The first 160 lines.
❤️সাবটাইটেল সমন্ধে "বাংলা সাবটাইটেল মেকার্স বিডি" গ্রুপে আপনার মতামত দিন❤️
স্যার।
স্যার, প্লিজ আমাকে বাঁচান।
স্যার, টাকাটা আমাকে দিয়ে দিন। আমার মেয়েকে বাঁচাতে হবে।
অন্য লোককে খুঁজবেন না, শুধু আমাকেই টাকাটা দিন, স্যার।
স্যার, স্যার।
আহ!
- হায়, ভগবান। - যাবার সাথে সাথেই ঘুমাবি না।
স্যার যা বলেছেন সেটা সাবধানে করবি।
সাপ, সাপ।
দুষ্টু মেয়ে! নিজের কাজে মন দাও।
ওকে কেন বকা দিচ্ছ, দিদি?
ও এখানে থাকার জন্য তো আমরা মজাতেই আছি।
- ওকে এভাবেই বলো। - তুমি কথা বলো না। তোমার ফ্লাইট কখন?
১০টায়।
কয়েক দিনের জন্য এই সাপ আর শামুকের হাত থেকে তো রেহাই পাবে।
কীসের রেহাই? রেহাই না ছাই!
ওখানকার কুমিরের চেয়ে এখনকার সাপ এবং শামুক অনেক ভাল।
আমাদের রক্ত পান করার মধ্যে, মানুষ আর সাপের মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য নেই।
এমন কথা বোলো না। এখানে থাকার চেয়ে বিশ্বের যে কোনও জায়গায় আমরা থাকতে পারব।
তাই নাকি? আমার চাচার সাথে থাকলেই সেটা বুঝতে পারবে।
ভেবেছিলাম গ্রাম থেকে সুন্নুন্দা আর হালওয়া নিবো। এখন আর নিবো না।
থামো, থামো।
- তুমি এখানে কেন দাঁড়িয়ে আছ? - ভাইয়া, আমি রাজা বোনকে দেখতে এসেছি।
তুমি ওখানে যাবে কেন? তোমার দেরি হয়ে যাচ্ছে। এখনই শুরু করো।
না, ভাইয়া। উনি আমাকে এখানে দেখা করতে বলেছেন।
ঠিক আছে। তুমি গিয়ে দেখা করে দ্রুত বের হয়ে আসো।
- বুঝতে পেরেছ? - ঠিক আছে, ভাইয়া।
ঠিক আছে, ভাইয়া।
আচ্ছা, ঠিক আছে। শোনো, ওকে ভিতরে যেতে দাও।
দিদি।
আমি এখনই তোমার সাথে দেখা করতে যাচ্ছিলাম। এই যে, নাও।
- এগুলোও আমার বাচ্চাদের দিও। - এগুলোও কী, দিদি?
ভেবেছিলাম, আপনিও আমার সাথে গ্রামে আসবেন।
আমার স্বামী টাকা নিয়েছিল...
... আর এটা ছিল তিন বছরের চুক্তি। সময় দ্রুত চলে যাবে।
আপনি কি থাইল্যান্ডের কথা বলছেন?
কী কাজ এবং অন্য বিস্তারিত সব চেক করে দেখেছেন?
এখানে নিয়ে আসার সময় তারা আমাদের কী বলেছিল?
তারা বলেছিল, আমাদের আট ঘন্টা কাজ করতে হবে।
কিন্তু, আমরা কি গাধার মতো চব্বিশ ঘন্টা কাজ করছি না?
ব্যাস, এটাই। এই কাজও এরকম হবে।
যদি আর কিছু ঘটে, তবে আমার কাছে একটা ছুরি আছে, সেটা দিয়ে কেটে দেব।
দিদি, আপনার বাসায় কি আমাকে কিছু বলতে হবে?
