The first 162 lines.
ফ্ল্যামি Episode 2 - The Only Play
শুয়োর আজ আমার ক্ষেতে তোলপাড় করে ফেলেছে, জগদীশ।
গ্রাম প্রধানের সাথে এব্যপারে কথা বল।
তাতে সমস্যার সমাধান হবে না। ১ টাকা রাখ।
ক্ষেতে জলসেচন করেছিস? হ্যাঁ, করেছি। তুই?
ভিট্টালের আজ এত দেরি হচ্ছে কেন?
এখনও এসে পৌছাল না!
ওইযে।
প্রত্যেকবার তার খেলার আগে মুততে হয়।
একবার হয়ে গেলে,
এখানে এসে আমাদের প্যান্ট ভিজিয়ে দেয়।
কার্ড খেলা ওর রক্তে বইছে।
দান নেই। - শিওর তো!
আমারও নেই। তাসখেলায় ত্রিভুবন দাস ছিল অপরাজেয়।
বাপের মতো না হলেও, ভিট্টাল বেশ ভালোই খেলে।
হ্যাঁ।
ভিট্টাল তোদের প্রতিদিন হারায়
আর তোরা কখনো তার গুণগান গাওয়া বাদ দিস না।
ভিট্টালকে আসতে দে। আজ তাকে আমার মুখোমুখি হতে হবে।
আবার হেরে গেলাম।
গুরুজি, দয়া করে এবার হাজির হোন!
সবাই আপনার সাথে খেলার জন্য মুখিয়ে আছে!
আয়।
হে ঈশ্বর! প্লিজ আমাকে বাঁচান!
আমাকে ৩ টা টেক্কা দাও।
বল। ১ম রাউণ্ডে কত টাকা দিয়ে শুরু করবি?
৫ টাকা।
নয় ১ নয় ২। আমরা ৫ টাকা দিয়ে শুরু করছি!
মনে হয় আমাদের ১.২৫ পয়সা দিয়ে শুরু করা উচিত।
কিছুতেই না। বাজি ৫টাকা দিয়েই শুরু হবে।
যদি গ্যাঁটে মাল না থাকে, যেতে পারিস।
হ্যাঁ! এইতো বাঘের বাচ্চা!
সে প্রথম দানেই ৫টাকা বাজি ধরলো!
এইযে আমারটা।
নে, সব লুটে নে।
বাজি ১০ টাকাতে তুললাম।
আজ ভাগ্য আমার সহায় নয়।
আমি রাখলাম।
আমার ১০টাকা।
নুড়ি দিয়ে বাজি ধরছিস কেন?
আমি হারলে, তোকে কচকচে নোট দেব।
আমারও নাই।
আমার ১০
এবার বাজি ১৫ টাকা।
নাই।
ব্যাপার না। তুইও নুড়ি রাখতে পারিস।
রাখলাম।
হে, ঈশ্বর!
কিন্তু জিতলাম তো আমি।
শুধুমাত্র যতক্ষণ তুই খেলায় ছিলি।
যাচ্ছিস কোথায়?
আমি কিছুক্ষণের মধ্যে আসব।
আরে দাঁড়া, আরেক রাউন্ড খেলে যা। সে আসবে কিনা আমি শিওর না।
শুরু করা যাক।
'বাজি ১ অথবা ২ টাকা দিয়ে শুরু হলেও,,'
'কখনো-সখনো সেটা ২০ এর কোটায় যায়!'
'পরে, আমি ৫০০ টাকার বাজিও খেলতে পারব।'
'সত্যিটা আপনাদের বলি,'
'বাজি ৫০ হোক কিংবা ৫০০,'
'খেলার দরের উঠানামাটা আমাকে রোমাঞ্চিত করে।'
হোয়াইট-কলার কর্মচারীদের মতো
দৃঢ়তার সহিত আমি কার্ড খেলি।
কিন্তু এইবার, গেইমটার সঞ্চালক হলাম আমি।
মুভি/সিরিজ সম্পর্কিত আপডেট এবং আপকামিং সকল বাংলা সাবটাইটেল সংক্রান্ত খবরাখবর জানতে যুক্ত হোন আমাদের গ্রুপে :
- অনুবাদ ও সম্পাদনায় - :.:.: F L A M Y T U H I N :.:.:
এপিসোড নং: ২
আজ দেরি করে ফেলেছিস। হ্যাঁ।
প্লেট দে।
আজ মিষ্টান্ন বানিয়েছ! উপলক্ষ্য কী?
প্রমোদের চিঠি এসেছে আজ।
প্রমোদ এখন গ্রাজুয়েট।
তাই বাবা বলেছেন মিষ্টান্ন পাকাতে।
দারুণ! সে কখন বাড়ি আসছে?
এত তাড়াতাড়ি প্রমোদ বাড়িতে আসবে না।
ভালো নাম্বার পেয়ে সে গ্রাজুয়েট হয়েছে।
তবে চাকরি না পাওয়া অবদি,
তাকে একটা ভাড়াবাড়িতে থাকতে হবে।
কলেজের হোস্টেলে থাকতে পারবে না।
তার কয়েকজন বন্ধু আছে,
যারা শেয়ার করার মতো একটা রুম পেয়েছে।
প্রতিদিন তাকে বাইরেও খেতে হবে।
এতে খরচা আরও বাড়বে, তবে আশা রাখি এই শেষ।
ওকে আমাদের কতটাকা পাঠাতে হবে?
