The first 200 lines.
....Bangla Subtitle By Rakib Mahmud Roktim....
....Bangla Subtitle By Rakib Mahmud Roktim....
....Bangla Subtitle By Rakib Mahmud Roktim....
Join Our Facebook Group ★ Bangla Subtitle
অনেক সুন্দর!
কী হচ্ছে?
- তুমি কিছু টের পাচ্ছ? - হ্যাঁ, তা তো পাচ্ছিই।
হেই, ফিরে এসো!
সাউন্ড বাড়িয়ে দাও!
পার্টিটা জোস হচ্ছে মামা!
তোমরা দেখি ভালই মজা করছ!
দাঁড়াও!
- ভয় পাচ্ছ! - শুনো!
কিছু শুনতে পারছ?
ভাল করে শুনো।
- শুনেছ? - কী ওটা?
সবাই চুপ!
জায়গা থেকে কেউ নড়ো না।
কী হচ্ছে এসব?
জলদি!
হ্যাঁ, মানছি ফ্যাসিলিটিতে কিছু একটা সমস্যা হয়েছে,
আমরা এমন কিছু করছি যেটা আগে কেউ করার সাহস করেনি।
আমরা মানব মস্তিষ্কের কোষকে পুনর্জীবিত করার প্রায় দ্বারপ্রান্তে।
ডক্টর...
...তোমার রিসার্চের অগ্রগতি দেখেই এই কোম্পানিতে আমি ২০০ মিলিয়ন ডলার দিয়েছিলাম।
কিন্তু সোমবারে যখন শেয়ার মার্কেট খুলবে...
...রেপুটেশন আমার যাই থাকুক না কেন,
ক্ষতি জিনিসটা আমি মেনে নিতে পারব না।
দুঃখিত, আমার কিছুই করার নেই।
মিস্টার ফ্রাঙ্কলিন, কাউকে কখনো ভুলে যাওয়া রোগে ভুগতে দেখেছেন?
না।
বাবা মরার আগ পর্যন্ত প্রতিদিন আমাকে জিজ্ঞাসা করতো, মা কেন বাসায় নেই।
যখন বলতাম মা বেঁচে নেই, প্রতিবার বাবা হাউমাউ করে কাঁদত।
প্রতিবছর দুই লাখ মানুষ এই রোগে ভুগে।
কেমন হবে যদি একটা ক্যাপসুলেই এটা নিরাময় করা যায়?
সোমবার সকাল পর্যন্ত সময় দিন, মাত্র ৪৮ ঘন্টা।
এরমধ্যে রেজাল্ট দেখিয়ে আপনার শেয়ারের দাম বাড়াবো...
...নাহলে নিজেই ওই ল্যাব ভেঙে দিবো ।
এখন আপনাদের ইচ্ছা।
বেশ ভালোই তো লেকচার দিয়েছিলে।
আপনাকে নিয়ে একটা আর্টিকেল পড়েছিলাম
- হিমালয় পর্বতের কাহিনি। -আল্পসের কাহিনি।
হ্যাঁ
আমরা স্বামী স্ত্রী দুজন মিলে মজার
কিছু একটা করতে চাচ্ছিলাম।
কিন্তু কপাল খারাপ ছিল।
কিন্তু আপনি তো সবাইকে বাঁচিয়েছিলেন
সবাইকে না।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নেভিরা এটা সাবমেরিন ...
...রিফিউলিং এর জন্য বানিয়েছিল।
নিলামে তোলার সাথে সাথেই আমরা কিনে নিলাম, জলের নিচের খাঁচা আর ল্যাব বসালাম
সব আপনার বদৌলতে।
দেখে তো জেলখানার মতো লাগছে।
১২ ফিটের সুন্দরীটাকে কেমন মনে হচ্ছে?
- ও তোমাকে একটা চুমু খেতে চায়। - তাই নাকি?
ওর দাঁতের মাঝে একটা লাইসেন্স প্লেট আটকে আছে মনে হচ্ছে।
দেখে ভালোই মনে হচ্ছে, বন্ধু।
ওকে নামিয়ে দাও, বিলি!
রাসেল ফ্রাঙ্কলিন, ইনি জেনিস হেগিংস।
মেরিন বায়োলোজিস্ট
ওই আপনাকে সব ঘুরিয়ে দেখাবে।
আমাদের দ্বীপ-স্বর্গে আপনাকে স্বাগতম!
ট্যাটু কোথায়?
ওই যে খাটো করে লোকটা?
প্লেন দেখলেই চিল্লাতো, "প্লেন এসেছে প্লেন!"
আচ্ছা!
বুড়ো হয়ে যাচ্ছি!
আমাদের ফ্যাসিলিটি সম্পর্কে কতটুকু জানেন?
