Hell or High Water

Hell or High Water

Download Bengali Subtitle

Release info

Hell or High Water (2016) BDRip Bengali Subtitle
A Commentary by Mamun_Abdullah
টেক্সাসে বাস করা দুই ভাইয়ের গল্প। কোনো এক গোপন বাসনা নিয়ে টেক্সাস মিডল্যান্ড ব্যাঙ্কে ডাকাতি করে বসে। এক দিনে তিনটি ব্যাঙ্কে হানা দেয় তাঁরা। টনক নড়ে কতৃপক্ষের। তদন্তের কাজে রেঞ্জার হ্যামিলটন তাঁর দোঁআশলা সাথীকে নিয়ে মাঠে নেমে পড়েন। শুরু হয় টম এ্যান্ড জের

Tags

bdrip
bdr
BDR
Published on: 2016-12-05
Downloads: 62
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

Subtitle Translated By M

Subtitle Translated By Ma

Subtitle Translated By Mam

Subtitle Translated By Mamu

Subtitle Translated By Mamun

Subtitle Translated By Mamun A

Subtitle Translated By Mamun Ab

Subtitle Translated By Mamun Abd

Subtitle Translated By Mamun Abdu

Subtitle Translated By Mamun Abdul

Subtitle Translated By Mamun Abdull

Subtitle Translated By Mamun Abdulla

Subtitle Translated By Mamun Abdullah

Subtitle Translated By Mamun Abdullah

চোপ।

দরজা খোল, দরজা খোল।

আরে?

কেন করছো তোমরা?

আমাদের ড্রয়ারের কাছে নিয়ে চলুন, ম্যাম?

- নিয়ে যাবো না। - তোকে অনুরোধ করি নাই।

ড্রয়ারে কোনো টাকা নাই।

টাকা সিন্দুকে আছে, আমার কাছে কোডও নাই।

দেখা!

ড্রয়ারে চল!

এখানে।

ড্রয়ার খোল।

- চাবি লাগবে। - চাবি দে।

পিছনে আয়।

ধুর, কিছুই নাই!

তোমরা দু'জন এই ধান্ধায় নতুন।

- টাকা কোথায়? - আগেই বলেছি, সিন্দুকরে ভিতর।

- কোড কার কাছে? - মি. ক্লসেনের কাছে।

উনি এখনি চলে আসবেন, তোমাদের চলে যাওয়া উচিৎ।

এখন তোমরা বোকার মত আফসোস করছো।

চলে যাও, আমি সমলে নিবো সব।

আমাকে আবার বোকা বল।

মি. ক্লসেন অফিসে কখন আসেন? ম্যাডাম, শুনুন।

মি. ক্লসেন অফিসে কখন আসেন?

প্রতিদিন সকাল 8:30.

ওদিকে চল।

বস।

কই যাচ্ছিস রে? মেঝেতে বস!

তুই বোকা।

টু-শব্দও করবি না।

এলসি, কি হয়েছে তোমার?

শুভ সকাল।

মারার দরকার ছিলো না তোর।

- আস্তে চালা। - জোরে চালাচ্ছি না।

দেখলি ছোট, কোনো ঝামেলা হলো না।

চিন্তা আর করা দুটাই আলাদা জিনিস।

ওলনিতে আগে ভাগে যেতে হবে।

আগে গেলে আগে পাবো।

- আস্তে চালা। - জোরে চালাচ্ছি না।

এই মুদ্রাগুলো গোলাঘরে পেয়েছি।

কে জানে কতদিন ধরে এগুলো গোলাঘরে ছিলো।

সবগুলো বীজের বস্তার ঠিক নিচে রেখে

আমি না খেয়ে মরছিলাম।

- এটা তো ১৯৫৩ সালের। - ১৯৫৩ সালের?

এর ভিতরে প্রাচীন মুদ্রা থাকতে পারে।

আপনি ভাগ্যের উপরে বসে ছিলেন।

তাই তো দেখছি।

শুভ সকাল, সবাইকে। ড্রয়ার খোল!

ড্রয়ার খোল তাড়াতাড়ি!

১, ৫, ১০, ২০, বান্ডিল, আর ১০০'র নোট না।

- তোমরা ব্যাঙ্ক ডাকাতি করছো? - চোপ!

