The first 200 lines.
সুধীবৃন্দ, শুরু করার আগে...
...আপনাদেরকে মনে করিয়ে দিচ্ছি, এই প্রক্রিয়া কিন্তু মূল বিচার নয়।
দেখতেই পাচ্ছেন, এখানে কোনো বিচারক নেই।
বিবাদী পক্ষের উকিল নেই।
এটি একটি তদন্ত প্রক্রিয়া, যার শেষে...
আপনারা সিদ্ধান্ত নেবেন, আমি আপনাদের সামনে...
...মামলা দায়ের করার মতো যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ দিয়েছি কিনা।
যদি “হ্যাঁ” হয়, তাহলে এই কেস উচ্চ আদালতে যাবে।
যদি “না’ হয়, যদি আপনারা মামলা করার বিপক্ষে সিদ্ধান্ত নেন...
...তাহলে কেসটি আজ এখানেই শেষ হয়ে যাবে।
রেকর্ডের জন্য তোমার নামটা বলবে, প্লিজ?
তোমার নাম জিজ্ঞেস করা হয়েছে।
অ্যান্ড্রু স্টিভেন বারবার।
একটু জোরে বলো, যদি সমস্যা না থাকে।
অ্যান্ড্রু স্টিভেন বারবার।
তোমার পেশা বলতে পারবে, প্লিজ?
আমি ১০ বছর ধরে সহকারী জেলা অ্যাটর্নি হিসেবে ছিলাম।
“ছিলাম”?
মানে মিডলসেক্স কাউন্টিতে তুমি আর প্রসিকিউটর নও, ঠিক বললাম?
হ্যাঁ, ঠিক বলেছো।
মি. বারবার...
অ্যান্ডি।
আশা করি তুমি নিজের “৫ম সংশোধনী অধিকার” সম্পর্কে জানো?
আশা করি।
এবং সেগুলো বাদ দিয়েছো, ঠিক?
সেজন্যই তো এখানে এসেছি, তাই না?
ব্যাপারটা কি অস্বাভাবিক না, পরিস্থিতি বিবেচনায়?
আমি কোনো কৌশল খাটাচ্ছি না, তোমার মনে হলে কিছু করার নেই।
- কেউ তো সেদিকে ইঙ্গিত করেনি। - হ্যাঁ, তুমি করেছো। আমি জানি।
এসেছি কারণ আমি বিচার-ব্যবস্থায় আস্থা রাখি, এবং চাই সত্যিটা বেরিয়ে আসুক।
বেশ, তাহলে সত্য দিয়েই শুরু করা যাক।
বোস্টন গ্লোব থেকে পড়ে শোনাচ্ছি...
...যা কয়েক সপ্তাহ আগে বেরিয়েছিল।
“তারা জাতীয় খবরে পরিণত হয়েছেন...”
“...জাতীয় রেডিও এবং TMZ ভক্তদের কাছেও অনেক জনপ্রিয়...”
“...জনপ্রিয় পডকাস্টেও তাদের উপস্থিতি...”
“...শত শত লেখা ও অসংখ্য আর্টিকেল বেরিয়েছে তাদের নিয়ে...”
“...তাই ভুলে যাওয়া সহজ যে ১ বছর আগেও...”
“...তাদের জীবন আমাদের মতো বোরিং এবং একঘেয়ে ছিল...”
“...পারফেক্ট পরিবার বলতে কি কিছু আছে? অবশ্যই না...”
“...কিন্তু বারবার পরিবার হলো সুখী পরিবার...”
“...আর তাদের বিশেষত্ব বলতে যা আছে সেটাই এটা।”
জানি না তুমি একমত হবে কিনা।
তোমার পরিবারের ব্যাপারে কি ঠিক লিখেছে...
... যেদিন সকালে বেন রিফকিন খুন হয়েছিল?
“সুখী?”
হ্যাঁ।
১০ মাস আগে।
এই, ওঠো। সকাল হয়ে গেছে।
ওঠো। সকাল হয়েছে।
জেইক? চোখ দেখি।
আচ্ছা। আর কোনো উপায় রাখলে না।
শেষ সুযোগ।
- আমি উঠেছি, উঠেছি। - এই তো!
সুপ্রভাত, সোনা।
পড়া ধরতে পারবে? আজকে পরীক্ষা আছে।
- ওহ, তোমাকেও সুপ্রভাত। - সুপ্রভাত, মা।
গাড়িতে যাবে নাকি হেঁটে যাবে?
না, হেঁটে যাব। নতুন ওয়াফেল এনেছো?
লিস্টে লিখলে আনতাম। "Perspicacious."
“ভালভাবে বুঝতে পারা।” ওখানে নেই।
- লিস্টে লিখেছিলে? - হ্যাঁ।
তাহলে ওখানে আছে। "Cursory."
