The first 200 lines.
সিন সিটি ( ২০০৫) রিপ : ব্লু-রে সাব-টাইটেল : বাংলা
------দৃশ্য- ০১------ "ঐ হলুদ পশুটা"
আর মাত্র এক ঘণ্টা । এই পেশায় আমার শেষ দিন ।
খুব জলদি অবসর নেয়া । যদিও ইচ্ছে করে নয় ।
ডাক্তারের আদেশ । হৃৎপিণ্ডে সমস্যার কারণে ।
"এনজাইনা" ডাক্তারের ভাষায় রোগটির নাম ।
আমার ব্যাড্জকে গুডবাই বলতে হবে বলে ঘোষে ঘোষে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিচ্ছি ।
এটা ,এমন একটি জিনিস, যা থাকায় আমাকে কাউকে রক্ষা করতে হয়েছে বা কাউকে সেবা করতে হয়েছে ।
বা কারো চোখের পানি মুছতে অন্য কারো রক্ত ঝরাতে হয়েছে । এটিই হচ্ছে সন্ত্রাস নির্মূলের চাবি কাঠি ।
আমি "আইলিনের" ঐ মুচকি হাসির কথা ভাবছি ।
সকালে স্টেক কেনার সময়কার দেখা, পাতলা ঠোটের আড়ালে হারিয়ে যাওয়া মিষ্টি হাসিটা,
আমি আমার শেষ কেসটিতে হেরে যাব কিনা সে ব্যাপারে ভাবছি, সঠিক ফলাফলটা বলতে পারছি না ।
একজন যুবতি মেয়ে , এদিকে সেদিকে কোথাও ই আছে, তবে এক মেয়ে খেকো বজ্জাতের হাতে ।
বাদ দাও তো , হার্টিগেন, আমি তোমাকে এটা করতে দিব না । তুমি নিজেকে খুন করতে চলেছ ।
আমরা দুজনেই কিন্তু মারা পরব । আমি তোমাকে করতে দিচ্ছি না । এই সাবধান করে দিলাম ।
বব, আমার কোর্ট ছাড় !
তুমি কিন্তু আমাকে আসতে বাধ্য করছ ।
আমি তোমার পার্টনার রে, ভাই । তারা তো আমাকেও মেরে ফেলতে পারে ।
আর আমি সেই "মেরে ফেলায়" যেতে চাচ্ছি না । আমি বরং হর্ন চালু করে ব্যাক আপ লোক ডাকি ।
অবশ্যই , বব । বসে বসে অপেক্ষা করি ।
এখানে বসে লজেন্স চুষি , আর ঐ রোয়ার্ক ছোকরাটা তার ৪ নাম্বার শিকারের সাথে মজা লুটুক ।
৪ নাম্বার শিকার !
১১ বছর বয়সী নেন্সি ক্যালাহ্যেন ।
যাকে সে ধর্ষণ করেও তীব্র যন্ত্রণা দিবে ।
আর যেই ব্যাক আপ'র জন্য আমরা বসে আছি । তারা ঠিক তখনই আসবে,
যখন সে তার শারীরিক খেলা শেষ করে তার সিনেটর বাবার কাছে চলে যাবে ।
একটু মাথাটা ঠাণ্ডা কর, হার্টিগেন ।
একটু মনযোগী হয়ে ভেবে দেখ ।
তুমি ৬০ এর কোঠায় পা দিচ্ছ । আর এর মধ্যেই এক পা কবরে চলে গেছে ।
তুমি কাউকেই বাঁচাতে পারছ না ।
তোমার চিন্তা ধারা খুবই প্রসন্ন , বব ।
প্রশংসার দাবিদার অবশ্য আমাদের বাকি সসস্ত্রবাহিনিরাও ।
আইলিন ঘরে তোমার জন্য অপেক্ষা করছে । আইলিনের ব্যাপারটাও ভেবে দেখ ।
বাহ ! বব ।
হয়ত তুমি ঠিকই বলছ ।
যাক, ভাল লাগছে যে তোমার মাথায় জ্ঞান ঢুকাতে পেরেছি ।