আমার স্বামীকে বোলো, তাকে দেখলেই আমার তাকে থুথু দিতে ইচ্ছে হয়।
দ্রুত এসো, মেয়ে।
আরে, গাড়ি সরিয়ে নে তো।
এখান থেকে সরিয়ে নে।
- কী করছিস তুই? - তুই মাঝ পথে গাড়ি থামালি কেন?
- আরে, আগে এখান থেকে সরিয়ে নে। - সরিয়ে নে বলছি।
চলে যা।
আমরা তোকে বলছি।
বুঝতে পারছিস না?
- এখান থেকে সরিয়ে নে। - তুই রাস্তার মাঝে থামিয়েছিস।
তোর মাথায় কি কোনও ঘিলু আছে?
এসব কী? তোকে আর কতবার বলব?
আমি তোকে বলছি।
আমার অটো এখানে আটকে গেছে।
আরে ভাই! সরিয়ে নাও।
আরে, তুই কি হর্ন শুনতে পাচ্ছিস না?
সরিয়ে নে তো, ভাই! সরিয়ে নে।
সরিয়ে নে তো, ভাই!
হায়, ভগবান! কেউ ওকে একটু বল!
আরে, গাড়িটা সরা।
আরে, আমার মানিব্যাগ!
- আমার মানিব্যাগ! কোথায় গেলো ওটা? - কোথায় গেলো?
- আমার মানিব্যাগ হারিয়ে গেছে! - আমার মানিব্যাগ আবার কোথায় গেলো?
আমার মানিব্যাগ, আমার মোবাইল।
আরে, না! আমার মানিব্যাগ!
আরে, না! আমার মানিব্যাগ হারিয়ে গেছে।
এসব কী? এখান থেকে সরিয়ে নে!
ওই, সরে যা।
আরে, ভাই! ভিড়ের মধ্যে কেউ পকেট মেরে দিয়েছে।
তোমার জিনিসপত্র সাবধানে রেখো।
কী? বুঝতে পেরেছ আমি কী বলছি?
আমার ভাই কেবল খুব দরকারী কথা শুনতে পারে।
তোমাকে যা বলা দরকার, তা বলে দিয়েছি। এখন, তোমার ইচ্ছা।
যান তো।
আমার চেইন, আমার ঘড়ি হারিয়ে গেছে।
আরে, না! আমার চেইন আর ঘড়ি নেই।
আরে, আমার ব্যাগ।
আমি সত্যি বলছি, স্যার। আমি কিছুই জানি না।
- থানায় গিয়ে সাব ইন্সপেক্টর স্যারকে বোলো। - স্যার, প্লিজ।
আমি এটা করিনি, স্যার।
- আমার কিছু করার নেই। প্লিজ, কথা শুনুন! - চল, আয়।
চল।
স্যার, আমি ব্যাগে টাকা রাখিনি।
আমি জানি না, আমার ব্যাগে কীভাবে ২ হাজার টাকা আসলো, স্যার।
আমি আপনাকে বলেছিলাম, এসবের ব্যাপারে আমার কোনও হাত নেই, স্যার।
নিশ্চয়ই ভগবান এটা করেছেন, স্যার।
গাড়িটা একপাশ করে থামাও।
থিরু, আমার ঘুম পাচ্ছে।
- আমি চলে যাচ্ছি। - গিয়ে ঘুম দে।
শুনছিস, থিরু।
- ব্যাংকের লোকটা... - কী হয়েছে?
- ব্যাংকের লোকটা... - হ্যাঁ।
...লোকটা বলেছে, সে তোর বাড়িটা ভালো দামে কিনে নেবে।
যদি বিক্রি করিস...
...সুপারকে অল্প কিছু টাকা দিয়ে ওকে স্কুলে পাঠাতে পারবি।
তুই নিজের ব্যবসা শুরু করতে পারবি।
তোদের দুজনের একটা ব্যবস্থা হলে, আমারও একটা ব্যবস্থা হয়ে যাবে।
তুই কী বলিস?
আসলে, মামা...
... তাতে একটা সমস্যা আছে।
কী সমস্যা?
