The first 200 lines.
বিলের সাথে ক্ষতিপূরণ সার্টিফিকেটটাও আছে।
তোর কেরানিকে তাড়াতাড়ি এটা দাখিল করে দিতে বলিস।
নয়তো এটা এখানেই পড়ে থাকবে।
যাওয়া যাক এবার?
হ্যাঁ।
ওহ, ওখানে আরেকটা ব্যাগ?
এই, রাজন।
হাসতে চাইলে বাইরে যাওয়ার আগেই হেসে নে।
শালা...
নিজের চেহারাটা দেখ একবার!
যেন ব্যাটম্যানের রোল করতেছে!
হাস্যকর।
পাগলের মতো বৃষ্টি হচ্ছে...
এই, এটা ধর।
এবার আমি যাই।
আমার শুধু বিকাল পর্যন্ত ছুটি।
আজ আরও একঘন্টার ক্লাস আছে।
যা তাহলে।
কিছুর দরকার হলে শালিনী কিংবা আমাকে ফোন দিতে দ্বিধা করিস না।
ভন্ডামি করিস না।
এবার যান, স্যার।
গিয়ে বাচ্চাদের কিছু শিখান।
শুন, বেবি...
মুখ থেকে ওটা খুলিস না।
নাকটা আগের জায়গায় ফিরে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা কর।
ভাগ শালা।
নাহলে তোর এই বালের গাড়ি জব্দ করে তোকে ১৮৪ ধারার অধীনে জেলে ঢুকাব।
আচ্ছা, আচ্ছা।
'নিযহাল'
বেবি...
আমায় দেখতে পাচ্ছিস?
আমি তোকে দেখতে পাচ্ছি না...
কাথরি সোনা... কাথরিনা...
জি?
প্লিজ আমায় এটা ঠিক করে দে।
মা...
এখানে নেটের অবস্থা খুবই খারাপ।
মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে।
মামার ক্যামেরা বন্ধ করা। সেজন্য।
মনে হয় বজ্রপাত হচ্ছে।
বাবা, আমি ১৭ তারিখে এখান থেকে রওনা দিব।
১৮ তারিখ সকালের মধ্যে সেখানে পৌঁছে যাব।
বেবি...
শুনছিস তো?
এয়ারপোর্টে আসবি না?
হ্যালো...
~ অনুবাদ আয়োজনে ~ ♥
T ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ T EAM BORNOMALA
E ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TE AM BORNOMALA
A ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEA M BORNOMALA
M ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEAM BORNOMALA
B ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEAM B ORNOMALA
O ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEAM BO RNOMALA
R ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEAM BOR NOMALA
N ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEAM BORN OMALA
O ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEAM BORNO MALA
M ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEAM BORNOM ALA
A ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEAM BORNOMA LA
L ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEAM BORNOMAL A
A ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ টিম বর্ণমালা
অনুবাদ অংশগ্রহণেঃ ♦️ নাবিলা খায়ের ♦️ তানভীর হোসেন ♦️ জয়ানন্দ ঘোষ ♦️ রাফেদুল মুগ্ধ ♦️ জায়েদ আল আরাফ শিহাব ♦️
সম্পাদনায়ঃ ♦️ নাবিলা খায়ের ♦️ ♦️ তানভীর হোসেন ♦️
- সান্থা আর গোপান কি ছুটিতে না-কি? - না, স্যার। এখানেই তো আছে।
আপনি আজ চলে আসবেন তা আশা করেনি।
কে আশা করেনি?
জি, কে আশা করেনি?
রুমটা তাড়াতাড়ি পরিষ্কার করতে বলুন।
- স্যার। - হ্যাঁ।
সিজিএম আছেন?
জি, স্যার। নিজের চেম্বারেই আছেন।
আচ্ছা।
বক্সার আর ফুটবল খেলোয়াড়রা এটা ব্যবহার করে।
তাদের নাকের ভাঙ্গা হাড় ঠিক করতে।
তাদের কাছে এসব করার যুক্তিযুক্ত কারণ থাকে।
এবার, বলো...
বাইকে থাকা লোকটার কিছু হয়ে গেলে কী হতো?
ভাবতে পারছ?
তাও আবার শুধুমাত্র তোমার গাড়িকে পাশ কাটানোয়?
সে আমাকে গালি দিয়েছিল।
তো? সেজন্য তুমি তাকে ধাওয়া করে ছিটকে ফেলবে?
তুমি এখন আর ওই ল কলেজের ইউনিয়ন লিডার নেই।
তুমি একজন জুডিশিয়াল অফিসার।
এটা ভুলে যেও না।
স্যার, মিটিংয়ের সময় হয়ে গেছে।
আচ্ছা।
ল সেক্রেটারি গেস্ট হাউজেই আছেন।
চলো, দেখা করে আসি।
যদি কোনো কারণে তার রাগ থেকেও থাকে...
এই চেহারা দেখলে সেসব উবে যাবে।
আমায় ছেড়ে দিন, স্যার।
এই...
চলো আমার সাথে।
হ্যাঁ, ৮ টার দিকে...
আমি পৌঁছে যাবো।
আচ্ছা।
ওই ছেলের বাবা-মাকে বুঝাতে কত কষ্ট করতে হয়েছে জানো?
তারচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, একটা পুলিশও তোমাকে পছন্দ করে না।
সবাই-ই একটা সুযোগের অপেক্ষায় আছে।
সৌভাগ্যক্রমে ডিসিপি (ট্রাফিক) এখানে নতুন।
'একজন জজকে হামলা করার অভিযোগ এনে তার লাইফ বরবাদ করে দিব' এই হুমকি দিয়ে...
