The first 200 lines.
তোমার ভবিষ্যতের পরিকল্পনা কী?
- আমি কার্বোহাইড্রেট বাদ দিবো। - তুমি কি মেক্সিকোর না?
দাদীর বানানো কিছুই তুমি খেতে পার না।
কোনোকিছুর অভ্যাস হতে মাত্র ৩০ দিন সময় লাগে,
আর তারপরই সেটা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়।
- এটা কে বলেছে? - অপরাহ।
ঠিক আছে! অপরাহ, এখন শান্তি?
তোমার চিন্তা ভাবনা কী?
আমি গাঁজা বিক্রি বন্ধ করতে চাই।
ফ্রুটভেল বার্ট স্টেশন, নববর্ষের দিন ২০০৯ অকল্যান্ড, ক্যালিফোর্নিয়া, রাত ২:১৫
- আমরা এখনও এখানে কী করছি? - আমি জানি না।
যে লোকটা ছবি তুলে বেড়াচ্ছে ওকে দেখ।
বসে থাক! একদম চুপ!
- ওই! - আরে, ভাই!
এখনই আয়!
রক্ষা আর সেবায় নিয়োজিত! রক্ষা আর সেবায় নিয়োজিত!
- আয় তো, ভাই। - সবাই চুপ থাক।
- সত্যি? - তুই কালো-পাঠা, তাই না?
তুই কালো-পাঠা, তাই না?
আরে, একদমই তো বাজে অবস্থা!
খুবই খারাপ অবস্থা!
ওকে যেতে দিন! এসব কী?
অপেক্ষা করো, থামো।
ধুর, সোফিনা! অপেক্ষা তো করছিই। কতক্ষণ অপেক্ষা করব?
হেওয়ার্ড, ক্যালিফোর্নিয়া নববর্ষের রাত, ২০০৮, রাত ১২:১০
আমি জানি না।
প্রতিবার সময় তুমি যখন আমাকে স্পর্শ করো,
তখন আমার শুধু মনে হয়, ওই কুত্তাটাকে তুমি কীভাবে স্পর্শ করছিলে।
এসব বাজে কথা আর কখনও শেষ হবে না।
তুমি কি জানো,
তুমিই ঠিক। যাও।
আমাকে কী করতে হবে, বলো?
ওর সাথে মাত্র একবারই শুয়েছিলাম।
নাহ, তুমি মাত্র একবার ধরা পড়েছ।
তুমি কি এখানে বসে বসে আমাকে বলতে চাও...
ওই হারামির সাথে ওটাই তোমার প্রথমবার ছিল?
এর আগে তুমি ওকে কখনও দেখনি, তাই না?
ওসব বাদ দিয়ে দিয়েছি।
এখন শুধু তোমাকে আর টি-কে চাই।
চিরদিনের জন্য।
চিরদিনের জন্য মানে কী?
দাঁড়াও, তোমাকে দেখাচ্ছি।
বাবা?
- গিয়ে সাহায্য করো। - সে তোমাকে ডাকছে।
- কী খবর? - আমি ঘুমাতে পারছি না।
অনেক রাত হয়ে গেছে।
তুই বাবা-মার সাথে এখানে ঘুমাতে চাস?
- হুম। - হুম।
টি, তুই এরচেয়েও ভালো জানিস। কয়টা বাজে?
রাত বারোটার বেশি।
00:4:37,083 --> 00:4:38,983 মা:
00:4:38,983 --> 00:4:40,583 মা: শুভ...
00:4:40,583 --> 00:4:42,383 মা: শুভ জন্মদিন!
মা? আমি কী আজকে দুটি ফলের স্নাক পেতে পারি?
না, চাইলে একটা বাড়তি আপেল খেতে পারিস।
- কিন্তু, মা... - আমার সাথে তর্ক করবি না, টি।
খুব তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে।
- আরে, এসো। আমাদের গ্যাস আনতে যেতে হবে। - ওখানে যেতে আমাদের যথেষ্ট গ্যাস আছে।
চুপ!
