The first 200 lines.
অনুবাদক : নাফিস সাদিক তুর্য ও পাঁজর চক্রবর্তী
উৎসর্গ : আমার প্রথম ক্রাশকে 😍 ♥ ♥
সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে রেটিং দিয়ে উৎসাহিত করুন।
লেডিস এবং জেন্টলম্যান, আমরা তিরিশ মিনিটের মাঝে
চেংডু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌছাবো।
কোরিয়া আর চীনের মধ্যে সময়ের পার্থক্য এক ঘন্টা।
এখন স্থানীয় সময় সকাল ১১ টা।
আজকের তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড।
এবং ফারেনহাইটে ৬৮ ডিগ্রি তাপমাত্রা
আমরা অবতরনের জন্য প্রস্তুত হচ্ছি, আপনারা দয়া করে নিজ স্থানে অবস্থান করুন।
♥ A Good Rain Knows ♥
শুনুন, আপনার কাছে লাইটার আছে?
লাওমা ভাজা পটেটোর জন্য ভালো।
ধন্যবাদ।
- আর... - না,না, না...
এগুলা ভালো না।
হ্যালো!
হ্যালো!
হ্যালো, আমি পার্ক দোং হা
এত আগে আইলেন?
আরে আপনি কোরিয়ান!
ইয়াহ...
আপনেরে দেইখা ভালা লাগলো
প্লেন এত তাড়াতাড়ি আইসা পরল?
এটা সময়মত এসেছে।
ও
চলেন, চলেন
আস্তে! আস্তে!
তুমি ঠিক আছ?
চীনের ঠেলা বুঝতাসেন তো?
আস্তে আস্তে....
সিচুয়ান চারটাটা জিনিসের লাইগা বিখ্যাত
সুন্দরী মাইয়া, ভাল্লুক, পানীয় আর খাবার।
সিচুয়ানের হট পটের কথা শুনসেন তো?
এখানেই বানায় এটা
আসেন খাওয়া শুরু করি
শুরু কর।
এটা দেখতে তো বেশ লাগছে
এইটারে কয় " ফেই চাং ফেন "
সিচুয়ানের খুবই বিখ্যাত খাবার।
আপনার ভালো লাগছে নাকি?
না, না, ঠিক আছে
নেন, নেন, খেয়ে দেখেন
ধন্যবাদ।
চীনে ব্যবসা করতে আইসেন,এইটা খাওয়া শিখতে হইব
পানি নিয়ে আসেন!
এটা নেন
এটা ঠিক আছে।
খাবার পর আমাদের হাতে সময় থাকব। যাইবেন নাকি ঘুরতে কোথাও?
পানি!
- শোনো - না, ঠিক আছে।
আপনার দু ফু" কে ভালো লাগবে।
হু
এখানে দাঁড়ান, ছবি তুইলা দেই।
- না, ঠিকাছে - দাঁড়ান শুধু
না, ঠিক আছে। চলো যাই।
- আমি নিজে লি-বাই পছন্দ করি। - আচ্ছা।
আপনার ?
আমি আপনাদের কিভাবে সাহায্য করতে পারি?
এটার মুল্য কত?
এটা? এটার দাম ৩৮০ হাজার ইয়ান।
৩৮০ হাজার?
একটা কাঠের গুড়ি ক্যামনে ৩৮০ হাজার হয়?
শুনুন।
এটার মুল্য কত?
না, না। আমি এখানকার না আসলে
এটার মুল্য কত?
আমি এখানে কাজ করি না
আপনি এখানকার... না?
