47 Meters Down: Uncaged

47 Meters Down: Uncaged

Download Bengali Subtitle

Release info

47 Meters Down Uncaged (2019) BluRay- 480p - x264 -400MB
47 Meters Down Uncaged (2019) BluRay- 720p - x264 -850MB
47 Meters Down Uncaged (2019) BluRay- 1080p - x264 -2 3GB
A Commentary by kn_hasan
রানটাইম 01:30:04। আমার করা ১০ম একক বাংলা সাবটাইটেল। আশাকরি আপনাদের ভাল লাগবে।

Tags

BluRay
x264
480p
480
1080
720p
720
Published on: 2019-12-02
Downloads: 41
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

অনুবাদ ও সম্পাদনায় কে এন হাসান

- সত্যি? আচ্ছা। আচ্ছা। - হ্যা, কেনো নয়?

হেই, ওটা মিতা না?

দুঃখিত। আমি পিছলে গিয়েছিলাম।

ভাল করে সাঁতার কেটেছ তো?

আমাকে ছোঁবে না।

ওহ, খোদা।

এটা একটা দুর্ঘটনা ছিল, কসম করে বলছি

দোস্ত, তোমার বোন একটা পঙ্গু।

- সে আমার বোন না - এসো। চলো যাই।

ওহ, খোদা।

হতভাগা একটা

সে ভেজা কেনো? বিশ্বাস কর।

আমি ওটার জন্য দুঃখিত।

- আগামীকাল দেখা হচ্ছে, তাই তো? - হ্যা। আগামীকাল।

আচ্ছা। বাই।

ভীষণ মজার হতে যাচ্ছে এটা। ওয়াদা করে বলছি।

- মজার। - তোমার বিকিনি নিয়ে এসো।

কি হয়েছে আমাকে বলবে?

গাড়ি চালাও।

- হেই, মিসেস রাইলি। - হেই।

ওয়া, জামা কাপড় নিয়েই সাঁতার কাঁটতে যাবে?

চুপ কর, বেন

- হেই, মিমি। - আমাকে ওই নামে ডাকবে না।

ভিজে গিয়েছ কেন?

- সে ভিজে গেলো কি করে? - তার সাথে কথা বলতে হবে আমার, জানু।

কি হয়েছে?

হেই। কি হয়েছে?

স্কুলে, পুলে কেউ তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছে।

বড় কোনো বিষয় না।

এটা আমার দোষ না যে, কেউ তাকে পছন্দ করে না।

জানো, যা বললে এইটা সবথেকে বড় বাজে কথা।

দুঃখিত।

সাশা।

দেখ, আমি জানি এইটা কঠিন,

কিন্তু তোমাদের দুইজনকে একে অপরকে দেখে রাখতে হবে, ঠিক আছে?

আচ্ছা।

ধন্যবাদ।

তোমাদের কাজ শেষ হয়েছে?

হ্যা, সব ভরে ফেলেছি, বস।

- ঠিক আছে। ধন্যবাদ, বেন। - হ্যা।

- আগামীকাল দেখা হবে? - আগামীকাল দেখা হবে, কার্ল। বিশ্রাম নাও গিয়ে।

- হ্যা, যাচ্ছি। - আচ্ছা, ধন্যবাদ।

হেই, আমি আসলে কিছু মনে করবে?

কি করছ?

আমার এখানে থাকতে ঘৃণা করছে।

মিয়া, তুমি যা ভাব তার থেকেও অনেক বেশি শক্ত তুমি।

আর যদি তোমার মা এখানে থাকত, উনি তোমার জন্য গর্ববোধ করতেন।

উনি নেই এখানে, আছেন?

তোমাকে আমার মেয়ে বলে ডাকতে গর্ব হয়

দেখো, আমি জানি তুমি এবং সাশা মাঝে মাঝে ঝগড়া করো, কিন্তু আমরা একই পরিবারের।

সে আমার বোন নয়।

- মম - মম....খুব ভাল।

অসাধারণ।

হেই, আজ সকালে কি পেয়েছি, সেটা দেখতেই তো ভুলেই গিয়েছি।

এটা দেখ।

হুম।

- একটা হাঙরের দাঁত। - হ্যা।

- অনেক বড় একটার? - আমার ও তাই মনে হয়।

এটা কোথায় পেলে?

