The first 173 lines.
by Sazu489...
এডমান্ড! সরে যাও ওখান থেকে।
- পিটার! কি করছিলে ওখানে।
পিটার, জলদি, লুকাও, যাও!
- আসো... - দাড়াও...
আসো, ছাড়ো এসব।
মা...
লুসি চলে এসো...
চলে এসো জলদি! দৌড়াও!
- দাড়াও! বাবা! - এড!
-এডমান্ড, না! - আমি ওকে ধরছি।
- পিটার ফিরে এসো। - এড চলে এসো।
এডমান্ড, শুয়ে পড়।
- চলে এসো গাধা কোথাকার। - বাইরে।
- জলদি! - বেরোও জলদি।
- তুমি নিজেকে ছাড়া আর কারও কথা ভাব না কেন? স্বার্থপর!
তুমি আমাদের মারতে বসেছিল।
থামো।
তোমাকে যা বলা হয় তা শোন না কেন?
এটা সাথে রাখো বুঝলে মামণি।
ভালো লাগছে?
বাবা এখানে থাকলে, কখনই আমাদের যেতে দিতনা।
- বাবা এখানে থাকতো মানে যুদ্ধও শেষ হত, তখন আমাদের যাওয়ার দরকারও হতনা।
তুমি তোমার ভাইয়ের কথা শুনবে, বুঝলে এডমান্ড।
কথা দাও তুমি সবার খেয়াল রাখবে।
রাখবো মা।
সোনা ছেলে।
সুসান,
বড় হও।
বেশ, এবার যাও।
ছাড় আমায়, আমি জানি ট্রেনে চড়তে।
- আপনার টিকিটটা দেখি, টিকিট।
পিটার।
ঠিক আছে, এবার যাও, ধন্যবাদ।
এসো লুসি, সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে
গুসি ষ্টেশন, গুসি ষ্টেশন।
প্রফেসর আমাদের আসার কথা জানে।
মনে হয় আমরা ঠিকানা ভুল করেছি।
- মিসেস ম্যাকরেডি... - অবাক হচ্ছি,
তো এই সব? আর কিছু নিয়ে আসনি তোমরা?
না ম্যাম।
শুধু আমরাই।
ধন্য করেছ।
প্রফেসর এবাড়িতে বাচ্চাদের ব্যাপারে অভ্যস্ত নন।
আর এখানে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে।
কোন চেচামেচি না,
দৌড় না, আবর্জনা করা চলবে না।
কোন দামী জিনিসে ছোয়া যাবে না...
এবং সবার উপরে...
প্রফেসর কে বিরক্ত করা যাবে না।
রেডিওঃ জার্মান বিমান বাহিনী শেষ রাতে বৃটেনে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে।
রেডিওঃ জার্মান বিমান বাহিনী শেষ রাতে বৃটেনে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে।
হামলার ঘন্টাখানেক পর...
বিছানায় কাটা কাটা লাগছে।
- যুদ্ধ বেশিদিন থাকবে না লুসি, আমরা জলদি ঘরে ফিরব।
- হ্যা, যদি সেদিন পর্যন্ত ঘর আস্ত থাকে। - তোমার বিছানায় থাকার কথা না?
- হ্যা মাতাশ্রী! - এড (ধমক)!
বাইরে দেখেছ, জায়গাটা ভীষণ বড়,
আমরা যা খুশি করতে পারি।
- এটা কি ল্যাটিন? - হ্যা।
এটা কি সেই ল্যাটিনদের বাজে খেলাটা?
আমরা লুকোচুরি খেলতে পারি।
কিন্তু আমরা এমনিতেই অনেক মজায় আছি।
আমি আগে আসছি।
তুমি কি ভয় পেয়েছো?
না... না...
আহ...আসলে...
আমি আ...আমি ঠিক...
আমি...মানে...তোমাকে ঠিক ভয় পাইনি...
যদি কিছু মনে না কর...তুমি আসলে কি?
আমি...আমি একজন ফন।
আর তুমি?
তুমি নিশ্চয়ই কোন দাড়িছাড়া বামন?
- আমি কোন বামন নই! আমি একটা মেয়ে।
এবং সত্যি কথা বলতে- আমি ক্লাসের সবচেয়ে লম্বা মেয়ে।
তার মানে, তুমি হাওয়ার কন্যা?
আমার মার নাম হেলেন।
তার মানে তুমি মানুষ?
অবশ্যই।
তুমি এখানে কি করছ?
আসলে আমি আলমারির ভিতর লুকাচ্ছিলাম।
খালমারি! এটা কি নারনীয়ার ভিতরের কোন জায়গা?
নারনীয়া? সেটা কি?
বাছা, তুমি এখন নারনীয়ায়।
এই থাম থেকে শুরু করে
পূর্ব সাগরের ওই দূর্গ পর্যন্ত
প্রত্যেকটা কাঠ, পাথর, বরফ ও...
সব নারনীয়ার।
এতো বিশাল আলমারী।
খালমারী! মাফ করবে?
