The first 200 lines.
স্কোফিল্ড, মাইকেল স্কোফিল্ড।
এমন কিছু মনে পড়ছে না।
জেন পপের ৪০ নম্বর সেলে আমাদের সাক্ষাৎ হয়েছিল।
- জেন পপ? - জেনারেল পপুলেশন
অফিসার বেলিক যে আমার সেলে তোমায় নিয়ে এসেছিল।
আমার শরীরে একটা ট্যাটু ছিল, তুমি ওইটা খাতায় এঁকেছিলে।
হেওয়াইর, আমার কথা কি আবছা-আবছাও মনে পড়ছে না?
তুমিই কি আমার টুথপেষ্ট চুরি করেছিলে?
হ্যাঁ, হ্যাঁ। আমিই চুরি করেছিলাম।
তো এখন মনে পড়ল।
ক্যান্ডি ম্যান।
মি. প্যাটোশিক।
- মি. স্কোফিল্ড। - না, ধন্যবাদ।
চিকিৎসা নিতে হবে সবার আগে।
এগুলো ড. ট্যানক্রেডিই দিয়েছে। খেয়ে ফেলো, শান্তি পাবে।
তাহলে ওর সাথে সরাসরি কথা বলে নিব। আমি এখন সুস্থ বোধ করছি।
ওহ আচ্ছা? তাহলে তো ভালোই। এখন বড়িগুলো খেয়ে ফেলো।
খাও, ভালো লাগবে।
আমি ভালোই আছি, ধন্যবাদ।
কার্টার, এদিকে একটু আসতে পারবে?
- স্কোফিল্ড নাকি পাগল হয়ে গেছে? - হ্যাঁ, হবারই তো কথা।
ওকে প্রথম দেখাতেই এরকম কিছু টের পেয়েছিলাম।
- তাহলে সে আর এখানে ফিরে আসছে না? - মনে হয় না।
ওরা তাঁকে পাগলা গারদে নিয়ে গেছে।
- আর সুক্রে? - সে তো অ্যাড সেগে আছে। কেন?
একেবারে মধ্যখানের রুম। সওদা করার জন্য খাপে খাপ।
- আমি যা ভাবছি, তুমিও কি তাই ভাবছ? - হতে পারে।
এরকমটা চাচ্ছিলাম বহু আগ থেকেই, এবার নিলামে তুলে ফেলব।
চুক্তিটা করে ফেলা যাক!
আমার চিকিৎসার প্রয়োজন নেই।
এটা গিলো, না হয় পিছন দিয়ে চালান করব।
ভিতরে গিয়েছে?
দারুণ।
তুমি ঠিকই বলেছিলে, হেওয়্যর।
আমিই তোমার টুথপেষ্ট চুরি করেছিলাম,
যে ট্যাটুগুলো তুমি কাগজে এঁকেছিলে, আমি চাই তা আবারও আঁকো।
মিডল সেল, গরমে ঠাণ্ডা, শীতে গরম।
কত দিতে হবে?
- কত দিতে পারবে? - ২০০ ডলার।
- তাহলে চুক্তি করলাম? - চুক্তি।
এখন চলে যাও, সময় মতো ট্রান্সফার করে দিবো।
আরে বস,
টয়লেট তো লিক হয়ে গেছে।
দেখুন, পানি পড়ছে।
মিস্ত্রি এনে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এটা সারিয়ে দিবো।
ঠিক আছে বস।
- শুনলাম রুম নিয়ে নাকি সওদা করছেন। - করা হয়ে গেছে।
- এটা স্কোফিল্ডের সেল না? - এখন আর নেই।
৪০ নাম্বারটা বন্ধ করো।
এটা তোমার মেয়ে?
সে জন্মানোর সময়, তাঁর মা আমায় এটা দিয়েছিল।
তোমার আগে তোমার স্ত্রী চলে গেলে, সেটা তোমার দুর্ভাগ্য।
আর নিজের মেয়েটা নিজের আগে চলে গেলে...
কোনো মানুষই সহ্য করতে পারবে না।
ওর কাছে আর কয়দিন আছে?
হাসপাতাল বলল, আর এক হপ্তা, সম্ভবত দুই হপ্তা।
একটা সমস্যা হয়ে গেছে।
মোজোকে স্কোফিল্ডের রুমটা দিয়ে দেয়া হচ্ছে। শুধু এটাই নয়...
