মুন ইসলাম (শুভ)
হেই! ৭ টা বেজে গেছে কিন্তু?
কিভাবে সময়মতো পৌঁছাবি তুই ট্যোর কে সাহায্য করতে হবেনা?
যদি আমার আগে পৌছাস,
ট্যোর কে জিজ্ঞাসা করিস আমার কি করতে হবে।
সন্ধ্যার সময় রিসিপশন হবে হোটেলে
আর চাইনিজ অনুষ্ঠান সকালে
হ্যাঁ, সব ঠিকঠাক।
কি? আমার তাও করতে হবে?
সবাই ভাবতাম ও গে। আর দেখো ওরই আগে বিয়ে হচ্ছে।
তাহলে এইযে বর? - হ্যাঁ।
তো তোমার টা কবে হচ্ছে শুনি?
এখনো খুঁজছি। কিন্তু তোমার মতো কিউট হতে হবে তাকে।
আমার চায়তেও ভালো কাওকে পাবা
একটু অপেক্ষা করুন, প্লিজ।
হ্যালো?
আমি কাপড়ের দোকানে
হুম আমার হ্যান্ডসাম ভাবে যেতে হবে তোর বিয়েতে।
কে জানে? ভবিষ্যতের বউয়ের দেখা যদি পেয়ে যায়?
কোথায় তুই? আমি আসছি।
হাইওয়েতে ওঠে গেছি
কিছুক্ষণের ভেতর ই চলে আসবো।
কি বলতে চাস তুই আসতে পারবি না?
তুইতো ছুটির দিন কাজ করিস না?
সেই সুরাত থানি থেকে ওইন আসতেছে।
যাকগা। তোর ব্যাপার।
না, আমি পারবোনা। তুই নিজে বল।
পরে ব্যাক করি। আমার হাত একটু ব্যস্ত। ওয়াশরুমে আছি।
ওহ, মা তুমি?
এই সপ্তাহে বাড়ি আসতে পারবো না।
'নাখন সাওয়ানে' যেতে হবে আমার।
কেন? কি হয়ছে?
কি? নয়না?
হ্যাঁ, মনে আছে আমার।
কালকে?
আমি পারবো না, মা।
আরেকটা বিয়েতে যেতে হবে আমার।
তুমি যাচ্ছো তো?
যেতে হবে তোমার।
আচ্ছা আমার পক্ষ থেকে শুভকামনা জানিয়ো নয়-নাহ কে।
আসলে আমি কখনোই ভুলিনি।
কোনোভাবে স্মৃতি থেকে দূরে রেখেছিলাম শুধু।
যদি মনে না করায়। আমি এই নিয়ে ভাবি না।
তবুও ওই সময়ের কোনো গানই যথেষ্ট
...আর সব কথা মনে পরে যাবে।।
জিএব! উঠো! উঠো! সময় হয়ে গেছে
উঠে ফ্রেশ হও। চলো খেলতে যাই। সবাই অপেক্ষা করছে।
ওর নাম নয়না। সেই ছোটো থেকে আমরা বন্ধু।
নয়না। জিএব এর পাশে এসে বসো।
আমাদের জন্ম ও প্রায় একই সময়ে।
ও বাঘে বর্ষে আর আমি খরগোশ বর্ষে।
আমরা চাইনিজ মন্দির নামক এক এলাকায় থাকি।
এখানের বেশিরভাগ বাচ্চাই মেয়ে। মার্কেটের পাশের মতো না।
নয়না ই শুধু আমার বয়সী ছিলো।
কিন্তু ও আমার চায়তে লম্বা ছিলো।
আমার সাথে ডিনার করবেন আপনি?
ও যা চায়তো সবই করতে হতো আমার। এছাড়া খেলার মতো কেও ছিলো না আমার।
আগে ফ্রেশ হতে দাও।
আমি এখানেই অপেক্ষা করছি
উঁকিঝুঁকি মারবা না কিন্তু!
তোমাকে উঁকি মারতে যাবেই বা কে?