- আচ্ছা আমার পরিচয়টা দেই- আমার নাম- টামনাস।
- পরিচিত হয়ে খুশি হলাম জনাব টামনাস। আমি লুসি পেভেন্সি।
ওহ...হাতটা মেলাও... - কেন?
তাতো জানিনা।
লোকেরা এমন করে যখন একে অপরের সাথে দেখা হয়।
বেশ তো খালামারি থেকে আগত লুসি পেভেন্সি
তুমি কি আমার বাড়ি এসে এক কাপ চা খাবে?
ধন্যবাদ, কিন্তু আমি...
আমার মনে হয় এখন ফেরা উচিৎ।
- বেশিদুরে না, এইতো কাছেই আমার বাড়ি। আর ওখানে বেশ গরমও আছে।
সঙ্গে চা, বিস্কুট আর হ্যা...
তুমি চাইলে মাছও খেতে পার।
- আমি বুঝতে পারছিনা। - একটু আসো,
প্রতিদিনতো আমি এমন বন্ধু পাচ্ছিনা।
বেশ, আমি মনে হয় একটু সময় দিতে পারি।
যদি তোমার কাছে মাছ থাকে।
বালতি ভরা আছে।
ওয়াও...
ওটা আমার বাবা।
সুন্দর দেখতে।
অনেকটা তোমার মত দেখতে।
না।
না, আমি তারমত হতে পারিনি।
আমার বাবা একজন যোদ্ধা,
তিনিও যুদ্ধে গেছেন,
অনেক আগে।
এই বিশ্রী শীতের আগে। - শীত তো বিশ্রী হয় না।
শীতে আইস স্কেট করা যায়, স্নোবল খেলা যায়।
ওহ, আর ক্রিসমাসও। - এখানে না।
গত ১০০ বছরে আমরা কোন ক্রিসমাস পাইনি।
মানে? ১০০ বছরে কোন উপহারই পাওনি?
সবসময় শীত, ক্রিসমাস নেই।
অনেক দিন ধরে এই ঠান্ডা পড়ছে।
কিন্তু গরমে নারনীয়াকে খুব সুন্দর দেখায়।
আমরা ফনরা সারারাত বনে নাচানাচি করি।
ক্লান্তই হইনা।
আর সঙ্গিত, ওহ! অসাধারন...
তুমি...তুমি একটা শুনবে?
ওহ, অবশ্যই।
তুমি কি কখনও নারনীয়ার ঘুমপাড়ানি গান শুনেছো?
- তুমি কি কখনও নারনীয়ার ঘুমপাড়ানি গান শুনেছো? - নাতো।
বেশ।
এটা সম্পুর্ণ অন্যরকম একটা জিনিস।
ওহ, আমার ভীষন দেরী হয়ে গেছে।
আমি খুব পচা একটা ফন।
ওহ না...
তুমি আমার দেখা সবচেয়ে ভাল ফন।
আমি খুব খারাপ কাজ করছি।
কৈ, তুমি কোন খারাপ কিছুতো করনি!
আমি এখনও কিছু করিনি, লুসি পেভেন্সি।
আমি এখন করতে যাচ্ছি।
কি করছো তুমি?
তোমাকে অপহরন করছি।
শ্বেত ডাইনীর জন্য।
সেই এখানে সবসময় শীত আর ঠান্ডা করে রাখে।
সে আদেশ দিয়ে রেখেছে।
যদি কেউ বনের ভিতর কোন মানুষ দেখতে পায়...
তবে তার কাছে যেন ধরিয়ে দেয়।
কিন্তু টামনাস, তুমি তা করনি।
আমরা বন্ধু হয়েছি।
এতক্ষণে সে হয়তো তোমার খবর পেয়ে গেছে।
এ বনে চারিদিকে তার গুপ্তচররা।
এমনকি কিছু গাছও তার পক্ষে।
তুমি তোমার ফেরার পথ চিনতে পারবে?
- মনে হয়। - বেশ।
তোমার ক্ষতি হবে না তো?
আমি দুঃখিত, খুবই দুঃখিত।
নাও।
রেখে দাও, এখন ওটা আমার চেয়ে তোমার বেশী দরকার।
যা খুশি হোক, লুসি পেভেন্সি...
তোমার দেখা পেয়ে আমি খুশি।
আমি এতই খুশি, যেমনটা ১০০ বছর আগে ছিলাম।
এবার যাও।
যাও।
... ৯৯, ১০০.
সবাই তৈরী? আই আসছি...
আমি ফিরে এসেছি, আমি ফিরে এসেছি।
চুপ কর, ও আসছে।
আমার মনে হয়, তোমরা এখনও খেলাটা শেখনি।
তোমায় আমাকে নিয়ে কোন দুঃশ্চিন্তা করনি?
ওহ হ্যা, এই জন্য আমরা খুজছিলাম তোমায়।
আমি জিতে গেছি?
লুসি মনে হয় খেলতে চাচ্ছেনা।
No comments yet. Be the first to leave one.