Suite Française

Suite Française (Suite Française)

Download Bengali Subtitle

Release info

Suite Francaise 2014 BRRip XviD AC3-RARBG
Suite Francaise 2014 বাংলা সাবটাইটেল
Suite Francaise 2014 BluRay 720p 700MB-Ganool
Suite Francaise 2014 720p BRRip x264-ShAaNiG
A Commentary by Kudrate_Jahan
বেস্টসেলার উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধভিত্তিক এই মুভিটি দেখুন মাতৃভাষা বাংলায়। ভালো লাগলে রেটিং দিতে ভুলবেন না। ডিরেক্ট লিঙ্কঃ https://bit.ly/2LIsWJ9 টরেন্ট লিংকঃ https://bit.ly/2Huo6ga

Tags

BluRay
720p
720
ganool
brrip
x264
XviD
AC3
Published on: 2018-06-13
Downloads: 39
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

প্যারিস, জুন ৩, ১৯৪০

বুসি, সেন্ট্রাল ফ্রান্স।

ঘটনাটা শুরু হয়েছিল জুন মাসের এক ঝড় দিয়ে।

মাত্র কদিন আগেই, প্যারিসের উপকণ্ঠে প্রথমবারের মতো

জার্মান বোমা পড়া শুরু হয়েছে।

ভীতসন্ত্রস্ত মানুষেরা যে যেভাবে পারছে, শহর থেকে পালাচ্ছে।

কিন্তু গ্রামের নিরিবিলিকে যুদ্ধ এখনো স্পর্শ করেনি,

আর আমি যথারীতি কাছের মানুষদের সাথে

যুদ্ধ করতেই ব্যস্ত আছি।

- এখনো তৈরি হওনি? - দেরি হয়ে যাবে।

- আসলেই আজকের দিনে বের হতে চাইছেন? -অবশ্যই, কেন নয়?

আমার শ্বাশুড়ি, ম্যাডাম অ্যাঞ্জেলিয়ার,

হারার কথা চিন্তা করতে নারাজ।

এমনকি প্যারিস থেকে উদ্ভাস্তুরা আসা শুরু করার পরেও।

বছর তিনেক আগে, বাবার পীড়াপিড়িতে

এনার সবেধন নীলমণি ছেলেকে বিয়ে করে বুসিতে চলে আসলাম।

গ্যাস্টন যুদ্ধে যাবার পরে এনার মনে হয়েছে

আমাকে তাদের ব্যবসার কাজ শেখানো দরকার।

তাই প্রত্যেক মাসের যেকোনো এক রবিবারে ভাড়াটেদের দেখতে আসি,

ম্যাডাম জানে, ওদিন কৃষকেরা বাসায় থাকবে।

শব্দ কোরো না, তাহলে ওদের আসল রূপ দেখতে পাবে।

সে তাদের সাথে অতর্কিতে দেখা করতে পছন্দ করে।

আমি এর প্রতিটা মিনিট ঘৃণা করি।

- ছেলের খবর পেয়েছো? -না।

- এক সপ্তাহ হয়ে গেল, তুমি? - আমার ছেলেদেরও খবর নেই।

সবাই বলছে প্যারিস দখল হয়ে যাবে।

অনেকেই অনেক কিছু বলে।

লুসিফেল?

ম্যাডাম, ভাইদেরকে ছাড়া এত বড় ফার্ম চালাতে খুব কষ্ট হচ্ছে।

পরের মাসে দেবে, লিখে রাখো।

আমি যদি ছাড় দেই,

তাহলে গ্যাস্টন নিজের বাড়িটাই খোয়াবে,

যুদ্ধ করে লাভ কী তাহলে?

আসো লুসিল। শুভ সকাল।

ভাড়ার টাকা না দিলেও

মেয়েদের সিল্কের জামা কিনতে দুবার ভাবে না। খেয়াল করছো?