শালায় টয়লেটের লিকটা দেখে ফেলেছে, এখন গ্যারি এটা সারাই করে দিবে।
- টয়লেটটা সারাই করলে... - ওরা গর্তটা দেখে ফেলবে।
আমরা সবাই ধরা পড়ে যাব।
- মোজো কত দিবে? - $২০০।
ওহ গোমার, আমায় ভয় পাইয়ে দিয়েছিলে মিয়া।
- শুনলাম সেল নিয়ে সওদা করছেন। - সওদা শেষ।
মাথায় ঘিলু থাকলে, এটা নিয়ে কোনো কথা তুলতে না।
- আমি সওদার দ্বিগুণ দাম চুকাবো। - সওদা ২৫০ তে পাক্কা হয়েছে।
$৫০০? আশা করি সমস্যা হবে না।
আমি এখানে সিগারেট বা খাবারের আইটেম নিয়ে কথা বলছি না।
আমি এখানে ওই শ্বেতাঙ্গ আর ডলার নিয়ে কথা বলছি।
টাকা নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না।
আসো।
- কোথায়? - সারপ্রাইজ দিবো মিয়া।
- আমি ডায়পার পড়ি না তো। - তা বলেছি কখনো?
তাহলে কী করছ?
তোমার দাঁতে জানি কী লেগে আছে।
- কী? - ওই যে এখানে।
- কই... - ওই যে পিছনের দিকে।
- এরকম করছ কেন? - তোমায় সাহায্য করছি।
বড়িগুলোকে কী বলতে মনে আছে?
"অদৃশ্য হাতকড়া।"
তোমার বিবেক-বুদ্ধির হাতকড়া।
এগুলোকে ঘৃণা করতে, মনে আছে?
তোমাকে একজন ফোন করেছে।
- কে করেছে? - তোমার ছেলে। জিনিসটা ইমার্জেন্সি।
ওহ এলজে, তুমি কী ভাবছিলে বাবা?
আমার কী হবে, তাতে আমার কিছু আসে যায় না।
ওরা সবদিকেই জিতে যাচ্ছে।
শুধু চেয়েছিলাম, ওদের একটাকে সাথে নিয়ে খতম হয়ে যাই।
ভেরোনিকাকে দাও।
লিংকন?
কী কী অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে?
খুনের চেষ্টা।
নিজ মা আর সৎ বাবাকে হত্যার দায়েও অভিযুক্ত করা হয়েছে।
- তাহলে তো জামিনের প্রশ্নই আসে না। - একদম।
তুমি কিছু করতে পারবে?
এখন, ওকে বাঁচানোর একটা মাধ্যম হলো, প্রাপ্তবয়স্কতার দোহাই দেয়া।
কিন্তু ওর মধ্যে অনুশোচনার কিছু ভাব আনতে হবে।
কোর্টকে বুঝাতে হবে, ছেলেটা অনেক ঘাবড়ে গিয়েছিল।
কিন্তু ওর মাথায় জানি কী ভুত চেপেছে, আমার কথা শুনছেই না।
সে আমার কথা শুনবে, আমাকে ওর সাথে দেখা করতে হবে।
লিংকন, আর কোনো পথ খোলা নেই।
সে বয়স্কদের মতো আচরণ করছে, পরে কিন্তু আমার মতো চেয়ারে বসে মরতে হবে।
- তোমায় কিছু একটা করতে হবে ভেরোনিকা। - আচ্ছা।
আমি ডিওসি বরাবর আবেদন করব, কিন্তু ওরা তোমায়...
তার সাথে দেখা করতে দেবে, এর সুযোগ লাখে একটা।
ঠিক আছে।
এই যে, ভায়া।
যত দ্রুত সম্ভব, আমার পাওনাগুলো চুকানোর ব্যবস্থা করো, বুঝলে?
এখনই করতে হবে?
গতকালের মতো, ঠিক আছে?
- আচ্ছা, আমি নিয়ে আসছি। - ঠিক আছে।
পাগল হয়ে গেছ?
তোমাকে অব্যাহতি দেয়া হলো, দেহরক্ষী।
১৬ বছর বয়সী, গাঁজাখোর ওই লিংকনের পোলা...
তোমার ঠিকানা বের করে ঘাড়ে গুলিও করে ফেলেছে।
এখন তুমি ওর ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশনের একজন প্রত্যক্ষদর্শী।
এখনো চাকরির যোগ্যতা রাখি।
কোনো অবস্থাতেই বোরোসের কেসে নাক গলাতে পারবে না।
সবাই মিলে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
একটা কথা জানো, ট্রিক্সি?
এটার সাথে উচ্চপর্যায়ের অনেক বিষয়াদি জড়িয়ে আছে।
হ্যাঁ আছে, কিন্তু এগুলো নিয়ে তোমায় আর মাথা ঘামাতে হবে না।
পল কেলারম্যান সিক্রেট সার্ভিসের হয়ে আর কোনো দায়িত্ব পালন করবে না।
এখন থেকে তুমি সেই বুড়ো ওয়েন ক্র্যাভেচি মাত্র।
বুঝাতে পেরেছি?
হেই।
আমি চাই তুমি ফোকাস করো। কী এঁকেছিলে তা মনে করো।
হেওয়্যার, গ্রুপের টাইম হয়ে গেছে।
এটা একটা পথ।
হ্যাঁ, এটা একটা পথ।
আসো।
কী অবস্থা ভায়া?
সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তুমি কিছুই ফিরত পাবে না।
যারা একসময় তোমার সাগরেদ ছিল, তারা এখন আমার দলে।
তাতে কী?
