The first 200 lines.
বড্ড বেশি ব্যথা করছে?
শুধু কিছুটা জ্বলছে।
সময় হয়েছে।
কিচ্ছু না।
- কিচ্ছু না! - বাবা। বাবা।
- আমি দেখতে পাচ্ছি না। - সমস্যা নেই। শান্ত হও।
- ওলোম্যান, এতে কাজ হয়নি। - বাবা, প্লিজ।
আমরা এটা আবারো করবো। আবারো একই পদ্ধতিতে চেষ্টা করো।
আমি দুঃখিত। এরচেয়ে বেশি কিছু করা সম্ভব নয়।
ভুল বলছো! নিশ্চয় কোনো উপায় আছে।
- ওলোম্যান। - বাবা।
তুই অধ্যয়ন চালিয়ে যা। সব মেডিকেল বই, সবকিছুই।
ওখানেই উওর পাবি।
বাবা, আমি সব বই পড়েছি।
এবং সেগুলো বলছে, তোমার কর্নিয়া ড্যামেজ হয়েছে, যা মেরামতের কোনো উপায় নেই।
তুই ঠিকভাবে খুঁজছিস না!
আমি অন্ধ হবো না।
শুনছিস?
আমি অন্ধ হবো না!
S
Se
See
See:
See: S
See: Se
See: Sea
See: Seas
See: Seaso
See: Season
See: Season-
See: Season-0
See: Season-02
See: Season-02:
See: Season-02:[
See: Season-02:[E
See: Season-02:[Ep
See: Season-02:[Epi
See: Season-02:[Epis
See: Season-02:[Episo
See: Season-02:[Episod
See: Season-02:[Episode
See: Season-02:[Episode-
See: Season-02:[Episode-0
See: Season-02:[Episode-02
See: Season-02:
See: Season-02:
See: Season-02: ভা
See: Season-02: ভাবা
See: Season-02: ভাবানু
See: Season-02: ভাবানুবা
See: Season-02: ভাবানুবাদে
See: Season-02: ভাবানুবাদে:
See: Season-02: ভাবানুবাদে: আ
See: Season-02: ভাবানুবাদে: আকা
See: Season-02: ভাবানুবাদে: আকাশ
See: Season-02: ভাবানুবাদে: আকাশ ব
See: Season-02: ভাবানুবাদে: আকাশ বসা
See: Season-02: ভাবানুবাদে: আকাশ বসাক
কী?
কী?
উল্টোপাল্টা কিছু ভেবো না।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রেন।
জি, লেফটেন্যান্ট।
গেট খোলো!
জি, স্যার!
আর এভাবে…
মহান ট্রিভানটিয়ান, টলিভার, আহত কিন্তু মরেনি…
কোনোভাবে নিজের ক্লান্ত পা ঘোড়ার উপর তুলে সওয়ারি শুরু করলো।
যদিও বজ্রপাত এবং বৃষ্টির ফলে...
তার ইন্দ্রিয়শক্তি লোপ পেয়েছিল,
সে তার ক্লান্ত লোকেদের প্লেইনসের লম্বা ঘাসের মধ্য দিয়ে…
গ্যানাইটের দূর্গে নিয়ে গেলো।
তার নেতৃত্বাধীন, ২০ জন ট্রিভানটিয়ান সৈনিক…
গ্যানাইটে'র বড়ো দলকে খাড়িতেই আটকে রেখেছিল…
গোটা রাতটাই...
এবং সকালে যতক্ষণ না পর্যন্ত ব্যাটেলিয়ন এসে যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
আমাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছো?
দেখতে পাবে।
আমি কখনোই এতটা উঁচুতে উঠিনি।
তাই?
আমি ছোটো থাকতে, এই সবগুলো টাওয়ারেই আরোহণ করতাম।
দৃষ্টি থাকায়, আমি শুধু এগুলোকেই নিরাপদ মনে করতাম।
হয়তো এমন জায়গায় যেতে পছন্দ করতাম, যেখানে আর কারো আসার কোনো সম্ভাবনা নেই।
আর এভাবেই আমি এই জায়গাটা খুঁজে পেয়েছি।
তারপর থেকেই এটার যত্ন নিচ্ছি।
মানুষ আগে দৃষ্টিশক্তির উৎযাপন করতো।
আমরা শিল্প বানাই শুধু শোনা, অনুভব বা ঘ্রাণ নেয়ার জন্য।
তাদের পৃথিবীর সবকিছু দেখার জন্যই সৃষ্টি করা হয়েছিল।
- এমনকি মানুষও। - কী?