ব্যাপারটা নিষ্ঠুর লাগছে বটে,

কিন্তু নরম দেখলেই ওরা চুষে খাবে।

গ্যাস্টন বাসায় ফিরে নিশ্চয়ই

এমন একজন স্ত্রী চাইবে যে কিনা জমিদার...

থামাও! গাড়ি থামাও!

-ফিরে যাওয়া উচিত। - না।

আলু কিনতে হবে। আরো চার জায়গায় ভাড়া তুলতে হবে।

যত্তসব পাগল-ছাগল!

- বস্তাটা ভারী মনে হচ্ছে। - ও পারবে।

- কত দেবো? - চার ফ্রাঁ।

ধন্যবাদ।

প্যারিস থেকে আরো গাড়ি আসছে।

বাবা সবসময় বলত,

"মানুষের আসল রূপ দেখতে চাইলে যুদ্ধ বাঁধিয়ে দাও।"

এসব কী?

দেখে আসো তো কতদূর লম্বা।

হাঁটো-

হাঁটো-

ম্যাডাম, আমার জন্য বলছি না, কিন্তু আমার স্ত্রী খুবই অসুস্থ।

সেই প্যারিস থেকে হেঁটে হেঁটে আসছি। ও কি আপনার গাড়িতে একটু জিরিয়ে নিতে পারে?

- হ্যাঁ হ্যাঁ অবশ্যই। - ধন্যবাদ।

হায় খোদা।

- আমাদের? - না ওদের, সবসময় ওরাই আসে।

অ্যানা!

অ্যানা!

ধন্যবাদ।

- লুসিল। - আমাদের রাস্তা থেকে সরতে হবে।

কাছের শহরে নিয়ে যেতে পারবে?

অ্যাই! আমার গাড়ি থেকে সরো!

লুসিল, গাড়িতে ওঠো।

যখন যা করতে বলব, তখন ঠিক তাই করবে।

বাচ্চারা!

তাহলে এই হলো যুদ্ধ।

প্যারিসের আঁচ বুসিতে চলে আসছে।

বোমা থেকে পালিয়ে বেড়ানো মহিলা আর বাচ্চারা খাবার আর আশ্রয় খুঁজছে হন্যে হয়ে।

কিন্তু শত্রুপক্ষ তাদের পিছু ছাড়েনি।

সরো!

ম্যাডাম পেরিন, আমি গ্যাস্টনের স্ত্রী, লুসিল অ্যাঞ্জেলিয়ের।

সামনে থেকে সরো। চলে যাও। ওরা আসছে।

আক্রমণের স্বীকার সবাই জার্মান সৈন্যদের ওপর বিশ্বাস রাখেন!

প্রিয় ফ্রান্সবাসী! এই দুর্যোগপূর্ণ সময়ে,

আমি ভাবছি সেই দুর্ভাগা উদ্বাস্তুদের কথা...