এই যে সুপার আছে না...
সুপারের কাহিনী কী?
আমি আপনাকে বলব।
সুপারের বাবার নিজস্ব গ্রাম হচ্ছে রাজমন্দ্রি।
কী? রাজস্থান?
হ্যাঁ, রাজস্থান।
- ওহ। - আসলে হয়েছে কী...
... পুরো পরিবার ওখানে গিয়ে দেয়ালে রং করে...
... রাস্তায় খেলনা বিক্রি করে...
... রাজস্থানের এমন চেট্টিগর পরিবার।
- সুপার তখন ছোট বাচ্চা ছিল। - হ্যাঁ।
- তারা গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়াত আর ব্যবসা করত। - তারপর?
তাদের সুখী জীবনে...
... ওডি নামের একজন লোক এসে...
... তাদের একটা ট্রাক দিয়ে আঘাত করে। তার বাবা-মা ঘটনাস্থলেই মারা যায়।
সুপার দুর্ঘটনার হাত থেকে বেঁচে যায়।
আমি সেখানে গিয়ে বেলুন বিক্রি করেছিলাম।
তুই কি তখন বেলুনের ব্যবসা করতি?
হ্যাঁ, ওটা আমাদের পারিবারিক ব্যবসা।
আমার বাবা, দাদা সাধারণত মুখ দিয়ে বেলুন ফুলাত।
- তাই নাকি? - আমি একধাপ এগিয়ে গ্যাস বেলুন বিক্রি করতাম।
ভালো এগিয়েছিলি।
যখন আমি সুপারের এমন অবস্থা দেখলাম, আমার মন গলে গেল।
আমি ওকে আমার কোলে নিলাম। তার মা শেষ নিঃশ্বাস নিতে নিতে আমাকে বলেছিলেন...
... দেখো, এগুলোও এই বাড়ির কাগজপত্র।
এই বাড়িটা ওর নামে লিখে দিও।
ওকে ভালো করে হাঁড়ি তৈরি করতে শিখিয়ে দিও।
তারপরে, উনি তার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন।
যেকোনও সময়...
যখন সে তার বাবা-মার কথা স্মরণ করে...
সে আমাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদে। তখন আমার খুবই খারাপ লাগে।
আর কিছু বলিস নারে।
এবার কিছু করা যাক।
আমরা এই কথা অনেক সময়ের জন্য নিজেদের মধ্যে গোপন রাখব।
ব্যাংকের লোককে আমি আগামীকাল আসতে বলব।
আপনি বড় হয়ে এমন কথা বলছেন।
তো, আমাদের কাজ শুরু করা যাক।
- ঠিক আছে, আমি তাদের আগামীকাল আসতে বলব। - ঠিক আছে।
চোখ মুছে ফেলুন, কাঁদবেন না।
বরকে দেখে তো মনে হচ্ছে বুড়ো, কিন্তু...
আরে, না। সব ঠিক আছে।
আমরা এখানে একটা ভাল জিনিস নিয়ে আলোচনা করছি।
তাছাড়া, আমরা মন্দিরে আছি। দয়া করে শুরু করুন, স্যার।
হ্যাঁ।
- আমরা আপনার ঘর নিয়ে যেমনটা আলোচনা করেছিলাম... - কী?
স্যার, একটু জোরে বলুন।
আমি আপনাকে আগেও বলেছি সে কানে শোনে না।
আমি বুঝতে পেরেছি।
মা, আমাকে কয়টা কফি নিয়ে আসতে বলেন?
যাও।
এরজন্য আমরা কী করতে পারি?
তোকে কতবার বলতে হবে? তুই কি এই জীবনেও আর পাল্টাবি না?
তুই তো চা বানাচ্ছিস, তাই না? জানিস না?
সে চিৎকার করলে আমি কী করব?
ছয়জনের জন্য দ্রুত চা বানিয়ে নিয়ে আয়।
No comments yet. Be the first to leave one.