The first 200 lines.
অনুবাদে ও সম্পাদনায় : জয় কিষান
যখন মন্ত্রীসাহেব গাড়ি থেকে নামবেন, দেখবে যেন বিক্ষোভকারীরা কোন ঝামেলা করতে না পারে।
- কোশি - স্যার।
- আমি এম.ডি বরুণের সাথে দেখা করতে যাচ্ছি। তুমি এখানে থাকো। - ঠিক আছে স্যার।
অনিল, স্টাফদেরও আইডি চেক করার পর ঢুকতে দেবে।
ঠিক আছে স্যার।
স্যার।
কি হয়েছে, বানি?
ইমার্জেন্সি এলার্ম কেন বাজল?
স্যার।
ডাক্তার সেলিম, কি হয়েছে?
ডাক্তার, মনে হয় শক্তিশালী হার্ট এট্যাক হয়েছে।
ডাক্তার।
মন্ত্রীসাহেব আর বেঁচে নেই।
" মন্ত্রী চন্ডী আর বেঁচে নেই "
" মন্ত্রী চন্ডীর মৃত্যু : দলে বড়সড় কোন্দল"
চন্ডীর মৃত্যু, দুর্নীতির বিরুদ্ধে মাওবাদীদের লড়াই?
মন্ত্রীর মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন করতে পুলিশ আরিয়ানকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
খবর পাওয়া গেছে, মন্ত্রী চন্ডীর হত্যার দায়ে আটককৃত ব্যাক্তিটির...
সাথে মাওবাদীদের সম্পর্ক আছে
এখন দলের নেতৃত্ব কে দেবে?
মন্ত্রী পদটির জন্য ৪ জন্য সিনিয়র নেতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও
এটা ধারণা করা হচ্ছে তার ছেলে জেকব চন্ডীর এতে সম্ভাবনা আছে।
যদিও তিনি দলের কর্মী নন।
এমন খবর আছে যে মন্ত্রীর হত্যাকান্ডটি
কোডিনজি আদিবাসীদের প্রতি রাজ্য সরকার ও পুলিশি অবস্থানের প্রতিবাদ।
স্যার এসেছেন।
ওর সমস্যা কি?
আইজি ও হোম মিনিষ্টারের সাথে মিটিং করে এসেছি।
কেন্দ্রীয় সরকার থেকে খুব চাপ দেয়া হচ্ছে।
আমাদের দেয়া রিপোর্ট গুলোতে কেন্দ্রীয় সংস্থা ব্যাপকভাবে অসন্তুষ্ট হয়েছে।
কিন্তু স্যার আমরা তো মাত্রই তদন্ত শুরু করেছি।
- আমরা শুধুমাত্র তাদের প্রাথমিক ফলাফল গুলো দিয়েছি। - আমি জানি কোশি।
সবাই এটা জানে।
এটা একটা রাজনৈতিক খেলা হয়ে উঠেছে।
কেরালায় তাদের প্রভাব বাড়ানোর জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের রাজনৈতিক চাল।
আমরাই ফাঁদে পড়ে গিয়েছি।
সেন্ট্রাল এজেন্সি থেকে এক রকমের তদন্ত হবার আশঙ্কা আছে।
স্যার আমি মনে করি আমরা যা বলেছি তা আমাদের প্রমাণ করতে হবে।
হ্যাঁ, আমাদের সাবধান হতে হবে।
কাউকে রিপোর্ট দেবার আগে...
তোমাদের উচিত আমার কিংবা পাবলিক প্রসিকিউটরের সাথে আলোচনা করা।
বিশেষত মিডিয়াকে কিছু বলার আগে..
যদি সেন্ট্রাল এজেন্সির কেউ রিপোর্ট করে যে...
আমরা যা বলেছি ভুল বলেছি..
এর চেয়ে বড় ব্যর্থতা কেরালা পুলিশের হবে না।
উনার সমস্যা কি?
উনি আমাদের ঘুষ নিতে দেবেনা।
মিডিয়ার কাছে মুখ খুললেই তো টাকা কামাতে পারব না।
সুগুনান।
প্রেজেন্ট স্যার। মানে ইয়েস স্যার।
চ্যানেল, জার্নালিস্ট এবং বিশেষকরে সেন্ট্রাল এজেন্সির লোকেরা
বিভিন্ন ভাবে তোমাদের কাছে এসে খবর বের করতে চাইবে।
আমি সব সামলে নেব স্যার।
যদি কিছু মুখ ফঁসকে বের করো..
তাহলে ভবিষ্যতে বাড়িতে নাতি নাতনী নিয়ে খেলতে হবে।
- বুঝেছো? - হ্যাঁ স্যার।
কি?
