Monty Python and the Holy Grail

Monty Python and the Holy Grail

Download Bengali Subtitle

Release info

Monty Python And The Holy Grail 1975 BluRay Bengali Sub
Monty Python And The Holy Grail 1974 1080p BRRIP XVID AC3
Monty Python And The Holy Grail 1974 720p BRRIP XVID AC3
Monty Python And The Holy Grail 1975 720p BluRay x264-YTS
Monty Python And The Holy Grail 1975 1080p BluRay x264-YTS
মন্টি পাইথন এন্ড দ্য হলি গ্রেইল ব্লুরে বাংলা সাবটাইটেল
A Commentary by Mamun_Abdullah
ব্রিটেনের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ কমেডি মুভিগুলোর একটি বলে অনুমোদন দেয়া হয় মন্টি পাইথন এন্ড দ্য হলি গ্রেইলকে। পৃথিবীতে এত এত কমেডি মুভি থাকতে এটিই কেন IMDb শীর্ষে তা কিছুটা রহস্য বৈকি। অনুবাদ নিয়ে কাজ করতে গিয়ে সেগুলো নজরে পড়েছে। ইটস কোয়াইট সিম্পল, প্যারোডি

Tags

BluRay
x264
1080
TS
YTS
brrip
720p
720
XviD
AC3
Published on: 2019-07-13
Downloads: 204
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

Translated By Mamun Abdullah

ঐ তো!

থাম!

কে যায় রে?

আমি আর্থার, ক্যামেলট দূর্গের উথার পেনড্রাগনের ছেলে.

যে স্যাক্সনদের হারিয়ে রাজা হয়েছে ব্রিটেনের

পুরো স্বাধীন ইংল্যান্ডের.

পাশে ওটা কে?

আমার বিশ্বস্ত খাদেম.

আমরা দেশে দেশে ঘুরে নাইট খুঁজছি

ওরা ক্যামেলট দরবারে যোগ দেবে. তোমার জমিদারের সঙ্গে কথা বলব.

- ঘোড়ায় চড়ে ঘুরছ? - হ্যাঁ.

- সঙ্গে নারকেল দেখি যে! - কী?

ঠক ঠক করে বাজাচ্ছ ওগুলো তো নারকেলের খলুই.

তো? আমরা সেই শীতপ্রধান দেশ থেকে আসছি.

- মার্সিয়া রাজ্য পেরিয়ে. - নারকেল দুটো কোথায় পেয়েছ?

কুড়িয়ে পেয়েছি.

মার্সিয়াতে কুড়িয়ে পেয়েছ? নারকেল শুধু গ্রীষ্ম অঞ্চলে হয়.

- সোজা কথা বল. - এটা নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চল.

চড়ুই পাখি হয়ত দক্ষিণে উড়ে, উত্তরেও পেতে পার

শীতকালীন দেশেও পাওয়া যায়, আমাদের দেশেও দেখা যায়.

- নারকেল একাই ওখানে গেছে তাই না? - আরে না, পাখি নিয়ে গেছে হয়ত.

- কী? পাখি নারকেল নিয়ে যেতে পারে? - খোসা ধরে নিয়ে আসতে পারে.

কিসে বয়ে এনেছে প্রশ্ন সেটা না, প্রশ্ন হল কতটা ওজন তুলতে পারে.

আধা পোয়ার একটা পাখি, আধা সেরের নারকেল তুলতে পারবে না.

তাতে কি, তোমার মালিককে গিয়ে বল আর্থার আসছে.

নারকেল নিয়ে আকাশে ভাসতে হলে

একটা পাখিকে প্রতি সেকেন্ডে ৪৩ বার ডানা ঝাপটাতে হবে, বুঝছো?

- ওরে জ্বালা! - ঠিক না?

- ওসব রাখো. - আফ্রিকার দামড়া পাখি হলে পারবে.

