The first 200 lines.
দরজা খুলব?
এই নাও চাবিগুলো।
কথা বলছ কেন?
না! না, না--
ব্রেকিং ব্যাড সিজন ৪ এপিসোড ৪ বাংলায় অনুবাদ - কুদরতে জাহান
সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না
Join Our Group - Subtitle Hut
জুয়াখেলা আমার জীবনটা শেষ করে দিয়েছে।
আমাকে, আমার পরিবারকে, আমার ভালোবাসার সবাইকে।
ব্যাপারটা ছিল ডাকাতির মতো, তবে ডাকাতটা ছিলাম আমি নিজেই।
জুয়ায় আসক্ত মানুষ নিজেকে বুঝ দেয়ার জন্য যেসব অজুহাত দেয়, শুনলে অবাক হবেন।
এই মিথ্যাগুলো আরেকদান খেলতে, আরেকবার বাজি ধরতে এগিয়ে নিয়ে যায়।
পাশার দান আরেকবার ঘোরানোর পথে এগিয়ে দেয়।
এটাই আমাদের চুক্তি, ঠিক আছে? মেরি, না।
তোমরা একটা আঙুলও তুলবে না। সিরিয়াসলি বলছি।
আমরা সবকিছু নিয়ে আসছি, কেউ এ ব্যাপারে কিছু বলতে পারবে না, বুঝেছ?
দারুণ।
সোনা, চিন্তা কোরো না। আমরা বিলের ব্যাপারে আর একটা কথাও বলব না।
আমরা শুধু সবার খোঁজখবর নেবো।
ঠিক আছে, দেখা হবে, বাই।
তো...
আজকেই সেই রাত। এরপরে পেছানোর আর কোনো পথ থাকবে না।
বেশ...
আচ্ছা, শুরু করা যাক।
প্রথমে পয়েন্ট ভ্যালুগুলো অ্যাসাইন করবো।
সেগুলো রিমুভাল ইফেক্টের সাথে সম্পর্কিত।
ব্ল্যাকজ্যাকের নিয়ম অনুযায়ী টেক্কা এবং এইট স্প্লিট করা হয়
- এইটগুলো স্প্লিট করতে চাও? - স্কাইলার, প্লিজ।
এখন আসছি কেলি ক্রাইটেরিয়ন নামের গাণিতিক নিয়মের ব্যাপারে।
সেটা থেকেই আমি আমার পরিকল্পনাটাকে সাজিয়েছি--
এমআইটি সিস্টেমের সাথে মিল আছে এর,
ওয়াল্ট, তুমি ওদের শিক্ষক না।
- তুমিই তো ভেঙে বলতে বলেছিলে। - খেলো তো, বেশি সময় নিয়ে ফেলছ।
তোমার কি মনে হয়, এগুলো বর্ণনা করা আমার দায়িত্ব না?
আমাদের গল্প অনুযায়ী, তোমার দায়িত্ব হলো দক্ষতার সাথে খেলা। বকবক বাদ দিয়ে শুরু করো।
- "বকবক" বোলো না। - ওয়াল্ট।
আমরা দুইজনেই জানি, প্রথম কাজ হলো,
স্প্লিট করব নাকি খেলা বাদ দেবো, সেই সিদ্ধান্ত নেয়া।
আটটা চালা হলে স্প্লিট করো।
দুইপক্ষের জন্যই ভালো হবে।
এরপরের কাজ, ডাবল ডাউন করব কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেয়া।
- সেটাই করা উচিত তোমার। - 1 1 পেলে করব।
কিন্তু এই হ্যান্ডে আমরা পাচ্ছি 1 আর 8
- এরপরের কাজ, হিট করব নাকি স্ট্যান্ড করব, সেই সিদ্ধান্ত নেয়া। - হিট করো।
কারণ 1 আর 5 পেলে ডিলারের কাছে 9 থাকবে।
দেখতে পাচ্ছি। হুম।
হিট করো। ওহ।
দেখা যাক আমি কী পেয়েছি।
টুয়েন্টি ওয়ান হয়েছে।
- বাহ। - হ্যাঁ।
মূল কথা হলো, খেলা যে কেবল এক হ্যান্ডের ওপর নির্ভর করে না, তা মনে রাখা।
প্রতি ঘন্টায় কয় হ্যান্ড খেলা হচ্ছে, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।
আবার শুরু করা যাক।
0, -1, 0.6।
ঠিক আছে।
- ওয়াল্ট। - এমন না যে আমি খেলতে জানি না।
কীভাবে কার্ড কাউন্ট করতে হয়, তা আমি ভালোই বুঝি।
চলো খেলতে থাকি।
না, শোনো, গল্প অনুযায়ী তো আমি জুয়াখেলা বাদ দেয়ার চেষ্টা করছি, তাই না?
