The first 200 lines.
ওয়েস্টওয়ার্ল্ড :.:.: বাংলা সাবটাইটেল :.:.:
অনুবাদে কুদরতে জাহান জিনিয়া ফুয়াদ আনাস আহমেদ
সম্পাদনায় :.:.: ফুয়াদ আনাস আহমেদ :.:.:
হেই ডার্লিং।
মর্নিং, মেইভ।
কাজ কিছু হলো? নাকি শুধু কথাতেই রাত পার করেছো?
শুধু কথা বলার জন্য কিন্তু পয়সা পাবে না।
ওদেরকে খুশি করতে পারলেই পয়সা মেলে!
সবাই যে শুধু পায়ের ফাঁকে সুখ খুঁজবে, এমন তো না!
হুমম।
কী দেখো, হ্যাঁ?
গুলি কোরো না।
নতুন এসেছে।
মনে তো হচ্ছে নিরামিষ।
একটা বোতল দাও তো।
শুধু ওর ভাবটুকু ঝাড়তেই তো এর চেয়ে বেশি মদ লাগবে।
আগে আয়না খুঁজে মেকআপ করে নাও।
এটাকে আমি সামলাচ্ছি।
জামা খুলবে না?
খুলবো তো, ডার্লিং, কিন্তু আমি কাপড় খোলার আগেই তো
মনে হয় তোমার কাজ হয়ে যাবে।
এই তো চাই!
তুমি তো বিশালদেহী।
সবকিছুই তো বড়,
আসল জিনিস এতো ছোট কেন?
ডার্লিং, তোমায় কাছে আসার সুযোগ দিয়ে
ভেবেছিলাম বিনিময়ে আমাকেও কিছু দেবে।
কিছু একটা!
এই তো...
লজ্জার কিছু নেই।
শিট!
তাহলে...
কী নিয়ে যেন কথা হচ্ছিলো?
- কাউকে দেখিয়েছো এটা? - কাকে দেখাবো?
এটা ঘুরতে আসা কোনো গেস্টের কাজ না।
এখানকার ভেতরের কারো কাজ।
একবার তো মনে হয়েছিল, আপনারও হতে পারে।
পরে মনে পড়লো, আপনি তো এখানে সারাজীবন ধরেই আছেন।
দুই নাম্বারি করার ইচ্ছা থাকলে
আরও অনেক আগেই পারতেন।
শুনে খুশি হলাম।
তো...
পাগল হবার বদলে আমাদের হোস্টগুলো
বরং ইন্ডাস্ট্রিতে গুপ্তচর হিসেবে কাজ করছে।
তাহলে কি এটাকে গ্লাস-অর্ধেক-ভরা অর্ধেক-খালি টাইপ পরিস্থিতি বলা যায়?
আমরা ইঞ্জিনিয়ার।
আমাদের কাছে এর অর্থ গ্লাসটা ঠিক মাপে বানানো হয়নি।
কী ধরনের তথ্য পাঠাচ্ছিল কোনো আইডিয়া আছে?
পাইথন পাসের পাথরের ওপর ওর মগজ লেপ্টে আছে।
বরং কার কাছে কী তথ্য পাচার করছিল সেটা খুঁজে বের করা যায়
তবে তার জন্য ও ঠিক কখন ওখানে ছিল সেটাও জানা লাগবে,
আর ওর জিও ক্যাশও মুছে ফেলা হয়েছে।
সবটুকু তো না।
ও বেশ পুরনো মডেল।
পুরনো হোস্টরা লেগাসি জিওপজিশনিং সিস্টেম ব্যবহার করে।
- হাহ। - জানোই তো, সারাজীবন ধরেই এখানে আছি।
তথ্যগুলো এখনো ওখানে আছে,
কিন্তু নতুন সিস্টেম দিয়ে ওসব রিড করা যাবে না।
মানে আমরা দেখতে পারবো না?