আমাদেরও দেখার জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে।
এটা আমার সবচেয়ে প্রিয় ছিল।
এই ছবির মেয়েটার সম্পর্কে আমি গল্প বানাতাম।
তার নাম দিয়েছিলাম গুয়েনডোলিন।
ওর নাম এলিস।
তুমি পড়তে জানো।
বইটার নাম 'এলিস ইন ওন্ডারল্যান্ড।
"এলিস তার বোনের সাথে নদীর তীরে অলস বসে থাকতে থাকতে...
বিরক্ত হওয়া শুরু করেছিল।"
"এক বা দু'বার সে তার বোনের বইয়ে উঁকি মেরে দেখতো,
কিন্তু সেখানে কোনো ছবি বা লেখা কিচ্ছু ছিল না।"
না!
"'তাহলে এই বইয়ের কাজটা কী,' ভাবলো এলিস,
'যদি সেখানে চিত্র বা লেখা না থাকে?'"
থাম।
বড় ভাই, তুই বেশ ভালোভাবেই সহ্য করছিস।
আমার পিঠে তুই যে দাগগুলো দিয়েছিলি তার তুলনায় তোর এগুলো কিছুই না।
তুই হানিওয়ার সাথে কী করেছিস?
হানিওয়া?
এখনো মেয়েকে নিয়ে ভয় করছিস।
ভয় কষ্টের চেয়েও খারাপ, তাই না?
ছোট থাকতে আমার ক্ষেত্রেও সেটা এরকমই ছিল।
তুই আমার ভেতরে যে নির্যাতনের কষ্টটা ঢুকিয়েছিলি,
সেটার থেকে আগামীতে কী আসতে চলেছে সেটার ভয় বা,
তোর আসার ভয় বহুগুণে বেশি ছিল।
আর তোকে কথা দিচ্ছি,
প্রতিটা রাতেই হানিওয়া আমার মতো সেই একই ভয়টা অনুভব করবে।
ইডো, প্লিজ ওকে যেতে দে।
তুই আমার ভাই ছিলি।
আমি এখনো তোর ভাই। আমি দুঃখিত।
আমার তোকে রক্ষা করা উচিত ছিল। কিন্তু আমাকে বাধ্য করা হয়েছিল--
অনুশোচনাবোধ সম্পর্কে তোর কনো ধারণাই নেই। এখনো নেই।
কিন্তু জেনে যাবি।
কারণ আমি তোকে এখানে রেখে…
আমাকে যেভাবে প্রতিরাতে চাবুকাঘাত করতিস, তোকেও সেভাবেই চাবুকাঘাত করতে থাকবো।
আর কয়েক বছর পর,
যখন অবশেষে তোকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেবো,
তুই কৃতজ্ঞতায় কেঁদে ফেলবি।
দেখিস, অজ্ঞান যেন না হয়।
- ইডো। - আমি চাই সে যেন প্রত্যেকটা চাবুকাঘাতই অনুভব করে।
না। ইডো, শুধু ওকে ছেড়ে দে।
ইডো। ইডো!
ইডো!
ইডো, না! ওকে যেতে দে!
ইডো!
টাক।
আমরা এখানে শুধুমাত্র মূত্রত্যাগ এবং ক্যান্টিন ভরে নেয়া অব্ধি অবস্থান করবো।
জি, স্যার।
আমি হাত-মুখ ধুতে চাই।
আমি চাই না তুমি আমার লোকেদের আশপাশে যাও।
তারা ক্লান্ত এবং ক্ষুধার্ত,
আর উইচ তো তারা এমনিতেই একদমই পছন্দ করে না।
আসো।
তুমি এর আগে কতগুলো উইচের সাথে কথা বলেছো?
তুমিই প্রথম।
যদি আমিই প্রথম হই, তাহলে কীভাবে জানলে আমরা ভয়ঙ্কর কিছু?
তোমাদের মতো লোকেরা আগেই একবার মেশিন আর বিষ দিয়ে পৃথিবীটা ধ্বংস করেছিল।
তোমার প্রজাতি লাখো মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী।
আর তুমি হাজারো মৃত্যুর জন্য।
তোমরা আলকেনীদের বিলুপ্ত করেছো…
আমার জাতিকে, একদম পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছো।
তারা উইচদের আশ্রয় দেয়ার শাস্তি সম্পর্কে জানতো। এটাই রাজ্যের আইন।
তোমরা বাচ্চাদের হত্যা করেছো, শিশুদেরও।
আমি সেখানে ছিলাম না।
আর থাকলেই বা কী করতে?
