The first 200 lines.
অনুবাদ ও সম্পাদনাঃ ®AB Minhaj® (আবরার)
পশ্চিম বসনিয়া, 1977
মিশ্র অর্থোডক্স খ্রিস্টান ও মুসলমানদের বসবাস।
সত্য ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত।
উৎসর্গঃ Toufiq Kushal Shahab
চলচ্চিত্রের নামঃ HALIMA'S PATH HALIMIN PUT
মুভি প্রেমীদের সাদর আমন্ত্রণ আমাদের "উন্মাদ মুভি প্রেমীদের স্বপ্নিল নিকেতন" নামক ফেসবুক গ্রুপে।
ধুর, মরার অ্যান্টেনা!
আবহাওয়া সামান্য প্রতিকূল হলেই আর কোনো সিগন্যাল পাওয়া যায় না।
- খবরে কী বলছে? - প্রতিদিন যা বলে, মিটিং-মিছিল আর অনর্থক সব কথাবার্তা।
- বৃষ্টি শুরু হয়েছে। - ভালো, বৃষ্টি হয়েছে যে অনেকদিন হলো।
- ফুফু,হালিমা ফুফু। - সাফিয়া?
বসো, আমি দেখছি।
হায় খোদা, সাফিয়া! তুমি এখানে কী করছো? এতো দূর পায়ে হেঁটে আসোনি তো, হ্যাঁ?
- আমায় মেরে ফেলবে ফুফু,তিনি আমায় মেরে ফেলবে! - কে মেরে ফেলবে তোমায় মেয়ে?
- বাবা, বাবা জানতে পারলে মেরে ফেলবে। - শান্ত হও, সাধারণভাবে চিন্তা করো।
আমি...
- আমি বুঝতে পারিনি...! - কী বুঝতে পারোনি তুমি?
আমি গর্ভবতী।
হায় খোদা! কিভাবে হয়েছে এসব? আল্লাহ তোমায় রক্ষা করুক।
অনেক দেরী হয়ে গেছে, দুই মাস পেরিয়ে গেছে ইতিমধ্যে।
- আমি ভাবিনি...! - তুমি কিছুই ভাবোনি। কে..! ছেলেটি কে?
ঠিক আছে সোনা! কান্না আমাদের কোনো সাহায্য করবে না,আমরা কোনো উপায় খুজে বের করবো।
- বাবা আমায় মেরে ফেলবে। - চিন্তা করো না, আমাকে প্রথমে বলো ছেলেটি কে?
যদি সে অবিবাহিত হয় তাহলে তার তোমাকে বিয়ে করতে হবে, আমার কথা বুজলে মেয়ে?
- তুমি তো জানো তোমার বাবা কেমন বদমেজাজি মানুষ। - সে আমায় বিয়ে করতে পারবে না, সে পারবে না।
- কেন নয়? সে কি বিবাহিত? - তেমন নয় বিষয়টি...!
- তাহলে? - সে আমাদের কেউ না।
সার্বিয়ান?
- আমি তাকে অনেক ভালোবাসি ফুফু, অনেক ভালোবাসি। - হায় খোদা! আমাদের এখন কী করা উচিৎ?
- ছেলেটা কোথায়? - আশেপাশে কোথাও আছে, এখনই চলে আসবে।
- এইতো এসেছে। - খাবার কিছু আছে?
- আমি অনেক ক্ষুধার্ত। - আরো আগে আসা উচিৎ ছিলো তোমার।
- আমি ইতিমধ্যে পাঁঁচবার খাবার পরিবেশন করেছি। - আমি শুকরগুলো পাহারা দিচ্ছিলাম।
- দেখো বাহিরে কী পরিমাণ ঝড় হচ্ছে। - তুই ঠিক করেছিস, বস স্লাভো, এখানে বস...!
- নিজের বুড়ো বাবার সাথে এক গ্লাস পানীয় পান কর। - না,ধন্যবাদ।
উষ্ণতার জন্য শুধুমাত্র কিছু খাবার খাবো।
- আরে বেশি না, শুধু এক গ্লাস। - আমি খাবোনা।
- বাচ্চাটাকে তার মতো ছেড়ে দাও। - সে এখন আর বাচ্চা নেই, তাছাড়া...