পার্টনারশিপ শেষ করার বেশ সুন্দর একটি পথ ।
অবসর শুরু করারও বেশ সুন্দর একটি পথ ।
১১ বছর বয়সী নেন্সি ক্যালাহ্যেন ।
যতটুকও বুঝতে পারছি , এতক্ষণে হয়ত তুমি মৃত ।
তুমি খুবই ভাল একটি মেয়ে, নেন্সি ।
তুমি খুবই নম্র ভদ্রভাবে ছিলে এতক্ষণ ।
ভয়ের কিছু নেই ।
আমরা খুব শীঘ্রই তোমাকে বাড়িতে ফিরিয়ে দিয়ে আসব ।
কিন্তু তার আগে, তোমাকে কারো সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি ।
সে একজন ভাল মানুষ ।
উইভিলের বলে দেয়া ঐ কশাইখানায় যাওয়ার সময়কার অর্ধেক পথে এটা আবার বুকের মধ্যে চাপ দিয়ে দিল ।
বদহজমের অপকারিতা ।
যাক যেটা না উঠার প্রার্থনা করেছিলাম সেটা তো উঠে নি ।
গাড়িটির প্রতি তোমার আকাঙ্ক্ষা আমার মধ্যে কৃতজ্ঞতার জন্ম দিচ্ছে ।
সাধারণ একটু রোমাঞ্চর জন্য মানুষ কত টাকা খরচ করে এসব স্বল্পমেয়াদী বস্তু কিনে ।
তুমি কিন্তু আমাদের জীবিকার বাহক অর্থাৎ আমাদের মালিককে ধিক্কার দিচ্ছ ।
বার্ট শ্লাব এবং ডগ্লেস ক্লাম্প -
দুজন নোংরা পেশাদার , নিজেদের শখ আল্লাদের বস্তু নিয়ে খোশ গল্পে মেতে আছে ।
এই জাগুয়ার গাড়িটি, যার ভালোবাসায় তুই ডুবে আছিস -
যাকে আমরা কল্পনায় আমাদের নিজেদের করে নিয়েছি -
এটি কিন্তু আসলে সিনেটর রোয়ার্কের ছেলের ।
সব কিছু চুপ চাপ ভাবে করতে হবে । তাই প্রথমে এদেরকেই থামাই ।
একটি সাধরন আচর বা আঘাত লাগিয়ে দেখ
কিভাবে লেগেছে তা বলার আগেই, তোমার জীবিকার বাহক
অর্থাৎ তোমার প্রিয় মালিক তোমার ১২টা বাজিয়ে দিবে ।
একটু শ্বাস নিয়ে নাও , হৃদপিণ্ডটাকে একটু ধীর হতে দাও ।
কিন্তু ব্যথাটা যেন ধীর হচ্ছেই না ।
এটাকে নিয়েই চল ।
মেয়েটির তোমাকে প্রয়োজন ।
আমাদের কাজ এখানে শেষ , বেনি ।
তাদের একটু মজ মাস্তি করতে দাও ।
আসছি, লেনি ।
শুধু নিশ্চিত হয়ে নিচ্ছি যে , তারা যেন ঠিক ভাবে একে অপরের কাছাকাছি গেছে ।
তোমার মত এরকম সুন্দরির কাছা কাছি কোন পশুটা না যাবে ?
তুমি নিশ্চই খুব ভয় পাচ্ছ ।
কিন্তু ভয়ের কিছু নেই ।
আমরা শুধু একটু কথা বলব ।
কথা বলা ছাড়া অন্য কিছু নয় । শুধু তুমি আর আমি ।
আর কিন্তু কাঁদবি না ।
ডাক্তার অবশ্য বলেছিল, ব্যথাটা এভাবেই উঠবে ।
তার দেয়া পিলগুলো নাও ।
আর চুপ চাপ থাকা যাবে না ।
আর নয় ধীরে সুস্থে ।
ধীরে সুস্থে শ্বাস নাও । এবং প্রমাণ কর যে তুমি এখনও কাজের ।
এ কি ? শব্দ সৃষ্টিকারকই সাথে করে নিয়ে যাচ্ছ ?