যারা সর্বস্ব হারিয়ে এখানে এসেছে।

তাদেরকে আমার সহানুভূতি এবং সহমর্মিতা জানাই।

আজ ভগ্ন হৃদয়ে জানাতে হচ্ছে যে,

আমাদের যুদ্ধ থামাতে হবে।

আজ রাতে বিরোধীপক্ষের সাথে কথা বলে দেখব,

উনি কি সম্মান বজায় রেখে হাত মেলাতে প্রস্তুত কি না,

যাতে সকল শত্রুতার অবসান ঘটে।

গোটা শহরে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে।

বুসিতে একটা রেজিমেন্ট আসার গুজব রটেছে,

গ্যাস্টনের অফিস থেকে প্রায় সব কিছু নিয়ে এসেছি।

ম্যডাম অ্যাঞ্জেলিয়ের তার জিনিসপত্র পুড়িয়ে দিতেও রাজি,

কিন্তু ঐ সৈন্যদের হাতে পড়তে দিতে রাজি না।

প্রিয় বুসিবাসী,

আমাদের জাতির জন্য এখন মহা দুর্যোগপূর্ণ সময়।

লাখো মানুষ বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে,

হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে,

নতুন প্রজন্মের তরুণদের অনেকের ভাগ্যই এখনো অজানা।

খোদাই বলতে পারেন,

আমাদের আর আমাদের হাতছাড়া হয়ে যাওয়া দেশটার ভাগ্যে কী আছে।

আমাদের অবশ্যই একতাবদ্ধ থাকতে হবে।

প্রতিবেশীদের সাথে সকল প্রকার মনোমালিন্য এড়িয়ে চলতে হবে।

সবাইকে এক সত্ত্বা, এক পরিবারের মতো চলতে হবে।

ওরা ইতিমধ্যেই এসে গেছে।

চলো প্রার্থনা করি।

দাঁড়াও অ্যানা।

ম্যারিশ্যাল পেটাইন এর অনুমতিক্রমে,

দেশ ও জাতির সকলের অধিকার নিশ্চিত করে

ফ্রান্সের সংবিধানে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

তোমরা হার স্বীকার করে নিয়ে

আমাদের হাতে ক্ষমতা অর্পণ করেছ।

সকল আগ্নেয়াস্ত্র অবশ্যই কাল সকালের মধ্যে জার্মান হেডকোয়ার্টারে জমা দিতে হবে।

আমাদের ফাহরার যেমনটা লিখেছেন,

"তলোয়ার হবে আমাদের লাঙল আর যুদ্ধের অশ্রু থেকেই...'

- ওরা এখানে কতক্ষণ থাকবে? - জানি না।

"...ভবিষ্যত প্রজন্মের খাদ্যসংস্থান হবে।"

জীবনেও জার্মান সময় মেনে চলব না।

যাদের বাড়িতে সৈন্যদের থাকার কথা,

তারা বাড়ি ফিরে অতিথির আগমনের জন্য অপেক্ষা করো।

আমরা ওর দিকে তাকাব না। ওর সাথে কথা বলব না।

ম্যাডাম।

ম্যাডাম অ্যাঞ্জেলিয়ের, আমি ওবারলিউটেন্ট ব্রুনো ভন ফক।

আমার আসার কথা জানানো হয়েছিল?

ম্যাডাম, আপনার কোনো অসুবিধা না করার চেষ্টা করব।

আমার শুধু ঘুমানোর রুম আর কাজ করার জন্য একটু জায়গা হলেই চলবে।

এক্সকিউজ মি।

বুঝতেই পারছেন, সময় ঠিক না করলে কাজে যেতে দেরি হয়ে যাবে।

কুকুর থাকার কথা ছিল না।

খোদা যাতে আমাদের উপহারগুলোয় আশীর্বাদ দেন।

যারা তাঁর উদারতা অস্বীকার করে, তাদেরকেও যাতে আশীর্বাদ দান করেন।

তাদের বিপদ থেকে রক্ষা কোরো। নিরাপদে রেখ। আমেন।

আমেন।

ম্যাডাম, আমি কি... পিয়ানো আর ডেস্কের চাবিটা পেতে পারি?

যত্ন নিয়ে ব্যবহার করব, কথা দিচ্ছি।

মার্থে চাবি দেবে।

শুভ সন্ধ্যা।

দেখা যাবে জার্মানদের ডিউশল্যান্ড উবার গান বাজানো শুরু করেছে।

থাকার জায়গা পেয়েছ?

হ্যাঁ, ধন্যবাদ।

ইহুদীদের শোষণ নিপীড়ন থেকে হুঁশিয়ার থাকো!

এটা দেখেছো?

জার্মান পয়সা ব্যবহার করতে হবে। নয়টার পরে বেরোনো যাবে না।

রেডিওতে "ডি গল" শুনতে দেখলে কী করবে কে জানে!

- তোমাদের বাড়িতে কেউ আছে? - একজন অফিসার।

গ্রামের মধ্যে সেরা বাড়িতে থাকার

কিছুটা মূল্য তো দিতেই হবে।

তোমাদের?

কেউ না। খারাপ বাড়িতে থাকার একটু হলেও সুবিধা আছে।

ও আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে আছে কেন?

