The first 200 lines.
সব মানুষের মধ্যেই কিছু না কিছু গোপনীয় বিষয় থাকে ...
সেটা কেউ কেউ তাদের আপনজন বা বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে.....
আর বেশী সংখ্যক মানুষ তা ঈশ্বরের কাছে প্রকাশ করে ...
কিন্তু তারপরেও তাদের মনে একটা গোপন বিষয় লুকায়িতো থাকে ....
বঙ্গানুবাদ ও সম্পাদনায় ☪♧মোরসালিন তানভীর♧☪
প্রিয় ঈশ্বর, আসলে ঈশ্বর কোথায় থাকে?
তুমি কি আসমানে নাকি পৃথিবীতে থাকো?
বাবা বলেছিলো যে, ঈশ্বর সবখানেই বিরাজমান।
বিস্তৃত তৃনভূমিতে ভেড়ার পাল এবং বাগানের মধ্যে প্রজাপতি।
আকাশে পাখি।
ঈশ্বর এরকম আরো অনেক কিছুই সৃষ্টি করেছেন মানবজাতির কল্যাণের জন্য।
এটা কি সত্যি?
যদি ঈশ্বর সবখানেই থাকে তাহলে শয়তান কিভাবে সবখানে ঘুরে বেড়ায়?
এর জবাবে পাপ্পা আমাকে বললো যে, ঈশ্বর যদি রাজা হয়।
তাহলে শয়তান হচ্ছে রাজার শত্রু যে ঈশ্বরের সাথে জিততে চায়।
যখন দেখা যায় যে শয়তান ঈশ্বরের সাথে জিতে গেছে, তখন বাচ্চারা পৃথিবীতে মারা যায়।
কিন্তু ঐসব মৃত বাচ্চাদেরকে ঈশ্বর উনার স্বর্গে আশ্রয় দান করেন।
আমি ওনাকে জিজ্ঞেস করলাম স্বর্গে তো বাবা মা থাকেনা তাহলে তারা কিভাবে সেখানে থাকে।
পাপ্পা, কোন উত্তর দিলোনা। শুধু অবাক দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে রইল।
চোখে জল ছলছল করছিলো। বাবারা এরকমই।
যখন কোন জবাব জানা থাকেনা, তখন বেচারাদের চোখ জলে ভিজে যায়।
ঈশ্বর কি করে এভাবে কাঁদাতে পারে? যখন মানুষ প্রচন্ড বেদনায় জর্জরিত থাকে।
পাপ্পা বলেছিলো যে তার চেহারার মধ্যে ঈশ্বরকে দেখতে পাবো,
তাহলে, আমার পাপ্পার চেহারা কি ঈশ্বরের মতো?
আমাদের জীবন সুখে পরিপূর্ণ ছিলো।
সে আমার সাথে খৃষ্টান হয়ে ঘর ছেড়ে বের হয়ে আসে।
সেজন্য তার পরিবারের সদস্যরা তাকে বাড়ি থেকে ত্যাজ্য করে।
গত ১২ বছর ধরে আমরা খুব সুখে শান্তিতে বসবাস করছি।
অর্জন বলতে যা আছে সেটা শুধুমাত্র একটা অটো আর এর মাঝে....
এখানে অনেক দিন কেটে গেলেও এখনো আমরা ভাড়া বাড়িতেই থাকছি।
জেরী, সে ছিলো আমাদের স্বপ্ন... সুখ!
মীরা আবার গর্ভবতী হওয়ার সুবাদে যখন আমাদের জীবন পরিপূর্ণ আনন্দে ভাসছিল।
ঠিক তখনই জেরীর অসুস্থতা পুরোপুরিভাবে আমাদের জীবনকে উলট পালোট করে দিলো।
দীর্ঘ তিন মাস পরে, আজকে আমি স্কুলে যাচ্ছি।
কিছু দিন আগে আমি নতুন একটা শব্দ শিখেছি।
মডুলো ব্লাসটোমা। ভুলে না যাওয়ার জন্য এটাকে মালু এবং রসুল বলা যেতে পারে ।
মা বলেছিলো যে...