... আর বেশি দিন অবিবাহিতও থাকবেনা। - শুনছিস তুই? তাহলে তো আমি একজন ভাগ্যবান মা।
এখন বল, শুনলাম পাহাড়ের ওপাড়ে সেমেরুসে নাকি তোর পরিচিত কোনো মেয়ে আছে।
- সেমেরুসে? - যোরা, এটা আমাদের পুরুষদের নিজেদের মধ্যকার আলোচনা।
সে কোনোভাবেই এই ঘরে একজন তুর্কীকে আনতে পারবে না, এটা অনৈতিক হবে।
আমার কথা বুঝোনি? একটা শব্দও বলবেনা।
আমাকে বল..! আসলেই কি সেখানে কেউ আছে... নাকি না?
- যদি থাকে তাহলে? - না, অন্যদের কাছ থেকে না শুনে আমি তোর কাছ থেকে শুনতে চাচ্ছি।
সে যদি তোর জন্য ভালো হয় তাহলে আমার জন্যও ভালো হবে, এতে আমার কোনো সমস্যা নেই।
আপনি কী করছেন..এসব কি ভালো উপদেশ দিচ্ছেন তাকে? আমি আর শুনতে পারছিনা এসব কথা।
আমি তো তাকে বলেছিলামই আমাদের কথা না শুনতে, বলিনি?
বল, সেখানে কেউ আছে নাকি?
- আছে। - আছে?
- হ্যাঁ। - আচ্ছা, তারপর?
- আর কী? - তারপর তোর পরিকল্পনা কী?
আমি পরিকল্পনা করেছি আমি তাকে বিয়ে করবো।
- তাকে বিয়ে করবি? - হ্যাঁ, তাকে বিয়ে করবো।
কিন্তু তুই তো জানিস গ্রামের লোক কি বলবে..!
তাদের নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই।
আমারও নেই, কিন্তু তুই তোর মাকে দেখেছিস কিভাবে সাপে কাটার ন্যায় প্রতিক্রিয়া করছে?
- তাছাড়া জার্মানি? - আমি যাবোনা।
যাবিনা?
আমি সব ব্যাবস্থা করে রেখেছি, তোর চাচা তোর অপেক্ষায় আছে, মিউনিখে তোর জন্য ভালো একটা চাকরি পেয়েছে সে।
আমি জার্মানি যাবোনা! আমি এখন বিয়ে করতে চাই।
- তাড়াহুড়োর কিছু নেই, এটা নিয়ে আরো কিছুক্ষণ ভাব। - বাবা, এখানে ভাবার কিছু নেই।
ভাব, এরপরও যদি তুই বিয়ে করতে চাস তাহলে করিস...!
জার্মানি এবং গ্রামের মানুষ সবাই গোল্লায় যাক!
- আর মা? - সেও গোল্লায় যাক... আমি তার সাথে কথা বলবো।
খেয়ে নে, ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে।
সাফিয়া?
সাফিয়া?
সাফিয়া!
মেয়েটা কোথায় গেলো?
সাফিয়া! ঘরে আয়,শুনছিস আমার কথা?!
সাফিয়া!
মা...!
সাফিয়া!
সাফিয়া!
আমি এখানে।
- আবদু কী বলেছে? - সে এখনো জানেনা।
কারো সাহস নেই তাকে সাফিয়ার গর্ভবতী হওয়ার ব্যাপারে বলার।
সে তোমার ভাই হলেও সে একদম বোকা,কোনো না কোনো সমস্যা দাড় করাবেই সে।
- আপনার কাছে কি কোনো টাকা আছে? - দুই হাজার, এগুলোই যথেষ্ট।
আপনার আরো আনা উচিৎ ছিলো, সে আপনার ভাই।
হ্যাঁ, কিন্তু সেও আবদুর মতোই নির্বোধ।
আমাদের কারোই প্রতিভাবান ভাই নেই।
কোথায় ছিলে ভাই,তোমার অপেক্ষায় থাকতে থাকতে আমি অর্ধেক বোতল শেষ করে ফেলেছি।
- অভিনন্দন মোস্তফা, এখানে মুরগী আর কিছু পাই এনেছি। - প্রয়োজন ছিলো না এসবের, ভিতরে আসুন।
যে জন্য তোমরা আমায় অভিনন্দন জানাতে এসেছো, এইতো তারা।
- শুভ সন্ধ্যা! - শুভ সন্ধ্যা, অভিনন্দন রাবেকা।
- কেমন আছো? - আমি ভালো আছি।
খুব ভালো রাবেকা, তার জন্য শুভকামনা রইলো।
বেচারি রাবেকা, তুমি কিভাবে সব সামলিয়েছো,সাহায্য করার জন্য কেউ ছিলো তোমার?