ছোকরাটা মেয়েদের আর্তনাদ শুনতে খুব পছন্দ করে ।
আমি ওর শিকারগুলোর অমানবিক যন্ত্রনাবহুল চেহারা দেখেছি ,
নাকে মুখে কামড়ের দাগ এবং চোখ উপড়ে নেয়া অবস্থায়।সবাই যে শরীর দিয়েও জীবন ভিক্ষা পায় নি তা তাদের অবস্থাই বলে দিচ্ছিল ।
এখনও কোন চিল্লা পাল্লা নেই । হয়ত সময়মত এসেছি নাহলে অনেক দেরি করে এসেছি ।
এটা তেমন কিছুই না । সাধারণ একটি ক্ষত মাত্র । নিজের পায়ে দাড়িয়ে যাও, বৃদ্ধ ।
রোয়ার্ক ? বাদ দাও এবার ।
মেয়েটিকে ছেড়ে দাও ।
তুমি আমার বালটাও ছিঁড়তে পারবে না হার্টিগেন ।
তুমি ভাল করেই জান আমি কার সন্তান ।
আমার বাবাকে তুমি ভাল করেই চিন !
তুই আমাকে ছুতে পর্যন্ত পারবি না,শালা বুইড়া খাটাশ ।
তাকা নিজের দিকে । যে হাতে তুই বন্দুকটা ধরেছিস, তা উঁচু পর্যন্ত করতে পারছিস না ।
অবশ্যই, আমি তা পারি ।
চোখে হাত দাও , নেন্সি । আমি চাই না তুমি এসব দেখ ।
চোখ বন্ধ কর, এখনি ।
আমি তার অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে নিলাম ।
দুটোই ।
পার্টনারশিপ শেষ করার বেশ সুন্দর একটি পথ ।
ঈশ্বরের দোহায় লাগে, পরিস্থিতিকে আরও জটিল কর না ।
- তোমাকে মারতে আমাকে বাধ্য কর না । - যা করলে ভালই করলে , বব ।
কিছুই মনে করি নি ।
তোমার পাছায় লাথি দেবার জন্য আমি আবার প্রস্তুত ।
তার সাথে কথা বলে বলে , সময় পার কর ।
ব্যাক আপ আসতে আর মাত্র কয়েকটা মিনিট ।
বসে পর এবং একটু মাথা ঠাণ্ডা কর । প্রয়োজন পরলে তোমাকেও মেরে দিব ।
মেয়েটির কাছ থেকে তার ধ্যান সরিয়ে রাখ - আদুরে ছোট নেন্সি ।
ব্যাক-আপ চলে আসলে সে আর তাকে মারতে পারবে না ।
পালাও নেন্সি । জীবন বাঁচানোর জন্য বাড়ির দিকে ছুট ।
হে , তার কথায় কান দিও না । সে একটা উন্মাদ ।
- তুমি কিন্তু খুবই সাহসী একটি মেয়ে, তাই না ? - যেখানে আছ সেখানেই থাক ।
একে তো পার্টনারকে পিছন থেকে গুলি করিস...
তারুপর আবার মেয়েটিকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছিস ।
হয়ত উচিত ছিল গাড়ির পিছনে রডটা তর পিঠ দিয়ে ঢুকিয়ে দেয়া, কয়েকবার ঢুকাব তো কয়েকবার বের করব, তখন বুঝতি ঠেলা ।
আমরা ভেবে চিন্তে কোন সমাধানে আসতে পারতাম, কিন্তু তুই তো তার আগেই দিলি আমাকে .........
বসে পর নাহলে গুলি মেরে খুলি উড়িয়ে দেব ।
- তর দম শেষ, তুই আমাকে থামাতে পারবি না । - বস বলছি !
