Persona

Persona (Åžahsiyet)

Download Bengali Subtitle

Release info

সাসিয়েত (২০১৮) এপিসোড ০৪ ওয়েব-ডিএল 480p বাংলা সাবটাইটেল
সাসিয়েত (২০১৮) এপিসোড ০৪ ওয়েব-ডিএল 720p বাংলা সাবটাইটেল
সাসিয়েত (২০১৮) এপিসোড ০৪ ওয়েব-ডিএল 1080p বাংলা সাবটাইটেল
সাসিয়েত (২০১৮) এপিসোড ০৪ ওয়েব-ডিএল বাংলা সাবটাইটেল
সাসিয়েত (২০১৮) এপিসোড ০৪ ওয়েব-ডিএল বিসাব
সাসিয়েত (২০১৮) এপিসোড ০৪ ওয়েব-ডিএল 480p বাংলা সাবটাইটেল
সাসিয়েত (২০১৮) এপিসোড ০৪ ওয়েব-ডিএল 720p বাংলা সাবটাইটেল
সাসিয়েত (২০১৮) এপিসোড ০৪ ওয়েব-ডিএল 1080p বাংলা সাবটাইটেল
সাসিয়েত (২০১৮) এপিসোড ০৪ ওয়েব-ডিএল বাংলা সাবটাইটেল
সাসিয়েত (২০১৮) এপিসোড ০৪ ওয়েব-ডিএল বিসাব
A Commentary by AsadujJaman
🔴🔵Şahsiyet একটি টার্কিশ মিনি সিরিজ। যা আইএমডিবির সর্বকালের সেরা টিভি সিরিজের লিস্টে বর্তমানে ২২ নম্বর পজিশনে অবস্থান করছে। আশাকরি ক্রাইম জনরার এই সিরিজ আপনাদের মনে ধরবে।🔵🔴

Tags

720p
720
480p
480
1080
Published on: 2020-07-13
Downloads: 30
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

পূর্বে যা দেখেছেন...

নিশ্চয়ই এমনকিছু আছে যা আপনি সবসময় করতে চাইতেন কিন্তু পারেননি।

আমি অনেককিছুই করতে চাই।

খুব ভালো।

সেটা যাই হোক, যেভাবেই করতে হোক,

সুপরিকল্পিতভাবে সেটা করা শুরু করে দিন।

আপনার দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক প্ল্যান থাকা উচিত।

কোনোকিছু বাদ দেবেন না। তাহলে ব্যাপারটা জটিল করে ফেলবেন।

নানা, কোনোকিছু মনে করতে পারছো না?

বাবা, আমি ডিভোর্স নিচ্ছি। ডিভোর্স।

একজনের সাথে পরিচয় করি দিচ্ছি।

তবে এভাবেই কাজ করে সে।

- কে সে? - আতেস আর্বে, ওই মূর্খ সাংবাদিকটা।

আমি একসময় একজন তুখোড় আর আদর্শবাদী রিপোর্টার ছিলাম।

আহ, বেচারা আগাহ।

কী করেছো তুমি?

দুপুর ২টার পর -- কাস্টমাররা বেরিয়ে যাবে -- দরজা লক থাকবে।

জীবন শুরু হবে আদেশক্রমেঃ আগাহ বেয়োগলু।

এখন ব্যাটাকে নিয়ে কী করবো?

অনুবাদে : 〄 AsadujJaman 〄

অনুবাদে : 〄 AsadujJaman 〄

তাদের কপালে নাকি "নেভরা" লেখা ছিল। এই ব্যাপারটা কী?

একদম কাকতালীয় ব্যাপার। আমার সাথে কোন সম্পর্ক নেই।

সেলিম আঙ্কেল, আমার আসলে একটা প্রশ্ন আছে।

নাইমহান তুরেদি নামে কাউকে চেনেন আপনি?