আমি উইচ।
বলো কে বেশি খুন করেছে? তুমি না আমি?
মহামান্য রাণী,
আপনার সামনে হাজির করেছি পেনসা'র শ্রেষ্ঠ জ্ঞানী ব্যক্তিদের, আপনার রাজ্যের কাউন্সিল।
আমার কীসের কাউন্সিল?
রাজ্যের কাউন্সিল, মহামান্য রাণী।
আপনাকে পরামর্শ দিতে, আদেশের আঞ্জাম দিতে।
আমরা এখানে রাজ্যের কাউন্সিলের জন্য জমায়েত হইনি, হয়েছি যুদ্ধের কাউন্সিলের জন্য।
মহিমাবতী, নিয়ম অনুযায়ী যুদ্ধের কাউন্সিল তখনই গঠিত হবে,
যখন অফিশিয়ালভাবে যুদ্ধের ঘোষণা আসবে।
দেখো, কে আমাকে নিয়ম শেখাচ্ছে।
যুদ্ধ আমাদের ওপর ঘোষণা করা হয়েছিল।
ক্যাপ্টেন গোসেট, আমার মনে হচ্ছে তুমি এখানে ঝুঁকির ব্যাপারটা উপলব্ধি করছো না।
উপলদ্ধি করছি বলে নিশ্চিত করছি, মহিমাবতী।
আর এখানে আমি যা কিছু বলছি সবই আপনার উপর পূর্ণ সন্মান,
এবং আপনার ইচ্ছার প্রতি সামঞ্জস্য রেখেই।
প্রতাপশালী ট্রিভানটিয়ান সৈন্যদের প্রতিরোধ করতে হলে,
আগে আমাদের গোটা রাজ্যের প্রতিরক্ষা ঢেলে সাজাতে হবে।
- ক্যাপ্টেন গোসেট-- - প্রতিরক্ষা?
ঈশ্বর আমাদের উপর ট্রিভানটিয়ানদের হারানোর দায়িত্ব ন্যাস্ত করেছেন।
আমাদের প্রতিরোধের নয়, আক্রমণের প্রস্তুতি নিতে হবে।
- সিবেথ-- - কে?
মাফ করবেন, মহিমাবতী।
রাজকুমারী মাঘরা, কিছু বলার থাকলে, বলে ফেলো।
কাঞ্জুয়া হারিয়ে, পায়া ইতোমধ্যেই কিছুটা দুর্বল হয়ে গেছে।
আর তুমি পুনরুজ্জীবিত হওয়ায় যে চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছে,
তাতে আমাদের নতুন রাজধানী পুনর্গঠনেই মনোযোগী হওয়া উচিত।
হয়তো, আমাদের রাজ্য তত্ত্বাবধানেই কিছুটা সময় ব্যয় করা উচিত,
সৈন্যদল ঢেলে সাজিয়ে আরো শক্তিশালী করা,
আর সেটা করার সময়, অবশ্যই, ট্রিভানটিসের হুমকি সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে।
সবাই… বেরিয়ে যাও।
বেরোও!
সিবেথ--
শুনলি এইমাত্র কী হলো?
কী?
ঘর ভর্তি মানুষ নিরবে আমার কর্তৃত্বের উপর প্রশ্ন তুলছে,
ভাবছে তারা কি, আসলেই, এখনো আমার প্রতি বাধ্য।
একজন ক্যাপ্টেন যে আমার সাথে তর্ক করে।
রাজনীতিবিদ যাদের কাছে বিশ্বাসঘাতকতা একটা খেল,
যার মানে দাঁড়ায় আমাদের মাথা ধড় থেকে আলাদা করে দিয়ে
আমাদের রাজকীয় রক্ত চিরতরে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।
আর এই বিশ্বাসঘাতকে পরিপূর্ণ কক্ষে,
নিজের বোনই আমার বিরুদ্ধে কথা বলছে।
যুদ্ধে যাওয়াটা সাক্ষাৎ আত্মহত্যা।
তোমার মিথ্যার জন্য ঠিক কত লোকের বলিদান দিতে চাইছো?
তারা মহিমান্বিতভাবে মারা যাবে…
No comments yet. Be the first to leave one.