এই পার্কের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে
দশ অথবা তার অধিক ভিন্ন জাতের বাঁশগাছ।
এবং দুফু অবশ্য এ নিয়ে বিখ্যাত সব কবিতাও লিখেছেন
এবার এইদিক দিয়ে আসুন
আপনাদের ডান পাশে যে পুনঃর্নিমানাধীন যে নীচু কুঁড়েঘর দেখছেন, সেগুলোতে দুফু থাকতেন।
এটা ১৮১১ সালে তৈরী করা হয়েছিলো।
আসল কুটিরটি শক্তিশালী ঝড়ে ভেঙ্গে যায়
দুফু চেংদু ছেড়ে চলে যাওয়ার পর...।
এবার এদিকে আসুন প্লিজ।
আর এখানে পিচ ফুলগুলোও নিশ্চয়ই দেখতে পাচ্ছেন
দুফু বলতেন তার পীচের ফুল খুবই পছন্দের।
আর তিনি গাছগুলো লাগান যেন বাড়ির চারপাশ আরো সুন্দর হয়
এই বাড়ির মাঝে একটি বসার রুম ছিলো এবং
দুঃখিত।
- হাই! - হাই!
-তুমি এখানে কি করছো? -তুমিই বা এখানে কি করছো?
তোমার মনে নেই? আমি এই সিচুয়ানেরই থাকি।
ওহ, হ্যা! তাই তো!
- তারপর, তুমি কেমন আছো? - আমি ভালোই। তুমি?
আমি ভালোই... বেশ আছি।
তুমি কখন এখানে এসেছো?
ওহ, আমি কেবল আজকে পৌঁছলাম।
- মি.পার্ক.. - ওহ, হ্যাঁ।
আমি আপনেরে সবজায়গায় খুঁজলাম।
ওহ, এ হচ্ছে আমার কলেজ জীবনের বন্ধু।
মে, ইনি মি. ন্যাম, চীনে ইনি আমার কলিগ।
হাই, তোমার সাথে পরিচিত হয়ে ভালো লাগলো। আমি মে।
- আপনি কি করেন? - ওহ!
- আপনি চীনা? - না, আমি কোরিয়ান।
আমি চেংদুতে কিছুদিনের জন্য আসলাম
কিন্তু এটা প্রথমবারের মত এমন কারো সাথে পরিচিত হওয়া...
কার সাথে পরিচিত হওয়া?
একজন সিচুয়ান সুন্দরী।
ধন্যবাদ।
এখানে কেন বেড়াতে আইসেন বুঝলাম এতক্ষণে!
কি?
যাই হোক, আমাদের ভবিষ্যতে আর কোথাও দেখা হওয়ার সম্ভবনা নেই। তাই এখনি একটা ছবি তোলা উচিত।
আচ্ছা।
আমাদের একটা ছবি তোল।
আমাদের জন্য তুইলা দেন
- ঠিক আছে? - ঠিক আছে
রেডী?
এক, দুই,তিন.
ধন্যবাদ।
- চলো, কিছুসময়ের জন্য একসাথে কোথাও চা খাই... - অবশ্যই।
যাই হোক, আপনি কি কোরিয়ান খাবার পছন্দ করেন?
- হ্যাঁ,আমার পছন্দ। - আচ্ছা।
আমাকে যেতে হবে। কিন্তু কত সময় তুমি এখানে থাকবে?
- কত সময় আমি এখানে থাকা "উচিৎ"? - কি!
তুমিই বলো।আজকে রাতে একসাথে ডিনার করলে কেমন হয়?
না, আমি পারবো না। আমার অন্য কাজ আছে। কিন্তু আমি তোমাকে খাবারের পর ফোন দিতে পারি?
হুমমম, এটাই ভাল
আচ্ছা, দেখা হবে।
- হুমমম, দেখা হবে। - খোদা হাফেজ।
- আবার দেখা হবে। - মে..
উহ? ধন্যবাদ।
আপনি এতক্ষন কি বললেন?
ওহ, আপনি বড় ভালো অনেক ভালো মানুষ এটা কইলাম
বসন্ত সুন্দর, না?
আরেকবার প্লিজ! এবার একটা আসল, তৃপ্তিদায়ক পানীয় দিবেন।
তুমি অনেক চুপচাপ।তোমার কি হয়েছে?
কিছু না।
আমার মনে হয়, আমি তোমাকে এখানে দেখে হালকা চমকে গেছি।
না, তুমি আসলে সবসময়েই চুপচাপ।
এই! তুমি কি নিয়ে কথা বলছো? তোমার কি মনে নেই?
- আমি প্রচুর কথা বলতাম। - না...
