Shivaji Surathkal

Shivaji Surathkal

Download Bengali Subtitle

Release info

✔️শিবাজী সুরাথকাল (২০২০) বাংলা সাবটাইটেল বাই সাইফুল ইসলাম সাকিব
A Commentary by Saiful_Shakib
🔵🔴🔵জনরাঃ মিস্ট্রি, থ্রিলার। 🕰️রানটাইমঃ 02:04:19 🔶🔶সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে “গুড রেটিং” দিতে ভুলবেন না। 📌ডাউনলোড লিংকঃ https://bit.ly/3iFH7z9

Tags

other
Published on: 2020-08-14
Downloads: 46
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

অনুবাদ ও সম্পাদনায় সাইফুল ইসলাম সাকিব

এটি আমার ৭ম একক বাংলা সাবটাইটেল।

ভুল-ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ থাকলো।

জানালা বন্ধ করে গাড়ি চালানোর কথাটা আর কতবার বলতে হবে?

কেন স্যার? কোনো সমস্যা?

- রানাগিরিতে নতুন? - জি স্যার।

ঠিক আছে। ঠিক আছে। জানালা বন্ধ করে দিন।

আর কোনো আওয়াজ শুনতে পেলেও গাড়ি না থামিয়ে চালাতে থাকবেন।

জানালা বন্ধ করে যান।

যান। তাড়াতাড়ি যান।

কী হয়েছে, আনোয়ার?

স্যার, গাড়ি চালু হচ্ছে না।

চেক করে দেখ।

স্যার, আমি নিচে নেমে দেখছি।

আনোয়ার!

আনোয়ার!

রোশান!

রোশান!

রোশান!

স্যার!

আনোয়ার, দেখ তো এখানে। কিছু একটা যেন পড়েছিল।

- এখানে কী পড়েছিল, স্যার? - মনে হলো কিছু পড়েছিল।

তুমি কোথায় চলে গিয়েছিলে?

স্যার, গাড়িটা নষ্ট হয়ে গেছে। সামনে একটা হোটেল আছে

ভাবলাম কোনো সাহায্য পেতে পারি।

সেখানে গেলে হয়তো কোনো সাহায্য পাব।

ঠিক আছে।

- গাড়িটা লক করো। - ঠিক আছে, স্যার।

নমস্কার স্যার। স্যার, আপনাকে কোথাও মনে হয় দেখেছিলাম।

খুবই পরিচিত চেহারা।

স্যার, উনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজীব রবির ছেলে, রোশান রবি।

স্যার, রানাগিরিতে স্বাগতম। আমাদের ৬ টা রুম আছে।

- আপনি ব্যাচেলর নাকি বিবাহিত? - দেখুন,

আমি এখানে থাকতে আসিনি।

আমার গাড়িটা নষ্ট হয়ে গেছে।

এখানে কোনো মেকানিক পাওয়া যাবে?

স্যার, এই সময়টায় এখানে মেকানিক পাওয়া যাবে না।

আগামীকাল সকালে অবশ্য আমি আপনাকে সাহায্য করতে পারবো।

আপনি আমার তাড়া বুঝতে পারছেন না। আমাকে আজকেই ব্যাঙ্গালুরু যেতে হবে।

আমি আপনার তাড়া বুঝতে পারছি, স্যার।

কিন্তু, আপনি বোধহয় রানাগিরি সম্পর্কে তেমন কিছু জানেন না।

অন্ধকার হয়ে যাবার পর, কেউ বাইরে বের হয় না।

ভাইয়া! চা।

- স্যার, প্লিজ। - হুম, ভাইয়া।

আপনি রানাগিরিতে প্রথমবার এসেছেন।

রাতে বের হওয়াটা নিরাপদ না।

জি, স্যার। এমনকি আমিও একই রকম পরামর্শ দেব।

ঠিক আছে। আপনাদের কথায় আশ্বস্ত হয়ে এখানে থাকছি।

তবে একটা কথা।

আমাকে ভাইয়া বলবেন না। রোশান বলে ডাকবেন।

স্যার, আসুন। আমি আপনাকে আপনার রুমটা দেখিয়ে দিচ্ছি।

- আনোয়ার! - স্যার।

সকালের মধ্যে গাড়িটা রেডি থাকা চাই। আমাদেরকে গন্তব্যে রওয়ানা দিতে হবে।

ঠিক আছে‚ স্যার।

আপনি ব্যাগপত্র নিচ্ছেন কেন?

আপনার এখানে কোনো কর্মচারী নেই?

যেই এখানে চাকরি করতে আসে, একমাসের মধ্যে ছেড়ে চলে যায়।

আমি লোক খুঁজতে খুঁজতে একদম বিরক্ত হয়ে গেছি।

কেন? কী সমস্যা এখানে?

অভিশাপ!

