The first 200 lines.
অনুবাদকঃ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
আগেরবার ৫০% এরও বেশি পেয়েছিলাম।
কমসেকম ৫০ তো দিবে।
"পিয়ংসং, পিয়নগান প্রদেশ"
হারালে, সবাই তোমায় দোষ দিবে।
হাত উপরে।
পিছে সরো।
আমি চুরি করিনি।
ওগুলো আমার প্রেসক্রিপশনের ওষুধ।
সেও জানে। প্লিজ ওকে বলো।
এখন কেমন আছ?
চিফ রি।
তোমরা বাইরে যাও।
দেখে মনে হচ্ছে ডু ওন কিম আর গয়াং ডং পার্ক...
কিছু একটা প্ল্যান করছে। "ডি-ডে"ও ঠিক করে ফেলেছে।
"চিফ" "তাই হান রি"
একটু খোঁজ খবর নেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম, শুনলাম
চীনের নিরাপত্তা প্রধান ইন চিন র্যায়ুর সাথে ওরা দুজন যোগাযোগ করেছে...
আমাদের সাথে প্রতারণা করার জন্য।
তোমার কী মনে হয়?
"ডি" ডে'তে ওরা কী করার প্ল্যান করছে?
অভ্যুত্থান?
সমস্যা হলো ঐ বিশ্বাসঘাতকগুলো লিডারের সাথে যোগাযোগের পথ ব্লক করে রেখেছে।
আর তাই, উনাকে পরিস্থিতির কথা জানাতে পারছি না।
কোনো উপায় নেই ওদের সরাতেই হবে, যাতে উনাকে রিপোর্ট করতে পারি।
তো...
এজেন্টদের মাঠে নামাচ্ছেন না কেন?
আরে
গয়াং ডং পার্ক আর্মি হেড কোয়াটার কনট্রোল করে,
আর ডু ওন কিমের হাতে আছে সিকিউরিটি ফোর্স।
যদি আমাদের কোনো এজেন্ট ওদের মারতে ব্যর্থ হয়, যুদ্ধ লেগে যাবে।
এতে কোনো সন্দেহ নেই।
কিন্তু তুমি অনেক আগেই সংগঠন ছেড়ে দিয়েছ।
কমরেড ইওম।
যদি তুমি মিশনটা কমপ্লিট করো,
তুমি হবে বীর, যে নিজের দেশকে অভ্যুত্থানের হাত থেকে রক্ষা করবে,
আর তোমার পরিবার সম্মান ও বিশেষ সুবিধা পাবে।
আমি RGB এর চিফ। আমি কথা দিচ্ছি।
"সেওল"
"প্রতি নির্বাচনী জেলা অনুসারে"
"দেশব্যাপী ভোটারের ভোট দানের হার" "সেওল, বুসান, গাংজু"
- ধন্যবাদ। - দেশব্যাপী ভোটারের ভোট দানের হার
৭৫.৯% গণনা করা হয়েছে।
সেওল, ৭৬%।
বুসান, ৭৬.১%। গাংজু, ৮০.৩%।
সরি।
হায়রে, তোমাদের মাকে তোমাদের জন্য এত্তগুলো টাকা দিই।
ঠিকমতো খাওয়ায় না নাকি?
আম্মু বাইরের খাবার খেতে দেয় না।
এখন আম্মু নেই চটপট খেয়ে ফেলো।
- আব্বু। - হ্যাঁ।
তুমি আর আম্মু কি আবার একসাথে থাকতে পারো না?
একটা কারণ বলো যার জন্য আমাদের একসাথে থাকা উচিত।
আম্মু ডাক্তার, আর তুমি ব্লু হাউসে কাজ করো।
আমার দামই আলাদা হবে,
কিন্তু তোমাদের ডিভোর্সের কারণে বড়াই করতে পারি না।
দাম আলাদা হবে?
সে মিন।
তোমার বন্ধুরা কি মাঝে মধ্যে তোমার সাথে বাজেভাবে কথা বলে?
- হ্যাঁ। - বলে?
তাহলে, কোনো সন্দেহ নেই তুমি আমারই ছেলে।
এক সেকেন্ড। ঠিক আছে?
আব্বু, আমাদের ৬টার মধ্যে যেতে হবে। আম্মু চলে আসবে।
ঠিক আছে।
"ভোটগ্রহণ ফলাফল"
অভিনন্দন, স্যার।
হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে,
কিন্তু সবগুলো চ্যানেল প্রায় একইরকম ফলাফলের পূর্বাভাস দিচ্ছে।
সে রিম, সে মিন।
আব্বুর সাথে অনেক মজা করেছ...
এগুলো কী? বার্গার খাচ্ছ?
স্পেশাল বক্তৃতা?
ওহ, বদলি হিসেবে?
