Elite

Elite (Élite)

Bengali সাবটাইটেল ডাউনলোড করুন

সিজন 4

রিলিজ তথ্য

এলিট Elite সিজন ০৪ এপিসোড ০৫ বিসাব বাই জিতু বিশ্বাস
ভাষ্য লিখেছেন Jitu_biswas

ট্যাগ

other
প্রকাশিত: 2022-04-29
ডাউনলোড: 43
শ্রবণপ্রতিবন্ধীদের জন্য: No

Bengali সাবটাইটেল প্রিভিউ

প্রথম 200টি লাইন।

জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক গ্রুপঃ CINEMATIC PARADISE

চরম! তোমাকে দারুণ লাগছে!

সেক্সি!

জানি না আমার ওপর কী ভর করেছিল বা আমি কী ভাবছিলাম।

আধা ঘন্টার মধ্যে তোমার সাথে লেকের পাড়ে দেখা করতে চাই।

প্লিজ, এসে আমার কথাগুলো শোনো।

- এই মেসেজ আমি কখনো পাইনি। - কিন্তু এখানে তো দেখা যাচ্ছে পাঠানো হয়েছিল।

বললাম তো আমি পাইনি।

"Elite" S04 E05

কারণ দুটো এক জিনিস না।

এক না কেন?

- বলো। - কারণ তোমার জন্য ওটা কেবল সেক্স ছিল।

তো, এখন তুমি তার প্রেমে পড়েছো? তাই না?

বিশ্বাস হচ্ছে না।

বিশ্বাস হচ্ছে না, ওমর। তুমি কি আমার সাথে মশকরা করছ?

দেখো, আন্দের, না...

আমি জানি না।

প্লিজ। আমি বিভ্রান্ত, আন্দের।

- চলো, লেকের পাড়ে গিয়ে কথা বলি। - কী কথা বলব?

বলার মত আর কী আছে?

রেবেকা ঘুমাচ্ছে। তাই, বাড়ি যাও, বুঝেছ?

- কী হয়েছে মা? হাই। - হাই।

ওকে ভিতরে ঢুকতে দাও।

বিশ্বাস করো, আমি বুঝে উঠতে পারিনি নিজেকে কিসের মধ্যে নিয়ে যাচ্ছিলাম।

প্রতিবারই তুমি এক কথা বলো।

রেবে, যা হয়ে গেছে তা আমি পাল্টাতে পারব না।

চাইলেও পারব না।

কিন্তু আমি এখন থেকে নিজেকে পাল্টাতে পারব।

সিরিয়াসলি?

আমাকে দেখে কি বলদ মনে হয়?

বাড়ি যাওয়ার সময় আগে থেকে অযুহাত প্রস্তুত করে রেখেছিলাম।

কিন্তু কেউ কিছু জিজ্ঞেসই করেনি।

কারণ তাদের কারোই আমাকে নিয়ে কোনো মাথাব্যাথা নেই।

হতে পারে তারা তোমাকে দেখেই চিন্তামুক্ত হয়েছিল।

হ্যাঁ।

আর সেই শান্তির অনুভুতি... আমার ভালো লেগেছিল।

কারণ এটা সবকিছু জেনেও তুমি যখন আমাকে হোটেলে জড়িয়ে ধরেছিলে...

সেই অনুভুতির মত ছিল।

দাঁড়াও।

এদিকে আসো।

আমার সাথে আর কখনো এরকম করবে না।

আরিকে দেখেছো?

আমাকে এখানে দেখা করতে বলল।

আমি বরং তথ্যের চেয়ে...

আবেগ দিয়ে শুরু করতাম।

কারণ তথ্য বোরিং।

অনুভুতি হলো সর্বোৎকৃষ্ট।

EMOTIONAL INTELLIGENCE

তোমার ছুটি কেমন কাটল?

- আহ, ভালো। বেশ মজা করেছি। - আচ্ছা।

মেনসিয়া পরে কিছু বলেছিল?