তুই আমাকে থামাতে পারবি না ।
অবশেষে বসেই পরলাম, যেভাবে তুমি আমাকে বসতে বলেছিলে ।
সাইরেনের শব্দ কানে আসছে ।
মেয়েটি এখন নিরাপদেই থাকবে ।
সবকিছু কেমন অন্ধকার হয়ে আসছে । তেমন কিছু মনে রাখতে পারছি না ।
ঘুম আসাটা , অস্বাভাবিক কিছু নয় ।
মেয়েটির তাহলে বিপদ কাটল ।
একজন বুড়োর জীবনের বিনিময়ে,
একজন কিশোরীর জীবন রক্ষা পেল ।
বেশ সুন্দর হিসাব ।
একবার শুধু বল সব মিথ্যে , জন ।
তোমার এবং ঐ বাচ্চা মেয়েটির সম্পর্কে যা তারা বলেছে ।
এ হতে পারে না ।
যদি আবার আমার এই মুখ তুমি দেখতে চাও ...
তাহলে এখনি কিছু বল ।
আমরা তোমার পার্টনারের শরীরের আঘাতে তোমার ডি এন এ খুঁজছি,
সে বাধা দেয়ায় যখন তুমি তাকে আঘাত করেছিলে ,
সাথে ৬ জন প্রত্যক্ষ সাক্ষী তো আছেই - এবং তোমার এই -
চুপ থাকা তো সব কিছুকে আরও সহজ.........
আমার পক্ষে যা সম্ভব আমি তা করব, কিন্তু তোমাকে কিছু না কিছু বলতে হবে,তুমি মিয়া পুরাই বাঁশের উপড়ে আছ ।
আরে ভাই ,হার্টিগেন । কেন তোমার এই নীরবতা ?
কি কারণে তোমার মুখ বন্ধ ? এই পুরো কেস আমাদের ১২ টা বাজিয়ে দিচ্ছে ।
আর এই ১২ টা বাজার ঠেলা শুধু আমাকেই সহ্য করতে হচ্ছে না ।
অবশ্যই , আমি তোমার পিছনদিকটা পরিষ্কার করে দিব । আমার কাজই তো এটা ।
কিন্তু তাই বলে আমার কাছ থেকে বন্ধু-সুলভ আচরণ প্রত্যাশা কর না ,মিস্টার ।
আমি শুনেছি তুমি ঐ মেয়েটার সাথে কি করেছ । আশা করি তারা তোমার পাইপটা(!) কেটে দিয়েছে ।
শুভ সন্ধ্যা, অফিসার ।
আমার মনে হয় না , নিজেকে আমার তোমার কাছে পরিচয় করিয়ে দিতে হবে ।
ভোটাভোটির বছর গেল তো , সংবাদপত্রে তো আমার ছবি দেখেছোই ।
আমি এবং আমার পাওয়ার সম্পর্কে তো তুই ভাল করেই জানিস ।
আর তা আমি তোর উপর খাটাচ্ছি, হার্টিগেন ।
ঠাণ্ডা মাথায় কিন্তু কঠিন-ভাবে ।
তুই আমার ছেলের কান উড়িয়ে দিয়েছিস ।
তার হাত কেটে ফেলেছিস । তার ধন আর বিচি দুটোও আস্ত রাখিস নি ।
এখন সে কোমায় আছে । তারা বলল হয়ত সে আর নাও জাগতে পারে ।
আমার ছেলে ।
হয়ত রোয়ার্ক বংশের সেই প্রথম কেউ হত যে অ্যামেরিকার প্রধান মন্ত্রী হতে পারত,
কিন্তু তুই তার মস্তিষ্কের ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে তাকে অসাড় পাথর বানিয়ে দিয়েছিস ।
পিস্তল হাতে নিলেই পাওয়ার চলে আসে ?
পাওয়ার পিস্তল বা বেড্জ হাতে নিলে আসে না রে ।
পাওয়ার আসে মিথ্যে বলার মাধ্যমে ।
মিথ্যে বলে, টাকার খেলা দেখিয়ে লোকজনদের পকেটে ভরে রাখার মাধ্যমে । সত্য যত বড়ই হোক না কেন,
টাকা দিয়ে মিথ্যে বলিয়ে তা তুই নিজের মত করে সাজিয়ে নিতে পারবি ।
কারণ তাদের বিচিগুলো যে তর কাছে জমা ।
কত হবে ? ৫০০ লোক আছে এই হাসপাতালে ?