ফেযিরিকা ছিলো এখানে, জানিনা তাকে ছাড়া এসব কিভাবে সামলাতাম।
কি করছো তুমি? হেই, এসবের কোনো দরকার নেই, আসলেই দরকার নেই।
রাখো এটা, এখন তোমার ঘরে খাওয়ার সদস্য আরেকজন বেড়েছে।
- ওহ খোদা, কী সুন্দর ফুটফুটে, আমি কি তাকে কোলে নিতে পারি? - অবশ্যই, কেন নয়।
হালিমা ফুটফুটে বলোনা, নজর লেগে যাবে।
মোস্তফা, তার কপালে সামান্য কালি লাগানো উচিৎ...!
...খারাপ নজর থেকে রক্ষার জন্য। - আচ্ছা,আমি লাগাচ্ছি।
- কালি দেয়ায় বিশ্রী দেখাচ্ছে, তাকানো যাচ্ছেনা ওর দিকে। - এটুকুই যথেষ্ট, তাকে কালো টীকা প্রায়শই লাগাতে হয়।
- তার কি কোনো নাম রেখেছো? - আমি একটা নাম ভেবেছি...
...আরুন! খাটি মুসলিম নাম।
নামটি আপনার পছন্দ হয়ে থাকলে এতে আমার কনো আপত্তি নেই।
এর আগে কাউকে নিজের সন্তানের এই ধরণের নাম রাখতে শুনিনি।
- আরুন? - আরুন।
মোস্তফা নামটি পছন্দ করেছে, আমাকে তো কেউ জিজ্ঞেস পর্যন্ত করেনি।
তোমায় কেন জিজ্ঞেস করতে হবে, মেয়ে? তুমি তাকে জন্ম দিয়েছো,
- এরপর আমার উপর কঠিন দায়িত্ব ছিলো তার সুন্দর একটি নাম নির্বাচন করা। - তার সুস্বাস্থ্যের খেয়াল রেখো, নামে কিছু যায় আসেনা।
তাদেরকে একাকী কথা বলতে দাও, তুমি জানো...
...আমার কাছে কতো ভালো মানের পানীয় আছে? এর চেয়ে ভালো আর হতে পারেনা।
এসো চেখে দেখি, অন্তত পান করার জন্য আমাদের একটি কারণ আছে।
তার পুরুষাঙ্গ দেখা উচিৎ ছিলো তোমার, ঘোড়ার ন্যায় বিশাল হবে,একদম আমার মতো।
- চিয়ার্স! তার জন্য শুভকামনা। - আমার আরুন ও তার বংশধরের নামে।
আরুন নামটা তোমার খুব একটা পছন্দ হয়নি তাই না?
জানি না... তোমার তাকে বাবার নামে নামকরণ করা উচিৎ ছিলো, 'হুসনী', কতো সুন্দর নাম।
তোমার কোনো সন্তান হলে তুমি বাবার নামে তার নাম রেখো,
কিন্তু সেটা কিভাবে সম্ভব, আমার তো ধারণা তোমার কোনো সন্তান ও বংশধর হবে না।
- সালকো, আমাদের কি এখন যাওয়া উচিৎ না? - অসম্ভব, আমাদের এখনো পান করা শেষ হয়নি।
- এখন রাত কয়টা বাজে সেই খেয়াল আছে? - তুমি বাড়ি যেতে পারো,কিন্তু আমার ভাইকে রেখে যাও।
ভাতিজা তো আর সব সময় পাওয়া যায়না, তার নিজের যেহেতু নেই...