আমাকে ট্যুরিস্ট ভাবতে পারো।
ট্যুরিস্টদের আমার জঘন্য লাগে, কিন্তু তোমাকে পছন্দ করব ভেবেছি।
"লুইজিয়ানা"
মনে হয় ওখানের কোনো বড়লোকের একুরিয়ামে ছিল।
ট্যাংকের সবকিছু তো খেয়েছেই, সাথে নিজের মালিককেও খেয়েছে।
পরদিন বড় গাড়িতে করে কেউ নিয়ে যাচ্ছিল, সেই গাড়িটারও বারোটা বাজিয়েছে...
...আর লাইসেন্স প্লেটটা উপহারস্বরুপ নিয়ে এসেছে।
কথা আছে তোমার সাথে।
পরে হবে।
কার্টার ব্লেক, ইনি রাসেল ফ্রাংকিলন। কাইমেরা ফার্মাসিউটিক্যালের প্রেসিডেন্ট।
ভালো খেল দেখালে।
আসলে আমাদের মাংস ওরা তেমন পছন্দ করে না।
মানুষকে সাধারণত সিল মাছ মনে করে কামড় দেয়,
কিংবা বড়লোক ভেবে।
দেখা হয়ে খুশি হলাম।
বেশ মজার জায়গা।
আপনার সাথে তো কথা বলেছে, অন্যাদের সাথে শুধু মাথা নেড়ে কাজ চালায়।
আপনি এখানে কেন আসছেন সবাই জানে সেটা।
তো ওই হাঙ্গরটাই কি পালিয়েছিল?
ওই ছোট হাঙ্গরটা? আরে নাহ! ওটা তো একটা সাধারণ হাঙ্গর।
এই তিনটার উপর গবেষণা চালাচ্ছি আমরা।
দুইটি ধরে আনা, আর একটার জন্ম এখানেই।
এই টলটলে কাঁচের নিচে...
...খুনি দানবের রাজত্ব।
ভাবলে কেমন গা ছমছম করে, না?
হ্যাঁ, তা করে।
টাওয়ার টু ওয়াটার ট্যাক্সি
বেন, ত্রিশ মাইল উত্তরে হঠাত করেই বাতাসের গতি বেড়ে গেছে।
ওভার
বুঝতে পেরেছি, আমরা সতর্ক থাকবো।
কোথায় যাচ্ছে? ওরাও আমাকে অপছন্দ করে নাকি?
ওরা বাড়ি যাচ্ছে, সপ্তাহান্তে সীমিত ক্রু দিয়েই কাজ চলে।
তবে ওরাও সম্ভবত তোমাকে অপছন্দ করে।
ওই যে ডক্টর জিম হুইটলক, দুনিয়ার সবচেয়ে জিনিয়াস ব্যাক্তি।
বাতাসে মূত্র বিসর্জন করছে, কোন লেভেলের জিনিয়াস?
সময় আসলেই বুঝবেন।
কী হয়েছিল? প্রথম শট মিস করেছিলে নাকি?
দুইটা শট দেয়ার পর কোনোরকম ঠান্ডা হয়েছে।
মাথা খারাপ নাকি? দুই শটে ওর তো মরে ভূত হয়ে যাবার কথা।
ওকে যেয়ে বলে আসো, স্কজ।
তারমানে মিস করেছ। নিজে লাগাতে না পেরে আমার উপর ঝাল দেখাচ্ছ।
তুমি যদি খাঁচাটা বন্ধ করতে, রাতে অন্তত শান্তিতে ঘুমাতে পারতাম।
দেখো, আমি ডাক্তারকে বলেছি, প্রতিদিনের মতো গতকাল রাতেও ঠিকমতো তালা মেরেছিলাম।
হাঙ্গরটা অন্য কোনোভাবে বের হয়েছে।
ওভাবে তাকাচ্ছো কেন আমার দিকে?
আমার কথা বিশ্বাস হচ্ছে না?
আমাকে বিশ্বাস করা উচিত।
কারণটা জানো? কারণ আমি সদা সত্যবাদী।
পানির উপরের বেষ্টনির উচ্চতা কত হবে?
পানির তলের ভিন্নতা আর চাপ নেয়ার ক্ষমতা বিবেচনা করলে...
স্কগ, আসল কথা বলো।
আট ফুট, এক সেন্টিমিটার কমবেশি হতে পারে।
দুঃখিত, আমার কথা শুনে মনে হচ্ছে হয়তো পাগলাগারদে এসে ঢুকেছেন।
না, মোটেও তেমন কিছু না।
আসলে, কিছুটা মনে হচ্ছে।
তাই বলা চলে।
তবে এখানের সবাই কিন্তু যার যার কাজে ওস্তাদ।
পানির নিচে থাকা অনেকটা মহাশূন্যে থাকার মতো। ভুল করার খুব একটা সুযোগ নেই।
এই হাঁটার রাস্তার ছাড়াও...
...পুরো লেক আর খাঁচাগুলো টাইটানিয়াম জাল দিয়ে ঘেরা।
সাব লেভেল মোট তিনটা। লেভেল ওয়ানে আমাদের থাকার জায়গা।
লেভেল টু'তে গবেষণাগার আর কাজের জায়গা।
লেভেল থ্রি'তে ইঞ্জিনিয়ারিং আর পানির নিচ দিয়ে ঢোকার পথ।
একুয়াটিকায় স্বাগতম!