নাতি নাতনী নিয়ে বাড়িতে খেলতে পারব।
সবকিছু বুঝেছি স্যার।
ওর উপর নজর রাখো।
- কত হয়েছে ভাই? - ৩০০
ওহ ভগবান।
KSRTC বাস স্ট্যান্ড থেকে উঠেছি, শবরীমালা থেকে না।
হ্যাঁ। কিন্তু শবরীমালা পাহাড় বেয়ে উঠার থেকেও ভাঙ্গাচোরা রাস্তায় গাড়ি চালানো অনেক কঠিন।
- এটা বলো না ভাই। - বাবা।
আমাকে জ্বালানো বন্ধ কর। টাকা দিয়ে চলে যাও।
সুধাকরন কি খবর? কোন সমস্যা?
না। একটু তর্ক হচ্ছে।
আচ্ছা তাহলে।
এখানে আপনার ভাল পরিচয় আছে, হু?
এখানকার কমিশনার কেমন?
ঘুষিটুসি মারে নাকি?
মনে হয় মারে।
তাই?
- কমিশনার কে? - শোননি?
- ভরতচন্দ্রন আইপিএস। - তাই নাকি?
আমাকে জ্বালাতন বন্ধ করো।
ওহ ভগবান।
এখানে পিটুনি খেতে এসেছে।
কমিশনারের সাথে দেখা করতে চাই।
- এপয়েন্টমেন্ট আছে? - না।
আমি অনেক দুর থেকে আসছি। জরুরি ব্যাপার।
- কোনভাবে দেখা করতে পারব? - গিয়ে ওখানে দাড়াও।
এস.সাই সুগুনান স্যার আসবেন।
উনাকেই সরাসরি জিজ্ঞেস করে নিও। রাস্তা থেকে সড়ো।
ঠিক সকালবেলা?
ভাড়া আছে?
আমাকেই ভাড়া নেয়া হচ্ছে এখানে।
কমিশনারের অফিসে আছি রে। এখনো দেখা করতে পারলাম না।
তুমি কমিশনারের সাথে দেখা করতে এসেছো?
হ্যাঁ। যেন শাহরুখ খানে ভেতরে বসে আছে, আর আমরা বাইরে সেলফি নেবার জন্যে অপেক্ষা করছি।
ওরা আমাকে ধরে নিয়ে এসেছে।
সুগুনান স্যার, আমার ব্যাপারে কি হলো?
আমার ট্যাক্সির অনেক ভাড়া পড়ে আছে।
ট্যাক্সি ভাড়া পাবে। এখানে বসে থাক।
আমাকে ছাড়া ভাড়ায় গেলে এটা রাস্তায় হারিয়ে ফেলবে।
- তোকে - গালমন্দ করবেন না।
আমি পাগল হয়ে যাচ্ছি।
খাদেন।
আজকের ব্রেকফাস্ট লাঞ্চ দুটোই গোল্লায় গেছে।
- কেন? - সেন্ট্রাল এজেন্সি থেকে কেউ আসছে এই বলে বলে কমিশনার পাগল হয়ে গেছেন।
সব এপয়েনমেন্ট বন্ধ করে দাও।
সড়।
- সুগুনান স্যার, তাইনা? - হ্যাঁ।
স্যার
স্যার, মন্দির থেকে মিস্টি।
- কি ব্যাপার? - আমি কমিশনারের সাথে দেখা করতে চাই।
হবেনা। ৪ দিন পরে এসো।
স্যার এমন বলবেন না। আমার সাথে এমন করবেন না।
উনার সাথে কেন দেখা করতে চাও?
এটা একটু জটিল বিষয়।
তাই? তাহলে ১০ দিন পরে এসো।
স্যার, কোনভাবে। দয়া করুন।
আমার সাথে এই ছল খাটিয়ো না।
আমিই এখানকার সবকিছুর সিদ্ধান্ত নিই।
কে কমিশনারের সাথে দেখা করবে, কে করবে না।
- বুঝেছো? - স্যার, কোনভাবে....
কোন গর্দভ সেন্ট্রাল থেকে মিনিস্টারের মৃত্যুর তদন্ত করতে এখানে আসছে।
আমাকেই খেয়াল রাখতে হবে গর্দভটা কোন গোপন তথ্য বের করে ফেলল কিনা।
আর তুমি এসবের মাঝে আমাকে মিস্টি এনে দিচ্ছো?
নাও।
আপনি রেখে দিন, স্যার।
লাগবে না?
ভাল।
এদিকে এসো।
এখানকার সবাই কমিশনারের সাথে দেখা করতে এসেছে।
তাও উনি ডেকেছে বলে।
আর তুমি এর মধ্যে ছল করে ডুকে যেতে চাইছো?
এতগুলো লোক?
কেন?
কার কথা বলব বন্ধু?
