The first 200 lines.
মিথ্যুক!
সব মিথ্যুক!
মিথ্যুক!
কি হচ্ছে?
কদু?
কদু, মায়ের কথার জবাব দে!
এই, কদু?
জী মা?
এগুলো কে পরিষ্কার করবে? আমি?
কদু!
আমি ইচ্ছে করে করিনি।
আমি দুঃখিত।
তোকে নিয়ে আর পারলাম না!
এর সাজা পেতেই হবে তোর!
- না মা, প্লিজ! - মার একটাও মাটিতে পড়বে না!
না!
MY LIFE AS A ZUCCHINI/COURGETTE কদু হিসেবে আমার জীবন
তোমার বয়স কত বাবা?
নয়।
তোমার মা তোমাকে আদর করতো?
মম...হ্যাঁ। কিন্তু সে অনেক বিয়ার খেত।
আর তাঁর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই গুলো অনেক মজার ছিল,
মাঝেমধ্যে আমরা অনেক মজা ও করতাম।
ঠিক আছে।
আর বাকি সময়?
আচ্ছা। তোমার বাবা কোথায়?
এই যে।
আর এটা তাঁর মুরগি।
মা সবসময় বলতো, মুরগি নাকি বাবার অনেক প্রিয় ছিল।
আচ্ছা।
আমি তোমাকে একজায়গায় নিয়ে যাবো।
যেখানে তোমার মতো অনেক মা-বাবা ছাড়া বাচ্চা থাকে।
কিন্তু আমার তো মা আছে।
তোমার মা আর নেই, ইকার।
আমার নাম কদু!
কদু...
তোমার মা তোমাকে এ নামে ডাকতো?
আমার নাম রেইমন্ড।
আপনার মা আপনাকে এ নামে ডাকতো?
হ্যাঁ।
আমরা কিন্তু ঘুড়িটা আকাশে ওড়াতে পারি!
এসো বাবা।
শুভ সকাল, মিস্টার।
শুভ সকাল, ডিরেক্টর ম্যাডাম।
এ হচ্ছে ইকার।
কিন্তু সে নিজেকে কদু বলে পরিচয় দিতে চায়।
কদু?
ওর মা ওকে এই নামেই ডাকতো,
তাই নামটা ওর কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
ঠিক আছে সোনামণি, এসো।
"দ্য ফাউন্টেন" এ তোমাকে স্বাগতম।
কদু।
চিন্তা করোনা...এই নাও।
আমি তোমার সাথে দেখা করতে আসবো।
- বিদায়, ম্যাডাম। - বিদায়, মিস্টার।
আসবে না?
রোজি তোমাকে তোমার ঘর দেখিয়ে দেবে।
এই দেখো, এই বড় ড্রয়ারটা তোমার। এখানে তুমি তোমার জিনিসপত্র রাখতে পারো।
আর এটা হচ্ছে তোমার বিছানা।
সব ঠিক আছে তো?
সবকিছু রেখে তৈরি হও, আমি বাইরে অপেক্ষা করছি।
শুভ সকাল, ম্যাডাম!
বাচ্চারা, এ হচ্ছে তোমাদের নতুন বন্ধু ইকার।
- কদু। - ওহ্, দুঃখিত।
তোমাদের নতুন বন্ধু কদু।
- চেহারা তো গোল আলুর মতো! - চুপ করো, সিমন!
শান্ত হও, শান্ত হও বাচ্চারা!
ধন্যবাদ। আমি এখন চলি তাহলে।
- পরে দেখা হবে, মিস্টার পল। - আচ্ছা, দেখা হবে।
বসো গিয়ে বাবা।
যাও।
গরু জাবরকাটা প্রাণী।
এর মানে এরা জাবরকাটে।
শুরুতে এরা ঘাস খায়,
কিন্তু তখন না চিবিয়েই গিলে ফেলে। এরপর পেট থেকে সেই ঘাস উগড়ে মুখে এনে চিবোয়।
আমরা আসলে সঠিক জানিনা...
জেলখানায় স্বাগতম, আলু!
আলুর জায়গা গরম চুলায়!
এত মেরামতের পরেও তোর গায়ে কত ছিদ্র রয়ে গেল!
ফাজলামো করো না, সিমন!
অন্য চেয়ারে গিয়ে বস!
কি আলু, তোর এখানে আসার কারণ কি?
হুম?
কি ব্যাপার! বল আমাকে!
এখানে আসার কারণ কি?
এক মিনিট! তোর প্লেটেও আলু, আর তুইও আলু
আলু খাচ্ছে আলু!
তাজ্জব ব্যাপার না? আলু নিজেই নিজেকে খায়।
অনেক হয়েছে, সিমন!
তোর মা বাবা তোকে তাড়িয়ে দিয়েছে। তাঁরা তোর থেকে পরিত্রাণ চেয়েছে।
তুই একটা পচা আলু!
একেবারে বস্তাপচা!
থামো!
মুখ বন্ধ করো!
দেখো, এলিস এলার্ম বাজাচ্ছে।
আর তুমি আছো তোমার প্লাস্টার নিয়ে!
এটা রোজি লাগিয়েছে। আমার মাথা ব্যাথা করছিল।
বিরক্তিকর শব্দ বন্ধ কর!
আমি কিছুদিনের মধ্যে চলে যাবো, তুই কেন এসেছিস বলে যা?
আমি এখান থেকে চলে যাবোই!
আরেকটা অটিস্টিক!
ঘুমের সময় হয়েছে!
সবাই যার যার ঘরে যাও!
শুভ রাত্রি। মিষ্টি মিষ্টি স্বপ্ন দেখো সবাই!
এক্ষুনি শুতে যাও!
কদু আগেই ঘুমিয়ে গিয়েছে।
আহমেদ, হিসু করেছ?