৭০০ টাকা।
সামনের মাসে একটা চাকরি পেয়ে যাবে তার এতটুকু আত্মবিশ্বাস আছে।
বন্দনা, আমি বক্সে কয়েকটা টাকা রেখেছি।
প্রায় ৪৭০ টাকার মতো হবে।
মুদীপণ্য আর দুধ কেনার জন্য ৪০ টাকা আলাদা করে রাখো।
আরও ১০ টাকা আছে হয়তো।
বাকিটা আমি কয়েকদিনের মধ্যে জোগাড় করে ফেলব।
তারপর, টাকাটা ওকে পাঠিয়ে দেব।
ধাঞ্জি এবছর আমার কাপড় সেলাতে পারবেনা আমি শিওর।
ওইসময় রামিলার বিয়ে হয়েছিল।
এটা সম্ভবত আমি তার "সাধ" এর দিন পরেছিলাম।
আমারও কিছুটা মানসম্মান আছে।
গ্রামের কাউকে যদি কখনো বিয়ের অনুষ্ঠানে
নতুন কাপড় ছাড়া যেতে হয়, তাইলে সেটা
আমার জন্য চিরদিনের কলঙ্ক হয়ে থাকবে।
এভাবেই মালটা সবাইকে বোকা বানায়।
ভিট্টাল, স্কুলে আমাদের সাথে থাকা সবকটা মেয়ে
আমাদের একদম কোনো পাত্তাই দেয় না!
সবকটা গ্রামের বাইরে গিয়ে স্যাটেল হবার ধান্ধায় আছে।
রামিলাকে দেখ।
স্কুলে থাকতে সে একদম হাবা ছিল।
সেও একটা চাকরিওয়ালা ছেলে পেল! বিশ্বাস করতে পারিস?
এটাই আমাদের জীবনটাকে কঠিন করে তুলে।
এই হারে চলতে থাকলে, আমাদের সবকিছু ত্যাগ করে
জুনাগড় গিয়ে সন্ন্যাসী হতে হবে।
যদি শহরের কোনো পয়সাওয়ালা ছেলে তাকে নিয়ে যায়। হেই!
এই নিন। আপনার ড্রেস রেডি। ঠিক আছে। ধন্যবাদ, ধাঞ্জি।
আয়। হয়ে গেছে?
চোখাচোখির প্রেম শেষ হলে,
এবার কাজে যাওয়া যাক?
চল।
স্বাগতম, মি: জগদীশ!
আজ আপনাকে বেশ লাগছে!
আচ্ছা? জাগা থেকে ডিরেক্ট মি: জগদীশ!
তারমানে এখনো আমার কাপড় সেলাই করনি।
চিন্তা করবেন না। শীঘ্রই হয়ে যাবে।
ওহ, তাই? তাইলে এই শার্টটাও খুলি।
অত:পর পুরো গ্রামে খালি গায়ে উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘুরে বেড়াব।
যদি কেউ কারণ জিজ্ঞেস করে, আমি তোমার নাম নেব, ঠিক আছে?
শান্ত হন, মি: জগদীশ।
শুধু অভিনেতাদের খালি গায়ে ভালো দেখায়।
আপনার আর আমার মতো লোকেদের হিরো আলমের মতো লাগে!
ওইটা গোবিন্দ? হ্যাঁ।
যদি চান, আমি ওটার মতো হুবহু সেলাই করে দিতে পারব।
আপনাকে দারুণ মানাবে।
ভিট্টাল, ওটা দেখেছিস? গোবিন্দ।
কতো খরচ পড়বে? আপনার জন্য শুধু ২০০ টাকা।
বাকিরা তো ১৫০ তে করে, না?
কী বলছেন ভাই?
২৫০ টাকার নিচে কাজ করাতে এলে আমি কাউকে
দোকানের ভেতরে ঢুকতে দিই না।
কী বলিস, ভিট্টাল?
বচ্চন সাহেবের মতো একজোড়া বানালে খরচ কতো পড়বে?
শুধু জ্যাকেট-ই ২৫০ টাকা পড়বে।
কেন? হিরা লাগাবি নাকি?
উনার মতো হিরোর হিরে গায়ে দেয়ার কী প্রয়োজন?
বচ্চন সাহেবের মতো কেউ নেই।
যদি বচ্চন গোবিন্দ'র চেয়ে বেশি জনপ্রিয় হয়,
তাহলে আমি উনার মতো সেলাই করবো।
আমি আপনাকে ২ জোড়া সেলাই করে দেব।
একদিন গোবিন্দরটা পরবেন, তো আরেকদিন বচ্চনেরটা।
একজন বচ্চন, পরেরদিন গোবিন্দ।
কী বলেন, জগদীশ ভাই?
আমার বাবার সাথে কখনো দেখা হয়েছে?
এমন মার মারবে যে একদম জনি লিভার বানিয়ে দিবে।
আমাকে গাছে তোলার চেষ্টা করবি না।
ও ভাবে আমি গাধা। আমিতো ব্যস...
এবার শোন আমার কথা।
২ দিনের মধ্যে আমার কাপড় চাই। ঠিক আছে।
হয়ে যাবে তো? কাল।
কালকেই হয়ে যাবে। কেউ ব্যথা পাবে। একপাশে রাখো।
ঠিক আছে, তাহলে। চল ভিট্টাল। ওকে।
জগদীশ। হ্যাঁ।
তুই যা। আমি আসছি। কোথায় যাচ্ছিস?
ডায়পার পরিস না কেন?
কানহার দোকানে যাবো। ওখানে আয়। ঠিক আছে।
ধাঞ্জি ভাই। আরে আসুন।
এরকম একটা জ্যাকেট সেলাই করে দিতে পারবে?
আমিতো সেটাই আপনাকে বলতে যাচ্ছিলাম।
No comments yet. Be the first to leave one.