The first 200 lines.
আমার করা এই সাবটাইটেলটি উৎসর্গ করছি তানজীদ আহমেদ ও কেএন হাসান ভাইকে।
অনুবাদ ও সম্পাদনায় সাইফুল ইসলাম সাকিব
এটি আমার ৬ষ্ঠ একক বাংলা সাবটাইটেল।
ভুল-ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ থাকলো।
বেরিয়ে পড়েছিস জানিয়ে দে।
চ্যাপেলে গিয়ে একটা মোমবাতি জ্বালাবো?
এখন যাবি?
আমার সাথে চল।
নাহলে বাস মিস করবি!
আরেকবার ফোন কর।
হ্যালো, আমি বেরিয়ে পড়েছি।
তুমি বের হয়েছ?
এখানে প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে। কিছু শুনতে পাচ্ছি না।
আমি পৌঁছে ফোন দেব।
ফোন দিস।
- ঠিক আছে, ফোন করবো। - দরজাটা বন্ধ করে দাও।
কোথায় যাবেন?
টিকেট।
কোথায়?
থামারশেরিতে পৌঁছালে বলো।
আমি এখানে তেমন কিছু চিনি না।
থামারশেরিতে পৌঁছালে বলিস।
আমি এই রুটে নতুন।
হেই!
- কোথায় যাবে তুমি? - কোঝিকোডির টিকেট।
- কোথায় যাবে? - কোঝিকোডিতে।
- খুচরো নেই? - না।
ওখানে কখন পৌঁছাবো?
কখন পৌঁছাবো?
সঠিক বলতে পারছি না। বাইরে প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে।
নেও।
বাকি টাকা?
নামার সময় দিয়ে দেব।
ধ্যাত! নষ্ট হয়ে গেল।
আজ থেকে নতুন রুটে।
প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে। হুম, ওয়্যানাদে।
কিছু শোনা যাচ্ছে না। পরে ফোন করবো।
বৃষ্টির পানি ভিতরে আসছে।
- জানালা বন্ধ করে দাও। - ঠিক আছে।
পোস্ট করেছি চার দিন হয়ে গেল।
এখানে এসে বক্স খুললে...
কেবল তোমার প্রেমপত্র পাই।
আমার হাতে সরাসরি না দিয়ে...
বক্সে ফেলে রাখো কেন?
তাহলে ওটার গায়ে “দানবক্স” লিখে দে।
যাতে কেউ চিঠি না রাখে।
ওই শিক্ষিকা নিশ্চয় এই চিঠিগুলো পড়তে পড়তে বিরক্ত হয়ে গেছে।
- মোবাইল কিনছো না কেন? - ঠিক বলেছেন।
- ক্লাসে যাবি না? - হুম।
চল তাহলে।
সাবধানে রাখ।
স্যুটকেস সাবধানে নামা।
নিন।
জুতা ছিঁড়ে গেছে।
খুলে ফেল।
লোকে কী ভাববে?
খুঁড়িয়ে হাটার চেয়ে খুলে ফেলা ভালো।
এক সেকেন্ড ধর।
আমাকে দে।
এখন আর শপিং করতে শহরে যেতে হবে না।
বেনি কাপড়ের দোকান খুলছে।
ঠিক বলেছিস।
খুলতে দে।
কাপড়ের দোকানের মতো মুভি থিয়েটার,
বিউটি শপ, পার্ক, সমুদ্র এসব হলে ভালো হতো।
সমুদ্র?
উত্তেজনায় বলে ফেলেছি।
বুঝতে পেরেছিলাম।
আর এভাবে আমাদের এলাকা শহরে পরিণত হয়ে যাবে।
- হুম, ঠিক বলেছিস। - প্রিস্টকে ভয় দেখাবি?
- আরে, না! না! - ঈশ্বর মহান!
ব্রেক কাজ করে না। একপাশে সরে যাও।
- আমি ক্লান্ত হয়ে গেছি। - কেন?
বাড়িতে বসে থাকতে থাকতে।
ঠিক বলেছিস।
আমরা পড়ালেখা করছি না কেন?
ভালো বলেছিস।
পড়তে পড়তে ক্লান্ত হওয়ায় অন্য কিছু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।
তা অবশ্য ঠিক।
তোর কোনো আইডিয়া আছে?
তুই ওই দিকে যা আর আমি এই দিকে যাব।
ভালো আইডিয়া। আচ্ছা, বাই।
তাড়াতাড়ি আসিস। একটু কাজ আছে।
হুম। আসবো।
বাবা, এখনো শেষ হয়নি?
- কেন চাস যে এটা শেষ হোক? - জিজ্ঞেস করাই উচিত হয়নি।
এতো দেরি করলি কেন?
শপিং শেষ করে দেখি গাড়ি চলে গেছে।
আমার ড্রয়িং এর উপর ছুড়লি কেন?
- তাহলে ফিরিয়ে দে। - ঠিক আছে, থাকুক।
- যেটা বলেছিলাম এনেছিস? - না।
- ভুলে গিয়েছিলি? - না। খুঁজে পাইনি।
এখনো শেষ হয়নি?
অনেক খোঁজার পর পেলাম।
দেখো তো!
এই সুঁইগুলো পেয়েছি।
- এখানে রাখলাম। - ঠিক আছে।
এটাতেই হবে।
- একই রং না? - প্রায় একই।
তুমি কখনো সন্তুষ্ট হও না।
পরের বার নিজে কিনে আনবে।
এতো দেরি হলো কেন?
ওই কাপড়টা খুঁজতে গিয়ে অনেক সময় লেগে গেছে।
ঊষার ব্লাউজের মাপ লিখে রেখেছিলাম। দেখেছিস?