আমরা এটা শহরের নতুন অংশের চলাচলের রাস্তার কাছে পেয়েছি।

সুন্দর।

- কিন্তু হাঙরটা ওখানে গেলো কি করে? - আমি জানি না।

হতে পারে সে সুমুদ্রে সাঁতার কাটার সময় সিলের সাথে লড়াইয় করতে গিয়ে এটা পড়ে যায়।

১০০ বছর আগে এই টানেলে হারিয়ে যায়।

খুব সুন্দর এটা।

তুমি এটা রাখতে পার।

এরকম কিছুনা কিছু আমি সব সময় পেয়ে থাকি।

মেয়েরা, আমি জানি আমি বলেছিলাম, এ সপ্তাহের শেষে তোমাদের সাথে ঘুরতে যাব,

কিন্তু নতুন চলাচলের রাস্তা উন্মোচন হয়েছে,

এর মানে সেখানে একদল প্রত্নতাত্ত্বিক আসবে।

- পরের সপ্তাহে তারা চলে যাবে। - সমস্যা নেই, বাবা।

তাই আমাকে গুহার মাপের কাজ শেষ করতে হবে লাইট বসানো,

বিস্তারিত বলার প্রয়োজন নেই।

কিন্তু তোমাদের দুইজনের জন্য তোমার বাবা বিশেষ কিছুর ব্যবস্থা করেছে।

কি?

হাঙরের দাঁতটা হল সেটার সূত্র।

মেয়েরা, দেখ। এখানে, তাদের দেখাও।

এই যে।

" একটা কাঁচের তৈরি নৌকা ভ্রমন

বড় সাদা হাঙর দেখতে, তাদের নিজস্ব এলাকায়"?

আমার কাছে মজা লাগছে।

না। এটা শুধু পর্যটকদের জন্য।

আমরা ও একধরনের পর্যটক। মেয়েরা, ভীষণ মজা হতে চলেছে।

তারা তোমাদের নিয়ে যাবে, যেখানে বড় সাদা হাঙরদের খাওয়ানো হয়।

জাহাজের নিচের ভিউয়িং গ্যালারি থেকে তোমরা সেটা দেখতে পারবে।

- অসাধারণ হবে। - না। আমার আগামীকালের একটা পরিকল্পনা আছে।

তুমি তোমার পরিকল্পনাকে নতুন করে সাজাও।

আমার মনে হয় এটা তোমাদের দুইজনের জন্য সুন্দর মাধ্যম হবে

- একসাথে ভাল সময় কাটানোর। - হ্যা।

কোথায় যাচ্ছ?

অ্যালেক্সা আর নিকোল কে জানাতে, আমি আগামীকাল তাদের সাথে ঘুরতে যেতে পারছি না।

- ঠিক আছে? - আওয়াজ নামিয়ে।

আমি আগামীকালের জন্য দুঃখিত,

কিন্তু হাঙরগুলো সত্যি ভীষণ সুন্দর।

পরের সপ্তাহে আমি আর তোমরা স্কুবা ডাইভিং যেতে পারি।

মনে আছে কত বছর বয়সে তুমি আমার সাথে জলের নিচে ডুব দিয়ে ছিলে?

হ্যা, আমা...১০ বছর বয়স ছিল, বাবা।

দশ বছর। আমি যতজনকে দেখেছি, তুমিই সব চেয়ে কম বয়সে স্কুবা ডাইভিং করেছিলে।

- ধুর। তুমি আমার সাথে মজা করছ? - আর সবচেয়ে মিষ্টি।

হ্যা, তুমি দেখতে একটা ছোট্ট সামুদ্রিক বানরের মত।

ঠিক আছে, হাঙর দেখতে আজকে কে কে তৈরি আছ?

বাড়ি যাওয়ার পথে তোমাদের তুলে নেব, ঠিক আছে?

বাই।

হেই, মিমি। হাঙরকে খাওয়াতে ভুলে যেওনা।

- থামো। - হ্যা, মিমি, হাঙরকে খাওয়াতে ভুলে যেওনা।

উ.. হু..

হেই, যদি তুমি ডুবে যাও, আমরা তোমাকে বাঁচাতে আসব।

আমি তোমাকে বাঁচাব।

- উ....হু.. - উ....হু..

দেখ...

আমার বিশ্বাস হচ্ছেনা সে এখানে এসেছে।

ওহ, খোদা।

- তোমরা এখানে কি বাল করতে এসেছ? - চল। আমাদের পরিকল্পনা ছিল।

আমি বলেছিলাম, আমি পারব না।

দোস্ত, আমি তোমাকে এমন একটা জায়গায় নিয়ে যাব,

যেটা কোনো পর্যটক হাজার বছরেও খুঁজে পাবে না।

সারা জীবনে একবারই এমন সুযোগ আসে।

নাকি এই বাজে নৌকাতে ঘুরতে পছন্দ করবে?

ইয়াহ।

মানে থাক। যদি তুমি চাও।

হেই, মনে হয় তুমি ক্যাথরিনের বন্ধু হতে চাও।

সে কত সুন্দর...বল।

- বিশ্বসুন্দরী। - দোস্ত, চুপ কর।

সবকিছু তোমার উপরে।

- চল তো। - এক সেকেন্ড।

সত্যি এই মেয়েদের সাথে সারাদিন নৌকায় কাটাতে চাও?