কাউন্টারের উপরে হাত রাখো।

- আচ্ছা, রাখলাম। - হ্যাঁ, এভাবে।

তোমরা পাগল নাকি, এই এলাকায় কোনো মেক্সিকানও নেই।

আরে-আরে-আরে! বান্ডিল না।

খুচরা টাকা শুধু।

আচ্ছা।

তোমাদের লজ্জা পাওয়া উচিৎ।

হাত কাউন্টারে আমার সামনে রাখ!

আচ্ছা, রাখছি।

তোমার কাছে বন্দুক আছে, চাচা মিঞা?

ঠিক ধরেছো। বন্দুক আছে।

বন্দুক দিয়ে কি করবে তুমি?

উল্টা পাল্টা কিছু করবে না, বুঝলে?

- পেয়েছি। - এখন আমার বন্দুকটাও ডাকাতি করবে?

আমার নিজেরই বন্দুক আছে।

তোমাকে না ব্যাঙ্ক, আমরা ডাকাতি করতে এসেছি।

মুখ বন্ধ রাখবে।

চল!

মাফ করে দিও তোমরা।

শালা হারামিরা, দেখাচ্ছি মজা।

মর শালা বুড়া!

চল, পালা!

বন্দুক কাউন্টারে ছেড়ে এসেছিলি? আমাদের মেরেই ফেলতো রে!

বুড়ো-ভামকে ডাকাতি করার কি আছে?

ব্যাঙ্ক তো ডাকাতি করছিই।

তুই দিন দিন বলদ হয়ে যাচ্ছিস।

মর তুই।

দেখলি আগে গেলে কি পাওয়া যায়?

চল জেটনের ব্রাঞ্চে হানা দিই?

না, পারবো না। সকাল সকাল

দুইটা ব্যাঙ্ক হাতড়ে কিছুই পাই নাই।

- অন্যগুলাতে পাবো না! - আচ্ছা।

এবারই প্রথম আমি গুলি খাওয়ার ভয় করলাম।

বুদ্ধি খাটিয়ে চলতে হবে। না'হলে আম-ছালা সব হারাবো।

আমি পুরা সপ্তাহ এই কাজ করতে পারবো।

আচ্ছা করিস।

আমরা ঘোড়সওয়ারের মত, ছোট ভাই।

যে পথ দিয়ে আমরা যাই

পুরা টেক্সাস আমাদের ধাওয়া করে যায়।

যুদ্ধবাজ।

- হাত সরা। - আস্তে চালা!

ব্যাঙ্ক ডাকাতির খবরটা শুনেছো?

তুমি সবসময় আমার মত পোশাক পরো কেন?

এটা ইউনিফর্ম।

আমাদের কোনো ইউনিফর্ম নাই।

আমরা যে রঙের ইচ্ছা শার্ট পরতে পারি।

আর তুমি আমার মত শার্ট পরো।

রেঞ্জারের নিয়মে শাদা, নীল, কিংবা খাকি রঙের শার্ট পরা যাবে।

এই কারণেই আমরা সবাই এক রকম পোশাক পরি।

নকল করার শাস্তি কি জানো তো, আলবার্তো?

ব্যাঙ্ক ডাকাতির খবরটা শুনেছো?

নাকি বসে বসে আমার সাথে শুধু ঝগড়াই করবে?

কোথায় হয়েছে?

টেক্সাস মিডল্যান্ড ব্যাঙ্কে...

আর্চার সিটি আর ওলনির ব্রাঞ্চে।

FBI সাহায্য চায়?

মিডল্যান্ডের বাহিরে আর কোনো ব্রাঞ্চ নাই।

আর, শুধু মাত্র কয়েক হাজার ডলার নিয়েছে।

FBI কেস নিবে না।

অবসরে যাওয়ার আগে

একটু গতর খাটিয়ে দেখো কেমন লাগে।

মাথা ঠাণ্ডা রাখ।

বিয়ার খাওয়ার পর মাথা গরম হয় তোর।

এই জায়গা একেবারে ফালতু।

আর কিছু বলবি তুই?

গোটা মুল্লুকে খাওয়ার মত ভাল মাংসও নাই।

তুই যখন বসে বসে জেলের ঘানি টানছিলি, মায়ের দেখাশোনা তখন আমিই করেছি,

তাই এখন বয়ান দিতে আসিস না।

বিছানায় কতদিন পড়ে ছিলো?