আমার তো খেলারই কথা না।
এই গল্পের সাথেই চলা উচিত আমাদের।
সত্যি বলতে,
- ঠিকই বলেছ। - ওয়াও।
আমরা কোনোকিছু ভাগ্যের হাতে ছেড়ে দেবো না।
আচ্ছা,আবার শুরু করা যাক। অনেক....
- ওয়াল্ট, অনেক কাজ বাকি। - এটা কী?
আমাদের দুইজনকে হুবহু একই গল্প বলতে হবে।
- স্ক্রিপ্ট বানাতে হবে? - না, বুলেট পয়েন্ট।
- বুলেট পয়েন্ট? - একটা উপন্যাসিকা তো আছেই।
সেটাই বুদ্ধিমানের কাজ। হঠাৎ করে আমরা একটা কার ওয়াশ কিনে ফেলার মতো বড়লোক হয়ে গেছি,
এ নিয়ে কোনো গাঁজাখুরি গল্প দিয়ে ডিইএ এজেন্টকে বোকা বানানো যাবে না।
- আমার কি এসব মুখস্থ করা লাগবে? - আমাদের প্র্যাক্টিস করা লাগবে।
প্রতিটা শব্দ নিখুঁত আর যুক্তিযুক্ত হওয়া চাই।
ওর মনে সহানুভূতি জাগিয়ে তুলতে হবে, আর গল্পটা অবশ্যই বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে হবে।
তুমি মেরিকে যা বলেছ,
সেগুলো কি ও হ্যাঙ্ককে বলেনি?
কী যে বলো, মেরি যেই পেটপাতলা, ও না বলে যাবে কই?
- না ও বলেনি। - হেহ।
ও বলেনি।
হ্যাঙ্কের ধারণা ওর ইনস্যুরেন্সের টাকায় সবকিছু চলছে।
আমরা যে ওর থেরাপির টাকা দিচ্ছি, তা মেরি বলেনি হ্যাঙ্ককে।
- আমরাও বলব না। - কেন জানি বলব না?
- না বোঝার ভান কোরো না, - জুয়াখেলার গল্পটা যদি বলি আমরা...
তুমি কি টাকা নিয়েছ ওয়াল্ট? গ্রেচেন আর এলিয়টকে মনে নেই?
আমার মনে আছে যে, সাহায্য নেবার চাইতে ড্রাগ বেচাই ভালো উপায় তোমার কাছে।
- ভালো। - মেরির যখন ইচ্ছা, তখন ও হ্যাঙ্ককে বলবে।
অন্তত আমরা গল্পের ভিত্তিটা গড়ে ফেলব ততদিনে।
হ্যাঙ্ক আর জুনিয়রকে সত্যি....
সবাইকে সত্যি বলে দেয়ার ভান করাটাই সবার জন্য ভালো হবে।
আমরা এ ব্যাপারে আগেও কথা বলেছি।
- আমরা তো এ ব্যাপারে একমত হয়েছি, না? - তা হয়েছি...
কী?
বাদ দাও--
আমার মনে হয়, ওদেরকেও এ গল্পের অংশ করা উচিত,
আমরা প্রত্যেকেই গল্পের ভিন্ন ভিন্ন অংশের জন্য দায়ী থাকবো--
গল্পে একজনের পরে আরেকজনের পালা আসবে, কেউই বাদ যাবে না, তাহলে ঘটনাগুলোকে স্বাভাবিক লাগবে।
আচ্ছা, আমি তাহলে কার ওয়াশ কেনার সুখবরটা দেবো সবাইকে।
এরপরে হ্যাঙ্ক অবধারিতভাবেই যে প্রশ্নটা করবে তা হলো:
"টাকা পেলে কোথায়?" আমি জবাব দেবো:
আময়া সবকিছুই বলতে চাই, কিন্তু গল্পটা অনেক লম্বা,
তাই ধৈর্য ধরে শুনতে হবে।
পছন্দ হয়েছে?
