The first 200 lines.
শ্রীমানথুডু
এক্সকিউজ মি স্যার, আমরা হায়দ্রাবাদে ল্যান্ড করতে চলেছি।
স্যার, মোল্ডিং ইউনিট থেকে মেট্রো স্তম্ভগুলি বেঙ্গালুরু পাঠানো হচ্ছে।
স্যার, অ্যাডমিন কর্মীরা আপনার সাথে এক মিনিট কথা বলতে চাচ্ছে।
শুভ সকাল, স্যার।
কী হয়েছে?
আগামীকাল আমাদের কলোনিতে শ্রী রাম নবমী উদযাপনের শেষ দিন।
তাই আপনি যদি আপনার পরিবারের সাথে এই অনুষ্ঠানে আসেন, তবে আমরা সকলেই খুশি হব।
দুঃখিত প্রসাদ, আগামীকাল সন্ধ্যায় আমাদের একটা পারিবারিক পার্টি আছে।
স্যার, কাল যদি আপনি আসেন তাহলে আমাদের সবার খুব ভালো লাগবে।
বললাম তো আমি আসতে পারব না।
তোমরা এখনও ঘুমাওনি?
তুমি কোথা থেকে আসছো?
ছোট একটা কাজে গিয়েছিলাম।
কাজটা কি আমাকে বলার মত কোনো কথা নয়?
অবশ্যই এটা বলার মত কথা। আমাদের কর্মীরা কলোনিতে শ্রী রামা নবমীর উৎসব আয়োজন করে...
...উদযাপন করছিল। আমি সেখানেই ছিলাম।
তাই নাকি? আমাকে তো বলতে পারতিস, আমিও আসতাম, তোরা ওখানে কী কী করেছিলি?
সবাই মিলে প্রসাদ খেয়েছি আর ঈশ্বরের গীত গেয়েছি।
তুই কি জানতি না যে আজ আঙ্কেল পার্টির আয়োজন করেছিলেন? তুই ছাড়া পরিবারের সবাই ওখানে উপস্থিত ছিল।
এসব পার্টি যে আমার পছন্দ নয় সেটা তো তুই জানিস কার্তিক।
হার্ষা, তুমি প্রতিটা পার্টির মজা মিস কর।
হ্যাঁ, আমি জানি।
অনেক বড় বড় লোকজন ওখানে এসেছিলো। তোমাকে সেখানে না দেখতে পেয়ে ভাইয়াকে তাদের সামনে বেশ অপদস্থ হতে হয়েছে।
আর আমি ওখানে যাওয়ায় কর্মীদের নজরে আমাদের মর্যাদা আরও বেড়ে গেছে।
যথেষ্ট হয়েছে হার্ষ!
কী হয়েছে তোমার?
এই কথাটাই আমি আপনাকে জিজ্ঞেস করতে চাই।
আমাদের কর্মীদের কথাকে অবহেলা করে কী এমন দরকার ছিলো বিনা কারণে এই পার্টি দেওয়ার?
তারা আমাকে ওখানে দেখে খুব খুশি হয়েছিল।
আমি তোমার সাথে কিছু বিষয়ে কথা বলতে চাই।
তুমি আমাকে এখন একটু সময় দিতে পারবে?
খুব দেরী হয়ে গেছে, সকালে কথা হবে। শুভ রাত্রি মা।
গতকাল আমি একটু মাটি আনতে বলছিলাম কিছু গাছের চারা লাগানোর জন্য।
এখন কি আমরা কথা বলতে পারি?
কিছুদিন ধরে আমি তোমাকে লক্ষ্য করছি। আসলে তোমাকে বোঝার চেষ্টা করছি...
তোমার আর আমার চিন্তাধারা এক নয়।
আমি আমার নিজের ছেলেকে বোঝার চেষ্টা করছি।
কী একটা অবস্থা!