আর কিছু দিন পরে আমার অসুখ পুরোপুরি ভালো হয়ে যাবে।
ঔষধগুলো আসলে খুবই তিতা!
পাপ্পা বলেছিলো যে এই সপ্তাহে আমার কোন স্পেলিং টেস্ট নাই।
আমি এখন অনেক খুশি, কিন্তু সর্বোপরি এখন আমার বর্তমান ইচ্ছে হচ্ছে...
আমি আমার পাপ্পা মাম্মাকে আবার আগের মতো হাসি খুশি দেখতে চাই।
এখন বর্তমান, পাপ্পার চেহারার মধ্যে এমন একটি অভিব্যক্তি প্রকাশ পায়।
যা নিদারুণ দুঃখ কষ্টগুলো নিজের ভিতরে চেপে রেখে, বাইরে থেকে হাসি খুশি থাকার চেষ্টা করা।
উনি কি আমার কথা চিন্তা করে এসব করে থাকেন, ঈশ্বর?
এই বাবু, তুমি দেখছি অনেক কিছু একেছো।
রাতে না ঘুমিয়ে, এইসব কার্যকলাপ করতেছো, তাইনা?
এহ না! এসব রাতে না ঘুমিয়ে করিনি তো।
আমি অনেকক্ষণ ধরেই ঘুমাচ্ছিলাম তারপর যখন চারটা বাজে তখন আমি উঠছি।
এরপরে আর ঘুম আসছিলোনা, তাই এই সময়ে একটু আঁকা আঁকি করছিলাম।
পাপ্পা আসলে আমার সোনার চানের আঁকা আঁকি খুব পছন্দ করে তাইনা?
কিন্তু ডাক্তার আমার সোনাকে কি বলেছে?
কোন ছেলেকে রাতে না ঘুমিয়ে কাজ করার জন্য প্রশ্রয় দিতে না করেছে, তাই নয় কি?
বাবু সোনা আজকে তোমাকে ক্লাসে যেতে হবেনা? তারপরে?
তারপরে? আজকে ক্লাসে গিয়ে, এইরকম করে ঘুমাবে।
না, এরকম কিছুনা।
তাহলে, ঠিকাছে বাপের ছেলে তাড়াতাড়ি তৈরী হয়ে নাও।
এই সোনা, এটা খুব ভালোভাবে ফুটে উঠেছে, দেখছি।
প্রিয় ঈশ্বর...
পাপ্পা, ওইটা পড়োনা ঠিকাছে। এই ..না ঠিকাছে, আমি পড়বোনা।
পাপ্পা, স্কুলে স্টুডেন্টরা কি আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করবে?
না, কিসের জন্য? তারা আমার বাবু সোনাকে দেখে ঈর্ষান্বিত হবে।
ঈর্ষান্বিত হবে? কিসের জন্য?
আমি আমার চুল এবং চোখের ভ্রু হারিয়েছি এইজন্য তারা ঈর্ষান্বিত হবে?
এইরকম কিছুনা বাবু, এখনও আমার বাবু সোনাকে এমন দেখাচ্ছে যে...
তুমি তাদের থেকে বেশী স্মার্ট, এজন্য তাইনা? কংগ্রাসুলেসন স্মার্ট বয়!
এই বাবু, যদি এরকমটা তাদের সাথে হতো...
তাইলে তারা কি হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাইতো?
এইরকম , তোমার মতো তারা কি স্কুলে যেতে পারতো? এরকম হলে তারা ট্রাউজারে হিসু করে দিতো!
পাপ্পা..উমমম... তুমি আসলেই অনেক স্মার্ট, ঠিকাছে!