তিন মাস।

খুব কষ্ট পেয়ে মরেছে।

মা'কে শেষ দেখার ইচ্ছা ছিলো।

নিজের হাতে খাইয়ে দেওয়ার ইচ্ছা ছিলো।

কিছুই খাওয়াতে পারি নাই রে।

তাহলে বাড়িটা একটু পরিষ্কার করে দিতে পারতাম।

তোকে কখনো বাড়ি পরিষ্কার করতে দিতো না।

না। শুধু ব্যাঙ্ক ডাকাতি করতে দিতো।

মরছে ভালো হইছে।

আমার সাথে কোনদিন ভাল করে কথাও বলেনি।

উইল রেখে গেছে?

হ্যাঁ।

আমার নাম আছে?

উইল কিছু না।

সব আমার হাতেই ছেড়ে দিয়েছে। শুক্রবার সব ছেলেদের হয়ে যাবে।

এমনটা করতে চায়নি মা।

ইচ্ছা করেই করেছে।

বাবার সাথে থাকার জন্য আমাকে ঘৃণা করতো।

আমরা সবাই ভুগেছি।

তুই ঝুঝিসই আমরা কতটা কষ্টে ছিলাম।

আমি, বুঝেছি।

তাই মাথা গরম করে হারামিটাকে মেরেই ফেলেছি।

এই, কি অবস্থা?

আজ সকালে কেউ ব্যাঙ্ক ডাকাতি করেছে।

কি করেছে?

গলির মুখে কাউকে দেখলে,

আমাকে ফোন করে জানাবে।

গলিতে আমি ঢুকবোই না।

একবার কানাগলিতে গিয়ে আটকে গিয়েছিলাম।

কেউ না পারুক, তুমি তো পারবে।

শুধু মাত্র গাছটা চিনতে পারলে।

পশ্চিম টেক্সাসকে এই জন্যই এত ভালো লাগে।

- রেঞ্জার। - হ্যাঁ।

ডাকাতি বলা যায় না।

ওরা মাত্র $৭,০০০ পেয়েছে।

ড্রয়ারের টাকা নিয়ে গেছে, ২০ আর খুচরা, বিল রেখে গেছে।

- * ইঙ্ক প্যাক? - না।

*ব্যাঙ্ক ডাকাতদের ধরার জন্য টাকার বান্ডিলে ব্যবহৃত অদৃশ্য কালি।

- চালাক। - হ্যাঁ, চালাক আছে।

ভিডিও দেখা যাবে?

চলুন, ব্যাঙ্কের ম্যানেজার মি. ক্লসেনের সাথে কথা বলিয়ে দিই।

উনি হলেন রেঞ্জার হ্যামিলটন।

- রেঞ্জার। - জী।

ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার ভিডিও দেখতে পারি?

ক্যামেরা আছে, কিন্তু কম্পিউটারে সংযোগ দেওয়ার জন্য

ক্যামেরা বন্ধ রাখা হয়েছে।

নতুন ক্যামেরা টিভিতে চলে না।

কাউন্টি শেরিফকে ফোন দাও।

জিজ্ঞাসা করো ক্যামেরা লাগিয়েছে...

কিন্তু রেকর্ডিং ডিভাইস লাগায়নি কেন।

- অস্ত্রধারী? - জী, পিস্তল।

মুখোশধারী?

স্কি মুখোশ, শার্ট, পকেটওয়ালা প্যান্ট...

ভাষায় ডালাসের টান ছিলো।

ছিনতাইকারী না?

হতে পারে।

ছিনতাইকারীরা এত সকালে আসে না।

ছিনতাইকারীরা ঘুমায় না। শুধু ছিনতাই করে।

ওরা শুধু ড্রাগ স্টোর, পার্ক করা গাড়ি ডাকাতি করে, ব্যাঙ্কে না।

ভিতরটা ঘুরে দেখতে পারি?

অবশ্যই।

এখানেই আছি, মার্গারেট।

আপনার নাকে ওরাই মেরেছে তাহলে?

জী, স্যার।

ঠিক করেনি।

জানি ওদের মুখ ঢাকা ছিলো, কিন্তু কোন জাতের বলতে পারবেন?

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left