চাইলে সবগুলো গুলি তর ভিতর ভরে দিতে পারি, আর এর জন্য আমাকে গ্রেফতার পর্যন্ত করা হবে না ।
কারণ সবাই আমার হয়ে মিথ্যে বলবে -
তা-নাহলে, তাদের বলা মিথ্যেগুলো যে ---- সিন সিটিতে সব সম্ভব ।
এখানে সব কিছু তাসের মতই মাথা খাটিয়ে চালা যায় ।
কিন্তু আমি চাই তুই সুস্থ হয়ে উঠ , শারীরিক এবং মানসিকভাবে ।
এমনকি আমার নিজের টাকা খরচ করছি তোর সার্জারির জন্য ।
তোর ঐ হৃদপিণ্ডের সমস্যাও ঠিক করে দিচ্ছি ।
তুই যাতে আরও অনেক দিন নির্ভয়ে বেঁচে থাকতে পারিস আমি সে ব্যবস্থা করছি ।
তোকে সারা জীবন একটি বাচ্চা মেয়েকে ধর্ষণ আর আমার ছেলেকে গুলি করার সাজা মাথায় নিয়ে বাচতে হবে ।
আর তা বাঁচবি জেল খানার ১৪ শিকে ,
মানবিক অশান্তি , ভিতর থেকে ভঙ্গুর ...
এবং একা একা ।
তর স্ত্রী ?
তাকে যদি সত্যিটা বলিস , তাকে মেরে দিব ।
যাকেই সত্য কথা বলবি তাকেই শেষ করে দিব ।
তারা আমাকে পরীক্ষা করতে দেয় নি ।
পুলিশদের আমি বলেছিলাম যে, তুমি আমাকে বাঁচিয়েছ, কিন্তু তারা আমার কথা কানেই নেই নি ।
তারা আমার বাবা মাকে বলেছ, আমাকে চোখে চোখে রাখতে ।
তারা বলেছ, তুমি আমাকে পেলে এমন কিছু করবে যা তুমি আগে কখনও কর নি ।
আমি তাদের বলেছি যে তুমি আমাকে ঐ রোয়ার্ক পশুটার হাত থেকে বাঁচিয়েছ ,
কিন্তু তারপরও তারা আমাকে ধরেও দেখি নি যে, আমি কি এখনও কুমারী কি না ?
আমার কুমারীত্ত্ব এখনও আছে, এবং জীবন নিয়ে বেঁচে আছি - ধন্যবাদ তোমাকে ।
কিন্তু তারা পরিস্থিতি উল্টো করে দিচ্ছে ।
সত্যের আলো সব সময় জ্বলে উঠে না ।
কিন্তু সত্যিটা তো তুমি ঠিকই মনে রাখবে ।
আর এতেই আমার সার্থকতা ।
কিন্তু দূরে থাক তুমি আমার কাছ থেকে । তুমি আমার কাছা কাছি আসলে তারা তোমাকে মেরে ফেলবে ।
আমাকে আর দেখতে এস না ।
চিঠিও লিখ না ।
আমার নামটা পর্যন্ত মুখে নিও না ।
হয়ত তুমি আমাকে তোমার সাথে দেখা করতে দিবে না , কিন্তু চিঠি আমি ঠিকই তোমাকে পাঠাব, হার্টিগেন ।
সেখানে আমার নাম থাকবে কর্ডেলিয়া ।
নামটি একটি সুন্দর গোয়েন্দা উপন্যাসে পেয়েছিলাম ।
আমি তোমাকে প্রতি সপ্তাহে লিখে পাঠাব... সারা জীবন ।
ঠিক আছে ।
এখন , বাড়ি চলে যাও ।
এই যায়গাটা তোমার জন্য নিরাপদ নয় ।
বাই, নেন্সি ।
No comments yet. Be the first to leave one.