The first 200 lines.
চলচ্চিত্রের নাম- Mommy সাল- ২০১৪ দেশ- কানাডা
আমার করা ১৪ তম একক সাবটাইটেল। ভালো লাগলে রেটিং ও ফিডব্যাক দিয়ে পাশে থাকবেন।
কাল্পনিক এক কানাডায়, ২০১৫ সালের ফেডারেল নির্বাচনের মাধ্যমে এক নতুন সরকার ক্ষমতায় আসে।
কানাডিয়ান স্বাস্থ্যসেবা নীতি সংশোধনের লক্ষ্যে দুই মাস পর, মন্ত্রীপরিষদ S-14 নামক নতুন আইন জারি করে।
আরো সুনির্দিষ্টভাবে বললে, এই বিতর্কিত S-14 আইনটি হচ্ছে, যেসব পিতামাতার সন্তানেরা আচরণগত সমস্যায় ভুগছে, তারা তাদের আর্থিক সংকট, শারিরীক এবং/অথবা মানসিক প্রতিকূলতার মুহূর্তে...
কোনও আইনী প্রক্রিয়া ছাড়াই সন্তানকে যেকোনো পাবলিক হসপিটালের অধীনে রাখার পূর্ণ অধিকার রাখেন।
এই গল্পটি ডায়ানে "ডাই" ডেসপ্রেস- এর,
একজন মহিলা, যার ভাগ্য পুরোপুরি এই আইনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিল।
-অনুবাদ ও সম্পাদনায়- প্রমিত সরকার ধ্রুব
আচোদা!
শুয়োরের বাচ্চা!
হ্যালো?
পুলটা ভালো লেগেছে।
দুঃখিত, মিস ডেসপ্রেস।
বিকিনি নিয়ে আসতে বলাটা উচিত ছিল।
আপনি কি কমেডিয়ান নাকি?
স্টিভের এভিকশন ফর্মে সই করুন আর দুজনই উদ্ধার হোন।
উদ্ধার হবো মানে! এই বিষয়ে কথা বলার জন্য এখানে এসেছি নাকি?
ফ্রেঞ্চ বলতে পারেন?
একদম ফ্রেঞ্চদের মতোই বলতে পারি।
১২:১৫ মিনিটে, আপনার ছেলে একটি ক্যাফেটেরিয়াতে ছিল, সাথে আরও চারজন স্থানীয় কিশোর,
যখন আগুনটা লাগলো।
ছোট্ট কেভিনকে অতিসত্বর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলো,
ছেলেটা ভয়ানকভাবে পুড়ে গিয়েছে।
ছবি এঁকেও দেখাবো নাকি?
বাচ্চাগুলো আপনার নাকি? খুব মিষ্টি দেখতে!
নিচে সই করুন, একদম ২য় থেকে শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত।
তো এখন কী করব আমরা?
এখানে কোনো "আমরা" নেই।
আরে বুঝেন নি, আপনি আর আমি না।
আমি আর আমার ছেলে। আমি আবুল নই।
আমরা স্টিভকে একটা সুযোগ দিয়েছি।
যদি শুধরাতে না পারেন,
তাহলে তাকে নিরাপত্তা বিভাগে পাঠিয়ে দেয়া হবে।
কী বললেন?
আশ্চর্য হবেন না! ঠান্ডা মাথায় শুনুন!
আপনার ছেলে অচিরেই জেলে যাবে।
মাথা খারাপ নাকি?
আমার ছেলে জেলে যাবে না। কত মারধোর করে ওখানে।
একবার ঢুকলেই খেল খতম।
তার শিক্ষক বলেছে, তার আচরণ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে।
ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে তার।
এটি একটি ডিটেনশন সেন্টার।
একদম সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত কাউকেই ছাড়া হয় না এখান থেকে।
জানেন কেভিন জুলিয়েনের জীবনে কতটা দাগ পড়েছে?
ছোট্ট কেভিন, ছোট্ট কেভিন...
এখন কি তাকে মহান বানিয়ে দেব? তার মূর্তি তৈরি করব?
কী সৌভাগ্য আপনার! আর কখনো জেনেশুনে আগুনে পা দেবেন না!
- জ্যাকলিন, জ্যাকুয়েস বলছি। - শুনতে পাচ্ছি।
আমরা আসছি।
রজার।
শুনুন...
ডায়ানে...