আমি একজন ট্যাক্সি ড্রাইবার।
কিছু ব্রোকারিজ কাজও করি।
কিন্তু জানতাম না এটা এত যন্ত্রনা দেবে।
মিনিস্টার মার্ডার কেইসে
আরিয়ান নামের একজন গ্রেফতার হয়েছে না?
আমিই ওকে ঘরের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলাম।
- তুমি বাড়ির ব্যবস্থা করে দাও? - হ্যাঁ, সেজন্যই তো পুলিশ আমাকে ধরে এনেছে।
- সত্যি? - এখানে এসো।
ওকে দেখেছো তুমি?
সে খুনির মোবাইল রিচার্জ করে দিয়েছিল।
পরের জন? লন্ড্রির আয়রন ম্যান।
খুনির কাপড় আয়রন করে দিয়েছিল।
সবার শেষের চতুর লোকটাকে দেখছো?
সে গালফ থেকে বিয়ে করতে এসেছিল।
সে নিজের শালাবাবুর নাম্বার মনে করে খুনির নাম্বারে কল করেছিল।
মনে হয় না যাওয়ার আগে বিয়ে করতে পারবে।
- নাম? - আমি ওর নাম জানিনা।
- তোমার নাম কি? - আমার নাম?
আমার নাম রামেশন।
রামেশন, কোন ট্যাক্সি স্ট্যান্ড থেকে গাড়ি চালাও তুমি?
রেলওয়ে স্টেশনের বাইরের স্ট্যান্ড থেকে।
কেন? ভাড়া করতে হবে?
ভেবে বসো না যে এরা আমাকে ছেড়ে দেবে।
আমার একটা বাড়ি দরকার।
কি?
থাকার জন্য ঘর।
- তাহলে তুমি শবরীমালাতে ফিরে যাবে না? - আমি ওখান থেকেই আসছি।
এখানে থেকে অন্য রাস্তা দেখ।
আমি ব্রোকারের কাজ ছেড়ে দিয়েছি।
- এমনভাবে বলো না ভাই। - অন্যভাবে বলবো।
এখানে থেকে চলে যাও।
এটা বলো না ভাই।
আমি দিল্লি থেকে আসছি। তোমার সাহায্য চাই।
তুমিই ব্যবস্থা করতে পারবে। একমাত্র তুমিই কাজটা করতে পারো।
আমার জন্য ব্যবস্থা করে দাও। আর কোন কথা না।
ঠিকআছে।
দিল্লি থেকে আসলেও আমি আর ঘরের ব্যবস্থা করে দেব না।
দিল্লি থেকে কে এসেছে?
ঐ যে সন্ন্যাসীটা।
- সন্ন্যাসী। - হ্যাঁ।
কি বলেছে সে?
সে জিজ্ঞেস করেছিল কমিশনার আমাদের কেন ডেকেছেন।
মিনিষ্টারের মৃত্যু নিয়ে কি জানতে চাইছে এসব আরকি।
অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন।
ওহ ভগবান।
- তাহলে এই কান্ড? - কি? - সেন্ট্রাল এজেন্সি।
এই সন্ন্যাসীটা কে, সুগুনান স্যার?
সন্ন্যাসী না রে, ব্যাটা।
উনিই সেই মহান ব্যাক্তি যিনি দিল্লি থেকে মিনিষ্টারের মৃত্যুর তদন্ত করতে এসেছে।
ছদ্মবেশে তদন্ত করতে এসেছে।
আমার চাকরিটা গেল।
আমার চাকরি যাওয়াতে তুমি কাঁদছো কেন?
আপনি শুধু চাকরি হারিয়েছেন।
আমার জীবনটাই শেষ।
হে ভগবান। সেন্ট্রাল এজেন্সি।
এই সপ্তাহের লাথির কোঠা এখানে এসে গেছে।
কি সমস্যা?
যেই আমার কথা জিজ্ঞেস করুক না কেন
বলে দিবি যে আমি এই স্ট্যান্ড থেকে গাড়ি চালাই না।
- উনি কি আমাকে ধরার চেষ্ঠা করছে? - তুই ভেতরে ডুকে যা।
রামেশ্বন।
ও এখান থেকে গাড়ি চালায় না।
না?
- তাহলে কোন স্ট্যান্ড থেকে চালায়? - আচ্ছা...
রামেশ্বন, তুই এখন কোন স্ট্যান্ড থেকে গাড়ি চালাস?
তোর আন্টি মারা গিয়েছিল না?
আমি সেখানে তোকে টুকরো টুকরো করে কাটব পোড়াব, তারপর সেখানে ট্যাক্সি স্ট্যান্ড বানাব।
তারপর সেখান থেকে ট্যাক্সি চালাব।
No comments yet. Be the first to leave one.