The first 200 lines.
অভিজ্ঞতার প্রেক্ষিতে, তোমার আত্নাকে সম্পূর্ণ্য করে নাও।
আত্নাকে মুক্ত করে দাও।
নিজেকে ডুবিয়ে ফেল আত্নার অপরিবর্তনীয়তায়
চিরকালের জন্য হয়ে যাও নিরেপক্ষ।
আমার মতে,
অধ্যায়াত্মা উপনিশদের
এটাই সত্য উপলব্ধি। শ্রদ্ধা গ্রহণ করুন।
পিতা-মাতার ভালবাসা থেকে তোমার জন্ম হয়েছে"
" ঈশ্বর সেই যে তোমার পার্থিব অস্তিত্বের সাগরে সদা বিরাজমান"
আত্নত্যাগ করার মাধ্যমে
তুমি কৃতজ্ঞ বোধ করিবে।
ত্যাগ কে সবকিছু মনে করে
জীবনকে শেষ করে দেওয়াই কি অধ্যায়াত্মা?
তোমার মতামত এখানে এসে ব্যাক্ত করছ না কেন?
মহাযুদ্ধের বীজ ছদ্মবেশে নির্বাসিত থেকেই অংকুরিত হয়েছিল।
পান্ডবরা যদি নির্বাসিত অবস্থায় ধরা পড়ে যেত
তাহলে তাদের আরও প্রায় চৌদ্দ বছর নির্বাসিত অবস্থায় থাকতে হত।
তারপরেও তারা যুদ্ধে জয়লাভ করতে পারত কি না তার ঠিক নেই।
তুমি তখনই আলোকিত হবে যখন তোমার আত্নচেতনা উপলব্ধি করতে পারবে।
ঈশ্বরকে যদি খুজে পেতে চাও,
ওটাতে কোন আত্নচেতনা নেই।
নতুন সমাজের বিরুদ্ধে সাধনা দিয়ে সংঘর্ষ কর।
তবেই মুক্তি মিলিবে।
অসাধারণ।
তোমার বুদ্ধি আর জ্ঞান
দুনিয়ার দিশা পাল্টে দিতে পারে।
আমাদের হরিদুয়ারের মঠের লক্ষ্যও তাই।
যোগ দেবে আমাদের সাথে?
সঠিক সময় না আসা পর্যন্ত,
আমরা ভিন্ন ভিন্ন পথে যাবো।
পথ আলাদা হলেও আমাদের লক্ষ্য সবসময় এক থাকবে।
সমাজে সাম্য নিয়ে আসতে আমাদের এই যুদ্ধ জিততে হবে।
শীঘ্রই আবার দেখা হবে।
যখন আপনি নিজেকে ভুলে এমন একটা কিছুতে বসবাস করেন
যেখানে অন্য কারো প্রবেশ করা অসম্ভব
তখন যুদ্ধক্ষেত্রে এক প্রকারের রক্তই দেখা যায়।
সেটা তোমার শত্রুর।
তুমি তোমার নাম আমাকে বল নি।
সন্যাসী
সমাজের দেওয়া নাম আর সম্পর্ক
সাপের চামড়ার মত হয়ে থাকে।
আজ থেকে তোমার নাম হবে
সর্বনন্দ।
এই মহাযুদ্ধ শেষে, চারিদিকে শুধু ধ্বংসই ধ্বংস হবে।
উৎসর্গ "আরুশ আরিয়ান"
অনুবাদ ও সম্পাদনায় কে এন হাসান
:.:.: Asur Season 02 Episode 02:.:.:
টিভির পর্দায় সরসরি তিনটে খুন হতে দেখে পুরো দেশের মানুষ ভয় পেয়ে গেছে।
প্রশ্ন উঠেছে এমন অসম্ভব কাজ সে করল কিভাবে?
পুরো সিস্টেমকে সে হাটুর নিচে নামিয়ে দিয়েছে।
আমার বোঝার বাইরে।
অভিজ্ঞদের মতে, এতবড় সাইবার অ্যাটাক হ্যাকার বা অভিজ্ঞ কেউ করা ছাড়া সম্ভব না।
না, আমি বুঝতে পারছি না সে একই সময়ে তিনজনকে কিভাবে খুন করল।
এমনকি সেখানে উপস্থিত না থেকে।
আর কোন কেসে বিষাক্ত কিছুও ছিল না।
হুম।
ভিক্টিম প্রশান্ত কাপুরের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ।
মৃত্যুর কারণ কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট।
চামড়া অথবা চুলে অস্বাভাবিক কিছু নেই।
ধমনিতেও না
যেটার কারণে স্ট্রোক বা ব্রেনে ক্ষতি হতে পারে।
স্ক্যাপেল। (সার্জারি করার ছুরি বিশেষ)
পেসমেকার!