স্কুলে পড়ার সময় তুমি বলছিলে তুমি হোস্টেলে থাকতে চাও,
ভেবেছিলাম বন্ধুদের সাথে থাকতে তোমার ভালো লাগে।
কলেজের জন্য তুমি অন্য শহরে গিয়েছিলে মনে করছিলাম কলেজ ভালো হবে।
ভালো লেখা পড়ার জন্য বিদেশ গিয়েছিলে তখন মনে করেছিলাম তোমার পুরো দুনিয়া দেখার ইচ্ছা আছে।
এরপরে তুমি পারিবারিক ব্যবসার কথা না ভেবে চাকরিতে যোগ দিলে,
ভেবেছিলাম তুমি কাজ শিখার জন্য করেছ হয়তো...
অবশেষে তুমি বাড়িতে এলে।
এরপরে মনে করছিলাম, তুমি এসে মনে হয় আমাদের ব্যবসা সামলাবে, কিন্তু তেমনটা হচ্ছে না।
বাড়িতে, তুমি শুধু একা একা থাকো। শুধু আমি একা নই, বাড়িতে কেউ তোমাকে বুঝতে পারে না।
কেন?
সব মানুষ এক রকম হয় না। আপনি নিজেকেই দেখে নিন।
আমি আপনাকে কখনও কারও সাথে স্নেহের সুরে কথা বলতে দেখিনি। কেন?
আমি এখানে তোমার সাথে তর্ক করতে আসিনি, তুমি কখন অফিসে এসে ব্যবসা সামলাবে?
আমার এরকম কোনো চিন্তা-ভাবনা নেই।
কী?
আমার আপনার ব্যবসা সামলানোর কোনো ইচ্ছা নেই।
তুমি এই হাজার হাজার কোটি টাকার সাম্রাজ্যের একমাত্র উত্তরাধিকারী।
বোকা লাগছে না...
আমি ভেবেছিলাম তুমি অন্যরকম, তবে তুমি তো পাগল...
তো এ সব নিয়ে আমি কী করব?
আমি কীভাবে বলবো?
আপনার বাবা কি করতো?
কৃষিকাজ-চাষবাস।
তার পরে আপনি কেন কৃষিকাজ চালিয়ে যাননি?
আপনি তার উল্টোটা করেছেন, কঠোর পরিশ্রম করেছেন এবং এই অবস্থানে পৌঁছেছেন। আমি আপনাকে এর জন্যই শ্রদ্ধা করি।
আমি যা চাই তা করতে দিন আর কিছুটা শ্রদ্ধা অর্জন করতে দিন।
তো তুমি কি করতে চাচ্ছো?
আমি এখনও কিছু ভেবে দেখিনি .. দেখা যাক
আর একটু মাটি নিয়ে আসবেন। - ঠিক আছে, স্যার!
রবি কী হয়েছে? সকাল থেকে তোমার একটা শর্টও পারফেক্ট মনে হচ্ছে না।
আমার ছেলে!
কী হয়েছে তার .. সে তো খুব ভালো আর চালাক, তুমি তো সেরা একটা ছেলে পেয়েছো।
আমিও সেটাই ভেবেছিলাম আর আশা করছিলাম...
সে একদিন আমার ব্যবসার দায়িত্ব নেবে কিন্তু অবশেষে সে আমাকে না বললো।
কী?
তার এই ব্যবসায় কোন মন নেই। সে তার নিজের ইচ্ছা মত চলতে চাচ্ছে।
এই বয়সে তারা এরকম চঞ্চল হয়ে থাকে, আমাদের উচিত তাদেরকে বোঝানো।
তুমি তাকে বিয়ে করিয়ে দিচ্ছো না কেন?
পরিবারের আমরা কেউ তাকে বুঝতে পারছি না আর ওই মেয়ে কীভাবে... চা - ধন্যবাদ।
তুমি কি জানো এই জীবনের সৌন্দর্য কী? এটাই সৌন্দর্য..