জানো না?

তোমার শ্বাশুড়ি ওকে আর ওর বাবা-মা কে একটা গোলাঘরে পাঠিয়ে দিয়েছে।

তারপর প্যারিসের এক উদ্বাস্তুকে ওদের বাড়িতে ঢুকিয়ে

ভাড়া দ্বিগুণ করে দিয়েছে।

নাম, ঠিকানা, পেশা।

বেনোয়েত ল্যাবারি। কৃষক। মন্টমোর্ট এস্টেট।

নেক্সট!

নাম, ঠিকানা, পেশা।

- ভিকাউন্টেস। -বেনোয়েত। - ভিকাউন্ট। -এক্সকিউজ মি।

তোমার স্ত্রী সন্তান তো কালকে চার্চে ছিল। তুমি কোথায় ছিলে?

কাজ করছিলাম, তোমার জানার দরকার নেই।

বেনোয়েত, প্লিজ একটু ভালোভাবে কথা বলো।

কত প্রজন্ম ধরে তাদের ভাড়াটে হয়ে আছি।

কষ্ট ছাড়া কিছুই দেয়নি।

ঘুষখোর বনেট কে ফ্রেঞ্চে কী বলে?

উপহার হিসেবে নিলেই খুশি হব।

উপহার?

ব্যক্তিগতভাবে আপনার সাথে একটু কথা বলা যাবে? স্পর্শকাতর বিষয় যেহেতু...

বনেট, এখন যেতে পারো।

বসুন।

বনেট আমাদের সাথে থাকবে এই বিষয়ে।

ও অনেক ভালো পরিবারের ছেলে।

এসবে গুরুত্ব দেই বলেই ভালো পরিবারে থাকতে দিয়েছি।

তা তো বটেই।

আর সবার মতো বুসির মানুষজন কেও

আইন মানতে হবে।

মেয়র কিংবা ভিকাউন্ট হলেও।

আপনার ক্ষেত্রেও তাই ।

আসলে সমস্যা আমার স্ত্রীর।

আমাদের সাথে বাইরের একজন থাকবে, এটা ভেবেই অস্বস্তি বোধ করছে।

বাড়িতে থাকতে দেয়া ছাড়া অন্যভাবে কাজে আসতে পারি না?

ফার্স্ট লেফটেন্যান্টকে পছন্দ হয়?

নিশ্চিত ওকে অন্য কোথাও থাকতে দিতে পারব।

ও আমাদের এস্টেটের লেবারি ফার্মে থাকতে পারে।

ভেতরে এসো মেয়েরা।

আমাদেরকে এর সাথে মানিয়ে চলতে হবে।

বহুদিন ধরে শহরে জোয়ান লোকজন নেই।

ফ্রেঞ্চ সৈন্যদের মায়েরা আমাদেরকে ঘৃণার দৃষ্টিতে দেখছে

আর আমাদের ওপর অভিশাপ নেমে আসার জন্য প্রার্থনা করছে।

তরুণী মেয়েরা অবশ্য এমনিতেই তাকিয়ে থাকে।

তুমি অনেক সুন্দর। তোমার নাম কি?

সেলিন। C-E-L-I-N-E।

সেলিন, একটা কথা বলতে পারি?

তোমার ব্যাগগুলো ধরব? ঐদিকেই যাচ্ছিলাম।

অন্তত "না" কথাটা তো মুখ দিয়ে বের করো।

ওগুলো এখানকার জন্য না।

তোমার এটা পছন্দ হবে না।

এটাই সান্ত্বনা যে,

যারা যারা পারছে তারাই এমনটা করছে।

আমার শ্বাশুড়ি এমন ভান করছে যেন যুদ্ধের দিনে সবাই একই দলে,

কিন্তু বড়লোকেরা ঠিকই গম মজুদ করছে,

আর অন্য সবাই চুলোয় যাক।

বেনোয়েট আর ম্যাডেলিনের মতো মানুষেরা

সুযোগ পেলেও মজুদ করবে না।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left