পেসমেকার থাকতে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট কিভাবে হতে পারে?
মৃত্যুর কারণ পরিষ্কারভাবে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট বলছে।
আসলেই।
আর দুইটা মৃত্যু কিভাবে হল খুঁজে দেখতে পারবে?
সবকিছু ঠিক আছে?
হ্যাঁ। আপনার ফোনের অপেক্ষায় ছিলাম।
আসলে রিয়ার পরে আমাকে আর কোন কাজ দেন নি।
সঠিক সময় এলে তোমার কাজের নির্দেশনা পেয়ে যাবে।
তোমার ঠিকানা বদলানোর সময় এসে গেছে।
মানুষ তোমাকে খু্ঁজছে। মানে সিবিআই?
ওদের নিয়ে চিন্তা কর না।
ওদের প্রতিটা পদক্ষেপে আমরা চোখ রাখছি।
বাইরে থেকেও ভেতর থেকেও।
তুমি শুধু সাবধানে থেক।
ভেতরে থেকেও মানে কি?
আমার মা আমাকে জন্ম দিয়েছে
কিন্তু লোলার্ক স্যার জীবন দিয়েছে।
এখনো বেঁচে আছি শুধুমাত্র লোলার্ক স্যারের কারণে।
তার কাছে ঋণী আমি।
যদি উনি না থাকত...
তাহলে খুনী উনার জায়গায় আমাকে মেরে ফেলত।
তাহলে খুনী উনার জায়গায় আমাকে মেরে ফেলত।
তাহলে খুনী উনার জায়গায় আমাকে মেরে ফেলত।
শিতিজ, শোন ভাই। তোর সাহায্য লাগবে আমার।
খুব গুরুত্বপূর্ণ।
কারো ফোন ট্যাপ করতে হবে।
ফালতু পরিশ্রম করছেন আপনি।
বললাম না,
কখনো তার সাথে দেখা করিনি।
কখনো তাকে দেখিনি।
কিন্তু সে
আমার ব্যাপারে সবকিছু জানে।
সর্বজ্ঞ সে।
সত্যি তুমি আমাদের বিশ্বাস করাতে চাও যে
ফোনে আওয়াজ শুনেই এসব করছিলে?
তুমি কখনো ঈশ্বরকে দেখেছ?
সেটাই!
ঈশ্বরের আওয়াজই আমার জন্য যথেষ্ট।
কিচ্ছু করতে পারবে না তোমরা। কিচ্ছু না।
ডিজে।
তোমার মনে হয় আমি মৃত্যুকে ভয় পাই?
শুভর কাছে তোমার জীবন মানে কিছুই না।
পুরাই অকেজো।
তোমার আমাকে ধন্যবাদ দেওয়া উচিত।
রিয়াকে আমি মারিনি।
মুক্তি দিয়েছি।
ব্যাথায় জর্জরিত ছিল সে।
বেচারা টিকটিকির মত দাপাদাপি করছিল।
কোটর থেকে চোখ বেরিয়ে এসেছিল।
চিৎকার করার চেষ্টা করছিল।
কিন্তু টু শব্দও করতে পারেনি।
কিন্তু কিছু সময় পরে,
তার সব ব্যাথা দূর হয়ে গেছিলো।
মুখ জুড়ে খুশির ফোয়ারা ঝরছিল।
আমার দিকে তাকিয়েছিল
যেন তার কোন উপকার করেছি....
ওয়েল্কাম ব্যাক, ধনঞ্জয় রাজপুত।
জানি আমি
যুদ্ধক্ষেত্র থেকে তুমি বেশিদিন দূরে থাকতে পারবে না।
কখনো ভেবে দেখেছ যে
তোমার সমস্ত কর্মকান্ড সম্পর্কে আমি কিভাবে জানতে পারি?
অসফলতার সমার্থক শব্দ হয়ে গেছ তুমি।
নিজের স্ত্রী, বন্ধু
আর রিয়াকে বাঁচাতে ব্যার্থ হয়েছ।
এই অসফলতার কারণ তোমার নৈতিকতা।
এই যুদ্ধে যতক্ষণ সততাকে ঢাল বানিয়ে লড়াই করতে থাকবে,
ততক্ষণ তোমার আদর্শের কাছে তুমি হারতে থাকবে।
শেষে গিয়ে তোমার আদর্শই শুধু থাকবে,
আশেপাশের মানুষগুলো নয়।
কি হল? ধনঞ্জয় রাজপুতের কাছে কোন উত্তর নেই?