“ভাসা-ভাসা।” দেখতে পাচ্ছি না।
২য় তাকে, ডালের পাশে। "Myopic."
বললাম তো, পাচ্ছি না...
- "Myopic." - “ছোট দৃষ্টিতে দেখা।”
দৌড় কেমন ছিল?
- "Recalcitrant." - দারুণ।
শব্দার্থ টেস্ট।
ওখান থেকে একটা ছুঁড়ে দিতে পারবে, সোনা?
"Recalcitrant." জানি না।
- “কর্তৃপক্ষের অবাধ্য হওয়া।” - তাই নাকি? দাঁড়াও দেখি।
- ঠিকই বলেছো। - কোথায় দৌড়ালে?
বয়লস্টোনে। ইতিহাসের পডকাস্ট শুনতে শুনতে হারিয়ে গিয়েছিলাম।
তোমারও ভাল লাগবে।
- ঠিক আছে শুনবো। - না, শুনবে না।
ওহ, ক্লাউডিয়া হফম্যান আমাকে আবার ই-মেইল করেছে।
কে?
লিজি’র বোন। ভ্রমণ এজেন্ট?
- ও আচ্ছা, আচ্ছা। মেক্সিকো। - হ্যাঁ।
মেক্সিকোর কী ব্যাপার?
ক্রিসমাসে আমরা ওখানে যাব ভাবছি। আমরা তিনজন। তুমি কী বলো?
বেশ।
- আরেকটু খুশি হতে পারতে। - আমি খুশি।
সেটা চেহারাকে বলো।
কথাটা তোমার পছন্দের।
আসলেই পছন্দের।
শোনো, আমাদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
আমরা কি যাব?
মানে, জেইক তো খুশি।
না, সে খুশি লুকোচ্ছে।
আমি ওর মন ভাঙ্গতে চাই না।
তাহলে আমরা কেমন বাবা-মা হবো?
হাস্যকর।
- তাহলে আমরা যাচ্ছি? - আমি বলি, চলো। মেক্সিকোতে যাই।
দারুণ। আমি ওকে ফোন দেব।
আচ্ছা, আমার মিটিং আছে। তাই গোসলে গেলাম।
আচ্ছা।
- ওর পড়া ধরবে? - অবশ্যই।
- বাই, সোনা। - বাই।
"Phlegmatic."
পরে দেখা হচ্ছে, ওকে?
ইওর অনার, ব্যাখ্যা করার জন্য কয়েক মিনিট সময় নেব।
বিচারের আগে সেই সুযোগ পাবেন মি. মলয়।
মাদক বিতরণ করার মামলা হয়েছে।
বাজে কথা।
জামিন নিতে ১ হাজার ডলার নগদ দিন বা ১০ হাজার ডলারের ব্যক্তিগত ওয়াদা।
বলেন কী! মশকরা করছেন নাকি?
- ধন্যবাদ, ইওর অনার। - তাকে কোন দুঃখে ধন্যবাদ দিচ্ছেন?
বিচার পূর্ববর্তী কনফারেন্স হবে ২৪শে মে।
তারপর।
প্লিজ।
অভিযোগ নম্বর ১৭-২৮৩২, কমনওয়েলথ বনাম উইলিয়াম জে. মোর
হাতাহাতির অভিযোগ আনা হয়েছে।
মি. মোরের উকিল হাজির আছেন?
সুপ্রভাত, ইওর অনার।
কমনওয়েলথ?
ইওর অনার, আমার মনে হয় আরেকটা নতুন তারিখ দিতে হবে...
...কারণ আমরা কয়েকজন জরুরি সাক্ষীকে জিজ্ঞাসবাদ করতে পারিনি।
৪ মাস আগেই আপনাকে নতুন তারিখ দেওয়া হয়েছিল।
জি, ইওর অনার, কিন্তু এই সাক্ষীর খোঁজ পেতে কষ্ট হচ্ছে।
বিস্তারিত বলছি না, কারণ সেটা তার জীবনধারণ করার স্বাধীনতা।
কারণ সে একজন পতিতা, ইওর অনার।
ঠিক তার বন্ধুর মতো, যাকে আসামী পিটিয়েছেন।
শেষবারও এই অজুহাত দেওয়া হয়েছিল তাই আমি সেই পতিতাকে খুঁজে বের করেছি।
মাত্র একদিন লেগেছে।
সে হামলার কথাটা স্বীকার করেছে।
সে এটাও বলেছে, আসামীর আইনজীবি তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।
হয়তো তিনি নোট করতে ভুলে গেছেন।
- ইওর অনার, আমাকে যদি বলার সুযোগ দিন... - না, দিচ্ছি না।
নতুন তারিখ দেওয়া হবে না। ৩ সপ্তাহ পর বিচার শুরু হবে।
এরপর।
ঠিক আছে, ১৫ মিনিট পর আপনার একটা সেশন আছে।
এরপর লিনের অফিসে মিটিং আছে।
মনে হয় সে উইলিস কেসের আপডেট চায়।
ওহ, তাহলে দুজনকেই যেতে হবে। ববি, পিচ শেষ?
