The first 200 lines.
"কিংডম অফ দি গডস্" বই অবলম্বনে নির্মিত।
অনুবাদে: ⊗ AsadujJaman ⊗
প্রভু! আমি আঁটকে গেছি!
প্রভু!
জলদি!
ধ্যাত! জলদি!
আরে বেটা করছিস কি!?
জলদি খোল!
জলদি!
জলদি! ধ্যাত!
আরে জলদি! জলদি!
চাবি! চাবি কোথায় গেলো?
দরজা কই!
চাবি! চাবি নিয়ে এসো!
খোল! জলদি!
খোল!
আটকা! জলদি!
জলদি! আটকা!
না! যেও না! যেও না!
বাঁচাও, বাঁচাও!
না! থাম!
না! একদম কাছে আবি না!
এদিকে এসো। এসো।
ধরো।
বাঁচাও!
- দরজা খোলো! - বাঁচাও!
- আরেকজন আছে। - আমাকে বাঁচাও!
- এদিকে! এখানে! - এদিকে এসো!
- দৌড়াও! - জলদি!
দরজা আটকে গেছে!
এদিকে!
ওকে ছাড়ো!
ওহ, না!
- মেয়েটা কামড় খেয়েছে! - ছেড়ে দাও! ওর হাত ছেড়ে দাও!
করছো কি তুমি? মেয়েটা কামড় খেয়েছে!
বাচ্চাটাকে তোলো। জলদি!
ছাড়ো ওকে!
ছাড়ো! সে কামড় খেয়েছে!
ছেড়ে দাও!
দয়া করে, আমাকে বাঁচান!
গ্রামে ডাকাত পড়ছে!
দরজা বন্ধ করো! জলদি!
না!
হেব্বি মাছ উঠছে রে।
- জাগাইতেও পারতেছি না। - জলদি!
কাহিনী কি!?
ভাগো!
ওই! পার্ক!
দেইখা যা! কত্তডি মাছ ধরছি!
ওইটা পার্ক?
আরে ওইটা পার্কই।
খাইছে।
মনে হয় আইজকা ভালোই গিলছে।
ওই! টাল হয়া আছস নাকি?
- লগে ওইগুলা কারা!? - খাইছে।
এই।
কি হইতাছে এইসব!?
- এই। - সমস্যা কি এগুলার!?
ওই! কি হইতাছে?
লাফালাফি করো না। ক্ষুধা লেগে যাবে।
মারামারি থামাও। কামড় দিও না!
দাগ বসে যাবে!
- ছাড়! - বদমাইশ।
- বললাম না, দাগ বসে যাবে। - ছাড়!
ছাড় আমাকে!
বাবা। বাবা।
কি হয়েছে?
দাওকি, এখানেই থাকো। আমি তোমার বোনকে খুঁজে আনি।
বের হয়ো না।
আম্মা!
তোমার কি হয়েছে?
ভয় পাচ্ছি তো!
থামো, আম্মা!
থামো!
যুবরাজ!
যুবরাজ!
যুবরাজ, উঠুন!
সাবধানে!
মাথা বরাবর মারতে হবে।
যুবরাজ! সেনাছাউনি।
আমাদের সেনাছাউনিতে যেতে হবে।
যুবরাজ, তাড়াতাড়ি চলুন।
যুবরাজ!
ভেতরে কেউ আছো?
আমাদের ঢুকতে দিন!
ভেতরে কেউ আছো?
ভেতরে কেউ আছো?
- ওরা আমাদের পিছুধাওয়া করছে! - মনে হয় ভেতরে কেউ নেই।
যুবরাজ।
বেয়ে উঠুন।
মাফ করবেন। দু:খিত, দয়া করে একটু সড়ুন!
সড়ুন!
- সবাই দেয়াল বেয়ে ওঠো। - দেয়াল বেয়ে ওঠো!
এক্ষুনি দেয়াল থেকে নামো!
ভেতরে কেউ আছে!
সড়াও এদের।
তীর মেরে সড়াও।
- তীর ছুড়ো না! - আরে মার না।
যুবরাজ!
ঠিক আছেন তো?
আহাম্মক!
উনি হচ্ছেন আমাদের যুবরাজ!
দরজা খোলো!
আমাকে বলদ পেয়েছো!
ফাইজলামি বাদ দিয়ে, সবাই ভাগো!
কেউ দেয়াল বেয়ে ওঠার চেষ্টা করলে খবর আছে কিন্তু!
- দেয়াল বেয়ে ওঠো! জলদি! - দেয়াল বেয়ে ওঠো!
এতোবড় সাহস! সবকটাকে দেখে নেবো!
তার মা...
নাম শালারা! নাম!
- অন্তত বাচ্চাদের ঢুকতে দিন! - কিরে করছিস কি? ঠেলে ফেলে দে!