শুনো,তোমার মা মন্দিরে গেছে তোমার খাবার ঐখানে রাখা আছে।
আর ঐখান থেকে একটা স্কুলের জন্য নিও।
পাপ্পা তুমি খাইছো? খাবোনা কেন সোনা, নিশ্চয়ই আমি খেয়ে নিবো।
আমি খেয়ে নিবো ঠিকাছে ।
দেবী মায়ের অশেষ কৃপায় তোমার ছেলের অসুখ খুব দ্রুত ভালো হয়ে যাবে।
তাছাড়া কোন বাধা বিপত্তি ছাড়াই তো একটানা তুমি সবগুলো যোগ্য সম্পন্ন করেছো, তাইনা?
যদি মনের গভীর থেকে প্রার্থনা করো তাহলে দেবী মা অবশ্যই তোমার কষ্টের কথা শুনবে।
ঠিকাছে তাহলে।
মীরা!
আমি একটা নতুন মুভি প্রযোজনা করতেছি।
তাই সারোভারামে আজকে একটা পূজা ছিলো।
এইদিক দিয়ে ফিরে যাওয়ার পথে, ভাবলাম এখানে একটু দর্শন দিয়ে যাই।
মীরা তুমি কি এখানে প্রায়ই আসো নাকি?
সাধারণত মালুর মা ই ওকে স্কুলে নামিয়ে দেয়, এটাই প্রতিদিনের রুটিন।
যাওয়ার পথে, সেও এখানে এসে দর্শন দিয়ে যায়।
আমি দেখেছি ওনাকে। আমি এখন আসি?
মীরা..আর যাইহোক তোমাকে অন্তত এভাবে দেখতে হতোনা , সুখেই থাকতে।
এইরকম একটা বিশেষ দিন আসছিলো কিন্তু।
মীরা, তোমার মনে নেই? পরিবারের সদস্যরা মিলে সবকিছু ঠিক করেই ফেলছিলো।
কোত্থেকে যে মাঝখানে একটা খৃষ্টান চলে আসলো।
কিন্তু এখনও আশা করি ...
একজন নিরাশ মানুষ হিসেবে, মীরা আমার মনের মাঝেই আছে।
ঐ প্রযোজক এখনও আমার পিছনে লেগে আছে, ইতর কোথাকার!
এমনকি মন্দিরে এসেও, রেহাই নাই!
চলো চলো, যাই!
ঠিকাছে তাইলে তুমি তাড়াতাড়ি ওঠো, তোমাকে বাড়িতে নেমে দিয়ে তারপর যাবো।
লাগবেনা, তোমরা যাও আমি হেঁটে চলে যাবো।
যাও,আর নিজের খেয়াল রেখো।
দাও, আমি ধরছি। সাবধানে।
আসো।
জেরীর অসুখ কি ছোঁয়াচে?
আমি বলতে চাচ্ছি যখন তার পাশে বসবো।
ওর ক্যান্সার হইছে, তোর মতো পচা চুলকানি হয়নি, যে সংক্রমণ ছড়াবে।
রসুল!
গাধা!
টিনু, দেখো ক্যান্সার কোন ছোঁয়াচে রোগ নয়।
জেরী, অনেক দিন পর আজকে আমাদের ক্লাসে আসতেছে সে কিছুটা টেনশনে থাকবে হয়তো।
ম্যাডাম দেখেন, জেরী আসছে!
আসো!
হাই জেরী! তুমি এখন যাও। ভিতরে আসো ম্যান!
আসো, এখানে বসো ম্যান!
হুইটস।
টিচার! টিচার, এক মিনিট শুনবেন!
একটা কথা বলার ছিলো। বলুন,বলতে পারেন আপনি।
অনেক দিন তোকে দেখিনি, কতদিন হয়ে গেছে?
সবাই হয়তো জানে, জেরী এখনও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠেনি।
তারপরও, শুধু ওর চিত্তবিনোদনের কথা চিন্তা করে...
ওকে স্কুলে পাঠাতে রাজি হইছি।
না, এই ব্যাপারে চিন্তার কোন কারন নাই, আমি প্রিন্সিপালকে সবকিছু খুলে বলছি।
বলছিলাম যে ওর সাথে ঔষধ আছে...