- নাইমহান... - তুরেদি। কাম্বুরাতেই জন্মেছে।

ওহ হ্যাঁ, অবশ্যই চিনি।

ইয়াসিন গ্যারেজের ওখানটায় বাতিল জিনিস সংগ্রহ করতো। এখন মারা গেছে।

তাদের কয়েকটা ছেলে ছিল। একদম অকর্মের ঢেকি ছিল।

তারা সবাই ইস্তাম্বুলে চলে গেছে।

আর মেহমেত ইয়ুর্তগিল নামে কাউকে? একজন বিচারক।

- তাকে এখানে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল? - না। তবে কখনো ঘুরতে এসেছিলেন হয়তো।

ঠিক মনে করতে পারছি না।

আচ্ছা।

আমি স্টেশনের লোকদের সাথে কথা বলে নেবো।

আবার এসো কিন্তু, এবার ডিনার করার জন্য।

আরেকবার দেখা না করে ভুলেও ফিরে যাবার চিন্তা করবে না যেন।

অবশ্যই।

আগাহ বেয়োগলু কোথায়? আমার বাবা। আমার বাবা কোথায়?

ওনাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

ছেড়ে দেওয়া হয়েছে? কখন ছেড়ে দেওয়া হয়েছে?

আমি ঘুমোতে যাবার আগে তো উনি ওখানেই ছিলেন। ঘুম ভেঙে দেখি তিনি নেই।

তাকে কখন ছেড়ে দেওয়া হয়েছে?

মিস যুহাল, আপনার বাবা তাড়াহুড়ো করে বেরিয়েছেন। আপনার জন্য একটা চিরকুট রেখে গেছেন।

- বাবা? - আমি টয়লেটে।

কী করছো তুমি, বাবা?

বিস্তারিত না জানালে হয় না?

এই চিরকুটের মানে কী, বাবা? মানে কী?

"আমি গাড়িটা আনতে যাচ্ছি। বাড়িতে দেখা হবে।"

আমরা দুঃশ্চিন্তায় মরছিলাম। অন্তত জানিয়ে তো যেতে পারতে।

আমার মানুষকে জানিয়ে কাজ করার অভ্যেস নেই।

তোমার মা মারা যাওয়ার পর থেকে কাউকেই কোনোকিছু জানিয়ে করিনি।

অসাধারণ অজুহাত বাবা!

আমরা তোমার জন্য দুঃশ্চিন্তায় মরছিলাম! তোমার একটু চিন্তাও হলো না?

অযথা চিৎকার কোরো না। এমনিতেও কিছু শুনতে পাচ্ছি না।

খুনী নাকি ভিকটিম?

নেভরা? স্বাগতম!

আরে আমি, ভুরাল।

- ভুরাল? - দেখো কান্ড?

কাম্বুরা ছেড়ে গেলেই লোকজন দেখছি অতীতের সব স্মৃতি ভুলে যায়।

দিলে চোট দিচ্ছো।

- ভুরাল। - ভুরাল, হ্যাঁ।

দুঃখিত, প্রথমে চিনতে পারিনি।

হ্যাঁ, তা কী করে পারবে। ইস্তাম্বুল তো অন্য এক পৃথিবী।

তবে তোমার সম্পর্কে পেপারে আমরা সবকিছুই পড়েছি।

সকালে তোমাকে এদিক দিয়ে যেতে দেখেছিলাম, কিন্তু কিছু বলার আগেই চলে গিয়েছিলে।

স্বাগতম।

ধন্যবাদ।

- নাসরিন খালা কেমন আছেন? আশা করি ভালোই? - অবশ্যই। অবশ্যই।

ভেবো না। আমি এটা সামলে নেবো।

দুঃখিত?

তোমার দরজা। আমি ঠিক করে দেবো।

হায় আল্লাহ।

আমি নিজেই ঠিক করে নিতে পারবো।

আরে ধুর...

আবার কবে না কবে কাম্বুরায় আসো। তাই তোমার ঠিক করা উচিত হবে না।

অন্তত টাকাটা আমাকে দিতে দাও।

ইশ, তোমার টাকা এখানে অচল।

- যাইহোক, আবার দেখা হবে। আল্লাহ হাফেজ। - আল্লাহ হাফেজ।

আগাহ! বেরিয়ে আয়!