অ্যা...মনে হয় করেছি।
- মনে হয় নাকি আসলেই করেছ? - করেছি হয়তো!
তুই ব্যাটা আসলেই একটা মাথামোটা!
আমি না, তুমিই মাথামোটা!
- আহমেদ মেয়েদের মতো বিছানায় হিসু করে! - চুপ!
- যাও! - ও আমাকে বাজে কথা বলছে।
সবাইকে আদর, এবার বাতি নিভিয়ে দিলাম শুয়ে পড়ো!
- শুভ রাত্রি! - ধন্যবাদ।
সকালে দেখা হবে।
এই আলু, ঘুমিয়ে গেছিস?
না, আলু জেগে আছে দেখছি।
ওর চোখ নড়ছে।
ঘুড়িটা কত উঁচুতে উড়ছে!
ছাড়ো এটা, প্লিজ!
দেখলে এটা কিভাবে উড়ছে?
এই! ছাড়ো ওটা!
তাই? না ছাড়লে কি করবি তুই?
নিজের জাদুর ছড়ি বের করবি, হ্যারি পটেটো?
হ্যারি পটেটো? কিসব বল না তুমি!
মারামারি, মারামারি!
আরও জোরে!
কুং-ফু-কদু!
জীবনে আর আমার ঘুড়ি ধরবে না, বুঝতে পেরেছ?
না, বুঝিনি।
আবার কখনো দেখলে, হাতটা মট করে ভেঙে ফেলবো!
কদুর দেখি অনেক শক্তি!
ও তো পাগল! পাগলরা এমন ই হয়।
আমরা ফুটবল খেলছিলাম, আর ও পেছন থেকে এসে আমাকে ফেলে দেয়।
কদু? তোমার কিছু বলার নেই?
আমি আম্মুর কাছে যাবো।
সিমন, তুমি একটু বাইরে যাও।
এটা সম্ভব না, কদু।
তোমার মা আর নেই, তিনি এখন পরীদের দেশে।
কিন্তু তুমি এখানে ভালোই থাকবে।
আমি কথা দিচ্ছি তোমাকে।
হেই, আলু!?
কদু?
আমার মা-বাবা নেশাগ্রস্ত ছিলেন।
দুইজন ই।
সারাক্ষণ নেশা করতেন।
এজন্যেই আমি এখানে।
এবার বল তুই কেন এসেছিস?
আমি সবার কথা জানি।
সবগুলোই মন ছুঁয়ে যাবার মতো।
বেয়াকে দেখছ? ওর মা কে নির্বাসিত করা হয়,
আফ্রিকাতে, ও তখন স্কুলে ছিল।
জুজুব এর মা সবসময় ফ্রিজ খুলতে থাকতো।
ক্লিক ক্ল্যাক, ক্লিক ক্ল্যাক... সারাক্ষণ।
আর নয়তো সারাদিন টয়লেট পরিষ্কার করতো।
উনি বদ্ধ পাগল একটা।
এইতো আমি, মারো!
আহমেদ এর বাবা একটা ডাকাতি করতে গিয়ে ধরা পরে।
চিন্তা করা যায় ব্যাপারটা?
সে ওর জন্য একটা নাইকি জুতো আনতে গিয়েছিল!
রোজিকে ডাকবো?
এলিস এর বাবা খুব আজেবাজে, মারাত্মক কাজ করতো।
কি কাজ ঠিক, তা জানিনা।
এলিস রোজ রাতে দুঃস্বপ্ন দেখে।
কিন্তু, এখন ওর বাবা জেলে।
মনে হয়, আমি আমার আম্মুকে মেরে ফেলেছি।
কিন্তু আমি তা চাইনি।
আমি ইচ্ছে করে করিনি।
আমাদের সবার অবস্থা একই রকম।
আমাদের ভালোবাসার কেউ নেই।
আমরা সকালে ঘুম থেকে উঠি।
এরপর আহমেদ হিসু করে।
এরপর আমরা হাতমুখ ধুই।
সিমন বাদে। ও সবসময় গোসল করার অভিনয় করে।
আর জুজুব ওর টুথপেস্ট খেয়ে ফেলে।
ওর মা নাকি বলেছে, এটা খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।
এটা ওরাংওটাং।
এটা গরিলা।
এটা শিম্পাঞ্জী।
মিঃ পল আমাদের আদিম মানুষ সম্পর্কে পড়ান।
তাঁদের সময় নাকি কোন সাবান ছিল না।
ওরা গোসল ও করতো না।
সিমন এর মতোই!
স্যার!
এরপর জুজুব সেই টুথপেস্ট গিলে খাওয়ার কারণে অসুস্থ হয়ে চিকিৎসা কক্ষে যেতে চায়।
খেলার সময় আমরা "ক্রো ম্যাগনন" হয়ে খেলি।
দারুণ। চমৎকার। অনেক মজার হয়েছে।
হ্যাঁ, এটা মজাদার।
কি হয়েছে বাবা?
এটা বেশি মজার না, আপনি আপনার দায়িত্ব পালনের জন্য এসব বলেছেন।
তোমার ধারণা আমি এখানে দায়িত্ব পালনের জন্য আসি?
এটাই হয়তো আপনার কাজ।
না, তোমার দেখাশোনার দায়িত্ব আমাকে দেয়া হয়নি। আমি আসি, কারণ তোমাকে আমার ভালো লাগে।
আপনাকেও আমার ভালো লাগে।
ওহ! হেই!?
ওরা পুলিশের লোক পছন্দ করেনা।
আহমেদ এর বিশ্বাস, আপনি ওর বাবাকে জেলে পুরেছেন।
শুভ সকাল, ম্যাডাম!
আম্মু!
No comments yet. Be the first to leave one.