শব্দটা শুনতে পাচ্ছিস?
এখন থেকে এটাই হবে তোর প্রতিটা প্রশ্নের উত্তর।
হেই, এই দিকে।
দ্রুত ডাক্তার ডাকো।
তিন জনের হার্টেই পেসমেকার লাগানো ছিল।
এবং তিনজনই হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছে।
মানে একই পদ্ধতিতে সবাইকে মারা হয়েছে।
কিন্তু, কথা হচ্ছে
একই সময়ে তিন পেসমেকারে কিভাবে সমস্যা হল?
এটা হ্যাক হতে পারে?
স্যার, দেখে তো পেসমেকার বা ডি-ফিব্রিলেটর মনে হচ্ছে।
ডি-ফিব্রিলেটর কি?
মানে কখনো যদি হার্টবিট বন্ধ হয়ে যায় তখন এটার মাধ্যমে পাম্প করে সেটা ফিরিয়ে আনতে পারি।
হ্যাক করা যায়?
হ্যাঁ, স্যার। দেখছি।
হ্যাঁ।
স্যার, এটার একটা রেডিও চিপ রয়েছে।
এইখানে।
মানে সে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সী ট্যাপ করে
পেসমেকার হ্যাক করে
ডি-ফিব্রিলেটরের শককে এতটাই বাড়িয়ে দিয়েছে
যাতে হার্ট ফেল হয়।
ঘরে বসে শুধু বাটনে চাপ দিয়ে
ওদের মেরে ফেলেছে। কিন্তু সেটা সম্ভব না কারণ,
রেডিওর ফ্রিকোয়েন্সী একটা নির্দিষ্ট এলাকায় সীমাবদ্ধ।
তাই এটাকে হ্যাক করার জন্য ভিক্টিমের খুব কাছে থাকা প্রয়োজন।
কত কাছে?
২০ ফিটের মত।
মানে সে ভিক্টিমের কাছাকাছি কোথাও ছিল।
তিনটা ঘটনারই সিসিটিভি ফুটেজ বের কর।
দেখি খেলোয়াড়টা কে।
আমি যেটা শুরু করেছি, সেটা শেষ করা প্রয়োজন।
নয়না, এসবে তোমাকে জড়ানোটা
আমার উচিত হয় নি।
জানোইতো সামনের পথ কতটা কঠিন।
ডিজে, কিছু ক্ষত এতটা গভীর হয় যে
সময় ও তাকে ঠিক করতে পারে না।
আমাকে করতে হবে।
নয়না, কথা...
আমাকে নিয়ে চিন্তা কর না।
আমি ঠিক থাকব।
ডিজে, এটা একটা প্রযুক্তিগত যুদ্ধ।
আর জানোই তো তুমি কতটা মান্ধাতার আমলের।
তোমার আমাকে প্রয়োজন।
জেলে আগুন লাগার পরে, শুভ ওখান থেকে তিনজনের সাথে পালিয়েছিল।
কারা ওই তিনজন?
পালিয়ে শুভ কোথায় গিয়েছিল?
কার সাথে দেখা করেছিল? এত রসদের জোগান সে পেল কোথায়?
কিছুই জানি না আমরা।
আমরা ততদিনের গল্পই জানি যতদিন শুভ জেলে ছিল।
কিছু শক্তপোক্ত তথ্য পেয়েছিলাম
যখন
লোলার্ককে বানারস পাঠিয়েছিলাম।
সোয়াতির ফোন থেকে কিছু পাওয়া গিয়েছে?
ঠিক করা কঠিন, তবে চেষ্টা করছি।
তাকে ধরার একটা পথই এখন খোলা আছে। অতীত ঘেটে।
অতীত
প্রায়শই ভবিষ্যত সম্পর্কে পরিষ্কার জানান দেয়। আর শুভর অতীত বানারসে।
আমি বানারস যাচ্ছি।
এই বৃদ্ধলোকের অ্যালার্ম ক্লকে ট্রান্সমিটার ডিভাইস লাগানো, স্যার।
দিবাকান্ত সাহেব যখনই বাটন চেপেছে
তখনই হার্ট অ্যাটাক হয়েছে।
পরিবারের লোকজন বলছে অ্যালার্ম ক্লকটা এমনিতে পড়েই থাকত।
ওটার সাথে কে কি করেছে তা কেউ জানে না।
এখানেই সবশেষ।
ট্রান্সমিটারটা এক মাস আগেও লাগাতে পারে।
আমরা খুঁজে বের করতে পারব না।
No comments yet. Be the first to leave one.