- না, ওর সাথে কথা না বলাই ভালো। - ঠিক।

ঠিক আছে।

- কী জোগাড় করেছো দেখাও। - আচ্ছা।

না, না, ওখান থেকেই বলো।

আমি আগে বলতে চাই। অধীর হয়ে বসে আছি।

বলো, তাহলে।

কয়েদিদের সমাজে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা এক অসম্ভব কাজ। যার অগণিত প্রমাণ আছে।

সবকিছু কয়েদিদের আচরণের ওপর নির্ভর করে, নির্দেশনার ওপর নয়।

কার্যত, ইউরোপে আমাদের দেশেই সবচেয়ে বেশিসংখ্যক কয়েদি রয়েছে...

- কিন্তু অপরাধের হার সবচেয়ে বেশি নয়। - আমরা এখানে তর্ক করতে আসিনি।

তুমিও বলার সুযোগ পাবে। তাই, কথার মাঝে বাঁধা দিও না।

পুরো ইউরোপে আমরাই সর্বোচ্চ।

প্রতি ১ লক্ষ নাগরিকের মধ্যে ১ হাজার ২৬ জন কয়েদি।

এবং এটা সত্য, স্যামুয়েল।

১২৬ জন কয়েদি...

সাথে ১২৬ টা পরিবার এবং তাদের আত্মীয়-স্বজন।

কয়েদিদেরও আত্মীয়-স্বজন আছে। সেটা কি ভেবে দেখেছো?

অবশ্যই ভেবেছি। কিন্তু আমরা এখানে সে ব্যাপারে কথা বলছি না...

বলতে হবে। নাহলে এসব অ-বলাই থেকে যাবে।

তুমি কি মানুষের কথা বলছ না সংখ্যার?

সংখ্যার কথা বললে মানবীয় ব্যাপারটাই তো থাকে না।

ধরো, আমি স্যামুয়েল গার্সিয়া জেলে যাচ্ছি।

অনেক বছরের সাজা কাটতে হবে।

জেলে থাকা এমন প্রত্যেক স্যামুয়েল গার্সিয়ার কথা ভাবো।

আমার পরিবার, বন্ধুরা আমার সহায়তা করতে পারে,

কিন্তু সিস্টেম তা করতে দিবে না।

কারণ একবার জেলে ঢুকে গেলে, সবাই তোমাকে কয়েদি হিসেবেই চিনবে।

আমরাও সুযোগ পেলে তাদের সুযোগ নেই।

আমরা তাদেরকে মানুষই মনে করি না।

ঠিক সংখ্যার মত।

ব্যাস, এটুকুই বলার ছিল। ধন্যবাদ।

ঠিক আছে, তোমাকে একটু সংশোধন করতে হবে...

তবে, বেশ ভালো বলেছ।

সারা ছুটিজুড়ে কী করেছো তুমি?

স্যামুয়েল ভাবতে থাকুক যে ও আমাকে হারাতে পারবে।

পারবে কিনা সেটা তো দেখলামই।

আর যদি তা-ই হয়,

তাহলে বলতে হচ্ছে, তোমাকে নিয়ে আমি হতাশ।

তুমি! শুক্রবার সন্ধ্যায় কোথায় ছিলে?

কী?

জিজ্ঞেস করলাম, "শুক্রবার সন্ধ্যায় কোথায় ছিলে?"

দেখো, হিংসা করা কিন্তু ভালো না।

নিজের পিছনে দুটো ছেলে ঘুরঘুর করছে তাতেও মন ভরছে না?

- আমি ওর সাথে ছিলাম। - কয়টা থেকে কয়টা?

তা ঠিক মনে নেই।

কেন জিজ্ঞেস করছো?

আমার বোন গায়ে আঘাতের চিহ্ন নিয়ে বাড়ি ফিরেছিল।

- কয়টা থেকে কয়টা? - বললাম তো মনে নেই।

ও তো বললোই যে আমার সাথে ছিল।

কখনো মেনসিয়ার ধারে কাছেও ঘেষবে না।

বুঝেছো? কখনো না!

কী হলো কিছুই বুঝলাম না।

আপনার সন্ধানের জন্য কোনো ফলাফল পাওয়া যায়নি।

আরি, প্রমাণ ছাড়া তুমি কাউকে দোষ দিতে পারো না।

কারণ ছিল।

এতই যদি নিশ্চিত হও যে কাজটা সে করেছে, তবে তার নামে রিপোর্ট কেন করছো না?