সেই ব্রিটিশ আমল থেকে এখানে কালো জাদুর চর্চার আতঙ্ক ছিল।

সেই আতঙ্ক এখনও বিদ্যমান।

এই কারণে চেকপোস্টের গার্ডরা

- জানালা বন্ধ রাখতে বলেছিল? - জি, স্যার।

আমিও আমার এখানের সম্পত্তি বিক্রি করার অনেক চেষ্টা করছি।

কিন্তু কোনো ক্রেতা নেই।

প্লিজ এই দিকে, স্যার।

আরে, ভাই! এখানে কি মোবাইলে নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় না নাকি?

নেটওয়ার্ক তেমন ভালো না, স্যার।

স্যার, একটা পার্সোনাল রিকোয়েস্ট।

রাতের বেলায় রুম থেকে বের হওয়াটা তেমন নিরাপদ না।

আপনার কিছু প্রয়োজন হলে ল্যান্ড লাইনে ফোন করবেন।

চাবিটা রাখুন, স্যার।

হুম।

- শুভ রাত্রি, স্যার। - শুভ রাত্রি।

রোশান!

স্যার, রোশান...

আমার ছেলে মরেনি।

এখনো বেঁচে আছে।

- রহিম! - স্যার।

তোমার ডিপার্টমেন্ট থেকে সেরা অফিসারকে রানাগিরি পাঠাও।

- জি স্যার। - আমি জানতে চাই

আমার ছেলের সাথে কী হয়েছিল।

এটা রেকর্ডের বাইরে রাখবে।

- তোমাকে ৪৮ ঘন্টা সময় দিলাম। - অবশ্যই খুঁজে বের করব, স্যার।

এই তথ্যটা কোনো ভাবে যেন মিডিয়ার কাছে লিক না হয়।

ঠিক আছে, স্যার।

- জি, স্যার। - ঠিক আছে।

ঠিক আছে।

আসুন, স্যার।

কী হয়েছে, স্যার?

আজব ধরনের একটা মানুষ! ফোন দিলে কখনো ধরে না।

মিসড কল দেখতে পেলে সে পরের দিন কল করে।

কে জানে কোথায় আছে!

কে, স্যার?

আমাদের ডিপার্টমেন্টের শার্লক হোমস।

পুরো আজব মানুষ!

চারপাশের পরিস্থিতি কল্পনার মাধ্যমে ক্রাইম কেসের সমাধান করে ফেলে।

নাম শিবাজী সুরাথকাল।

- হুম বলুন, স্যার। - আরে, শিবাজী।

তোমাকে কতবার ফোন দিলাম! আর তুমি এখন ফোন ধরছো?

একটা গুরুত্বপূর্ণ কেসের জন্য ফোন করলাম। কোথায় তুমি?

একটা সাইকো ৩-৪ বছর ধরে আমাদের ডিপার্টমেন্টের সাথে লুকোচুরি খেলছে।

তার ব্যাপারে একটা ক্লু পেয়েছি। সেটার খোঁজ নিয়ে আছি, স্যার।

শিবাজী, এসব সাইকোর কেসের কথা ছাড়ো তো।

তাড়াতাড়ি মাদিকেরীর কাছাকাছি রানাগিরি নামক জায়গাটায় যাও।

মাদিকেরীতে, স্যার!

জী!

শিবাজী!

জী!

- শিবাজী! - জী!

জী!

শিবাজী, শুনতে পাচ্ছো?

জি, স্যার‌।

স্যার, আমি এই কেসটা সামলাতে পারবো না।

বোঝার চেষ্টা কর, শিবাজী?

অতীত নিয়ে এখনো কেন পড়ে আছো?

আমি জানি গত ৫ বছরে তুমি কখনো মাদিকেরীতে যাওনি।

আমি এবার তোমাকে কোনো পার্সোনাল কেসে পাঠাচ্ছি না।

এটা একটা অফিসিয়াল কেস।

- স্যার, কিন্তু আমি আসলে... - কোনো অজুহাত দেবে না।

তোমার প্রয়োজনীয় সব রকমের তথ্য আমি হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে দিচ্ছি।

তাড়াতাড়ি মাদিকেরীতে যাও।

ঠিক আছে, স্যার।

- গোবিন্দ! - স্যার।

গাড়িটা ঘুরিয়ে নাও। মাদিকেরীতে যাবো।

- মাদিকেরীতে?! - হুম।

কোথায় যাচ্ছো তুমি?

মাদিকেরীতে?

আরেকটা নতুন কেস?

হুম। কেস নম্বর ১০১।

আমার অভিজ্ঞতায় খুবই আকর্ষণীয় আর আসলে খুবই উদ্ভট এক কেস।

মৃত ব্যক্তির নাম রোশান,

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজীব রবির ছেলে।

তার মারা যাওয়া জায়গাটার নাম রানাগিরি, মাদিকেরীর কাছাকাছি।

আমার হাতে ৪৮ ঘন্টা সময় আছে, কেসটা সমাধান করার জন্য।

আর আমার সময় শুরু এখন থেকে।

মৃত্যুর কারণ ভয়।

রক্তের দাগ নেই। হার্ট অ্যাটাক?