অবশ্যই, এ তো আমার সৌভাগ্য।
আরে জানেন তো বদলি সদলির ব্যাপারে আমি বেশ এক্সপার্ট।
জ্বি, হ্যাঁ।
আচ্ছা। সেদিন দেখা হবে তাহলে।
ভালো থাকবেন।
কই গেল?
"পিয়ংইয়াং"
STEEL RAIN
"রেস্ট্রিক্টেড এরিয়া" "ওয়ার্নিং"
দ্বিতীয় তলার গেস্ট এসে পড়েছে।
শুনলাম তোমার বস কেয়াসং ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্সের কারণে সমালোচনার শিকার হয়েছে।
হ্যাঁ। কাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্টেটমেন্ট দিবে।
কেয়াসং ইন্ডাস্ট্রিতে চীনা কোম্পানিদের যোগদান জাতিসংঘ নিষিদ্ধ করেছে...
যেসব কোম্পানি পারিবারিক সামগ্রী বানায় তাদের কিছু হবে না।
এভাবে চলতে থাকলে, ছয়-দলীয় কথা পরবর্তী প্রশাসনে অবশ্যই উঠে আসবে।
ওদের কিছু দেওয়ার এটা সঠিক সময়।
এটাই একমাত্র উপায় যার মাধ্যমে ওদের কাজ করাতে পারব।
এ রাজ্য নিরাপত্তা মন্ত্রী, ডু ওন কিম না?
ও তো উত্তর কোরিয়ার বড় মাপের লোক। ওকে কি এক নম্বর সরালো?
আমার মনে হয় না এটা এক নম্বরের কাজ।
"নিরাপত্তা মন্ত্রালয় পরিচালক" "হং জাং রি"
এটা এক্সিডেন্ট ছিল মাত্র।
- পাশে কে? - ইন চিন র্যায়ু।
চীনের নিরাপত্তা প্রধান।
ওর থেকে পাওয়া শেষ তথ্যে জেনেছি
উত্তর কোরিয়ায় বেশ বড়সড় ভাবে অভ্যুত্থান হবে।
পরবর্তী প্রশাসনের অনেক কিছু সামলাতে হবে।
তো, ব্লু হাউস থেকে বের হবার পর কী করবে?
পেকিং ইউনিভার্সিটিতে ইস্ট এশিয়ান রিসার্চ সেন্টারে
লেকচারার হলে কেমন হবে?
কী বলো?
- স্যার, কাচ্চি খাবেন? - অবশ্যই।
ওরা কোরিয়ার সেরা কাচ্চি বিরিয়ানি বানায়।
- হাফ কাচ্চি নিয়ে আসেন। - জ্বি।
- না, ফুলই আনেন। - অবশ্যই।
শুনলাম উত্তর কোরিয়ায় বেশ বড়সড় ভাবে অভ্যুত্থান হতে পারে।
মনে হচ্ছে ক্ষমতা নিয়ে ভালোমতোই যুদ্ধ লাগবে, স্যার।
উত্তর কোরিয়া ও চীন অফিসিয়ালি কেসটা এক্সিডেন্ট বলে বন্ধ করে দিয়েছে।
মনোনীত প্রেসিডেন্টকে কি জানাবো?
"মনোনীত প্রেসিডেন্ট গেয়ং ইয়ং কিম পুনর্মিলনের নতুন যুগ শুরু করতে শপথ নিবেন"
এমনিতেও উনি জানতে পারবেন।
সেটাই বেশি ভালো হবে, তাই না?
জ্বি।
বুঝতে পেরেছি, স্যার।
- কী খাবেন? - ভুনা খিচুড়ি।
বেশিক্ষণ লাগবে না।
"কমান্ডার পার্ক ২৪তম অন্তেষ্টিক্রিয়ায় কেয়াসংয়ে থাকবে। চাচাকে ফোন করতে এক চাপো।"
বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে আমাদের দেশে কী ঘটেছিল?
- ১৯১০ সালের জাপান-কোরিয়া চুক্তি। - ঠিক।
কিন্তু এর জন্য একটা উপযুক্ত নাম দরকার। একে জাতীয় সম্মানহানির বছর বলা হয়।
৩৬ বছর জাপানি শাসনামলের অধীনে থাকার পর,
১৯৪৫ সালে আমরা পুনরায় স্বাধীনতা অর্জন করি।
কিন্তু একটা জিনিস বলতেই হচ্ছে।
ইউরোপে, জার্মানি, যেখানে যুদ্ধ শুরু হয়,
পূর্ব পশ্চিমে ভাগ হয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।
কিন্তু এশিয়ায়,
কোরিয়া দুই ভাগে ভাগ হয়ে যায় যদিও এই যুদ্ধের মূলে ছিল জাপান।
যুদ্ধ কি আমরা শুরু করেছিলাম?
স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের ব্যর্থতাটা আমাদের নিজেদেরই।
ঠিক। তারপর কী হলো?