হ্যাঁ, আফ্রিকার পাখি পারবে, ইউরোপের পাখি পারবে না.

আমি মেনে নিচ্ছি.

তোমার মালিককে জিজ্ঞাসা কর উনি ক্যামেলটে যাবেন কিনা?

কিন্তু আফ্রিকার পাখি তো এদিকে আসেই না.

হ্যাঁ, ওরা নারকেলও আনে না.

আরে, দুইটা পাখি একটা নারকেল আনতে পারবে.

- না, একই লাইনে উড়তে হবে ওদের. - সহজ ব্যাপার, একটা লতা নিয়ে উড়বে.

- একই দিকে মুখ বজায় রাখতে হবে না? - কেন না?

লাশ বের করে দাও!

পয়সা দাও.

- লাশ বের করে দাও. - এই যে একটা.

পয়সা.

- আমি মরিনি! - অ্যা?

- কিছু না. পয়সা নাও. - আমি মরিনি!

- ও মরেনি নাকি. - আরে মরেছে.

- না! - মরেনি?

- মরে যাবে. অসুস্থ মানুষ. - সুস্থ হচ্ছি তো!

তুমি এখনি মরে যাবে

ওকে আমি নিতে পারব না. এটা নিয়মের বরখেলাপ.

- আমি ঠেলাগাড়িতে উঠব না. - ছেলে মানুষি কর না.

- ওকে নিতে পারব না. - আমি সুস্থ.

- এই উপকারটা কর. - পারব না.

একটু থাম না রে বাবা? এখনি মরে যাবে.

রবিনসনের বাড়িতে যেতে হবে. ওদের আজ নয়জন মরেছে.

- আবার কবে আসবে? - বুধবার.

- আমি কিন্তু হাটতে পারব. - এসব কথায় কারও মন গলবে না.

- একটা উপায় বের কর না? - আমার ভাল লাগছে.

- অনেক ধন্যবাদ. - বাদ দাও, বুধবার দেখা হবে.

আচ্ছা.

- এটা আবার কে? - কী জানি, রাজা হয়ত.

- কেন? - গায়ে ময়লা নেই তো.

- এই বুড়ি! - পুরুষ!

পুরুষ. দুঃখিত. ঐ দূর্গে কোন নাইট থাকে?

- আমার বয়স ৩৭. - কী?

- বয়স ৩৭, আমি বুড়া না. - শুধু পুরুষ বলে তো ডাকতে পারি না.

- তাহলে ডেনিস বল. - তোমার নাম ডেনিস তা আমি জানি না.

তোমার জানার কথাও না.

বুড়ি ডাকার জন্য দুঃখিত বলেছি, কিন্তু পেছন থেকে

তুমি এমনভাবে কথা বলছ যেন লাট সাহেব.

- আমি কিন্তু রাজা. - রাজা? ভালই তো.

কিভাবে রাজা হলে? মজদুরদের কাজ করিয়ে?

মান্ধাতা আমলের সাম্রাজ্যবাদী ধান্ধা টিকিয়ে রাখার জন্য

আমাদের দেশে আর্থ-সামাজিক বিভাজন সৃষ্টি করেছ।

- এতে যদি কোনো উপকার হয়. - এগুলো দেখি খুব সুন্দর পচে গেছে.

কেমন আছ হে?

ভাল আছি, ভদ্র মহিলা. আমি ব্রিটেনের রাজা আর্থার.

- ওটা কার দূর্গ? - কার রাজা?

- ব্রিটেনের রাজা. - ব্রিটেন আবার কারা?

আমরা সবাই. সবাই ব্রিটেন. আর আমি তোমাদের রাজা.

রাজা আছে সেটাই জানতাম না, ভেবেছিলাম আমরা স্বাধীন জাতি.

ভুল ভেবেছিলে. এখন স্বৈরশাসন চলছে.

নিচু জাতের মানুষের জন্য স্বৈরশাসন চালু হয়েছে...