...আমরা এই ইস্যু ধামাচাপা দিতে পারব।
প্রমোশন হওয়ার আগমুহূর্তে এমন অকাজ কেন করলে, বেবি?
সেজন্যই, তুমি না চাইলেও...
জোর করে তোমাকে ল সেক্রেটারির সাথে দেখা করাতে নিয়ে যাচ্ছি।
আমি আজ যাবো না।
তাকে উল্টাপাল্টা কিছু বলে আবার কোনো সমস্যা বাঁধাতে চাই না।
স্যার, আপনি গিয়ে দেখা করুন।
আমি এখানে নেমে যাবো।
শিবা...
শপিং মলটার এখানে গাড়ি থামিয়ো।
সাইড করে রাখো।
আমি সাথে ছাতা রাখি না...
...আর এখন এই বৃষ্টি।
বৃষ্টি কোথায় হচ্ছে, ভাই?
- বেবি... - হুমম...
কী হয়েছে?
আমাদের জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে চলো।
গিয়ে ডাক্তার বশিরকে দেখাও।
শুনো, বেবি...
ডাক্তার দেখিয়ে আমাকে ফোন দিও।
তার কাছ থেকে একটা ফিটনেস সার্টিফিকেটও নিয়ে নিও।
তোমার জয়েনের সময় যেন আমাদের পক্ষের সব গোছানো থাকে।
সত্যি বলতে...
আমারও মনে হয় ওইসব লোককে গাড়িচাপাই দেওয়া উচিত।
আমার কয়েকটা চুল পড়ে গেছে।
তবে আমি এখনো ফিট আছি।
আপনার কোনো সমস্যাই নেই, মি. ম্যাজিস্ট্রেট।
এই বৃষ্টি পড়া নিজে নিজেই থেমে যাবে।
আমরা সবাই-ই এমন ঝামেলার ভিতর দিয়ে যাই।
বেশিরভাগ লোকেই এসব লুকানোর চেষ্টা করে।
কিংবা ভুলে যেতে চায়।
তবে আপনি যদি এটার নাম জানতে চান...
আমি এটাকে একটা জটিল নামে ডাকতে পারি।
পোস্ট-ট্রমাটিক-স্ট্রেস ডিসঅর্ডার।
দুর্ঘটনা পরবর্তী মানসিক ধাক্কা। ব্যাস এটুকুই।
যদিও ডাক্তার বশির আমায় চিন্তামুক্ত রাখতে এটাকে খুব একটা পাত্তা দিতে না করেছেন...
তাও আমার জিনিসটা ভালো লাগছে না।
সেজন্য আমার দ্বিতীয় কারো অভিমত চাই।
শালিনী হলে আমার মুখের উপরই সত্যটা বলে দিবে।
সত্য।
মুখের উপর কথা বলার ক্ষেত্রে...
আমার বউ তো সেরা।
এখনকার এই গরমের মধ্যে...
তোর সাথে পজিশন বদল করতে পারলে ভালোই হতো, দোস্ত।
দোস্ত রাজাপ্পান...
আমি শুধুই বজ্রপাত দেখি, আমার ঠান্ডা অনুভুত হয় না।
তাই না-কি? তাহলে আমার এসবের দরকার নেই।
কী হয়েছে, ব্যাটা?
ট্রাভেল এজেন্সি একটা গাড়ি আর ড্রাইভারের ব্যবস্থা করেছে বলল।
সে কাল এখানে চলে আসবে।
- কী গাড়ি? - এহ?
কী গাড়ি?
সরকারি হিসাবে পেট্রোলের দাম দিলে...
তুই কি জাগুয়ার পাওয়ার আশা করিস?
ফ্রিজে একদম ঠান্ডা বিয়ার আছে।
একটা খাবো না-কি?
- এই ম্যাজিস্ট্রেট... - হ্যাঁ?
তোর জন্য একটা আনব?
ধুর। বিরক্তিকর।
হ্যাচু...
কী খবর, সোনা?
আচ্ছা, আয়।
কী অবস্থা? সব ঠিকঠাক?
- তোমার লাগবে? - না।
এক কাপ চা দাও। কড়া করে বানিও।
দোস্ত...
তুই চা খাবি?
না।
ডাক্তার বশির কী বলেছিল?
বেবিকে বলছিলাম যে...
চিন্তার কোনো কারণ নেই।
ততদিনে...
ওহ।
অবস্থার উন্নতি নাহলে...
আমরা অন্য উপায় দেখবো।
এখনই ডাক্তার বশিরের ওষুধপত্র খাওয়ার দরকার নেই, তাই তো?
আমাদের দেখতে দাও।
ডাক্তার বশির একজন সাইকিয়াট্রিস্ট আর আমি বাচ্চাদের চিকিৎসা করা একজন সাইকোলজিস্ট।
আশা করি তফাৎটা বুঝতে পারছো।
সেটা ভুলে যেও না।
সেও তো একজন 'বেবি'।
আমাদের বেবি।
তাই না?
বাচ্চাদের কথা বলায় মনে পড়ল...
গতকাল একটা ইন্টারেস্টিং কেস পেয়েছি।
দ্বিতীয় শ্রেণীর একটা বাচ্চাকে নিয়ে।
বয়স আনুমানিক ৭ কিংবা ৮ হবে।
টিফিন পিরিয়ডে টিচার বাচ্চাদের গল্প বলতে বললো।
অন্য বাচ্চারা যখন চিরাচরিত কচ্ছপ-খরগোশের গল্প বলছিল...
No comments yet. Be the first to leave one.