- এসো। - সে ভীষণ ভয় পেয়েছে।

- কি ভাবছ? - জানি না।

এই মেয়েদের মাথায় চড়তে দিও না।

ক্যাথরিন।

এসো।

গুডবাই, ক্যাথরিন।

চল, এসো।

আচ্ছা, পা দেখেশুনে ফেলো।

হু...

দ্রুত এসো। আমরা প্রায় চলে এসেছি।

- তুমি এটা বলতে থাক। - এইবার দেখেই বলেছি।

ওহ, খোদা।

হু...

হোয়া...

মানে, এমন জায়গা তোমরা খুঁজে পেলে কি করে?

আহ, বেন আমাকে এখানে নিয়ে এসেছিল।

বেন? মানে আমার সৎ বাবার সহকারী বেন?

ওহ, সে...চুপ কর। ওহ, খোদা।

আচ্ছা, তাহলে আমরা নিচে নামব কি করে?

আহ, ওইখান দিয়ে একটা পথ আছে যেটা আমাদের নিচে নিয়ে যাবে।

হু...হু..হ

অথবা এই পথেও নামতে পারিস।

তোমরা কিসের অপেক্ষা করছ? এটা অসাধারণ।

আমি জানি না, আমি...

হু...

আমাদেরও এই পথে যাওয়া উচিত।

অসাধারণ ছিল।

পথের গুষ্টি কিলাই।

- হু.. - হু...

হু...

হু..

খুব সুন্দর।

এই জিনিস গুলো দেখ।

হোয়া

অনেক গুলো স্কুবা গিয়ার।

সব জিনিস গুলো, তোমার সৎ বাবা আর বেন এখানে সংরক্ষণ করেছে,

প্রত্নতত্ত্ববিদ দলের জন্য যারা পরের সপ্তাহে আসছে।

এটা কি শহরের প্রবেশদ্বারের কাছে?

ভাই, যদি আমার বাবা আমাদের খুঁজে পায়, সে আমাদের মেরে ফেলবে।

ঠান্ডা হও। আমি বেন এর সাথে কথা বলেছিলাম।

তারা যে নতুন টানেল খুঁজে পেয়েছে সেদিকে মাপঝোপ করছে।

তারা কখনোই জানবে না আমরা এখানে।

আমার কাছে শহরের মত লাগছে না।

এটা মায়ান।

তাদের সমাধিস্থলের বাইরে এটা তৈরি করেছিল,

দখলদারদের হাত থেকে লুকিয়ে রাখতে, যখন তারা এটা আবিষ্কার করেছিল।

পানির নিচে সুমুদ্রের মত গভীর।

ধন্যবাদ, প্রভাষক সাহেব।

বেন তোকে নিয়ে নিচে নেমেছে কখনও?

হ্যা, একবার।

কেমন জায়গাটা?

নিচের পরিবেশটা পাগল করে দেওয়ার মত।

মানে, একমাত্র আমরাই প্রথম গুহাতে ঢুকেছিলাম।

এটা বানানো হয়েছে প্রবেশের...

- এটা কি জিভালবা? - জিভালবা। হ্যা।

- ভয়ংকর পরিবেশ। - হ্যা।

- আমি যেরকম বলেছিলাম, পানির নিচের মায়ান সভ্যতা। -মম....হুম।

কবরের গুহা।

হ্যা, এটা সামান্য ভয়ের, কিন্তু খুব সুন্দর এলাকা।

ওখানে পুরোনো মূর্তি, বেদি আর মালপত্র রয়েছে।

তাহলে আমরা কিসের জন্য অপেক্ষা করছি?

চলো, শুধু প্রথম গুহাতে।

- কিন্তু আমার বাবা... - মাইল খানিক দূরে আছে।

- হ্যা, ভেতরে ঢোকার জন্য তাদের কাছে ভিন্ন পথ আছে। - এদিকে,দেখ।

সবকিছু আমাদের প্রয়োজন।

মানে, এটার কোনো পাখনা নেই....

চল তো। প্রথম গুহা শুধু। আমরা পুরো এলাকাজুড়ে তো সাঁতার কাটব না।

গুহাতে ডাইভিং বিপদজনক।

- "গুহাতে ডাইভিং বিপদজনক!" - না। মিয়াই ঠিক, নিকোল।

আমি এসবের ব্যাপারে আসলে কিছুই জানি না।

দেখ, আমরা এত দূরে এলাম আর মন্দিরই দেখব না? এটা হয়?

- এমন কিছু দেখবে যেটা পছন্দ না হয়ে যাবে না। - হ্যা।

আমরা ভেতরে যাব, একবার প্রথম গুহাতে ঢুকে ঘুরব, তারপর বেরিয়ে চলে আসব।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left