এই দেখ, আবার জাত তুলছে.

- জাত নিয়েই তো এত কিছু... - আহা, ভাইজানেরা আমার তাড়া আছে.

ঐ প্রাসাদে কে থাকে?

- কেউ থাকে না. - তোমাদের জমিদার তাহলে কে?

- আমাদের জমিদার নেই. - কী?

বললামই তো, আমরা কোনো তন্ত্র মানি না.

পালা করে প্রতি সপ্তাহে আমরা নিজেরাই কর্তা হই.

- আচ্ছা. - কিন্তু কর্তাদের সব সিদ্ধান্ত

- একসাথে বসে গ্রহণ করি. - বুঝেছি.

- সংখ্যাগুরুর ভিত্তিতে আমরা সিদ্ধান্ত নেই. - থাম!

-দুই তৃতীয়াংশ হলেই টিকে যায়. - আমি হুকুম দিচ্ছি, চুপ কর!

“হুকুম.” নিজেকে ভাবেটা কী’

- তোমাদের রাজা! - আমরা তোমাকে ভোট দেইনি.

- রাজাকে ভোট দিতে হয় না. - তাহলে রাজা হলে কীভাবে?

ঝিলপরী, ঝিলমিল কাপড় পরে

জাদুর তরবারি হাতে পানি থেকে উঠে এসে

কুদরতি ক্ষমতায়, আমি আর্থার সেই জাদুর তরবারি বহন করছি বলে

আমি তোমাদের রাজা!

শোনো দেখি, পরী পুকুরে ডুব দিয়ে থাকে, আর জাদুর তলোয়ার মানুষকে দিয়ে বেড়ায়!

সরকার হওয়ার জন্য. অসীম ক্ষমতায়

জনগণের ওপর হুকুম চালাবে. জল-ভূতের জলসায় না.

খামোশ!

এখানে ওসব মাতব্বরি খাটাতে পারবে না

পুকুরে পাওয়া জং ধরা তলোয়ার দেখিয়ে.

- খামোশ! - আমি কিনা নিজেকে মহারাজ বলছি

কেননা পানি থেকে এক ছেমড়ি উঠে এসে আমাকে তরবারি দিল.

- তুমি চুপ করবে? - এবার রাজার জুলুম দেখ!

-খামোশ! - এবার রাজার জুলুম দেখ!

- বাঁচাও, আমাকে ধরেছে! - চাষা কোথাকার!

কী ঝামেলা? শুনলে তোমরা?

এজন্যই তো চিল্লাচ্ছি. দেখছ না কিভাবে ধরেছে আমাকে?

তোমার শরীরে অনেক ক্ষমতা, স্যার নাইট.

আমি ব্রিটেনের রাজা আর্থার.

আমি সেরা আর সাহসী নাইট খুঁজছি আমার ক্যামেলটে যোগ দেয়ার জন্য.

তুমি সেই যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছ. আমার দলে আসবে?

হতাশ করলে, তাই হোক. চল প্যাটসি.

কেউ যেতে পারবে না.

- কী? - কেউ যেতে পারবে না.

তোমার সঙ্গে আমার কোন দ্বন্দ্ব নাই, স্যার নাইট, কিন্তু সেতুর ওপারে যেতেই হবে.

তাহলে তুমি মরবে.

ব্রিটেনের রাজা হয়ে আমি তোমাকে আদেশ দিচ্ছি, সরে দাঁড়াও.

কোন মানুষকে আমি রাস্তা দেই না.

তবে তাই হোক.

এবার সরে দাঁড়াও, দুশমন কোথাকার.

- আঁচড় লেগেছে একটু. -‘'আঁচড় লেগেছে?" তোমার হাতই নাই.

- না নাই. - ওটা তাহলে কী?

- এর থেকেও বড় জখম হয়েছে. - মিথ্যুক.

আমি জিতেছি.

ঈশ্বর আপনাকে ধন্যবাদ.