অনেক ছেলেমেয়েকে আসতে দেখেছি, যেতে দেখেছি।
কাউকে বাঁচাতে পেরেছি,
কাউকে হারিয়েছি, আর এভাবেই চলছে ব্যাপারটা।
আমরা স্টিভকে সাহায্য করার চেষ্টা করেছি,
আমাদের আবাসিক কেন্দ্রে, একদম স্পেশালাইজড স্কুলের মতো।
আমাদের সেন্টার তাকে সাহায্য করার চেষ্টা করেছে।
এবার আপনার পালা।
কীভাবে ওকে সারাদিন দেখেশুনে রাখব?
আমি চাকরি করি, ওকে তো কোলে করে নিয়ে যেতে পারবো না।
কাজ ফাঁকি দিয়ে ছেলেকে নিয়ে পার্টিতে যেতে পারবো না।
আমি ভেঙে পড়েছি।
ভালো থাকার চেষ্টা করেও ভালো থাকতে পারছি না।
তার বয়স যখন ১৬ হবে,
তখন তাকে "যুবক পুনর্বাসন কেন্দ্রে" পাঠানো যাবে।
আমি আমার ছেলেকে এসব জায়গায় পাঠিয়ে...
বড় বিপদ ডেকে আনতে পারবো না! ওরা তার হাল খারাপ করে দেবে।
আপনি কি...
S-14 আইনের কথা বিবেচনা করেছেন?
ওইযে নতুন আইনটা!
ভুলে যান!
শেষ চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
আমার ছেলের সাথে এমনটা কখনো করবো না!
ম্যাডাম ডেসপ্রেস... মানে ডায়ানে...
নিজেকে আর ছেলেকে অজেয় ভাববেন না।
এই ভাবনা দুর্দিন বয়ে আনবে।
ভালোবাসলেই কাউকে বাঁচানো যায় না।
ভালোবাসার কোনো ভাষা নেই।
দূর্ভাগ্যবশত।
এইসব ফালতু কথা...
ভুল প্রমাণিত করে ছাড়ব।
শুভকামনা রইল, ম্যা'ম।
জ্যাকলিন, জ্যাকুয়েস বলছি। আমরা মি: ডেসপ্রেসকে...
আইসোলেশন রুমে নিয়ে গেছি কারণ তাকে সামলে রাখা যাচ্ছিল না।
খানকির পোলা!
ছুবি না আমাকে, মাদারচোদ! খবরদার, বান্দীর পোলা!
- শান্ত হও বলছি! - গুয়া মারা দে, চোদানীর পোলা!
পুটকি মারা দে!
রজার!
অন্তত মুখের ভাষাটা তো ঠিক করাতে পেরেছেন!
কী লাগছে তোমাকে জান্নু!
দিন দিন সুন্দরীই হচ্ছো!
বয়সও দিন দিন কমছে, অস্থির তো!
ঢপ দিচ্ছিস, দে!
আরো ঢপ দে!
কী যে বলো, ব্যাগটা বের করি!
নিজের মাথাটাও বের করিস, নইলে টক্কর খাবি।
আমাকে মিস করো নি?
তোমার কথা সবসময় মনে করেছি, মা! সারাদিন তোমার কথাই মাথায় ঘুরঘুর করেছে!
মাথা না ছাই!
মাথার ভিতর ঘিলু বলতে তো কিছু নেই।
ঘিলু না থাকলেও তুমি ছিলে!
আমাদের গাড়ি কই বাল!
গাড়ি নেই। বাসে করে যাবো।
মজা মারছ, তাইনা?
মজা মারছি, রক্ত দেখতে পাচ্ছিস?
কোন মাদারচোদ এমনটা করেছে?
পোইরিয়ার স্ট্রিটে এক আচোদা শালায়!
গাড়ির অবস্থা একদম নাজেহাল হয়ে পড়েছে।
অনলাইনে পার্টসগুলা বেঁচা যাবে না?
আরে না! বাল, পা ব্যথা করছে!
দাও আমাকে।
শালাকে পেলে একদম মেরে দিতাম!
আমাকে একটা দাও?
আমি বিড়ি খাই তো!
ছাড়ার সময় হয়েছে!
আমিও ছেড়ে দেবো। আমার জন্মদিনে।
বালছাল!
শোন, স্টিভ! শোন বলছি!
কয়েকটা নিয়ম মেনে চলতে হবে!
মায়ের সাথে থাকতে চাস তো? কোনো ঝামেলায় পড়তে চাস না তো?