- কোরীয় যুদ্ধ। - হ্যাঁ, কোরীয় যুদ্ধ।
স্নায়ুযুদ্ধের প্রথম প্রক্সিযুদ্ধটা
আমাদের এই উপদ্বীপেই শুরু হয়েছিল।
ঔপনিবেশিক আমলে, যুদ্ধের ময়দানে অনেক লোকজন পাঠায়
আর তারা মারা যায়।
কমফোর্ট ওমেন সহ, মোট ৩০ লাখ মানুষ মারা যায়। (২য় বিশ্বযুদ্ধে জাপানি সৈন্যরা বহু দক্ষিণ কোরীয় নারীকে যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করে৷ তাঁরাই ‘কমফোর্ট ওমেন’ নামে পরিচিত৷)
তারপর, কোরীয় যুদ্ধ চলাকালীন আরো ৩০ লাখ লোক মরে।
বলতে গেলে, লোকসংখ্যার ২০ থেকে ২৫% মারা যায়।
সহজ করে বললে, প্রতি চার বা পাঁচজনে একজন করে মারা যায়।
বিংশ শতাব্দীর সর্বত্রই,
আমাদের চিন্তাধারা জাপানের উপর ভিত্তি করে ছিল।
তো, কী করেছি আমরা?
জাপানের মতো হবার চেষ্টা করেছি।
ফলসরূপ, স্যামসাং এখন সনির থেকে বেশি চলছে,
আর হোন্ডায় হোন্ডাকে ছাড়িয়ে গেছে।
এভাবেই আমরা জাপানের চিন্তাধারার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছি।
তাহলে, উত্তর কোরিয়া কী করেছিল?
জাপান হারল কেন?
- পারমাণবিক বোমা। - পারমাণবিক অস্ত্র।
পারমাণবিক অস্ত্র।
উত্তর কোরীয় সরকার
পারমাণবিক অস্ত্র বেছে নেই যেমনটা জাপান করেছিল।
- কী বলেন। - আশ্চর্য লাগছে, তাই না?
তোমরা হয়তো ভাবছ আমি কি এসব আবত তাবল বকছি।
এই, সে ইওং। আমি কি ভুল বলেছি?
সবাই জানে যে পারমাণবিক অস্ত্রই কেবল পারমাণবিক অস্ত্রকে থামাতে পারে।
- মানুষ বোঝে না কেন? - কীরে।
সত্যি করে বল।
আমাদের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে, পরিস্থিতি এত জটিল হতো?
জাপানের মতো আমাদের বিকল্প হিসেবে কমপক্ষে পারমাণবিক অস্ত্র রাখা উচিত।
অথবা, শুধু ঘোষণা করে দিলো
- আমরা পারমাণবিক শক্তি উন্নয়নের ব্যাপারে ভাবছি। - ট্যাক্সি!
চল।
- এই, সে ইওং। - তুই এখন মাতাল। ট্যাক্সিতে চড়।
- আরেকটু মদ খাব, ঠিক আছে? - উফ, ঢুক তো।
এই, সে ইওং। চল না, আরেকটু মদ খাই।
- প্লিজ? - উফ, কী শুরু করলি!
- মেরি ক্রিসমাস! - মেরি ক্রিসমাস!
হ্যালো! হ্যাপি ক্রিসমাস।
- চল। - এই! ছাড়।
ওরা আমাদের হ্যালো বলল।
আরে আমি বিল দিব। চল না একটু খাই।
আমার সকালে মিটিং আছে।
আমি গেলাম। মদ খা মানুষ হ।
সে ইওং, দাঁড়া। উফ।
- বাই! - সে ইওং।
আরে, আমার সাথে একটু মদ খা না।
ভালো করে খাও, আম্মু।
তুমি অনেক ভালো।
মিষ্টি একটা মেয়ে, আর পড়াশোনাতেও বেশ ভালো।
তাই, দক্ষিণ কোরিয়ার গান শুনবে না, ঠিক আছে?
আব্বু, জি-ড্রাগনকে চেনো?
জি-ড্রাগন?
ও বিগ ব্যাং এর মেম্বার।
বিশ্ববিখ্যাত গায়ক।
চায়নিজ ও রাশিয়ানরাও ওর গান শোনে।
এই মেয়ে!
মরার শখ জেগেছে?
দক্ষিণের গান শুনলে আমাদের সবার প্রাণ যেতে পারে।
আব্বুকে কথা দাও ওদের গান শুনবে না।
আমি শুনি কবে বললাম? চায়নিজ ও রাশিয়ানরা শোনে।
আচ্ছা শুনব না।
জলদি খাওয়া শেষ করো।
কোথায় যাচ্ছ?
আমাকে আবার একটা মিশন দেওয়া হয়েছে।
খুব জলদিই তোমাকে কিউবার দূতাবাসে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
টাকাটা রাখো।
No comments yet. Be the first to leave one.