- নাম! - যা ভাগ!
- নাম বলছি! - নেমে যা!
- নাম! - যা ভাগ!
নাম!
একদম উপরে উঠবি না!
ছোড়! তীর ছোড়!
এতোবড় হিম্মত!
আর বেশি কাছে আসলে,
তীর মেরে একদম ফুটো করে দেবো!
দয়া করুন! আমাদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেবেন না!
ওইত্তেরি...
যুবরাজ, আমাদের যেতে হবে।
ভাগো! সবাই ভাগো!
ভাগো!
যুবরাজ।
ওই ডাইনীটা সত্যিই বলছিলো।
এটা কিভাবে সম্ভব!?
তোমার ছেলে একদিন এদেশের রাজা হবে,
তাই সাবধান।
ক্ষমতাহীন রাজার কি করুন দশা হয়, তাকে ভালোভাবে শেখাবে।
নতুন যুবরাজ না জন্মানো পর্যন্ত,
খেয়াল রাখবে মহারাজের খাবার-দাবারের যেনো কোন কমতি না হয়।
মা।
থাম! থামবি!
আর পারছি না।
পোশাক নোংরা হয়ে গেছে।
আমি ভালো কাপড় নিয়ে আসছি।
বাইরে গিয়ে অপেক্ষা করো।
ঠিক আছে, নেমে এসো।
প্র.. প্রভু!
প্রভু! প্রভু!
গেইশ...
ওহ, প্রভু।
প্রভু।
শুকরিয়া যে আপনি এখনো নিরাপদে আছেন।
তোমার শুকরিয়ার খেতা পুড়ি!
দে.. দেখুন...
আমি আপনাকে বাঁচাতে,
পু.. পুরো সেনাবাহিনী নিয়ে এসেছি।
আমাকে বাঁচাতে? অ্যা!?
সারারাত কি করছিলে!?
এই মেয়ে না থাকলে তো রাতেই মরে যেতাম!
ওই...
ওই বদমাইশকে ধরো! সব ওই বদমাইশটার দোষ!
- কি? - দাঁড়িয়ে কি দেখছো?
ওকে বন্দী করো!
জ্বী, প্রভু।
সব এই বদমাইশটার দোষ।
ও.. ও.. ও আগে থেকে সবকিছু জেনেও ওগুলোর কথা,
আমাদের কিছুই জানায়নি।
আমি কিন্তু বলছিলাম,
যে ওগুলা মরে নাই।
আবার মুখে মুখে তর্ক করিস! চাপটে তোর...
সে ঠিকই বলেছে! এখন বল!
ওগুলো আসলে কি? কোথা থেকে এসেছে?
আমি...
আমি সব খুলে বলছি।
এরা সবাই হাসপাতালের রোগী ও তাদের আত্মীয় স্বজন।
ক্ষুধার জ্বালা সইতে না পেরে মরা লাশ খেয়ে ফেলেছিলো,
- কি!? - তারপর থেকেই ...
এরা রাতের বেলা পশুর মতো মানুষ শিকার করছে।
আর দিনের বেলায়, যেখানে সূর্যের আলো পড়ে না
সেখানে মরার মতো পড়ে পড়ে ঘুমোচ্ছে।
ম.. মরা লাশ... কিন্তু...
মানুষ লাশ খায় কিভাবে!?
এটা যদি সত্যিও হয়,
তোমরা ওগুলোকে কেন ফেলে রাখলে!?
ঘুমোনোর সময় ওগুলোকে টেনে
মাটিতে পুতে ফেলতে পারতে। পারতে না!
প্রভু, এদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দিন।
আমারে মারেন কাটেন সমস্যা নাই,
কিন্তু আগে লাশগুলার কিছু একটা করেন।
সূর্য ডুবলেই কিন্তু আবার চালু হয়া যাবে।
ওগুলোকে জলদি মাটি চাপা দাও!
মাটি চাপা দিলেও,
আবার বাইর হয়া যাবে।
ওগুলার মাথা কাইটা জ্বালায়া দিতে হবে।
- লাশ পোড়াবে!? - কি?
লাশ পোড়ানোর কথা কে বলেছে?
কে...
সাবেক সেনাপ্রধানকে চেনেন তো, ঊনি তার মা।
আপনারা এভাবে লাশ পোড়াতে পারেন না।
আমার ছেলে আমাদের বংশের একমাত্র প্রদীপ।
তার শরীরে একটা টোকাও পড়লে,
আমার কাছে জবাবদিহি করতে হবে!
আমার পরিবারের কারো
কিছু হলে, আমার কাছে জবাবদিহি করতে হবে!
- প্রভু, উনারা ঠিকই বলছেন। - কি?
উঁচু বংশের কেউ যতো বড় অপরাধই করুক না কেন,
No comments yet. Be the first to leave one.