The first 200 lines.
হ্যালো?
ন্যান্সি?
ন্যান্সি!
হ্যালো?
ওহ, মাই গড...
ন্যান্সি!
এই, কি হলো?
কিছু না।
খুব সুন্দর তুমি।
ন্যান্সি!
Translated By KAMRUL HASAN SHIMUL JAHIRUL ISLAM SARAH IQBAL FUAD ANAS AHMED
Edited By F U A D A N A S A H M E D
CHAPTER THREE Holly, Jolly
স্টিভ?
- এই, স্টিভ - মমম...
আবার...
কালকে দেখা হবে, ওকে?
মমম....হুম
ওহ! খোদা, ভয় পাইয়ে দিয়েছ।
ওহ, আমি ভয় পাইয়ে দিয়েছি?
জানি, আমার কল দিয়ে জানানো উচিৎ ছিল।
কোথায় ছিলে তুমি?
১০টার মধ্যে ফেরার কথা ছিল।
সমাবেশের পর, সবাই একটু খাওয়াদাওয়া করল।
এতো সময় লাগবে, বুঝতে পারি নি।
আমায় একটা কল দিয়ে জানাতে তো পারতে?
আসলে, হয়েছেটা কি, বলো তো?
এতো দেরি হয়ে গেছে, বুঝতে পারি নি, ওকে?
সরি, মম। আর কি বলব বলো?
এই, দাড়াও...
এটা কার সোয়েটার?
স্টিভের।
স্টিভের?
তো, এই স্টিভ কি তোমার বয়ফ্রেন্ড নাকি?
মানে?
না!
খুব ঠাণ্ডা লাগছিল, তাই ওর সোয়েটার ধার নিয়েছি।
আর কিছু না।
ন্যান্সি?
কি?
আমায় বলতে পার।
যাই হোক না কেন, আমায় বলতে পার।
কিচ্ছু হয়নি।
ন্যান্সি।
কিচ্ছু হয়নি।
এখন যেতে পারি, প্লিজ?
উইল? উইল?
বাবু, আমার কথা শুনতে পাচ্ছ?
উইল...
প্লিজ...
উইল...
এই তো আমি।
এই তো আমি। কথা বলো। শুধু একটা বার কথা বলো।
শুধু একটা বার...
- মম? - জোনাথান!
- এদিকে এসো। এদিকে এসো। - মম, কি হয়েছে?
এদিকে এসো। এদিকে এসো।
- হয়েছেটা কি? - এই যে উইল। এইযে উইল, ও...
ও আমার সাথে কথা বলার চেষ্টা করছে।
- তোমার সাথে কথা বলার চেষ্টা করছে? - হ্যাঁ, আলোর... আলোর সাহায্যে।
- মম... - আমি জানি।
আমি জানি।
শুধু... একটু দেখ।
উইল... এই যে তোমার ভাইয়া।
আমাকে যা দেখিয়েছিলে, ওকেও দেখাও তো, বাবু?
প্লিজ... দেখলে, দেখলে?
এ তো ইলেক্ট্রিসিটি, মম।
- বোঝার চেষ্টা কর। - না।
এই ইলেক্ট্রিসিটির কারণেই তো ফোনটা পুড়ে গিয়েছিল।
না! এটা ইলেক্ট্রিসিটি না, জোনাথান।
এখানে কিছু একটা হচ্ছে!
- গতকাল, ঐ দেয়ালটা... - মানে? দেয়ালে আবার কি হলো?
- জানি না, আমি জানি না। - মম, প্রথমে লাইট, এখন আবার দেয়াল?
আমি শুধু জানি, আমার উইল এখানেই আছে।
না, মম।
- হয়তো আরও বেশি বাতি পেলে ও... - না, মম।
আর কোনো বাতির দরকার নেই। তোমার এসব বন্ধ করা দরকার, বুঝেছ?
ও হারিয়ে গেছে।
লোকজন ওকে খুঁজছে, দেখো, ওকে ঠিকই পাওয়া যাবে।
ওকে।
- এসব বন্ধ কর। - ওকে, ওকে।
ওকে। সরি, সরি।
একটা কাজ করতে পারবে, মম?