ওইটা ওকে বিকালবেলা খাওয়াতে হবে।
শুধু এইটুকু একটু খেয়াল রাখবেন, ঠিকাছে। তা নাহলে হয়তো ও বাইরে খেলাধুলা করার শক্তি পাবেনা।
এইটুকু করতে পারবেন না!
এসব ছোটখাটো বিষয় নিয়ে আপনাকে চিন্তা করতে হবেনা।
আপনি নিশ্চিন্ত মনে যেতে পারেন।
এই বাবু! হেই ম্যান, পাপ্পা চলে যাচ্ছে।
মনে করে খাবারটা খেয়ে নিও ঠিকাছে।
তুই সবার সামনে গাধার মতো এই মান্কি ক্যাপ পড়ে আসছিস কেন?
এই টিনু, নাহ ।
যখন সূর্যের তাপ প্রখরভাবে পড়বে, তখন ভয়ংকর যন্ত্রণা হবে, সেজন্য বলছিলাম?
বিশেষ করে ওর মতো বাচ্চাদের জন্য ।
আমি শুনছি যে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বাচ্চারা যখন এতে আক্রান্ত হয়, তখন আর চুল গজায়না।
তাই, হয়তো অনেক বছর পর জেরীকেও এইরকম দেখাবে।
ন্যাড়া মাথা অ্যালিয়েন!
এইসব কি? কি হইছিলো? ও কোথায়?
আমি ওকে দেখতে চাই। এই তুমি চিল্লাচিল্লি করোনা।
বলো, কোথায় ও।
এই আমার কথা শোনো, আমিও এইমাত্র এখানে আসলাম।
ওকে ভর্তি করা হইছে ভিতরে আছে।
ওহ, হ্যাঁ! জেরীর মা, এখন আসলেন নাকি?
এইমাত্র আপনার কথাই বলছিলাম, ভয়ের কিছু নাই, ঠিকাছে ।
ক্লাসের মধ্যে হালকা মারামারি হইছিলো, এতে সে পড়ে যায়।
রসুলের আম্মুর গাড়িতে করে দ্রুত ওকে এখানে নেওয়া হইছে।
যখন এই দুর্ঘটনা ঘটেছে তখন আমি রসুলের প্রিন্সিপালের সাথে দেখা করতে গেছিলাম।
ডাক্তার বলছে, কোন সমস্যা হবেনা।
জেরীর কাছ থেকে নাম্বার নিয়ে আমিই আপনাদের দুজনকে ফোন করেছিলাম।
এই হাসপাতালের ডাক্তারই ওর চিকিৎসা করেন এটা আমি জানতাম।
এইজন্য আমি তাকে এখানে আনতে বলেছি।
দেখুন, যদি জেরীর বাবা মা এসে থাকেন তাহলে বলেন যে, ডাক্তারের কেবিনে দেখা করতে।
তাইলে, আপনারা যান। আমরা এখানে আছি।
আচ্ছা তাহলে, ঠিকাছে।
যেকোন সময়ে যেকোন কিছু ঘটে যেতে পারে।
সেটা এক মাসের মধ্যে অথবা এক বছর পরেও হতে পারে ।
আবার এমনও হতে পারে হয়তোবা সামনে সপ্তাহে!
তাহলে আবার, ঠিক কি করতে হবে ডাক্তার?
চার মাস আগে যখন আমি প্রথমবার জেরীকে কনসাল্টস করেছিলাম,তখন আমি প্রাথমিক ভাবে বলছিলাম।
এটাই একমাত্র উপায়, এক্ষেত্রে একটা রেজাল্ট পাওয়ার সুযোগ আছে।
আর এসব ঔষধ এবং বিকিরণ পদ্ধতি সাময়িকভাবে রোগ মুক্তি দিবে।
কখনো কখনো, অলৌকিক কিছুও হতে পারে।
সেটা আমরা গবেষণা করেছি কিন্তু এক্ষেত্রে আমরা ব্যর্থ হয়েছি!
আপনি বললেন যেটা যে সার্জারি করার কথা, কত খরচ হবে?