তাহলে আমাদের একে অপরকে সম্মান করতে হবে!
আর কখনো "বালছাল" শব্দটা শুনতে চাইনা, কথা বুঝা গেছে?
বাল-ছাল!
বয়রা নাকি?
- আমরা কোথায় থাকি এখন? - সেন্ট হাবার্ট, ১১৬ তে।
সেক্সি!
নিজের রুম পাবো তো?
আমার কাছে সামান্য কয়টা মালকড়ি আছে, গর্দভ!
৪০ বছর বয়সে সব ফুরাতে চাই না।
- তোমার বয়স তো ৪৬! - চুপ!
ঘরের মধ্যে বেশি সৌন্দর্য খুঁজবি না!
আগে এক বুড়ো মহিলা ভাড়া থাকতো, দু মাস আগে মারা যায়!
দেয়ালে অনেকগুলো সুন্দর সুন্দর পর্দা আছে...
চাইলে এগুলো নিয়ে দোকান বসাতে পারবো।
- ব্যবসা ভাল্লাগে না! - সেটা তো বুঝতেই পারছি!
শেষবারের মতো টান দিয়ে নে!
মা, আমাকে চুমু দাওনি এখন পর্যন্ত!
শুরুতেই তো দিলাম!
ডাহা মিথ্যা কথা!
শয়তান পোলা!
দাও না, দাও!
মিচকে শয়তান!
একদম বাবার মতো হয়েছিস!
আরে বাহ!
কেমন আছো?
আগের মতোই! বুড়ো হয়ে যাচ্ছি!
এটা তোমার ছেলে না তো?
ধরেই ফেললেন!
বোর্ডিং স্কুল থেকে ফিরে এলো!
- পল। - স্টিভ!
ছেলে খুব স্মার্ট! গর্ব হয় আমার!
বাসায় এসে টিভি দেখে যাও?
নিজের হাতে পাস্তা বানিয়ে খাওয়াবো!
আজ না,
অন্য কোনোদিন আসবো,
বাসায় গিয়ে ওর থাকার বন্দোবস্ত করতে হবে!
ঠিক আছে। রেইন চেক!
তোর এই আচরণ আমি বের করছি দাঁড়া!
"নিজের হাতে পাস্তা বানিয়ে..."
চুপ!
- বাঞ্চোদটা কে! - প্রতিবেশী।
বুঝেছি! সে তোমার সাথে লাইন মারতে চাইছে!
"লাইন মারা" এই শব্দটা কোন ডিকশেনারি থেকে আমদানী করলি?
এখানে থাকবো নাকি?
খুব একটা পাংখা বাড়ি না...
এই শব্দটা ডিকশেনারিতে আছে?
বিশ্বাস কর, জায়গাটা দারুণ!
বিশাল বড় উঠান। বিশাল উঠান মানে, বিশাল জীবন।
দুটো বাথরুম আছে তো?
অবশ্যই! আলিশান বাথটাবও আছে!
আমার রুম কোথায়?
নিচে!
এই, সাউন্ডবক্সের দোকান!
দুটো রেডিও একসাথে বাজাচ্ছিস কেন!
কী?
বন্ধ করবি এসব!
দুটো একসাথে বাজিয়ে কান ঝালাপালা করে দিচ্ছিস!
মা, এসব ভাগাড়ের মাঝে জিনিসগুলো খুঁজে পাচ্ছি না।
বাবার ছবিগুলো কোথায়?
ছবি দিয়ে এখন কী করবি?
এগুলো...
বেডরুমে পেয়ে যাবি! এত বিকট শব্দে মাথাও কাজ করছে না!
আরে...
চুতমাত...
উরি বাবা!
শেষবারের মতো বলছি!
এক কথা বারবার বলে যাচ্ছি, কে শুনছে কার কথা!
এসব চলবে না কিন্তু!
১০:৪৫ এর বাস ধরতে হবে আমাদের! নইলে সকালের শিফট পাবো না...
আর দুপুরের খাবার ভেস্তে যাবে।
এই, উঠ বলছি!
ধুর বালছাল!
রুমটাকে বস্তি বানিয়ে রেখেছিস...
নক করে ঢুকবি না, বালছাল!
আচোদা কোথাকার!
মুখ সামলে কথা বল! নক করেই ঢুকেছি!
না, করো নি! হুট করে ঢুকে পড়েছ!
No comments yet. Be the first to leave one.