সবকিছুতেই ভালো ছিলো সে। যেমন দড়িলাফ। কেও হারাতে পারতোনা ওকে।
১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯,১০
দড়িলাফের রাণী বলতো সবাই ওকে।
আমার বাবার সেলুন রয়েছে। ১০ বছর ধরে সে নাপিতের কাজ করছে।
মার্কেটের আশেপাশের অর্ধেক মানুষ,
তরুণ এবং বয়স্ক, সবার চুল বাবা কাটায়।
নয়নার বাবাও নাপিত।
খিদে লেগেছে। কি খাবো?
খেলার পর সবসময়ই খিদে লাগে তোর। আয়-
নয়নার বাবা আর্টিস্ট ছিলেন।
মার্কেটের বাকি অর্ধেক লোকজন তার কাছে চুল কাটে।
পরেরজন।
আমার বাবার কাটার নিজস্ব স্টাইল আছে।
একটা চিরুনি আর মেশিন ব্যবহার করে সে
নয়নার বাবা আরো ডিজাইন করে কাটেন
তাই ভাবার জন্য একটু সময় নেন।
সে একটা চিরুনি আর কেচি ব্যবহার করেন।
হয়ছে।
দাড়াও!
হ্যাঁ এখন হয়েছে।
পরেরজন।
যদিও তাদের কাটার স্টাইল ভিন্ন ছিলো...
একটা কোক, প্লিজ।
এরপর।
....আমার কাছে একই মনে হতো সব।
একটা পেপসি, প্লিজ।
মজার বিষয় হলো, খালি দুইটা দরজার দূরত্ব ছিলো দুই দোকানের ভেতর।
তারা বন্ধু ছিলোনা।
কে সবচাইতে ভালো এই নিয়ে দ্বন্দ্ব লেগেই থাকতো তাদের।
চার্ন, আমার চুল কেটে দাও।
বড় হয়ে যায় অনেক তাড়াতাড়ি।
ওই দোকানে না এর আগে চুল কাটছো?
অন্যমানুষের ছায়ার নিচে কাজ করা আমার পছন্দ না।
আমার বাবা হতাশ হয়ে যায়
তার কাস্টমার নয়নার বাবার দোকানে গেলে।
নয়নার বাবাও এমনিই ছিলো।
পেছনের দিকে একটু কমায় দেওতো।
দুঃখিত। আজকে মন ভালোনা।
আমার মা এগুলো বুঝতো না।
বলতেন তারা চুল কাটছে, গলা না।
চুল বড় হবেই,মানুষ ও কাটতে আসবে।এতো ঝামেলার কি দরকার?
চুল কাটতে যাচ্ছি। ৪ টার দিকে ফিরবো।
রিকশা!
শহরে নিয়ে যান।
বাবারো হয়তো কথা বলতো না।
কিন্তু মায়েদের ভেতর আবার অনেক ভাব ছিলো।
কি হয়ছে? ক্লান্ত লাগছে তোমায়?
আমার স্বামী। একফুটা ঘুমাতে যদি পারতাম গতরাতে।
এখনো দ্বিতীয় বাচ্চার আশায়?
আরে নাহ! আমাকে জাগিয়ে রাখে।
সবাই আমার মাকে নরম মনের মানুষ বলতো।
জিএব! এই পানি গোসলের তোর খেলার জন্য না!
...তো আমার সাথে এমন করতো কেন?
সবকিছু নিয়েই অভিযোগ করতো সে।
কোথায় যাস তুই?
নয়নার সাথে খেলতে যাই।
পার্ক তো এখানেই। হেটে আয়। তবে রাস্তা পার হতে যাইস।না।
অনেক গাড়ি রাস্তায়।
গত সপ্তাহেই ডেইং এর ভাতিজা গাড়ির সাথে ধাক্কা খায়ছে।
শুনস তুই? যদি এক্সিডেন্ট করস...
তোকে মাইরা হাড্ডি গুড়াগুড়া করে দিবো।
এক্কেবারে বাবার মতো হয়ছিস।
আমার কথা শুনস ই না।
আগে কখনোই রাস্তা পার হতে যায়নি।
কিন্তু যত মা নিষেধ করে তত যেতে মন চায়।
ওহ না। এক্সিডেন্টে।
একটা বাচ্চার লেগেছে।
সেই ঘটনার পর ভয় পেয়ে গেছি আমি।
জুক নতুন খেলনা কিনছে।
কালকে ছুটির পর খেলবো ওটা নিয়ে।
এখনি কিনে ফেলসে?
