The first 200 lines.
তোমার ভাই-বোনেরা সবাই তাদের ওটমিল শেষ করে
আজকের দিনের প্রশিক্ষণ শুরু করেছে।
নাম্বার সেভেন, তুমি কি ওদের সাথে যোগ দিতে চাও?
কারো কি সকালটা খারাপ যাচ্ছে?
আমার মন খারাপ থাকলে কোন জিনিসটা আমার মন ভালো করে দেয়, জানো?
গান গাওয়া।
ওহ!
নাম্বার সেভেন!
হুম।
হাই, নাম্বার সেভেন। আমি তোমার নতুন ন্যানি। মিসেস কর্নওয়ালিস।
ওহ!
নাম্বার সেভেন!
হুম।
হ্যালো। আমি মিস স্টিভেনবেকার, তোমার নতুন ন্যানি।
নাম্বার সেভেন!
হুম।
হ্যালো, নাম্বার সেভেন। আমার নাম গ্রেস। আমি তোমার নতুন ন্যানি।
তোমার বাবা বলল, তুমি ওটমিল পছন্দ করে না।
কিন্তু বেড়ে ওঠার জন্য, শক্তি বাড়ানোর জন্য ওটা খেতে হবে।
আর খাওয়ার পরে তোমাকে সবার সাথে প্রশিক্ষণ নিতে হবে।
এসো, তোমাকে সাহায্য করি।
আরেকবার চেষ্টা করে দেখব?
ঠাণ্ডা হওয়ার আগে ওটমিলটা খেয়ে নাও।
অনুবাদে - কুদরতে জাহান
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।
আমরা এখানে কিছুক্ষণের জন্য নিরাপদ।
আমরা বেশিক্ষণ থাকতে পারব না।
আমাদের জিনিসপত্র গুছিয়ে নিতে হবে।
ভানিয়া।
ভানিয়া।
এসো তোমাকে পরিষ্কার করিয়ে দেই।
তোমার পরিবার,
ওরা আমাদের ধরতে আসবে।
সমস্যা নেই।
তোমাকে চিন্তা করতে হবে না। আমরা এখন একটা টিম।
আমরাই ওদেরকে ধরতে যাবো।
ওরা কেন আমাকে ধরতে আসবে?
ভানিয়া...
তুমি অ্যালিসনকে খুন করেছ।
না, আমি...
আমি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিলাম।
- সবকিছু এমন চোখের পলকে ঘটে গেল। - আমি জানি।
আমি জানি।
এটা তোমার দোষ না। তুমি আসলে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করছিলে।
ওরা এইভাবে ব্যাপারটাকে দেখবে না।
না। আমি ওদেরকে বোঝানোর চেষ্টা করব।
আমি ওদের কাছে যাবো আর ওদেরকে বোঝানোর চেষ্টা করব।
ওরা তোমাকে মারতে চাইবে।
একমাত্র আমিই তোমার পাশে আছি, ...
একমাত্র আমিই বুঝি তুমি কতোটা স্পেশাল।
তোমার সাথে প্রথম যেদিন দেখা হয়, সেদিনই বুঝেছিলাম।
তোমার মুখের দিকে তাকিয়ে এখনো বুঝতে পারছি।
কিন্তু ওরা এসব বোঝেনি।
কখনো বোঝেনি।
কখনো বুঝবেও না।
বলো একথা।
আমি পারব না।
আমার জন্য বলো।
আমি স্পেশাল।
ঠিক আছে।
আবার বলো।
আমি স্পেশাল।
দেখলে, কঠিন কিছু তো না।
- এসো! চলো! - মনে হয় ও শ্বাস নিচ্ছে না।
ওকে ওপরতলায় নিয়ে না গেলে ও মারা যাবে।
ওর ল্যারিঙক্স সাংঘাতিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
- তোমাদের একজনের রক্ত দেয়া লাগবে। - আমি দেবো।
- আমি দেবো। - আমি দিচ্ছি।
সেটা সম্ভব না, বাবা।
তোমার রক্ত বরং আমার সাথে বেশি মেলে।
হেই, চিন্তা নেই। আমি দিচ্ছি, দৈত্য।
- আমার সুঁই খুব ভালো লাগে। - মাস্টার ক্লাওস।
তোমার রক্ত...