হতে পারে। একমাত্র পোস্টমর্টেম করলে সেটা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

শরীর প্রায় জমে গেছে।

মানে মৃত্যু কমপক্ষে ৮ ঘন্টা আগে হয়েছে।

ডান হাতের আঙুলে দুটো আংটি।

একটা নতুন, আরেকটা পুরাতন।

নতুন আংটিটা অনামিকায়।

হয় সম্প্রতি তার বাগদান হয়েছে

নতুবা গার্লফ্রেন্ড গিফট করেছে।

- গোবিন্দ! - স্যার।

তোমার মানিব্যাগ বের কর।

গোবিন্দ ডানহাতি।

তাই মানিব্যাগ প্যান্টের ডান পাশে রেখেছে।

তার মানিব্যাগ বাম পাশে। মানে সে একজন বাঁহাতি।

ঘড়ি বাম হাতে।

ঘড়িতে আঘাতের দাগ!

ভিকটিমের উচ্চতা প্রায় ৬ ফুট।

তার সাথে থাকা ড্রাইভার কোথায়?

- ড্রাইভার নিখোঁজ, স্যার। - নিখোঁজ মানে?

গতকাল রাত থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

- খোঁজাখুঁজির ব্যবস্থা কর। - জি স্যার।

লোকাল পুলিশ স্টেশনে তার ফটো ফ্যাক্স করো।

আর বলো খুঁজে বের করতে।

- ঠিক আছে, স্যার। - লাশ মর্গে পাঠিয়ে দাও।

পোস্টমর্টেম রিপোর্ট দ্রুত লাগবে।

- জি, স্যার। - বাহ! তুমি দেখছি স্মার্ট।

- ধন্যবাদ, স্যার। - তোমার উচ্চতা কত?

- ৫ ফুট ১১ ইঞ্চি। - ওহ! প্রায় ৬ ফুট। সাঁতার জানো?

না স্যার। পুকুরের পানিতে খেলা করতাম। এতটুকুই।

ভেবেছিলাম ডুবে যাবে। কিন্তু সেরকমটা হয়নি।

স্যার!

কীভাবে একজন ৬ ফুটের মানুষ ৫ ফুট পানিতে ডুবে মারা গেল?

কোনো সম্ভাবনা নেই।

কিছু একটা গড়বড় আছে। কিছু একটা গড়বড় আছে।

এখানে কিছু একটা গড়বড় আছে। কিছু একটা গড়বড় অবশ্যই আছে।

কিছু একটা...

রোশানের মোবাইল।

- লাশটা কে তুলেছিল? - আমি, স্যার।

- আপনি কে? - এই রিসোর্টের মালিক।

একটা কফি অর্ডার করুন।

- তো... আপনি প্রীতম শেট্টি। - জি, স্যার।

আপনার স্ত্রীর নাম স্মিতা শেট্টি।

আপনাদের দুজনের বিয়ে হয়েছিল ২০১৩ সালের ২৬ শে জানুয়ারিতে।

আপনি কমার্শিয়াল এয়ারলাইনের পাইলট হিসেবে চাকরি করতেন।

কিন্তু বর্তমানে আপনি সেটা ছেড়ে এই রিসোর্টটা পরিচালনা করছেন।

ঠিক বললাম?

জি, স্যার। একদম ঠিক বলেছেন। আপনি এসব কীভাবে জানলেন?

আপনার উজ্জ্বল মুখটা দেখেই বুঝে ফেলেছি।

না আছে ডার্ক সার্কেল। আর না রিংকেলস। মানে আপনি খোলামেলায় কাজ করেন না।

আপনি এসির নিচে বসে সুখে আর স্বাচ্ছন্দে কাজ করেন।

তবে সেটা কোনো আইটি জব নয়। ফ্যাট নেই। শারীরিক ভাবে সুস্থ।

আপনার উচ্চতা ৬ ফুট। হেয়ারস্টাইল পারফেক্ট।

পাশের দিকটা ঠিকঠাক কাটা।

ক্ল্যাসি বডি ল্যাঙ্গুয়েজের সাথে ক্ল্যাসি পারফিউম।

তো আপনি এমন কাজে ছিলেন যেখানে শারীরিক প্রাদুর্ভাবের গুরুত্ব দেওয়া হয়।

কোন কাজ?

পেছনে ঝোলানো ছবিগুলো দেখে

বুঝতে পারলাম আপনি পৃথিবীর কোণায় কোণায় ঘুরে দেখেছেন।

আপনার প্রিয় কালেকশনগুলো দেখলে বোঝা যায় আপনি উড়তে ভালোবাসেন।

এয়ার এশিয়া তাদের পাইলটদের এই ব্যাগগুলো গিফট করে থাকে।

মানে আপনি একজন কমার্শিয়াল পাইলট।

কিন্তু আপনি সেই চাকরিটা করা ছেড়ে দিলেন। কেন?

Shivaji Surathkal subtitles in other languages

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left