হয়তো, চেক করে দেখি।
ধন্যবাদ। কোমরের কী অবস্থা?
ওই তো, গতকালের চেয়ে খারাপ আগামীকালের চেয়ে ভাল।
বিচারপতি ফ্রেঞ্চের সাথে কনফারেন্স করতে চেয়েছিলেন।
তার কেরানী বলেছে, ২:৩০টায় সেটা সম্ভব।
ধন্যবাদ।
বলো।
ওহ, খোদা। আচ্ছা, কোথায়?
ওকে, হ্যাঁ। আমি আসছি।
কোনো সমস্যা?
আপনার কপাল ভাল, মি. বি। একটাই ছিল।
- ধন্যবাদ। - কী হয়েছে?
পুরো দিন কাজ করতে হবে।
দেখতে ভাল মনে হচ্ছে। না। বেশ ভাল।
সাবধানে বের করবে। নোংরা কোরো না।
মেয়েটাও তা-ই বলে।
এখানে কী করছো? কী চুবাচ্ছো? ওটা তো...
দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। জরুরি ভিত্তিতে আর্চার লকডাউন করা হলো।
সকল ছাত্রছাত্রী নিজেদের ক্লাসরুমে থাকো...
ঠিক আছে। ওকে।
বাচ্চারা, আমি ঘোষণাটা শুনতে পাচ্ছি না।
এদিকে এসো, দেয়ালে কাছে, প্লিজ। বোসো, শব্দ কোরো না।
আবার বলছি। আমরা লকডাউনে আছি।
খবর ছড়াতে সময় লাগেনি।
- হ্যাঁ, কঠিন অবস্থা হতে যাচ্ছে। - হ্যাঁ।
চলো।
উনিই প্রথম লাশটা দেখেছিলেন?
আর ছেলেটির ব্যাগ থেকে তারা ID কার্ড পেয়েছিল।
নাম : বেনজামিন রিফকিন। বয়স ১৪। বুকে তিনবার ছুরি মারা হয়েছে।
ওহ, সর্বনাশ!
আর্চারে জেকবদের ব্যাচে পড়তো। ও খোদা! তার বাবা-মার কী হবে!
তুমি তাদেরকে চেনো মনে হচ্ছে।
না, সেভাবে চিনি না।
যা হোক, তারপর বলো।
ডাক্তার ধারণা করছেন, মারা যাওয়ার ১ ঘণ্টার মধ্যেই লাশ পাওয়া গেছে।
ছুরি মারার ঘটনাটা হয়তো জগিং করার রাস্তার কাছে ঘটেছে।
- ওখানে অনেক পাতা পড়ে আছে। - আরে, আরে।
ঠিক আছে। গোয়েন্দা ডাফি আমাদের লোক।
তাদেরকে আসতে দাও। কী সমস্যা তোমার?
দুঃখিত, ডাফ। আজকের সকালটা জঘন্য।
বাচ্চার লাশ সবচেয়ে দুঃখজনক।
আমাদের ধারণা, ওখানে হামলা হয়েছিল।
তারপর লাশটা পড়ে গিয়েছে বা ধাক্কা দিয়ে ফেলা হয়েছে।
মনে হচ্ছে লাশ লুকোনোর জন্য কোনো চেষ্টাই করা হয়নি।
এদিকে এসো। সাবধানে।
মহিলাটি বলেছেন, লাশটির মুখ উপুড় করা ছিল।
ভেবেছিলেন, ছেলেটি হয়তো অসুস্থ। তাই ছেলেটিকে চিৎ করেছিলেন।
তারপর ছেলেটাকে দেখে প্রচণ্ড ভয় পেয়ে যান।
দ্রুত হামাগুঁড়ি দিয়ে উঠে দৌড় দেন।
মানে তথ্য পাওয়ার সব সুযোগ নষ্ট করে দেন।
মাফ করবেন। কলটা নিতে হচ্ছে।
জেকব, তুমি ঠিক আছো?
হ্যাঁ, স্কুল লকডাউনে। কিন্তু কেউ কারণ জানে না।
আমি জানি, এটা...
শোনো, এখন এটা নিয়ে কথা বলতে পারব না। ওকে, সোনা?
তুমি শুধু শিক্ষকরা যা বলে সেটা মেনে চলো।
হ্যাঁ, কিন্তু তুমি তো জানো। মানে, কোনো পাগলা বন্দুকধারী এসেছে নাকি?
না, তেমন কিছু না। তোমরা নিরাপদ। কথা দিলাম।
জেইক?
ওকে।
বাবা?
হ্যাঁ।
কী হয়েছে?
No comments yet. Be the first to leave one.