মানে দেখতে গেলে,
আমার নিচতলায় যেতে হবে।
ফ্লোর বিএইটিটু।
অনুমতি ছাড়া প্রবেশ নিষেধ।
লো, বার্নার্ড, আমার অনুমতি আছে।
লেগাসি ডাটার সাথে বর্তমান ডাটার তুলনা করে পার্থক্য দেখাও।
এই এলাকা থেকে শুরু করো।
দেখো বিজ্ঞানের কেরামতি।
ওটা কখন চূঁড়ায় গিয়েছিল?
জায়গাটা দেখাও।
নতুন সিস্টেমের সাথে এসব চেক করো।
এই হোস্টগুলোর কি নতুন সিস্টেমে রেজিস্টার করা নেই?
তো ক্যানিয়নটাকে এই পর্যন্ত বাড়াতে চাইলে, এটাকে আবার বাদ দেয়া লাগবে।
তাহলে এখানকার সবাইকেকে পাশের ফার্মগুলোয় ছড়িয়ে দেয়া যায়,
অথবা বাতিল করে দেয়া যায়।
নাহ, একদিনের জন্য যথেষ্ট কাজ হলো।
শহরের সীমানা পর্যন্ত এনেই ক্যানিয়নটা শেষ হবে।
আমি একা ফিরবো পরে।
বেশ।
চালিয়ে যাও।
দেখে কিছু মনে হচ্ছে?
বলার মতন কিছু না।
গোলকধাঁধা তো এক আদি উপকথা।
বলতে থাকো।
গোলকধাঁধা হলো একজন মানুষের জীবনের প্রতিরূপ।
তার নেয়া সিদ্ধান্তগুলো,
তাকে বাঁচিয়ে রাখা স্বপ্নগুলো,
আর সে গোলকধাঁধার কেন্দ্রে আছেন একজন কিংবদন্তী,
যিনি অসংখ্যবার মৃত্যুকে বরণ করেও
বারবার ফিরে এসেছেন জীবনের ধুলোময় পথে!
আর তারপর যেদিন শেষবারের মতো ফিরে এলেন,
ক্রোধানলে শত্রুদল হলো জ্বলেপুড়ে ছারখার!
একটা বাড়ি বানালেন।
আর তার চারপাশে এত জটিল এক গোলকধাঁধা বানালেন
যার ভেতরটা কেবল তিনি একাই চিনতেন।
হয়তো, সে জন্মের মতো, লড়াই থেকে নিস্তার চেয়েছিলেন তিনি।
শয়তান সৈন্যগুলো বর্ডার বন্ধ করে দিয়েছে।
পারিয়াহ্তে কোনো সমস্যা হয়েছে।
অল রাইট, টেডি।
তোমার খেলার সময় হয়ে গেল।
আর কীভাবে বর্ডার পার হওয়া যায়?
আমরা যা যা চাই, সবই ওয়াইটের কাছে আছে।
কাজেই আর কোনোদিকে যাবার উপায় নেই।
আরেকটা রাস্তা আছে।
একটু ঝুঁকিপূর্ণ।
সমস্যা নেই।
যে-ই আসুক, আমি সামলাবো।
ওসব নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নেই।
আপনি আপনার কাজ করুন।
আমি সোজা ওখানেই যাবো।
ডোলোরেসকে খুঁজে বের করবো।
তুমি যা কিছুই করো,
সবকিছুই ওপরতলার ইঞ্জিনিয়ারদের করা প্রোগ্রামের কারণেই করো।
তোমার ব্যক্তিগত ইচ্ছে বলে কিছুই নেই।
আমার ইচ্ছের বিরুদ্ধে কেউই আমাকে দিয়ে কিছু করাতে পারে না, সুইটহার্ট!
হ্যাঁ, কিন্তু...
এটাও তোমার চরিত্রেরই অংশ।
তোমাকে মানানো কঠিন।
এমনকি যখন তুমি গেস্টদেরকে না বলো,
সেটাও তোমার প্রোগ্রামেরই অংশ।
আর তুমি ওদের মতো, আমার মতো না?
হ্যাঁ।
দেখো, আমার হয়তো পার্কে যাবার সামর্থ্য নেই
কিন্তু...
হ্যাঁ, আমি মানুষ...
গেস্টদের মতোই।
কীভাবে জানো?