আমার মনে আছে তুমি অনেক বিরক্তিকর ছিলে।
আমি? বিরক্তকর?
না, মনে করে দেখ, যখন আমরা প্রথমবার পরিচিত হয়েছিলাম
তুমি সবকিছু নিয়ে হাসছিলে...
- সত্যি? - হ্যাঁ।
আচ্ছা।
আমি তোমাকে হাসাবো।
দেখ
দেখ? আমি তোমাকে বলেছিলাম।
টক বাদে..
রসুন দিবো?
তারপর তুমি কখন ফিরে এসেছো?
সম্ভবত.... তুমি চলে যাওয়ার এক বছর পর..
তোমাকে যে সাইকেল দিয়েছি সেটা কি তুমি পছন্দ করেছিলে?
সাইকেল?
কোন সাইকেল?
আমি বাড়ি ফেরার আগে তোমাকে সাইকেলটি দিয়ে গিয়েছিলাম।
ওহ, হলুদ রংয়ের সাইকেলটা?
হ্যাঁ...
- আমি ওটা বিক্রি করেছি। - কি? তুমি বিক্রি করেছো??
হুমম। আমি জানি না কিভাবে সাইকেল চালাতে হয়।
- তাই বিক্রি করেছি। - দাঁড়াও
তুমি সাইকেল চালাতে পারো না কেন?
আমি নিজে তোমাকে শিখালাম।
স্কুলের মাঠে তোমাকে তিনদিন আমি শিখিয়েছি।
আমার সাইকেল ভালো লাগে না
চীনে আমিই মনে হয় শুধু সাইকেল চালাতে পারি না।
আচ্ছা, ঠিক আছে।
কিন্তু তুমি কেন এটা বিক্রি করে দিবে?
এটা আমার দেয়া উপহার ছিলো
ওহ... কিন্তু তুমি কেন আমি ব্যবহার করতে পারি না এমন কিছু দিবে?
আরে, তুমি কেমন করে....
তুমি কি তোমার সব বয়ফ্রেন্ডকে এভাবেই দেখ?
থামো! আমরা তখন ডেটিং করতাম না...
- হ্যাঁ, আমরা করছি। - তুমি আর আমি?
- হ্যাঁ। - না।
হ্যাঁ, তুমি আর আমি।
তুমি এগুলা কি উল্টাপাল্টা বলছো?
তুমিও কি উল্টাপাল্টা বলছো এগুলা!
তুমি কিভাবে এগুলা ভুলে গেলে?
হ্যাঁ, আমার মনে আছে তুমি সবসময় সাটোকোর পিছনে ঘুরঘুর করতে।
আমি? না, কখনো না। সে আমার পিছনে ঘুরত।
আসলে তোমার উপর আমার ক্রাশ ছিলো।
- সত্যি? - হ্যাঁ।
আমার এমন কিছু মনে পড়ে না।
কারন তুমি তখন বেনের সাথে সবসময় থাকতে।
আমি আর বেন?
হ্যাঁ, আমি শুনছি তোমরা...
- তোমাকে কে বলছে!? - আমার মনে নেই
এটা মিথ্যা!
হ্যাঁ, এটা মিথ্যা হতে পারে।
কিন্তু যখন আমি এটা শুনেছি, আমার হৃদয় ভেঙ্গে গিয়েছিল আমার।
মে..
তোমাকে যেটা বলছিলাম মনে আছে?
না, আবার বল
- আমি তোমাকে ভালোবাসি। - কি?
কবে বলছো?
সেদিন....
- সেদিন তোমার জন্মদিন ছিল। - ওহ, তাই? কয় তারিখ আমার জন্মদিন?
- মে? - তুমি একটা বড় মিথ্যুক
আচ্ছা!
তুমি হয়ত ভুলে গেছ...
কিসের কথা?
- আমাদের প্রথম চুমুর কথা। - কি বলছো এসব! কক্ষনো এমন কিছু হয় নি।
তুমি হয়ত ভুলে গেছ, কিন্তু তোমার ঠোঁট তো ভোলার কথা না।
No comments yet. Be the first to leave one.