আর এই সুন্দর জীবনে কীভাবে জীবনযাপন করতে হয় জানো?
কীভাবে?
একটা সুন্দর উপায়ে।
হার্ষ, আগামীকাল অফিসে একটা নতুন প্রজেক্ট সম্পর্কে সভা আছে,
‘বোর্ড অফ ডিরেক্টর' এর তুমিও একজন সদস্য। তাই তুমি যদি কাল ওখানে থাকো...
সবার কাছে অনেক ভালো লাগবে।
কাল তুমি আসতে পারবে তো? অন্য কোনো কাজ নেই তো?
এত গুরুত্বপূর্ণ একটা মিটিং, আর সে কেন আসবে না বলো?
সে'ই সবার প্রথমে যাবে দেখে নিও।
হ্যালো স্যার, স্বাগতম!
এই অফিসের সব অবিবাহিত মেয়েদের নাম লিস্ট করে আমাকে দাও।
হার্ষা!
হার্ষা, তোর জন্য তো চাকরিটা পেয়ে গেলাম।
আর কিছুদিন যদি এভাবেই চলতে থাকে, তাহলে কোনো মেয়েও পটে যাবে, বিয়ে ও হয়ে যাবে, লাইফ ও সেট হয়ে যাবে।
সবাই আমাদেরকে দেখছে, একটু বন্ধুর মতো ঘাড়ে হাত রাখ না... পিছনের টা সেট হয়ে যাবে।
ঠিক আছে... ঠিক আছে... আমার বন্ধু।
সম্বন্ধটা বেশ ভালো, মাধব রাও। ছেলেটা শিক্ষিত আর পরিবারও ভালো।
সে কিন্তু কোনো যৌতুক চাচ্ছে না। শুধু তার ছেলের উচ্চ শিক্ষার জন্য...
টাকা চাচ্ছে, ব্যাস এতোটুকুই।
এটা আসলেই ভালো সম্বন্ধ, সুধাকার। কিন্তু আমাদের দিকটাও তো একবার দেখা দরকার।
এতবছর আমি শুধু ছেলের পড়াশোনা আর মেয়ের বিবাহের জন্য সমানভাবে পরিকল্পনা করেছি।
এখন আমি যদি সবকিছু তাকে দিয়ে দেই তবে তার ভবিষ্যতের কী হবে?
আরেকবার ভেবে দেখ...
তারা আজ সন্ধ্যায় তাকে দেখতে আসছে।
আমি আমার সক্ষমতা সম্পর্কে তাদের খোলাখুলি ভাবে বলে দেবো, যেটা ভাগ্যে রয়েছে তাই হবে।
স্যার মিটিং শুরু হয়ে গেছে, সবাই আপনার জন্য অপেক্ষা করছে।
সবাইকে স্বাগতম, এই প্রজেক্টের প্রযুক্তিগতকরণের আগে...
আমি কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করতে চাই।
আপনারা অধিকাংশই জানেন যে, আর কে ইঞ্জিনিয়ারিং এর আগে কখনও কোন সহযোগী কোম্পানীর সাথে জড়িত ছিল না।
তবে এই সব অতীতের ব্যাপার। আজ থেকে আপনারা আমাদের সাথে...
এই প্রজেক্টটে সহযোগী হিসেবে থাকতে পারেন।
তো আজকের পরিস্থিতিতে, সবাই আমাদের খুব আগ্রহের সাথে দেখছে।
আর এটি এখন অবধি সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ প্রজেক্ট হতে চলেছে। আমরা কী করব?
হার্ষ.... তুমি কি বিরক্ত হচ্ছো?
আমি ঠিক আছি।
মেঘনা... - আঙ্কেল।
তুমিও বিরক্ত হচ্ছো দেখছি, তোমরা চাইলে দুজনে নিচে গিয়ে কফি খেতে পারো...