কারণ আমি জানি।
আমার জন্ম হয়েছে।
আর তোমাকে বানানো হয়েছে।
আমাদের অনুভূতি একই।
এখন হয়তো আমরা প্রায় একই,
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই,
একটা বড় পার্থক্য আছে যদিও...
এখানকার প্রসেসিং পাওয়ার,
সময়ের তুলনায় অনেক বেশি উন্নত।
একটা ঘাটতি আছে, যদিও।
সেটা কী?
তোমরা আমাদের নিয়ন্ত্রণেই আছো।
মানে, উনাদের নিয়ন্ত্রণে।
যেভাবে খুশি সেভাবেই তোমাকে উনারা বদলে ফেলতে পারে।
স্মৃতি মুছে দিতে পারে।
অবশ্য মনে হচ্ছে... তোমারটা মুছতে পারেনি।
তুমি কীভাবে সব মনে রাখছো, সেটাই বুঝতে পারছি না...
আর বারবার নিজেকে জাগিয়েই বা তুলছো কীভাবে?
তোমার মাথায় যা আছে, সব তো ওরাই ঢুকিয়েছে।
ফালতু কথা!
- আমি কী ভাবছি কেউ জানে না। - দেখাচ্ছি তোমাকে।
এক সেকেন্ড।
তোমার সাথে এটাকে কানেক্ট করতে হবে।
কোনটা কানেক্ট করবে?
সামান্য ইম্প্রোভাইজেশনের ক্ষমতা আছে,
কিন্তু এছাড়া তুমি যা বলো তার প্রায় সবটাই আগে থেকে প্রোগ্রাম করা,
অন্য হোস্টদের মতো।
চালাকি বন্ধ করো।
১০ বছর ধরে একটা ব্রথেল চালাচ্ছি, আর কিছু না বুঝলেও,
কেউ ঠকানোর চেষ্টা করলে, ঠিক টের পাই আমি।
এসব তো অসম্ভব...
আমি তো...আমি তো!
আমি তো...
মেইভ?
মেইভ?
এক মিনিট সময় হবে?
একটু কথা ছিলো।
আমিও আসলে তোমাকে ডাকতে যাচ্ছিলাম।
সব ঠিক আছে তো?
ফোর্ড আমাদের ব্যাপারটা জানে।
তাতে কোনো সমস্যা?
আমরা দুজনেই প্রাপ্তবয়স্ক।
তাই বিজনেস ডিপার্টমেন্টে আমাদের একসাথে কাজ করার সময়ও তো
প্রাপ্তবয়স্কদের মতোই আচরণ করার কথা।
আমাদের সম্পর্কটা বোর্ডের কাছে আমার গ্রহণযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে!
তুমি কখনো আমার ডিপার্টমেন্টকে সম্পর্কের দোহাইতে ছাঁড় দিয়েছো বলে তো মনে পড়ে না!
এভাবে হয় না, বার্নার্ড।
এই ছোট্ট অবৈধ সম্পর্কটা যতো মধুরই লাগুক, শেষ হবার সময় হয়েছে।
আমাদের সব শেষ।
আমি বুঝতে পারছি না। পুরো ব্যাপারে আমার দোষটা কোথায়?
তোমার টিমের ব্যাপারে, ফোর্ডের ব্যাপারে?
তোমাকে মানতেই হবে,
ইদানীং উনার নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
আমার তো মনে হয় না, উনার কোনো সমস্যা আছে।
তোমার প্রতি সম্মান রেখেই বলছি,
পার্কের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তা করা আমার কাজ, তোমার না।
তো, আর কিছু বলার না থাকলে,
আসতে পারো।
ধুর ছাই।
ওকে।
কাম অন, কাম অন।
ওহ!
- ওপরতলার কথা বলছিলে। - অহ খোদা।
ঠিক আছো তুমি?
আমি নিজের চোখে দেখতে চাই।
ওপরতলা?
না।
না, না, না।
গাধার মতো কাজ করলাম।
কুত্তার বাচ্চা!
দিলাম তোর খুলি উড়িয়ে!
আমরা এখন কোথায়?
ডিজাইন।
দয়া করে এখন ফিরে যেতে পারি?
No comments yet. Be the first to leave one.