যদি কম করেও খরচ হয় তাহলেও ১৩ লাখ টাকার মতো আসবে।
আমি জানি এটা অনেক বেশি।
কিন্তু কিছু একটা করা যেতে পারে তবে সেটা অপারেশনের সময়।
১৩ লাখ রুপি!
আমি আর মীরা.. ঠিক কি করবো কিছুই বুঝতেছিলাম না!
জেরীর চিকিৎসার জন্য ঐপর্যন্ত যত টাকা ধার করেছি...
তখনো সময় মতো, এগুলো সব শোধ করতে পারিনি।
বেচারা! কতো আকাঙ্খার পরে!
সেই সময়ে, স্কুলে গেলো, আর এইরকম একটা দুর্ঘটনার জন্য শুধু শুধু কষ্ট পেলো।
অন্তত পক্ষে তাকে সান্ত্বনা দেবার ক্ষমতাটুকুও নেই।
টাকার জন্য, আমরা হন্যে হয়ে ঘুরতে লাগলাম!
এই অবস্থায় প্রায় ১২ বছর পর।
আমরা মীরার বাড়িতে গেলাম।
কোথায় গেলো তার সেই জিদ যে মহিলা যাওয়ার সময়ে বলছিলো তার কোন সম্পদের ভাগ দরকার নাই।
এও বলছিলো যে এই সম্পদের প্রতি তার কোন লোভ লালসা নাই।
এইযে এইসব জিনিস যেগুলা তুই এখন দেখছিস এগুলো কিন্তু আগে ছিলোনা।
বাবা মারা যাবার পরে, সম্পদ আর ব্যবসার অবস্থা খুব একটা ভালো ছিলোনা।
তুই জানিস,যদি এখানে আজ বাবা থাকতো তাইলে সে তোকে এক কদমও ভিতরে আসতে দিতোনা...
যদিও এখন পরিস্থিতি অন্যরকম।
তারপরেও, শোন আমার দেওয়ার ক্ষমতা থাকলে তোকে সাহায্য করতাম।
দেখ, এইখানে যেসব গাড়ি পার্ক করা আছে, সব আমার বউয়ের বাড়ি থেকে দেওয়া।
এসব যদি আবার, আমি এখন তার থেকে অন্য কাউকে দেওয়ার চিন্তা করি, তাহলে এটা সম্ভব না।
শুনছিস তো, কি বলছি? আর বেশি কিছু বলতে পারবোনা, সে খুব প্রভাবশালী!
আমার বউ আবার এইরকম!
আচ্ছা ভালো কথা, তুই খবরের কাগজে একটা বিজ্ঞাপন দিসনা কেন?
এই বাচ্চাটির জন্য সাহায্য দরকার লিখে।
একটা একাউন্ট খুলে ফেল আর পেপারে একটা নাম্বার দিয়ে দে।
তুই জানিস এতে করে কতো টাকা কামাই হবে?
হয়তো, ছেলের চিকিৎসা করানোর পরেও কিছু টাকা বেঁচে যাবে, যা দিয়ে ভালোভাবে বাঁচতে পারবি।
তুই এটা চেষ্টা করে দেখছিস না কেন?
আমি মাকে একটু দেখতে চাই।
খামাখা এর মধ্যে আবার তুই মাকে টেনে আনছিস কেন?
মা যখন তোর নাম শুনবে, তখন এমনিতেই তার শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা বেড়ে যাবে!
আমি এখানে ধর্ম বা জাতের কথা বলছিনা।
যখন আলোচনার বিষয়বস্তু একটা নামের, কখনো এটা ভাবছিস তুই।
সম্প্রতি মা যে ব্যাপারটা নিয়ে অনেক কেঁদেছিলো সেটা তোর ছেলের নামের কারণে।
একটা নাম যেটা কাঁটার মতো বিঁধে! এই ছেরী এ!
তুই যাই বলিস।
এটা তো একটা পরিষ্কার কথা যে, ঐ খৃষ্টানটা যাকে নিয়ে আসছে সেওতো ওরই জাত।
No comments yet. Be the first to leave one.