ইস্তাম্বুল অনেক ব্যয়বহুল জায়গা না? তোমার বেতন দিয়ে কী করে চালাও?

চালাই কোনোরকমে।

কোনো তথ্য পেলেন?

না, কিছুই পাইনি। সে বহু আগে কাম্বুরা ছেড়ে গিয়েছিল।

অনেক বছর আগের কথা।

তারা চলে যাবার পর কোনো খবর-ই পাইনি।

তবে আমি লোকদের চোখকান খোলা রাখতে বলবো।

কিছু পেলে তোমাকে জানাবো।

তো কিভাবে চালাও? বাসা ভাড়া দিয়েছো?

আগাহ!

বেরিয়ে আয়!

আগাহ! তুই আমার চোখ ফাঁকি দিতে পারবি না!

আমি পুরো এলাকা জ্বালিয়ে দেবো!

এসো, আমাদের সাথে বসো।

তো...

কাম্বুরায় কোনো পরিবর্তন চোখে পড়লো?

একদম না। আগের মতোই আছে।

তোমার ছোটবেলার কথা মনে আছে আমার।

কত যেন বয়স ছিল?

দশ।

সেসময় থেকেই তোমার মা'কে পটানোর চেষ্টা করে আসছিলাম আমি। সে মোটেও পাত্তা দিত না।

শুনে অবাক হইনি।

তোকে খুন করবো আমি।

তুমি বেশি করছো।

সালিহ...

আরে, আমাকে যেতে দাও।

আমরা যে যার রাস্তায় চলে যাবো।

তাছাড়া, তুমি আহত। ক্ষততে ইনফেকশন হতে দিও না।

তুই-ই আগে গুলি করেছিস, হারামী!

ভুলবশত বেরিয়ে গেছে! দূর্ঘটনা, দূর্ঘটনা ছিল ওটা!

ঘাড়ের কাছে এসে গুলি করেছিস! এটা দূর্ঘটনা হয় কী করে?

কিভাবে খুঁজে বের করলি আমাকে? আমাকে অনুসরণ করছিলি?

আমি কোন দুঃখে তোমাকে অনুসরণ করতে যাবো?

আমার গাড়ি খারাপ হয়েছিল আর তোমার গাড়িই প্রথমে এসে ভিড়েছিল!

পুরো কাকতালীয় ঘটনা! ভাগ্য ছিল এটা!

আমি আমার অস্ত্র সরিয়ে রাখছি।

দেখেছো?

পিস্তলটা সরিয়ে ফেলেছি। দেখেছো?

এবার তোমার পিস্তলটাও নামিয়ে রাখো, সালিহ।

সালিহ...

বেরিয়ে এসো, চলো কথা বলি, ভাই-ব্রাদার হিসেবে।

বেরিয়ে এসো।

কাম্বুরায় আমাদের কথোপকথনগুলো মনে আছে?

তুমি আমার ভাইয়ের মতো। এমন কোরো না, বেরিয়ে এসো।

সালিহ...

আমি প্রতিদিন পোস্ট অফিসে যেতাম। শুধু তোমার মা'কে দেখার জন্য।

ভুয়া সব চিঠি পাঠাতাম।

কিন্তু কখনোই তার দেখা পাবার সৌভাগ্য হয়নি।

একদিন, তারা বললো সে চলে গেছে।

মাত্র ছয় বা সাতমাস হয়েছিল সে ঔ চাকরিটা শুরু করেছিল।

- খুব দ্রুতই চাকরি ছেড়েছিল। - একবছর। আমরা একবছর থেকেছিলাম।

ওই একই কথা।

সেসময় আমি তার দেখা পাইনি, কিন্তু শেষপর্যন্ত ঠিকই জিতে নিয়েছি।

খাবার মজা হয়েছে।

মন ভরে খাও।

সালিহ...

আরে এসো, কথা বলি। আমরা তো ভাই-ব্রাদার।

সালিহ...

আগে বল, কেন?

এতো বছর পর কেন আমার পেছনে লাগতে আসলি?