অন্তত আমারটাকে নিয়ে একটু আনন্দ করুক।
- বিদায়, বেশি দেরি করো না সালকো। - বিদায়
মাঝে মাঝে তুমি অনেক তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে কথা বলো মুস্তফা।
- আমি কী বলেছি? - তুমি জানো তুমি কী বলেছো।
- আমি ভুল কিছু বলেছি? - চুপ থাকো।
অনেক আগেই তোমাকে বলেছিলাম তাকে বাড়ি থেকে...
...বিদায় করে দিতে। - তুমি কি একই ক্যাচাল আবারো শুরু করবে?
তুমি আমার ভাই, আমি তোমার এমন দুরবস্থার দিকে তাকাতে পারছি না।
কে বলেছে আমার দুরবস্থার দিকে তাকাতে? ভালো হয় তুমি...
...অন্যকিছুর দিকে তাকাও। - সালকো,তোমাকে আগেও বলেছি..
একজন নারীর সবসময় প্রশস্ত কোমর ও বিশাল নিতম্ব থাকা উচিৎ, আমার রাবেকাকে দেখো।
একটি সন্তান জন্ম দেয়া আমাদের জন্য কতোটা আনন্দের, তোমার হালিমার মতো নয়, মরো গিয়ে তুমি তার সাথে।
- চুপ করো! - কেন? তোমার তাকে...
...কেন প্রয়োজন? তোমায় বিরক্ত আর জ্বালানো ছাড়া তো তাকে দিয়ে কিছুই হচ্ছেনা।
মোস্তফা, মুখে লাগাম দাও, হালিমাকে নিয়ে আর একটাও বাজে বকবে না।
আমি বলে যাবো, তোমার স্ত্রী কোনো কাজের না, তার কোনো প্রয়োজন নেই।
- ভালোভাবে বলছি, তাকে নিয়ে আর একটা কথাও বলবেনা। - আমিও ভালোভাবে বলছি...
...তাকে বাড়ি থেকে বের করে দাও, তোমার সামর্থ্য ফুরিয়ে যাবার পূর্বেই।
হালিমাকে তার মতো ছেড়ে দাও, আর একটা কথাও বলবে না ওকে নিয়ে, এই বালের কথাটা তোমার কানে ঢুকেছে?
সালকো, কী সমস্যা তোমার?
সবচেয়ে বড়ো সমস্যা এটাই যে তুমি বুঝতে পারছো না আমার কী সমস্যা।
বিদায় রাবেকা।
তোমার ভাই তো দেখি পুরাই উন্মাদ হয়ে গিয়েছে।
রাবেকা, চুপ করো এবং নিজের মুখে লাগাম দাও।
অকেজো হালিমার সাথে গিয়ে মরো তুমি।
- ঘুমাওনি এখনো? - মেয়েটির কথা চিন্তা করে খুব ভয় হচ্ছে।
সাফিয়া?
এর শেষ পরিণতি খুব একটা ভালো হবেনা, তুমি তো জানোই আবদু কেমন।
আবদু পুরাই বেহুদা লোক, সব কিছুতেই অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া করে।
আরুন...! সত্যি বলতে নামটা...
...আমার একটুও পছন্দ হয়নি, তারা এই নাম কোথায় খুজে পেলো?
তাদের ভালো লেগেছে তো আমারও ভালো লেগেছে।
- মোস্তফা বলেছে এটি ইসলামী নাম। - ইসলামী নাম?
পৃথিবীতে এমন নাম আর কারো আছে কিনা সন্দেহ, আর সে বলছে ইসলামী নাম।
আমি তাদের জন্য অনেক খুশি।
না আবদু, না। মেয়েটিকে তুমি মেরে ফেলছো, প্রতিবেশীরা শুনছে।
কী না, হ্যাঁ? কী না? বাড়ি থেকে বেরিয়ে যা সার্বীয়ান মাগী।
মরে যা তুই মাগী!