ঠিক আছে ... অবশ্যই!
হার্ষা..
তুমি কি জানো যে তারা কেন আমাদেরকে এই ব্যবসায়িক মিটিং এ ডেকেছে?
যাতে আমরা দেখা করে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলতে পারি।
আমরা দু'জনেই ব্যবসায়ীক পরিবারের।
সাথে উচ্চ শিক্ষিত।
উনারা সবাই মনে করেন আমরা একে অন্যের জন্য তৈরি।
আর আমিও সেটাই মনে করি।
আমি দেখতে একটু ভালো কিন্তু তোমার জন্য পার্ফেক্ট নই।
আমার নিজের আলাদা একটা দুনিয়া আছে, হয়তো তুমি অনেক বোরিং ফিল করবে।
তুমি খুব বিনয়ী। আমি তোমাকে আরও বেশি পছন্দ করতে শুরু করেছি।
সৎভাবে বলতে গেলে তুমিও আমার জন্য পারফেক্ট নও।
তুমি আমার দুনিয়ার কেউ হতে পারবে না।
কফিও শেষ, আর আমাদের কথাও।
মাধব রাও ভাইয়ের ছেলে সুধীর।
আমাদের আপনার মেয়েকে খুব পছন্দ হয়েছে।
আমরা আপনার নীতি সম্পর্কে অনেক কথা শুনেছি আপনাদের সাথে সম্পর্ক হলে...
আমাদের সবার অনেক ভালো লাগবে।
আমার ছেলের ভবিষ্যতের জন্য আপনাকে কষ্ট দেওয়া একদম উচিত হচ্ছে না।
কিন্তু যদি তার ক্যারিয়ার ভালো হয় তাহলে আপনার মেয়েই তো সুখী হবে।
আমিও আপনাকে এই বিষয়টি বলতে চেয়েছিলাম। আপনি একদমই ঠিক বলছেন কিন্তু...
হার্ষা বাবা! তুমি... আমাদের বাড়িতে...
শুনলাম রাজনীকে দেখতে ছেলে পক্ষ এসেছে। তাই আমি চলে আসলাম।
আমাদের চেয়ারম্যান রবিকান্ত স্যারের ছেলে।
নমষ্কার স্যার! প্লিজ, বসুন স্যার।
আসুন স্যার। প্লিজ বসুন।
হাই স্যার! - হাই!
আমি আপনার বাবাকে দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছি। আমি কঠোর পরিশ্রম করে ওনার মত সফল হতে চাই।
শুভকামনা থাকলো।
মাধব রাও আমাদের কোম্পানিতে অনেকদিন ধরে কাজ করছেন। তিনি আমাদের পরিবারেরই একজনের সদস্য।
তার পরিবারের বিয়ে মানে আমাদের পরিবারের বিয়ে।
শুনলাম আপনার ছেলের উচ্চশিক্ষার জন্য কিছু টাকা লাগবে....
আমরা কোম্পানীর সবার জন্য কিছু শেয়ার বরাদ্দ করে রেখেছি। আমরা আপনাদেরকে হতাশ করবো না।
আপনারা শুধু তারিখ ঠিক করুন।
আমাদের ঘরের মেয়ে.. একটু ভালো করে খেয়াল রাখবেন।
তহলে, আমি উঠছি স্যার।
কাল অফিস থেকে ২০ লাখের একটা চেক দিয়ে দেব।
এই সাহায্য জীবনেও ভুলতে পারবো না।
এটা কোন সাহায্য নয়, এটা আমাদের দায়িত্ব। এত বছর ধরে আপনি আমাদের জন্য কাজ করেছেন।
তাই আমাদেরও উচিত আপনাদের জন্য কিছু করা।
সুধীর পড়ালেখা কেমন চলছে? - ভালো।
বাবার তোমার প্রতি অনেক বিশ্বাস। তোমার তাকে গর্বিত করতে হবে।
এখন ভিতরে যান। সবাই অপেক্ষা করছে।
হার্ষা!