ঠিক আছে।
তাতে দুইটা কাজ হবে। পরিবেশটা হালকা হবে, আবার ওরাও বুঝবে যে,
ব্যাপারটা বেশ বড়সড় কিছু।
হ্যাঁ, ব্যাপারটা একটু লম্বা।
তারপর তোমার পালা, ডায়াগনোসিসের কথা শুরু করবে।
এক, দুই পৃষ্ঠায় আছে মূলত--
আসল সত্যের সমান্তরালেই বানিয়েছি গল্পটা, মনে রাখতে সুবিধা হবে।
ক্যান্সারের ব্যাপারটা ভালোমতো বোঝাবে।
ভয়ে মরিয়া হয়ে যাবার ব্যাপারটা।
ওরা যাতে ব্যাপারটা মনে করে সহানুভূতিশীল হয়ে পড়ে।
তুমি কেন বোকার মতো একাজ করলে, তা যেন ওরা বুঝতে পারে।
এরপর ৩ এবং ৪ নম্বর পৃষ্ঠা অনুযায়ী বলবে:
"জুয়াখেলা আসক্তির পর্যায়ে চলে গিয়েছিল, নিয়ন্ত্রণ করতে পারছিলাম না"
- দেখেছ? - হ্যাঁ।
পেজের মাঝামাঝি।
মিটিং এ ডাকাতির যে ঘটনাটা শূনলাম, ওটাও ঢুকিয়েছি গল্পে।
এরপর বলবো, ব্যাপারটা আমাদের বিয়েতে কীভাবে প্রভাব ফেলেছিল,
কীভাবে আমরা দ্বিধায় পড়লাম, প্রতারণা করলাম, কেন কাউকে বলতে পারিনি--
তুমি তোমার কাজের জন্য ভয়াবহ, ভয়াবহ রকম লজ্জিত।
- হ্যাঁ। - দুইবার "ভয়াবহ" বলবো?
- ব্যাপারটার গুরুত্ব বোঝাতে। - আমি হলে এটা বলতাম না।
আমি হলে "ভয়াবহ" শব্দটা বলতাম না।
যেভাবে খুশি বোলো, তুমি বেশি আগিয়ে যাচ্ছ--
আর কেন--? আমার এত অনুশোচনা কী জন্য?
সত্যিই এ প্রশ্নের জবাব দিতে হবে?
আমি তো আমার পরিবার চালিয়েছি এবং চালাচ্ছি।
- যেখানে থেমেছিলাম, ওখান থেকে শুরু করি। - আমি দুর্বল, নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি নিজেকে।
আমাকে খুবই বাজে লোক বলে মনে হচ্ছে।
গল্পটা এমনই, খারাপ দিকগুলো সামনে নিয়ে আসবে।
এভাবেই বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবো, আমাদের দুইজনকেই বাজে দেখাবে।
তোমাকে বাজে দেখাবে কী জন্য?
"আমি আমার বসের সাথে শুয়েছি" সেই বুলেট পয়েন্ট কোথায়?
সেটা তো কোথাও দেখছি না।
ক্রিস্টাল মেথ বানানো একজন বরখাস্ত স্কুলটিচার তুমি, তাও এত নীতিবোধ!
ব্যাপারটা পছন্দ হচ্ছে না, জুনিয়রের চোখে খারাপ হতে চাই না আমি।
তুমি তো তাও জুয়াখেলায় জিতেছ, এদিকে আমি হলাম সেই ফালতু মা, যে তোমার পক্ষ নেয়নি।
আমি দুঃখিত।
তোমাকে এ অবস্থায় ফেলার জন্য দুঃখিত।
কেমন লাগছে শুনতে? হুম?
এই যে।
দুইটা "দুঃখিত"
আমরা ৫ নম্বর পেজে ছিলাম।
তো, অনুশোচনাবোধটা বর্ণনা করে বলবে তুমি, অবশ্যই নিজের ভাষায়,
আমরা প্রায় শেষের দিকে চলে এসেছি।
এরপর আমি বলবো, তুমি ১২ ধাপে আসক্তি ছাড়ানোর প্রোগ্রামে যোগ দিয়েছ বলে আমি কতোটা গর্বিত।
এ পর্যায়ে এসে আমরা নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করব।
একটা সাজেশন, তুমি অপরাধী অপরাধী ভাব করে মাটির দিকে তাকিয়ে থেকো।
কী? সত্যি সত্যি অপরাধী ভাবা লাগবে না।
একটু কষ্ট করে নিজের পায়ের দিকে তাকিয়ে থেকো ওয়াল্ট, কেমন?