- শুভ সকাল, তাতিয়ানা। - শুভ সকাল, মিসেস স্ট্যাসি।
- কেমন আছেন, অস্কার? - আমি ভাল আছি, আপনি?
দেখলে? বলেছিলাম না, আমাদের যথেষ্ট গ্যাস আছে।
তুমি বাড়ি গিয়ে ঘুমাবে, তাই না?
নাহ, আমি কাজে যাব। আজ রাতের জন্য কিছু জিনিস আনতে হবে।
ছুটির দিনে এখানে আসার চেয়ে বরং মরে যাওয়া ভাল।
আমরা ফ্রিস্কোর বাড়ি যাব, ঠিক?
আতশবাজি দেখতে?
হ্যাঁ, আমরা ওর বাড়ি যেতে পারি।
- দারুণ। - দারুণ।
ঠিক আছে, আমি তাহলে ওখানে যাই।
হুমম, তোমার ঘাড়ের পেছনটা পুরো নোনতা হয়ে আছে।
- তুমি কি বিদায় বলবে না? - বিদায়।
তোমাকেও ভালবাসি!
হ্যালো?
শেষবারের মত জিজ্ঞেস করছি। আপনি কি সত্যিই আপনার জন্মদিন কাজ করতে চান?
আমি আপনাকে নিতে আসছি। চলুন, গিয়ে জন্মদিন পালন করি।
দেখ, শুনতে তো ভালই লাগছে...
কিন্তু, আমাকে ছাড়া এই জায়গাটার বারোটা বেজে যাবে।
ঠিক আছে। আপনি কি আমাকে, পরে খাবার জন্য কিছু কাঁকড়া নিয়ে আসতে বলেন?
হ্যাঁ, আর তুই কি আরও কিছু আনতে পারবি...
তুই কি গাড়ি চালাচ্ছিস?
- হ্যাঁ। - তুই কি কানে হেডফোন দিয়েছিস?
- হ্যাঁ। - আমার সাথে মিথ্যা বলবি না।
ঠিক আছে, একটু ধরেন।
- হ্যালো? - এখন কি কানে হেডফোন দিয়েছিস?
হ্যাঁ।
আচ্ছা, ঠিক আছে। আমার জন্য কয়েক প্যাকেট চিংড়ির শুঁটকি নিয়ে আসবি।
যাবার পথে আমার এখানে থামিস, তোকে টাকা দিয়ে দেবো।
টাকা নিয়ে চিন্তা করবেন না।
ঠিক আছে, তাহলে আজ রাতে তোকে টাকাটা দিয়ে দেবো।
দেখুন, মা। আমাকে ভুল বুঝবেন না।
আপনার জন্মদিনে আমাকে কোনও টাকাই দিতে হবে না।
ঠিক আছে, আমাকে কাজে ফিরে যেতে হবে।
- তোর সাথে রাতে দেখা হবে? - হ্যাঁ।
- আমি আপনাকে ভালোবাসি। - আমিও তোকে ভালবাসি।
- অস্কার, কী খবর ভাই? - বল, তোর কী খবর?
- হ্যাঁ, একইরকম। তুই কি এমিকে খুঁজছিস? - হ্যাঁ, সে কি এখানে আছে?
ওই নিগ্রোটাকে সকালের দিকে দেখেছিলাম, ভাই। জানি না, এখন সে কোথায় আছে।
- ও ভাই, কিছু কাঁকড়া নিতে এসেছি। - কাঁকড়া! আচ্ছা, ঠিক আছে।
- আজকে কি মা-র জন্মদিন? - হ্যাঁ।
কপাল খারাপ, আমি ভুলে গিয়েছিলাম। মাকে বলিস, তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছি।
- তুই নিজে গিয়ে কেন তাকে বলছিস না? - আজকে রাতে আমি পারব না।
- আমার অনেক কাজ করতে হবে। - তুই কোনও কাজই করবি না।
বারোটার দিকে কী করবি তাহলে?