হ্যাঁ। কালকে দেখবো নে।
মা! দরজা খোলো!
দেখা হবে।
টাটা।
যতবার দেড়ি হয় বাড়ি ফিরতে,
মা বেত হাতে দাঁড়িয়ে থাকে আমার জন্য।
আবার দেড়ি করছস।
নে! নে!
খালি ভাবতাম এতটুকু কারণের জন্যে এতো মারতো কেনো।
জিএব!
জিএব! উঠো
বাস এছে পরেছে
জিএব।
আমি গেলাম।
এখনো উঠস নাই, জিএব? কবে উঠার প্লান করছোস তুই?
তাড়াতাড়ি বাবা, আমরা ধরতে পারবোনা।
ওই তুই কি খালি হাফ ভাড়া দেস? এজন্য কি এই অর্ধেক রাস্তা থেকে উঠস?
সরকারি স্কুলে পৌঁছাতে ১০ কি.মি. বাসে করে যেতে হতো।
বেশিরভাগ ই এর চায়তে কাছাকাছি থাকতো।
আর এজন্যই আমার বেশি একটা বন্ধু ছিলোনা।
ওই! চল রাবার ব্যান্ড নিয়ে খেলি।
আমার কাছে প্রচুর আছে। কে কে খেলবি?
ওই জায়গাতেই দেখা করবো।
ক্লাস 6 এর ছেলেকে হারায়া দিছি গতকাল।
জ্যাক মার্কেটের ওখানে থাকতো।
ওর সব রাবার ব্যান্ড আমি জিতছিলাম।
যখন ক্লাস 2 তে ছিলাম,
জ্যাক ক্লাস 4 এ ছিলো।
যখন ক্লাস 3 তে ছিলাম,
তখনো ক্লাস 4 এই ছিলো।
আর এখন একই ক্লাসে।
ও খেতেই থাকে সারাদিন।
সবচাইতে বড় ছিলো, তাই গ্যাং এর ও লিডার ছিলো ও।
তুমি সেরা, জ্যাক।
এই হলো প্রিক। আমার ক্লাসেই ছিলো।
আর জ্যাকের বেস্ট ফ্রেন্ড।
প্রিক শিল্পী হতে চায়তো। সব গানের কথাই ওর জানা।
জ্যাক।আমার তো মনে হয় হাই স্কুলের ছেলেদের সাথেও পারবা তুমি।
এই হলো মানত। ক্লাস 3 তে ছিলো ও।
স্কুলের কাজ বা খেলায় সবকিছুতেই ভালো...
খালি নিজেকে ভালো মতো প্রকাশ করতে পারতো না।
এই হলো দ্বতি।
সেই বাবুকাল থেকেই ও কিউট
ওর বাবা বরফের কাজ করে। তাকে সাহায্য করতে হয় প্রতিদিন ওর।
পিছনে যা।
আর এই হলো বয়।
ওই মোটু। আমাকে ফেরত দে।
ওর মা মার্কেটের মালিক ছিলো।
শুভ সকাল, ম্যাডাম।
হ্যালো! আজকে কি নিবেন?
শুভ সকাল, ম্যাডাম।
হ্যালো, শুভ সকাল
বয়ের সবসময়ই নতুন কোনো খেলনা থাকতো আমাদের দেখানোর জন্য।
আমাকেও দেখতে দে।
দূরে যায়া মর।
কিন্তু এটা আমার! যদি আমাকে দেখতেও না দেও, তোমাকে খেলতে দিবোনা কিন্তু আমি।
কেন? কিসের এতো চিন্তা তোর?
আমাকে মারছস না। আমার জিনিস ফেরত দে।
তোর সমস্যা কিরে?
খা*কির পোলা।
তুই আমার মাকে খা*কি বললি?
বেশি মোটা হয়ছস দেখা নিজেকে বেশি শক্তিশালী ভাবস হ্যাঁ ?
হ! দাড়া তুই।
লাঞ্চের সময় দেখা হবে। - ঠিক আছে।
এখান সকাল ৮ টা।
No comments yet. Be the first to leave one.