দ্বিতীয় প্রজন্মটাকে সিরাম দেয়া হয়েছিল?
গত কাল কার্টারকে দিতে বলে দিয়েছি। আগামীকাল রাতের মধ্যেই রেডি হয়ে যাবে।
- কিন্তু? - আমরা এখনো পুরোপুরি তৈরি না।
সময়সীমার দুই মাস আগেই শেষ করতে হচ্ছে।
এজন্য এখন তিনটা প্রাইমারি ট্রায়াল পর্যন্ত বাদ দিতে হচ্ছে।
উপায় নেই এছাড়া।
সারাজীবন যে সুযোগের অপেক্ষায় ছিলে...
...সেটা বিনা মেঘে বজ্রপাত হয়ে চলে এসেছে।
তো হাঙরপালকের কাজটা আসলে কী?
শুনে যা মনে হচ্ছে তাইই।
একুয়াটিকায় কাজ করতে এলে কেন?
পানি ভালো লাগে,
বেতনও ভালো।
আরে, আগা মাস্ক দেখি! একবার স্পেনে থাকতে ডাইভিং করেছিলাম এটা পরে।
ট্যুরিস্টদের মতো।
তুমি পানির নিচে উদ্ধারের কাজ করো?
মাঝেমধ্যে।
এই কাজেও তুমি ওস্তাদ বোঝায় যায়।
আমরা এখন সাগরে। তো লুকোচুরি খেলে লাভ নেই।
তুমিই সেই লোক, তাই না?
হ্যাঁ, আমিই সেই লোক।
তো আমার সম্পর্কে তো সব জানোই, আমাকে নিয়ে কি ধারণা বলুন?
লেভেনওর্থে দুই বছর জেলে খেটেছ স্মাগলিং এর দায়ে।
তুমি এত টাকা কামালে কীভাবে?
ইতিহাসের একমাত্র লোক যে সৎভাবে বড়লোক হয়েছে?
নিশ্চয়ই বুঝতে পারছ আমি কেন চিন্তিত?
দেখো, আমি টাকার বিনিময়ে এখানে কাজ করছি।
বেইমানি করার ইচ্ছা আমার নেই।
জেলের সময়সীমা পূর্ণ করেই আমি বেড়িয়েছি।
ডাক্তারের মতো দুনিয়া বদলে দেয়ার ইচ্ছা আমার নেই।
কিংবা এটাকে ধ্বংস করারও ইচ্ছা নেই।
খেয়ে দে আমাকে!
হেই! তুই একটা গাধা!
মোটকু গাধা!
তুই একটা খোদার খাসি।
ওই, বিচ্ছু
বেশি বাড়াবাড়ি করছিস। এবার কিন্তু পানিতে চোবাবো।
তারপর বিড়াল পালা শুরু করব।
এই তো লক্ষ্মীর মতো খেয়ে নে।
এই তো ভালো।
তোর জিহ্বাটা যে অতি জঘন্য, সেটা জানিস?
খাবার দেয়ার সময় হয়েছে।
৩০ সেকেন্ড পর টাইগার শার্কের খাঁচা খুলে দিচ্ছি, বুঝতে পেরেছ?
পেরেছি, আমি ভেতরে যাচ্ছি।
ক্ষুধা পেয়েছে তোমাদের?
ডক্টর ম্যাকেস্টার, একটা ঝামেলা হয়েছে।
একটু উপরে আসতে পারবে?
ডক্টর ম্যাকেস্টার, একটু উপরে আসতে পারবে, প্লিজ?
সারপ্রাইজ!
হ্যাপি বার্থডে!
জঘন্য গান।
সেই না গানটা, প্রিচ?
কার্টার, নাচো আমাদের সাথে। বেচারা স্কগ এতগুলো মেয়েকে সামলাতে পারছে না।
শুধু ভদকা
আরেকটা ব্যাপার, তোমার রান্নার হাতটা দারুন।
আপনিই তো পাহাড়ে বরফ ধ্বসের কবলে পড়েছিলেন?
হ্যাঁ, আমিই।
কালোদের মরার এত সহজ উপায় থাকতে...
...এরকম নির্জন পাহাড়ে চড়ে মরার শখ হবে কেন!
ওটা সাদাদের উপরই ছেড়ে দিন না, ভাই।
জন্মদিন ভালো কাটছে?
কালকের কাজের উপর নির্ভর করছে সেটা।
পানির নিচে জীবন কেমন কাটছে?
উপরের দুনিয়ার চেয়ে ঝুট-ঝামেলা...
...একটু কমই।
এটা বলতে পারি।
আজ হাঙ্গরটাকে ভালোই সামলালে।
কীভাবে এ কাজ শিখলে একদিন বলবে কিন্তু আমাকে।
No comments yet. Be the first to leave one.