তারপর আমি--
তারপর আমি মেরির হাত ধরে আবেগপ্রবণ হয়ে বলবো:
ওকে বলতে পেরে আমার কতোটা হালকা লাগছে।
ওদের মতো শক্তিশালী একটা পরিবারকে পাশে পেয়ে আমরা কতোটা গর্বিত।
একে অপরকে সাহায্য করতে পেরে আমরা কত খুশি। বলতে বলতে কেঁদেও ফেলতে পারি।
জানি না, পরিস্থিতি বুঝে কাজ করতে হবে।
অভিনেত্রীদের মতো দরকার অনুযায়ী কেঁদে দেবে?
- বলেছি, জানি না, হয়তো। - যখন তুমি চোখের পানি মুছবে,
তখন কি ডান হাত দিয়ে মুছবে নাকি বাঁ হাত দিয়ে?
এক ফোঁটা পানি পড়বে নাকি দুই ফোঁটা? বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে হবে।
- বিশেষ করে হ্যাঙ্কের কাছে। - আমি যতদূর পারি চেষ্টা করছি, ওয়াল্ট।
আর হ্যাঁ, আমি খুঁটিনাটি সবই চিন্তা করেছি।
তোমার মতো অতো সহজে মিথ্যাটা আসে না আমার।
- আরে! ভেতরে এসো। - হেই।
- দেখে খুব ভালো লাগলো। - হেই।
- হেই পিচ্চি, কী খবর? - হেই।
- খুব ভালো লাগছে দেখে। - কী অবস্থা?
আমার ছোট্ট রাজকুমারী দেখি বড় হয়ে গেছে?
- ভারিও হয়ে গেছে। - আরে, আসল খাবারের গন্ধ পাচ্ছি মনে হয়?
সত্যিকারের খাবার কপালে আছে আমার?
- তোমাকে ভালো দেখাচ্ছে। - ধন্যবাদ সুইটহার্ট।
তোমার মেরি খালা দেখতে কিউট হলেও খেপলে কিন্তু আগুন গরম হয়ে যায়।
হাসতে হাসতে মরে গেলাম। ওদেরকে তোমার পাথরগুলো দেখাও।
আমরা বিশ মিনিটের মাঝে গুছিয়ে ফেলছি।
- আপনার পাথর সংগ্রহ করেন? - ওগুলো মিনারেল।
এটা আসলে আমার... দেখতে চাও?
- নিশ্চয়ই। - আচ্ছা, চলো দেখাই।
- ওহ, আমি নাহয়... - আরে না, আমি পারবো।
এসো, হল ধরে এগোও।
এই যে এটাকে বলে রোডোনাইট। ম্যাঙ্গানিজ ইনোসিলিকেট।
বাহ, এমন গোলাপি হলো কীভাবে?
ম্যাঙ্গানিজ অংশটা অক্সিডাইজ হয়ে যায়, মরিচার মতো।
-৩ থেকে +৭ তাপমাত্রায় ম্যাঙ্গানিজ অক্সিডাইজড অবস্থার মাঝে থাকে।
তখন একে বিভিন্ন রঙের হতে দেখা যায়, বেগুনি, সবুজ, নীল।
তবে এর স্থিতিশীল অবস্থা থাকে +২ এ, যেটার রঙ হালকা গোলাপি।
তো...
ঠিক তাই, ও যা যা বলেছে ইত্যাদি ইত্যাদি। যাই হোক, বুঝেছ নিশ্চয়ই।
ব্যাপারটা খুবই মজার, আসলেই।
ওহ হেই...
হ্যাঁ, আমাকে দাও ওটা।
ফাইলটা দেবে? একটা জিনিস দেখাই।
আমি একটা ব্যাপারে কাজ করছি, তদন্তের কাজে হালকা সাহায্য করছি।
এপিডির একটা কেসের জন্য আরকি।
এ জিনিসটা ওখানে ঢুকিয়ে চালু করো তো।
হ্যাঙ্ক, এখানে কী আছে? লাশ-টাশ--
ওহ, না, না, ওরকম কিছু না।
সিরিয়াসলি, দ্যাখো তোমরা, মজা পাবে।
ভালো জিনিস, রেডি? দাঁড়াও, ওখানে নেই।
"MAJOR TOM (COMlNG HOME)" BY David Bowie
No comments yet. Be the first to leave one.