জানি না।
বইয়ে লিখে রেখেছিলে না?
বইয়ে?
বইয়ে তো পেলাম না।
ছোট একটা কাগজে লিখে রেখেছিলাম।
এটা না।
এটা আঞ্জুর মাপ।
ঊষাকে ফোন করে জিজ্ঞেস কর।
পরশুদিন তার এটা লাগবে।
- নাম্বারটা বলো। - ক্যালেন্ডারে লেখা আছে।
মিস ঊষা, জেসি বলছি।
আপনার ব্লাউজের মাপটা খুঁজে পাচ্ছি না।
হ্যালো, কে?
এটা মিস ঊষার নাম্বার না?
কে?
মিস ঊষা।
কার কথা বলছেন?
দুঃখিত, ভুল নাম্বার।
ওহ, না!
কেটে গেল।
৯৯... ৬১০...
৪৬৫।
ধ্যাত!
মিস ঊষা?
আপনি যেই নাম্বারে কল করেছেন তা এই মুহূর্তে ব্যাস্ত আছে।
বাহু?
বলে দেব।
মাপের জন্য একটা ব্লাউজ পাঠাবে।
ঘাড় গভীর আর বাহুর দৈর্ঘ্য বাড়াতে হবে।
তো, ওরকম মাপের ব্লাউজ পাঠাবে না?
এসব লোকের এটাই সমস্যা।
যতো ভালো করেই সেলাই করো না কেন ঠিক অভিযোগ করবে।
কথার একটু নড়চড় হলেই অভিযোগ।
এটা বড় হয়েছে, ওটা ছোট! অভিযোগ আর অভিযোগ!
মাপ পেয়েছো?
দুঃখিত, ভুল নাম্বার ছিল।
পাঁচ এর পরিবর্তে ছয় দিয়ে কল করেছিলাম। দুঃখিত।
ব্যাপার না।
ওটা কোন জায়গা?
এটা কোন জায়গা? পৃথিবীর শেষ প্রান্ত।
নেমে পড়, মুরালি!
সন্ধ্যায় এখানে থাকবে?
ফোন করে জানিয়ে দেব।
এটা রাখ।
লালু, ওকে বাড়িতে নামিয়ে দিস।
আমার টাকা?
সন্ধ্যায় আমি দেখা করবো।
এক কথা বার বার বলিস না।
আমি এক কথা বলছি না।
এটা পরার জন্য তোকে দোষ দিচ্ছি না। এটার গন্ধ আমি সহ্য করতে পারছি না।
এটা তো ঘামের গন্ধ।
কঠোর শ্রমীকদের পোশাকে এরকম একটু গন্ধ থাকে।
আজেবাজে ডায়লগ মারিস না।
এটা পরে তুই ফুটবল খেলতে যাসনি?
মেসির জার্সি হলে তো বুকে জড়িয়ে ধরতিস।
ধরতাম। মেসিকে আমি সম্মান করি।
- তুই রাখ এটা! - আরে! আরে!
তোরা সবসময় ঝগড়া করিস কেন?
আমি শুধু জিজ্ঞেস করছিলাম।
ও কি এটা ধুয়ে ফেরত দিতে পারতো না?
ও তো নিজের কাপড়ই কখনো ধোয় না।
এবার আমি বুঝতে পেরেছি।
- বন্ধুর থেকেও এখন সাহায্য নিতে পারবো না। - শুনেছিস ওর কথা?
এখন আমি উপকার করে দোষ করে ফেলেছি।
এবার থাম, বিজু।
চা খেয়ে মিটমাট করে নে। চল তো।
তোদের জন্য চা কিনতে কিনতে আমি ফকির হয়ে গেলাম।
হুম!
আয়, চা খেয়ে যা।
তোরা খা। আমি পরে খাব।
ওকে দেখে কিছু শেখ, ভাই। সারা দিনরাত কাজ করে।
কোনো ঝামেলায় জড়ায় না!
মাত্র ৬ মাসে এসে যতোটা পরিচিতি পেয়েছে, ৩০ বছর এখানে থেকেও আমরা তা পাইনি।
গান বন্ধ করে, চা খেতে আয়।
শুধু চা খাওয়ালে চলবে না। দুপুরের খাবারও লাগবে।
সেই আশা নিয়েই বসে থাক।
- আপ্পু, তিনটা চা। - বানিয়ে দিচ্ছি।
তিনটা না, চারটা বানা।
- চারটা চা বানা! - এবার ঠিক আছে।
- আরে! আরে! থাম! থাম! - কী হয়েছে?
২০০ টাকা দে।
আমার কাছে মাত্র ১৫০ টাকা আছে।
আর একটা পয়সাও নেই।
সকাল সকাল ঝামেলা করিস না।
রাস্তায় কোনো নাটক করিস না। তোর কাছে যা আছে তাই দে।
শুরু হয়ে গেছে!
বুঝতে পারছিস না আমার কাছে বেশি টাকা নেই।
সবার সামনে আমার মাথাটা গরম করে দিস না।
ব্যাটাকে ধরে কয়েকটা চড় মারা উচিত।
মন চাইলে কষিয়ে একটা চড় মার।
ওর একটা ভালো শিক্ষা হবে।
ওকে চড় মারার জন্য তুই একদম ঠিকঠাক।
নাওয়াজ, এই সমস্যাটা এতো সহজে মিটবে না।
কাউকে মারার দরকার হলে, এতোটা ভাবতে নেই।
টাকাগুলো দিয়ে তো গিয়ে নেশা করবি।
আমার কাছে ডিজেল কেনার টাকা আছে।
No comments yet. Be the first to leave one.