তুমি মিটিং থেকে কোথায় চলে গিয়েছিলে... এরপরে আর আসোনি.. কোথায় গিয়েছিলে?
কীসের মিটিং?
মেয়ের সাথে দেখা করাবেন, এটা সোজা বললেই তো হতো।
অফিসে বোর্ড মিটিং এর কথা বলে বাচ্চাদের মত নিয়ে গেছেন।
এটা আমার কাছে খুব খারাপ লেগেছে।
সে মাধব রাওয়ের বাড়িতে গিয়ে ২০ লাখ টাকা দান করার কথা বলে এসছে।
আর অফিসে গিয়েও বলে দিয়েছে সকালেই যাতে তার কাছে টাকাটা পৌছে যায়।
এসব কী হার্ষ? ২০ লক্ষ টাকা! তুমি কী করার চেষ্টা করছো?
মানুষ হওয়ার চেষ্টা করছি।
উনি আমাদের জন্য অনেক বছর ধরে কাজ করেছেন।
তার অবদানে আমাদের অনেক উন্নতি হয়েছে। কিন্তু সে তার মেয়ের বিয়ে ঠিকমত করাতে পারছে না।
আমাদের লজ্জা হওয়া দরকার কার্তিক!
সবাই যদি সমস্যায় পড়ে তাহলে তুমি কি সবাইকে টাকা দান করবে?
তারাও আমাদের পরিবারের সদস্য।
মনে হয় এ সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না। জানলে আরো বেশি দিয়ে আসতেন।
কার্তিক, সে যাতে সকালেই টাকাটা পেয়ে যায়।
আজকে ২০ লাখ দিলো, আগামীকাল হয়তো কোটি টাকা দেবে।
তুমি এখনও ২০ লাখ টাকা নিয়ে ভাবছো। আর আমি তার চিন্তাভাবনা নিয়ে ভাবছি।
আমি জানতাম না যে, তোর বাবা তোকে মেয়ে দেখানোর জন্য অফিসে ডেকেছিল।
ঠিক আছে মা।
তুই কি কাউকে পছন্দ করিস, হার্ষ?
যদি এমন হয় তাহলে সবার প্রথমে তুমিই জানতে পারতে।
ঠিক আছে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়, কাল ভোর পাঁচটায় মন্দিরে যেতে হবে, তোর নামে পূজা রেখেছি।
ভাবি সন্ধ্যাকে বলছিলে না আজ ভোরে মন্দিরে যাবে। তাও আসেনি।
প্রতিদিন পার্টি করে গভীর রাতে বাড়িতে আসে।
জানি না ভবিষ্যতে কী হবে এই মেয়েটার?
কী ব্যাপার হার্ষ, তুমি একটা জায়গা দিয়ে এতবার আমাদেরকে ঘুরাচ্ছ কেন?
অন্ধকার তো, তাই রাস্তা ঠিকমতো দেখছি না।
দেবারকোটা!
চিন্তার কিছু নেই...তাদের দ্রুত নিয়ে যাও।
রামুদু, দেখতো ঐ পাশের রুমে কেউ আছে কিনা। - ঠিক আছে।
সাবধানে.... ভালোভাবে ধরো।
সাবধানে.....
আজ সকালে স্কুলে হাসতে হাসতে যাচ্ছিল আর এখন একেবারে আমাদেরকে ছেড়ে চলে গেল..
ডাক্তার। - স্যার।
কী অবস্থা?
চারজন বাচ্চার মৃত্যু হয়েছে স্যার।
দুজনের অবস্থা গুরুতর ছিল বলে আমরা তাদের শহরে পাঠিয়ে দিয়েছি।
এখানে কাদের বাচ্চারা মারা গেছে?
বন্ধ করো এসব।
No comments yet. Be the first to leave one.