একটু ঘুমানোর চেষ্টা করবে?
- হ্যাঁ। - একটু চেষ্টা করবে? আমার জন্য?
- অবশ্যই করব। সত্যিই। - আচ্ছা?
- হ্যাঁ। - এখানে একটু বসে থাকি।
আচ্ছা, আমি তাহলে ব্রেকফাস্ট বানাই গিয়ে।
- ওকে। - ঠিক আছে?
উইল?
বাসায় বলব, স্কুলের পর "এ.ভি. ক্লাব" আছে।
এতে অপারেশন মার্কউডের জন্য অন্তত কয়েক ঘণ্টা সময় পাব।
তোমার সত্যিই মনে হয়, উইল কোথায় আছে এই পাগলটা জানে?
- আমার ওপর একটু ভরসা রাখ, ওকে? - ওকে।
- সবকিছু এনেছ তো? - হ্যাঁ।
বাইনোকুলার... ন্যাম থেকে।
আর্মি নাইফ...এটাও ন্যাম থেকে।
হ্যামার, ক্যামোফ্লেজ ব্যান্ডানা...
আর রিস্ট রকেট।
গুলতি ছুঁড়ে ডেমোগর্গনকে হারাতে চাও?
প্রথমত, এটা একটা রিস্ট রকেট।
আর দ্বিতীয়ত, ডেমোগর্গন বলতে কিছুই নেই।
ওসব কাল্পনিক।
কিন্তু, ওখানে সত্যিই যদি কোনো শয়তান থাকে, তো ওর চোখে মেরে...
- অন্ধ করে দেব। - ডাস্টিন, তুমি কি এনেছ?
বেশ, দেখাচ্ছি তাহলে।
তো, আমি এনেছি...
নাটি বার, বাজুকা, পেজ, স্মার্টিজ...
প্রিঙ্গল, নিলা ওয়েফার, আপেল,
- কলা আর ট্রেইল মিক্স। - সিরিয়াসলি?
ভ্রমণে চাই তো শক্তি, তাই না?
আর তাছাড়া, এত অস্ত্র দিয়ে হবেই বা কি?
- ও তো আমাদের সাথে আছেই। - ও একটা দরজা বন্ধ করেছে শুধু!
মনের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে!
মাথা ঠিক আছে তোমার? এ তো দারুণ ব্যাপার!
আরও কত দারুণ সব কাজ ও করতে পারবে, ভেবে দেখেছ?
যেমন...
দেখো... চাইলেই ও এটাকে ওড়াতে পারবে।
এই, এই।
মনোযোগ দাও। ওকে?
আচ্ছা, আরও একবার করা যাক।
ওকে।
তোমার শক্তি কাজে লাগাও, ওকে?
গাধা।
- ও তোমার পোষা কুকুর না! - বাচ্চারা!
স্কুলের সময় হয়ে গেছে!
এখানেই থাক তাহলে।
কোনো আওয়াজ করবে না। আবার কোথাও চলে যেও না।
খিদে লাগলে, ডাস্টিনের খাবারগুলো থেকে খেয়ে নিও।
- মাইকেল! - আসছি!
পাওয়ার লাইনগুলো দেখেছ?
- পাওয়ার লাইন? - হ্যাঁ।
বাড়ির পেছনের গুলো, দেখেছ?
হ্যাঁ।
ওখানে দেখা করবে, স্কুলের পর।
স্কুলের পর?
হ্যাঁ, ৩:১৫ তে।
যখন এই নাম্বার গুলো তিন-এক-পাঁচ হবে, তখন দেখা করবে।
"তিন-এক-পাঁচ"
"তিন-এক-পাঁচ"
হেই!
হেই!
- সব ঠিক আছে তো? - হ্যাঁ!
হ্যাঁ, সব ঠিক আছে।
শুধু মনে হচ্ছে...