কীভাবে বলি কথাটা?
অনেক বেশি দূষিত।
- সরো। - হ্যাঁ, যাও।
আমি দেবো রক্ত।
- হোয়া! - না!
ওর রক্ত নাও।
- কী করছ তুমি? - ড্রাগ খুঁজছি।
একাজ কোরো না।
তোমার কথা আর শুনব না আমি!
চলে যাওতো, প্লিজ।
ড্রাগ না নিলেই মেজাজ ভালো থাকে তোমার।
- ড্রাগ না নিয়ে কোনো লাভ নেই। - এই জিনিস তোমাকে কোথায় নিয়ে এসেছে, দ্যাখো।
কোথায় নিয়ে এসেছে?
কোথায়? কোথাও না।
আমি আমার ভালোবাসার মানুষটার সাথে কথা বলতে পারছি না। মানুষজন আমার কথায় গুরুত্ব দিচ্ছে না।
আমি আবার অনুভূতিশূন্য হয়ে যেতে চাই।
তুমি একটা আস্ত কাপুরুষ।
- ওহ, তাই নাকি? - হ্যাঁ, তাই!
হেই!
জীবন তো সোজা হবে না।
জীবন কঠিনই।
খারাপ জিনিস ঘটবে। ভালো মানুষ মরবে।
ওহ, আবার মরা মানুষের কথা টানছ? নতুন উদাহরণ দিতে হবে, ভায়া।
আমি ডেভের কথা বলছিলাম।
তোমাকে এভাবে হতাশায় গুমরে থাকতে দেখে অসহ্য লাগছে আমার।
তাহলে চোখ সরিয়ে নাও।
এর চেয়ে অনেক ভালো কিছুর সামর্থ্য আছে তোমার।
আর ডেভ?
সেও এটা জানত।
হ্যাঁ, তুমি ঠিকই বলেছ।
তুমি ঠিকই বলেছ। আমি...আমি দুঃখিত।
ঈশ্বরকে ধন্যবাদ।
বোকা বনেছ!
তুমি এইমাত্র আমাকে ছুঁয়ে দিলে।
কী করে এই কাজ করলে?
আমি কিছু করিনি।
করেছ।
মনে হয়।
যে হারামাজাদা আমাদের বোনকে মেরে ফেলেছিল প্রায়, সে এখনো ঘুরে বেড়াচ্ছে, ভানিয়ার সাথে।
- ভানিয়াকে খুঁজে বের করতে হবে আমাদের। - ভানিয়ার তেমন কোনো গুরুত্ব নেই।
হেই, ও তোমার বোন। তোমার মায়া-দয়া কম জানি, তারপরেও এই কথাটা তোমার মুখে মানায় না।
ওর কথা ভাবি না আমি, তা বলছি না। কিন্তু আজকে যদি পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যায়,
তাহলে সাত বিলিয়ন মানুষের সাথে সেও মরবে।
হ্যারল্ড জেনকিন্সকে খুঁজে বের করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
- আমি একমত, চলো। - আমাকে বাদ দাও।
কিছু মনে কোরো না আরকি।
আমার আসলে মনে হচ্ছে,
ড্রাগ না নেয়ার কারণে আমার মনে এসব হয়তো একটু বেশি চাপ ফেলবে,
- তুমি আসবে। - না, না, না।
আমার ক্ষমতা যে তেমন কোনো কাজে আসে না...
এ ব্যাপারে সবাই নিশ্চয়ই একমত। আমার কারণে শুধু পিছিয়েই পড়বে তোমরা।
ক্লাওস, ওঠো।
আমাকে রাজি করাতে পারবে না তুমি।
অবশ্য একটু এক্সারসাইজ করলে মন্দ হয় না।
হ্যাঁ।
যেতে বললাম না!
ভানিয়া, আমি তোমাকে ভালোবাসি!
আমি একটা গুজব শুনলাম...
না! অ্যালিসন!
সর্বনাশ।
ওহ, খোদা।
ভানিয়া, চলো যাই।
ভানিয়া, সবকিছুর ব্যাখ্যা দিতে পারব আমি।
এই পুরোটা সময় আমাকে ভুল বুঝিয়েছ তুমি?
