İlk 119 satır.
অনুবাদেঃ সাকিব ভূঁইয়া
হে-বোক, ঘুমাচ্ছিস?
স্কুলে আছিসনি কেন? তাড়াতাড়ি ফিরে আয়।
বিরক্ত লাগছে।
খাওয়ার সময় হয়ে গেছে, এখনও মোবাইল বন্ধ কেন?
আমাকে তাড়াতাড়ি ফোন কর।
চিন্তা হচ্ছে।
কিছু একটা হয়েছে, তাই না?
আমি আসছি।
আপনি আপনার গন্তব্যে পৌঁছেছেন।
রাস্তা এখানেই শেষ।
KISS BURN
পা।
এটা হে-বোকের বাড়ি না?
এটা তো আমার বাড়ি।
বাবা?
হ্যাঁ।
কী?
এভাবে কী দেখছো?
হে-বোক নেই?
না।
কোথায় গেছে?
তার আংকেলের বাড়িতে।
তাকে ফোনে পাচ্ছি না।
কিছু হয়েছে, তাই না?
তার ফোন নষ্ট হয়ে গেছে।
কিভাবে?
টয়লেটে পড়ে গেছে।
কীসের শব্দ?
যাও, হেই।
তুমি প্রায়ই ব্যাথা পাও, তাই না?
হে-বোক এটাও বলেছে?
আমি জানি আপনারা তেমন ঘনিষ্ঠ না।
আমি নিজেই বলতে পারি।
তোমার মতো দুষ্টু মেয়েরা প্রায়ই ব্যাথ্যা পায়।
হে-বোক আপনার সম্পর্কে যা বলেছে আপনি ঠিক তেমনই।
ঠিকই।
যাও, হে-বোক নেই, যাও।
দাঁড়ান...
হে-বোক।
হে-বোক, আমি, হান-না।
তুই সেখানে আছিস, তাই না? তুই ওই শব্দ করেছিস, তাই না?
এটাই তোর ঘর?
ওমা।
এটা আমার ঘর।
যাও।
হে-বোক।
হে-বোক।
হান-না।
হেই, তোর চুল...
তোকে মেরেছে?
না, মারেনি।
তাহলে এটা কী? এলার্জি?
এগুলো লাভ বাইট।
লাভ বাইট?
হ্যাঁ।
এগুলো কী জানিস না?
বয়সও তো হয়েছে, অথচ লাভ বাইট কি জানিস না?
আমিও জানি, এসব কিস করলে হয়।
কিন্তু প্রশ্ন হলে এসব হয়েছে কীভাবে?
সমুদ্রে।
- সমুদ্রে? - হ্যাঁ।
তুই বিচে গেছিস? কখন?
গতরাতে।
একা লাগলে যাই।
কার সাথে গিয়েছিস?
ছেলে।
তুই ছেলে কোথায় পাবি?
সমুদ্রেই পেয়েছি।
তুই তোর প্রথম কিস অচেনা কারো সাথে করেছিস?
হ্যাঁ।
সে দংগিল হাই স্কুলে পড়ে।
সে কি অপরাধী?
ঠিক অপরাধী না....
অপরাধী নাকি?
কিন্তু অপরাধীরা সুদর্শন হয়।
ভালো, ঠিক।
কিন্তু তোর চুলের এই অবস্থা কেন?
ওহ, ঠিক। আমার চুল।
কী করব?
আমার চুল...
ঠিক আছে।
আমার চুলে হাত দিবি না।
- সমস্যা নেই। - চোখ বন্ধ কর।
- আমার চুলে হাত দিবি না। - সমস্যা নেই তো।
আমি তো দেখেই ফেলেছি।
আমার বাবা মদ খেয়ে চুল এরকম করেছে,
যখন আমি ঘুমাচ্ছিলাম।
এখন আমি কীভাবে বাঁচব?
শুধু ভুলে যা।
কীভাবে ভুলব?
কিস'সহ সব কিছু করেছিস?
একটু,
একটু গভীরে গিয়েছিলাম।
একটু? কতটুকু?
একসাথে শুয়েছিস?
কীভাবে? আমরা তো বাইরে ছিলাম।
বাইরে তো সমস্যা।
তার কথা মনে হলেই রাগ হচ্ছে।
সে কীভাবে করল এটা?
ইচ্ছে করে করেছে নাকি?
আমিও তার সাথে এরকম করেছি। আমি সিউর তারও এরকম হয়ে গেছে।
- তুইও এরকম করেছিস? - হ্যাঁ।
এসব কি স্বাভাবিকভাবেই হয়?
তার মানে তুই এখনো জানিস না,
যখন তুই কিস করবি, তুই নিজের মধ্যে থাকবি না।
- নিজের মধ্যে না? - না।
তো আমিও জানি না,
- আমার হাত চলে গেছে... - কোথায়?
আর আমার শরীর সরে গেছে।
কীভাবে?
আমি শুধু অজান্তেই আমার শরীর নাড়াচাড়া করেছি।
- ওহ আচ্ছে। - হ্যাঁ।
আমার সকল চাপ কমে গেল।
আমি জানি না তোর যে মানসিক চাপও আছে।
মনে হয়।
কিন্তু ওই ছেলেটা স্কুলে যেতে পারবে যেহেতু তারও এরকম দাগ আছে?
তার মতো ছেলেরা এটা দেখায়ই।
ধুর, রাগ হচ্ছে।
No comments yet. Be the first to leave one.