ফ্রিস্কোর বাসায়, আতশবাজি দেখা, এসবই করব।
হ্যাঁ, হ্যাঁ।
কোনও সাহায্য লাগবে?
হ্যাঁ, আমি কি আপনার এখান থেকে এক পাউন্ড...
আপনি কি আমাকে শোল মাছ দেখাতে পারবেন?
হ্যাঁ।
- এই যে শোল মাছ। - আচ্ছা, ঠিক আছে।
আপনাদের ক্যাট ফিস (মাছ) কী রকম? আমি কি ওটা দেখতে পারি?
- হ্যাঁ, এই যে ক্যাট ফিস (মাছ)। - ঠিক আছে, আমি আসলে মাছ ভাজতে চাই।
এগুলো কী ভাজার জন্য ভালো হবে?
এটা কী বললেন! এগুলো তো মাছ, এর সবগুলোই আপনি ভাজতে পারবেন।
ঠিক, আমাকে একটু ভাবতে দিন।
মার জন্য তোর কী দরকার, বন্ধু?
আমাকে পেছন থেকে তিনটা ডাঙ্গেনেস কাঁকড়া দে, বন্ধু।
বড় দেখে। আমাকে ঠকানোর চেষ্টা করবি না।
তো, নববর্ষের জন্য আপনি কি মাছ ভাজা খাবেন?
হ্যাঁ, ওরকমই কিছু।
আমি এখানে কাজ করি। চাইলে আমি আপনাকে সাহায্য করতে পারি।
আজকে আমার ছুটি।
আচ্ছা, আমি শহরে যাবার আগে আজ রাতে বন্ধুর জন্য রান্না করব।
এবং সে দক্ষিণাঞ্চলের মত করে ভাজা মাছ ভালবাসে।
- দক্ষিণাঞ্চল! মনে হচ্ছে সে নিগ্রো। - আরে না, সে সাদা।
কিন্তু আমার ধারণা, সে অনেক নিগ্রো মানুষকে চেনে।
আচ্ছা।
আমি জানি না, কীসের মধ্যে এসে পড়লাম।
- হ্যালো? - দাদী?
অস্কার খোকা, কী খবর তোর?
- আমি কাজে আছি, আর একটা সমস্যায় পড়েছি। - তুই কাজে আছিস?
- হ্যাঁ, দাদী। - বিদায়।
না, না, না, দাদী। আজকে আমার ছুটি, ঠিক আছে?
- আমি রাতের পার্টির জন্য কেনাকাটা করছি। - ওহ খোকা, আমি দুঃখিত।
ভেবেছিলাম, তুই ফোনে নাটক করছিস।
না, দাদী। কিন্তু আমার এখানে একজন কাস্টমার আছে।
সে মাছ ভাজা চাচ্ছে, কিন্তু কেমন হবে সেটা জানে না।
আপনার কি মনে হয়, তার দরকারি সবকিছু আপনি কি তাকে বলতে পারবেন?
ওহ খোকা, কোনও সমস্যা নেই। সে কী ধরনের মাছ ভাজতে চায়?
দাদি, সে জানে না।
সে জানে না, সে কী ধরনের মাছ ভাজতে চায়?
না, দাদি, না।
ওকে ফোনটা দে।
- উনার নাম কী? - বনি দাদি।
হাই, বনি দাদি।
ওই যে বন্ধু, এমি ওখানে।
আমি কেটি, আপনার সাথে পরিচিত হয়ে ভাল লাগল।
- শুভ সকাল, এমি। - অস্কার, কী খবর?
আমার মায়ের জন্মদিনের জন্য কিছু জিনিস নিতে এসেছিলাম।
আশা করি, তোমার যা দরকার সব খুঁজে পেয়েছ।
হ্যাঁ, আপনার সাথে একটু কথা বলা দরকার।
ছুটি আর সব মিলিয়ে আমরা একটু ব্যস্ত আছি।
দেখুন, আমার কাজের ব্যাপারে কথা বলতে চাই।
- কাজে লোক নেয়া হয়ে গেছে। - দেখুন, এমি...