- আস তো. - কী?

দমে গেছ?

তুমি সাহসী, স্যার নাইট. কিন্তু আমি জিতেছি.

হার মানলে?

আরে বোকাচোদা, দেখ তোমার একটা হাতও নাই.

- আছে. -কই!

একটু জখম হয়েছে আরকি.

- থামো. - ভীরু!

তোমার পাও কেটে দেব!

- এভাবেই পারব. -কী পারবে?

- আস. - আর কী করবে? রক্ত ছুড়বে?

- আমি অপরাজেয়! - তুমি পাগল.

ব্লাক নাইট কখনো হারে না.

আস তাহলে.

আচ্ছা, ড্র হয়েছে.

চল, প্যাটসি.

পালাচ্ছিস? হলদে শয়তান!

এখানে এসে দেখ কামড়ে তোর পা খেয়ে ফেলব.

- ডাইনি! - আমরা ডাইনি ধরেছি.

- আমরা ডাইনি ধরেছি. - আমরা ডাইনি ধরেছি.

আমরা ডাইনি ধরেছি.

পুড়িয়ে মার!

- ডাইনি ধরেছি, পোড়াব নাকি? - পোড়াও!

- তোমরা কীভাবে বুঝলে সে ডাইনি? - দেখতে ডাইনিদের মত.

সামনে আন দেখি.

- আমি ডাইনি না. - কিন্তু ডাইনিদের মত পোশাক পরেছ যে.

- ওরা পরিয়েছে. - না করিনি!

এটাও আমার নাক না, নকল নাক.

- তাই? - আমরা নাক লাগিয়েছি.

- নাক? - আর টুপি, কিন্তু সে ডাইনিই.

পোড়াও!

-তোমরা ওকে এই পোশাক পরিয়েছ? - না, হ্যাঁ.

হ্যাঁ একটু, কিন্তু আঁচিল তো আছে.

- ওর কী দেখে তোমাদের ডাইনি মনে হল? - সে বেঁজী হয়ে গিয়েছিল.

বেঁজী?

- পোড়াও ওকে. - পোড়াও!

চুপ! ওকে ডাইনি প্রমাণের আরও উপায় আছে.

- তাই? কী সেগুলো? বল. - মেরে পিটে নাকি?

বলতো আমরা ডাইনিদের কী করি?

পুড়াই!

- ডাইনি পোড়াতে কী লাগে? - আরও ডাইনি.

- কাঠ. - ডাইনি পোড়ে কেন?

- কারণ ওরা কাঠ দিয়ে বানানো? - সাবাস.

আমরা কীভাবে বুঝব সে কাঠের তৈরি কিনা?

- কেটে সেতু বানাও. - সেতু তো পাথর দিয়েও বানায়.

তাই তো.

কাঠ কি পানিতে ডোবে?

- না. - ভাসে.

পুকুরে ধাক্কা মার!

- পানিতে আর কী ভাসে? - রুটি.

- আপেল. - ছোট পাথর.

- সিডার, চেরি. - ঝোল, কাদা.

- গীর্জা. - সীসা.

হাঁস!

ঠিক.

যুক্তি মতে...

যদি সে

হাঁসের মত পানিতে ভাসে

তাহলে কাঠের তৈরি.

সেজন্যই...

- ডাইনি! - ডাইনি!

চল বড় পাল্লা ব্যবহার করি.

হয়েছে, খুটি সরাও!

- ডাইনি! - ডাইনি!

- ধরা পরে গেছি. - পোড়াও!

কে তুমি, বিজ্ঞানে তোমার দেখি অনেক জ্ঞান?

- আমি ব্রিটেনের রাজা আর্থার. - জাঁহাপনা.

স্যার নাইট, ক্যামেলটে গিয়ে তুমি গোল টেবিলে যোগ দেবে?

এ তো আমার সৌভাগ্য, জাঁহাপনা.

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left