না, একথা সত্যি না।
- আমি শুধু তোমাকে বাঁচাতে চাচ্ছিলাম। - কার কাছ থেকে?
তোমার পরিবারের কাছ থেকে।
ওরা তোমার ক্ষতি করতে চায়।
ভানিয়া, এই সবকিছু আছে ঐ জার্নালে।
তোমার বাবা...
তোমাকে ভয় পেত।
এজন্যই সে তোমাকে ঐ পিলগুলো খাওয়াত।
তোমাকে সাহায্য করার জন্য না।
তোমার ক্ষমতাগুলোকে দমিয়ে রাখার জন্য।
তুমি যে তোমার ক্ষমতাগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে,
এ ব্যাপারে তোমার ওপর বিশ্বাস ছিল না তার।
কিন্তু আমি কখনো তোমাকে ভয় পাইনি।
আমি তোমাকে কাছে টেনে নিয়েছি।
একমাত্র আমিই তোমাকে
তোমার আসল পরিচয় জেনেও ছেড়ে যাইনি।
তোমার ভাই-বোনেরা
পুরোটা সময়ে তোমার বাবার কথামতো চলেছে।
হ্যারল্ড জেনকিন্স কে?
সে...
আমাদের মতো একজন।
একজন নিঃসঙ্গ ছেলে।
যার পরিবার তার সাথে নিষ্ঠুর ব্যবহার করেছে।
ও শুধু চেয়েছিল, সবাই ওর কথা শুনুক, ওকে ভালবাসুক।
অ্যালিসন ঠিকই বলেছিল।
- তুমি মানসিকভাবে অসুস্থ। - আমি কিন্তু তোমাকে মারতে চাইনি।
- আমাকে যেতে হবে। - ওরা তোমার জন্য জীবনেও কিছু করেছে?
আমার কারণে তুমি প্রথম চেয়ারে বসতে পেরেছ!
আমি অডিশন দিয়ে অর্জন করেছি ঐ জায়গা।
তুমি কী ভেবেছ? প্রথম চেয়ারের মেয়েটা নিজে নিজেই নিখোঁজ হয়ে গেছে?
কী করেছ তুমি?
আমি তোমার জন্য করেছি একাজ।
- আমার কাছে আসবে না! - ভানিয়া, আমরা বিপদে আছি!
অনেক বিপদ। তোমার পরিবার তোমাকে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে দেখে ফেলেছে।
ওরা তোমার সামর্থ্য জেনে গেছে।
- ওরা আমাদের ধরতে আসবে। - না, ওরা আমার কথা শুনবে।
কক্ষনো না! ওরা তোমাকে ছোট করে রাখতে চায়।
কিন্তু আসলে ওরাই তোমার ক্ষমতার কাছে ছোট।
ওদের তুলনায় তুমি একজন ঈশ্বর!
একবার ভালোমতো চোখ খুলে দেখো ওদের আসল চেহারাটা!
আমি ওটা দিয়েছি তোমাকে।
তাই, যা শুরু করেছি, তা শেষ করা যাক।
- ভানিয়া, তোমার আমাকে দরকার। - আমার পরিবারকে দরকার আমার।
আমি...
আমি অ্যালিসনকে মারতে চাইনি।
আর আমি ওকে ভালবাসি।
আমি ওদের সবাইকে ভালোবাসি।
তোমার বাবা ঠিকই বলেছিল।
তুমি যথেষ্ট শক্তিশালী না।
সে জানত এটা।
আর এখন আমি জানি এটা।
তুমি দুর্বল!
চুপ করো।
তোমাকে দেখলে করুণা হয়!
প্লিজ না।
নিজের দিকে তাকিয়ে দেখো। তুমি কিছুই না।
না!
- তুমি একদমই সাধারণ। - চুপ করো!
- সাধারণের চেয়েও খারাপ! - চুপ করো!
তুমি বিশেষ কেউ নও!
- অতি সাধারণ ব্যর্থ একজন মানুষ। - চুপ করো! চুপ করো!
না।
না, আমার দিকে না, ভানিয়া।
No comments yet. Be the first to leave one.