তাতে কী মানে? তোমার নয়া দোস্তদের কাছে গিয়ে হাত পাতো,
টি-ব্যাগ আর ওই শ্বেতাঙ্গদের আছে।
আচ্ছা, এই তাহলে আসল কাহিনী!
এর আসল মানে হচ্ছে, নিজের কাছে নিজে সৎ থাকা।
আসলে জানো কী ভায়া?
ইচ্ছা করলে এখনো KKK এর গ্র্যান্ড উইজার্ডের সাথে এক টেবিলে বসে চা খেতে খেতে...
আর টাকাগুলো আদায় করে নিতে পারব।
- বুঝেছ, কচি খোকা? - না, বুঝিনি আমরা।
আগের বন্ধুত্বের খাতিরে,
ধোলাই না দিয়েই যেতে দিচ্ছি তোমায়।
তুমি ঠিকই বলেছিলে।
বড়িগুলো আমায় পথটা মনে করতে দিচ্ছে না।
পথটা নরকের দিকে গেছে।
না, এটা এর বিপরীত দিকে গেছে।
আমার মনে আছে।
মনে হচ্ছে, আফ্রিকার ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে পারনি।
টাকার জন্য আরেকটা পথ বের করতে হবে।
যেখানে আমাদের এমন একজন বন্ধু আছে,
সেখানে টাকা যোগাতে কোনো সমস্যা হবে না, তাই না ডি.বি?
প্রথমত, আমি ডি.বি. কুপার নই...
আর আজকে কেউ দেখা করতে আসবে না।
তারমানে আমাদের কেউ বাইরে থেকে কোনো টাকা আনতে পারছে না।
আমাদের কাছে শুধু একটা পথই খোলা আছে।
কিচেন গেম।
জুয়া? এটাই তোমার সল্যুশন?
বিশ্বাস করো, আমি তাস খেললে সেটাকে জুয়া বলে না।
তাস দিয়ে আমি যে খেল দেখাতে পারি, তা হয়ত এ-দেশে জনা-পাঁচেক মানুষই পারে।
আর এটা এখন বলছ তুমি?
'কারণ যীশু যদি ওইখানে তোমায়...
জামার আস্তিনে টেক্কা লুকাতে দেখে ফেলে,
তাহলে অনেকে ছুরি নিয়ে তেড়ে আসবে।
খেলায় বসতে ৫০ ডলার লাগবে,
তাই পকেটে টাকা না থাকলে, মিষ্টি কথায় চিঁড়ে ভিজবে না।
এখানে বসো।
এখন এটা ধরো।
এটাও।
ওহ না, এটা তো মুছে গেছে।
এজন্যই তো বলছি, এটা ঠিক করে দাও।
মনে করো, এখানে আগে কী ছিল।
কাজটা ভালো হয়নি। পথের মাঝে এভাবে ফাটল ধরাতে পারো না।
- এটা তো কোনোকিছুই নির্দেশ করছে না। - তা ঠিক বলেছ।
তাই তো বলছি, মুছে যাওয়ার আগে এখানে কী ছিল, তা আমায় বলো।
মনে পড়েছে। পিশাচগুলোর কথা মনে পড়েছে।
না, দাঁড়াও। এগুলো হয়ত কোনো আগন্তুক ছিল। ওরা পথগুলো নির্দেশ করছিল...
আর বলছিল, "এটাই সে পথ, এটাই সে পথ।"
এখন তো সেটা দেখতে পাচ্ছি না।
দেখতে পাচ্ছি, কিন্তু দেখতে পাচ্ছি না।
এখনই ফিরে আসছি।
হেই!
সুক্রেকে একটা মেসেজ দিয়ে আসবে, বুঝলে?
ওকে বোলো আমি ভালোই আছি, আর শূন্যস্থান পূরণের চেষ্টা করছি।
সে এর মানে বুঝে নিবে।
- শূন্যস্থান পূরণের চেষ্টা করছ? - এটা ওকে বলে দিও, প্লীজ।
এখন আমি করবটা কী?
কয়েকদিন আগেই তো ১৩ নাম্বারে শিফট হলে।
আবার এতো তাড়াতাড়ি রুম পাল্টাতে চাইছ যে?
এমন সুবিধার রুম সচরাচর পাওয়া যায় না।
বয়স তো শেষের দিকে চলে এসেছে, বাকি সময়টুকু আরামে কাটাতে চাই।
৪০ নাম্বারটা খোলো!
তাড়াতাড়ি করবে।
হেই বব ভিয়া, এটা একটা জেলখানা।
কী করবে তাড়াতাড়ি করো।
এর জন্য আপনাকে ১০০ ডলার দিবো।
আমার সময় নষ্ট করেছ। বেরিয়ে এসো এখান থেকে।
সরি, বস। আমি ভেবেছিলাম একটা কাজের কাজ হবে।
No comments yet. Be the first to leave one.