আবদু না, আল্লাহর ওয়াস্তে তুমি মেয়েটাকে মেরো না।
মারবো না? সে একটা সার্বীয় মাগী, ধ্বংস হোক সে।
- বাবা, আর না! যথেষ্ট হয়েছে, তুমি তাকে মেরে ফেলবে। - সর সমনে থেকে, অন্যথায় এরপর তোর পালা আসবে।
অবশ্যই, আমি তাকে মেরে ফেলবো। তার পেটের এই জারজকে আমি জন্মাতে দিবো না।
বাবা! বাবা!
ও আল্লাহ, সে তাকে মেরে ফেলেছে।
সাফিয়া?
পালাও স্লাভো, পালাও! পালাও!
আমি ফিরে আসবো সাফিয়া, আমি ফিরে আসবো।
- ভাই! না, না। - আগে হোক বা পরে আমি তাকে মেরেই ছাড়বো।
বাবা!
আর তুই, ভালো হয় তুই এখান থেকে চলে যা, এ ঘরে তোর জন্য আর কোনো জায়গা নেই।
আমার মেয়েটাকে এভাবে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিসনা।
সাফিয়া, মা আমার..! সাফিয়া।
২৩ বছর পর।
যুদ্ধের পাঁচ বছর পর।
( বসনিয়ার যুদ্ধ ছিল নব্বইয় দশকে সংঘটিত হওয়া একটি বড় ট্র্যাজেডি, যা শুরু হয় ১৯৯২ সালের ৭ এপ্রিল ও শেষ হয় ১৯৯৫ সালের ডিসেম্বরে। মুসলিম নিধনের উদ্দেশ্যে শুরু হওয়া...
...এ যুদ্ধে গণহত্যা ও ধর্ষণ; এমনকি শিশুকন্যাদের ধর্ষণ ও শিশুদের হত্যা করাকে যুদ্ধ জয়ের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করেছিল বর্বর ও গোঁড়া সার্বরা। কথিত সভ্য ইউরোপে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আর কখনও এত বড় গণহত্যা ও জাতিগত শুদ্ধি অভিযান ঘটেনি )
তুমি এটা ঠিক করতে পারবেনা হালিমা, রেখে দাও, আমার আরুন এসে ঠিক করে দিবে।
আমাকেই করতে হবে, এই ঘরের পুরুষ এবং মহিলা উভয়টা আমিই।
তুমি এখনো রাতে ঘুমোতে পারোনা।
রাতে করার মতো কিছু নেই, তাই সারারাত জেগে জেগে সুয়েটার বুনি।
ঘুমঘুম ভাব এলেই ভাবতে থাকি...
...আল্লাহ সবাইকে এধরণের স্বপ্ন দেখা থেকে রক্ষা করুক।
হালিমা! ওহ হালিমা!
- ফেযিরিকা, সে কেন ডাকছে? - হালিমা।
- তারা এসেছে হালিমা, তারা স্কুলে আছে, - তারা কী বলছে?
আমি কিছুই জানিনা, তবে আমি সবাইকে খবর দিয়েছি।
- আমি সেখানে যাচ্ছি, তুমি তাড়াতাড়ি আসো। - আমি আসছি, খোদা হাফেজ।
আশাকরি তারা ওদেরকে খুজে পেয়েছে।
হালিমা, আমি বাড়ি যাচ্ছি, কী হয় সেটা...
...আমায় জানিয়ো। - জানবো।
তাকে ছেড়ে দাও!
- তাকে ছেড়ে দাও! মির্জা..! মির্জা..! - মা! মা!
মির্জা..! সালকো! মির্জা, আমার খোকা..!
হালিমা, হালিমা হাদেজ!
হালিমা হাদেজ!
- আমি, আমি হালিমা। - আসুন হালিমা, দয়াকরে ভিতরে যান।
আমাদের বাকীদের জন্য কি কোনো খবর আছে, নাকি আবারো কোনো সন্ধান ছাড়াই আমাদের ফিরতে হবে?
শান্ত হয়ে বসুন, যখন আপনাদের নাম ডাকা হবে, স্যার তখন আপনাদের সাথে কথা বলবে।
আগামীকাল আমরা সেমেরুসে যাবো, এখান থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে।
ইনি হালিমা হাদেজ।
হ্যালো হালিমা, বসুন।
No comments yet. Be the first to leave one.