কেন আমাকে খুন করার চেষ্টা করলি?

তোর কী করেছি আমি?

হাস্যকর ব্যাপার তো।

- নাইমহানও এটাই জিজ্ঞেস করেছিল। - নাইমহান?

কী করেছিস তুই ওকে?

নাইমহানের কী করেছিস তুই?

বল!

সালিহ, যদি আমাকে এখানেই মরতে হয়...

তাহলে কাজটা আমাকেই করতে দাও।

- অস্ত্র নামা। নামা বলছি! - আমি অস্ত্র নামাচ্ছি না।

তোর বারোটা বাজাবো! অস্ত্র নামা!

আমাকে কেন মারার চেষ্টা করলি সেটা না বলা পর্যন্ত তোকে মরতে দিচ্ছি না আমি।

বল, কেন!

কেন আমার পেছনে লেগেছিস?

বিবেকের তাড়নায়।

বিবেক?

কিসের বিবেক? বিবেকের সাথে এসবের সম্পর্ক কী?

বিবেক, বিবেক মানে কী জানো না?

তোর বিবেকের খেতা পুড়ি আমি!

আমার চোখের দিকেও তাকাবে না তুমি?

তিনবছর পেরিয়ে গেছে।

পুরো তিনবছর তুই আমাদের সাথে দেখা করতে আসিসনি।

তুমিই তো বের করে দিয়েছিলে।

একটা কল পর্যন্ত করিসনি।

তুমিই তো করতে নিষেধ করেছিলে।

করেছিলাম, কারণ তুই ওই আরামের চাকরিটা ছেড়ে পুলিশ বনতে গিয়েছিলি!

এতো পড়ালেখা কী জন্য করেছিস তাহলে?

পরিণাম দেখলি?

নিজেকে বিপদের মুখে ফেলে দিয়েছিস।

তোর নাম, মরা লাশের কপালে লিখে রাখছে।

নেভরা...

তোকে স্কুল পাস করাতে আমি গাধার মতো খেটেছি।

সারাদিন চাকরির পর ক্যাশিয়ারের কাজ করতে হয়েছে আমাকে।

যখন তাতেও পোষালো না...

তুমি চারবার বিয়ে করলে।

- সব তোর জন্যেই করেছি। - আমার জন্যে?

- যাতে তুই একটা বাপ পাস। - যাতে আমি বেশ্যা বনে না যাই?

থামলে কেন, বলো। সবসময় তো এ কথাই বলতে।

আমি নষ্ট হয়ে যেতে পারি বলে সবসময় ভয়ে থাকতে তুমি। এতোদিনেও বুঝতে পারলাম না যে কেন।

তুই কি বেশ্যা হতে চাস?

তুই কি বেশ্যা হতে চাস?

কেন?

কেন হতে যাবো?

তুমি নিশ্চয়ই আমার মাঝে কিছু একটা দেখেছিলে।

- ফালতু বকিস না। - নিশ্চয়ই কিছু দেখেছিলে।

যথেষ্ট হয়েছে!

তুমি আমার জন্য চারবার বিয়ে করেছিলে!

তুমি আমাকে বাঁচিয়েছিলে!

বহুত বড় নিঃস্বার্থ কাজ করেছো!

এতোটাই নিঃস্বার্থ যে বাড়িতে সবসময় একজন পুরুষ মানুষ রাখতে তুমি।

আমাকে বেশ্যা হওয়া থেকে বাঁচাতে তুমি শুধু...

নতুন নাগর ধরতে আগেরজনকে ছাড়ার আগেই।

চুপ কর।

আরেকটা কথা...

জানি তুমি জিজ্ঞেস করোনি, তবে আমার বাবা ভালো আছেন।

তোমাকে শুভেচ্ছা জানায়নি, তবে সে ঠিক আছে।

তুই এখনো ওকে বাবা ডাকিস?

তোর বাবা মরে গেছে।

ওই ইয়ুকসেল বদমাশটা...

তোর বাপের অর্ধেক পুরুষও ছিল না।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left