মনে হচ্ছে সবাই শুধু... আমার দিকে তাকিয়ে আছে
ওহ, আমি অবশ্য... কাউকে বলিনি।
জানি।
জানি। অবশ্যই বলো নি।
কিন্তু টমি, ক্যারল ওদের কী হবে?
তুমি অকারণে ভয় পাচ্ছ।
- সরি। - না, না। সমস্যা নেই।
এই..
সময়টা আমার দারুণ কেটেছে।
হ্যাঁ।
হ্যাঁ, আমারও।
হুম। হুম।
এই, এ্যালি। বার্ব কোথায় জানো?
উমম, সে তো তোমারই ভালো জানার কথা।
ওকে কোথাও দেখনি... একদমই না?
এই যে, এমারেল্ড সিটি।
শুনলাম, এখানে নাকি স্পেস ওয়েপন বানায়?
স্পেস ওয়েপন?
হ্যাঁ। ঐ যে, স্টার ওয়ার্স-এর রিগানের মত।
অ্যাসকিদের তো তাহলে খবর আছে।
আপনাদেরকে কিভাবে সাহায্য করতে পারি?
আসলে, আমরা জায়গাটা একটু ঘুরে দেখতে এসেছি।
ওহ, কিন্তু, এখানে তো ওসব ব্যবস্থা নেই।
ঠিক আছে... চারদিকে শুধু একটু ঘুরে দেখব।
তার জন্যে তো অনুমতি লাগবে। আপনি, উমম...
ডিপার্টমেন্ট অফ এনার্জির রিক শেফারের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
টিভিতে দেখেছ হয়তো, হারিয়ে যাওয়া স্থানীয় একটা ছেলেকে খুঁজছি।
হয়তো, লুকিয়ে এখানে ঢুকেও যেতে পারে।
যেমনটা বললাম, আপনাকে মি. শেফারের সাথেই কথা বলতে হবে।
- নাম কী তোমার? - প্যাট্রিক।
প্যাট্রিক, এই ব্যাপারটা নিয়ে মেয়র বেশ বিব্রত, সাংবাদিকরা আমাকেও খুব চাপে রেখেছে।
আর ওদিকে ছেলেটার মা তো মানসিকভাবে ভেঙ্গেই পড়েছে।
আমি জানি যে, বাচ্চাটা এখানে নেই। শুধু একটু রুটিন চেক আরকি, বোঝোই তো।
প্যাট্রিক, তুমি একটু সাহায্য করতে পারবে?
কারও সাথে কথা বলে, আমাদের জন্যে কিছু করা যায় কিনা দেখবে?
সত্যিই খুব উপকার হত।
বড় জোর, দশটা মিনিট লাগবে।
- জয়েস? - লিখে রাখো, ডোনাল্ড।
আপনার ধারণা, বাচ্চাটা এই পথে হামাগুড়ি দিয়ে এসেছে?
হতেও তো পারে।
কিন্তু, তা তো সম্ভব না।
এখানে ১০০টারও বেশি ক্যামেরা আছে।
পুরো জায়গাটা কড়া নজরে রাখা হয়, তাছাড়া, আরও লোকজন তো আছেই।
কারও পক্ষেই এখানে লুকিয়ে থাকা সম্ভব না।
কোনও বাচ্চার জন্য তো নয়ই।
ক্যামেরাগুলোর রেকর্ড কি রাখেন?
একটা কথা জিজ্ঞাসা করি, কিছু মনে করবেন না, আপনারা এখানে আসলে কী করেন?
ভুল লোকের কাছে জানতে চাইছেন।
- রুশদের চেয়ে এগিয়ে থাকার চেষ্টা চলছে নাকি? - আশা করি, তেমন কিছুই হবে।
- এখানকার দায়িত্ব কে আছেন? - ড. ব্রেনার।
উনি কি স্পেস লেজার বানান?
- স্পেস লেজার? - ওর কথা বাদ দিন।
এগুলো কি ৬ আর ৭ তারিখ রাতের?
ঠিক ধরেছেন।
এত টুকুই?
No comments yet. Be the first to leave one.