দেখুন, আমার সত্যিই এই কাজটি লাগবে, ঠিক আছে?
কিছু খারাপ অবস্থার মধ্যে দিয়ে গিয়েছি। এখন আমি সেটা কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করছি।
বুঝতেই পারছেন, কিন্তু আমার এখন কাজটা দরকার।
সপ্তাহে একটা শিফট বা যাই হোক কাজ দিতে পারেন, আমি চলে আসব।
৪০ ঘন্টা কাজ করিয়ে, ২০ ঘন্টার টাকা দিয়েন।
দেখো, অন্য একজনকে কাজে নিয়ে নিয়েছি।
তোমাকে কাজে ফিরিয়ে নেয়া মানে হলো, কাউকে কাজ থেকে বাদ দেয়া।
যে কিনা কখনও কাজে দেরি করে আসেনি।
আমি দুঃখিত, আমি তোমাকে পছন্দ করি!
আমার কাজটা খুবই দরকার, ভাই।
আপনি কি চান, আমি মাদকদ্রব্য বিক্রি করি?
অস্কার।
বাইরে আপনার জন্য অপেক্ষা করতে করতে আমাকে কেউ মেরে ফেলুক, সেটা চান?
নিজের প্রতি যত্ন নিও।
শুনুন!
আমি এখন বিশেষজ্ঞ হয়ে গেছি।
আপনার প্রয়োজনীয় সবকিছুই পেয়ে গেছেন দেখছি।
আমি সবকিছুই পেয়েছি, আপনাকে ধন্যবাদ।
সমস্যা নেই।
- এই যে নিন। - ওহ।
যাই হোক, আমি কেটি।
- আমি অস্কার। - শুভ নববর্ষ।
- শুভ নববর্ষ। - কী খবর, ভাই?
- এমি ভাল কিছু বলেছে। - সে তোমাকে কাজে ফিরিয়ে নিয়েছে?
- আগামী সপ্তাহে শুরু করছি। - খুব ভালো খবর।
শান্ত থেকো, বন্ধু। আমরা আজ রাতে নববর্ষ উদযাপন করব।
- দেরি না করে আসতে পারবে? - একদমই চিন্তা করো না, ভাই।
- তোমার ফোনের উত্তর দিও, সাবধানে থেকো ভাই। - আচ্ছা, ঠিক আছে।
- হ্যালো? - আরে বুদ্ধু, কী খবর?
- তুই কী করছিস? - মাত্রই কাজ থেকে ফিরে আসলাম।
ভেবেছিলাম তোর আজকে কাজ নেই।
- আমার কাজ ছিল। - মাকে কি ফোন দিয়েছিস?
- হ্যাঁ, আপনি দিয়েছেন? - হ্যাঁ।
কিছু ভাল খবর আর কিছু খারাপ খবর আছে।
প্রথমে খারাপ খবর বলুন।
এই মাসের ভাড়া দিতে আমাকে একটু সাহায্য করবি।
- কত লাগবে? - ৩০০ এর মত।
কিন্তু, তোকে কয়েক সপ্তাহ পরেই ফিরিয়ে দিতে পারব।
ঠিক আছে, তাহলে ভাল খবরটা কী?
- আমি আজ রাতে ওভারটাইম করছি। - বাদ দিন, চান্টে।
আমাকে ওভারটাইম করতেই হবে। মাও বুঝতে পেরেছে।
কিন্তু, আমার পক্ষ থেকে তার জন্য একটা কার্ড এনে তাতে সাইন করে দিবি, ঠিক আছে?
- ঠিক আছে। - অস্কার, কোনো ফালতু কার্ড হলে চলবে না।
কোনো সাদা লোকের ছবি যেন না থাকে। আমি কালো কার্ড চাই।
- ঠিক আছে, আপনার কথা বুঝেছি। - ঠিক আছে।
No comments yet. Be the first to leave one.