কারণ আমার কাছে কোনো প্রমাণ নেই।

আর প্রমাণ ছাড়া আমি কারো নামে রিপোর্ট করি না।

- আমি মেয়েটাই এরকম। - হুমম।

সম্ভবত তার দেশের মেয়েটার কাছেও কোনো প্রমাণ ছিল না।

এজন্য সেও বোধহয় তোমার মত রিপোর্ট করেনি।

সোনা।

দেখো, আমি জানি তুমি ফিলিপকে পছন্দ করো।

আর এটাও জানি যে সেও তোমাকে পছন্দ করে।

কিন্তু দুটো এক না।

কারণ ওর মত ছেলের কাছ থেকে তুমি সবসময় "না" আশা করো।

কিন্তু সে সমসময় "হ্যাঁ" আশা করে।

ফিলিপের মত ছেলে "না" বলে কোনো শব্দ চেনে না।

অযথাই আমি অন্য একজনের ব্যাপারে নাক গলাচ্ছি,

আমি তোমার জায়গায় থাকলে, প্রমাণের জন্য অপেক্ষা করতাম না।

হয়ত যখন প্রমাণ পাবে, তখন অনেক দেরি হয়ে যাবে।

তোমার আর আমার মধ্যে যে জিনিসটা মিল...

তা হলো আমরা দুজনেই মেয়ে।

আর যদি আমরা একে অপরকে সহায়তা না করি, তবে কে করবে?

জানি তুমি এখনো আমার উপর রেগে আছো।

শুধু বলতে চাই, আমি সবসময় তোমার পাশে আছি।

যদি তুমি চাও।

আমরা যা করেছি, নিজেদের ইচ্ছায় করেছি।

তাই, তোমার ক্ষমা চাওয়ার কোনো দরকার নেই।

তাহলে...

আমি তোমাকে যা বলেছি বা যেভাবে বলেছি...

সেজন্য ক্ষমা করে দিও।

আচ্ছা।

এটাই যদি তোমার ইচ্ছা হয়, তবে দিলাম ক্ষমা করে।

দারুণ।

ধন্যবাদ।

আন্দের...

তুমি পুরো একটা বছর কেমো মেশিনের সাথে কাটিয়েছো।

কোনো কিছুর জন্য তোমার দোষী অনুভব করার...

বা অনুমতির দরকার নেই।

ওমর, তোমার সাথে দেখা করতে চাই।

কী হয়েছে?

তুমি না থাকলে আমি ক্যান্সার থেকে বেঁচে ফিরতে পারতাম না।

তুমি যা করেছো তা অমুল্য...

তার ঋণ আমি কখনো শোধ করতে পারব না৷ কিন্তু...

না, বোলো না।

ওমর...

হয়ত ক্যান্সারের প্রভাব আমাদের উপরও পড়েছে।

প্লিজ, না।

এরকম কোরো না।

আমি জানি যে...

আমি বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিলাম, কিন্তু আর না।

যখন ভাবতাম যে তোমাকে হারিয়ে ফেলব...

আমি তোমাকে ভালোবাসি, আন্দের।

শোনো।

এটা প্যাট্রিকের ব্যাপারে না।

এটা আমার ব্যাপারে। ভেবেছিলাম আমি মরে যাবো, কিন্তু এখনো বেঁচে আছি।

আমি মন খুলে বাঁচতে চাই।

অনেক কিছু করা বাকি আমার। অনেক কিছু।

কিন্তু...সেগুলো আমার সাথেও তো করতে পারো।

এটা আমি।

ওমর।

এটা আমি।

- জানি, জানি। - ওমর।

আর তোমাকে ওমরই থাকতে হবে।

এজন্যই আমি ভাবছি আমাদের সম্পর্ক এখানে শেষ করে দিলে ভালো হয়।

কারণ আমি চাইনা এটা অন্য কিছুতে রুপ নিক।

ধন্যবাদ।

ধন্যবাদ ওমর। মনের অন্তস্থল থেকে ধন্যবাদ।

আর, আমি দুঃখিত।

ভাবছিলাম আজ তোমাকে ডিনারে নিয়ে যাবো।

তোমার মেজাজ ফুরফুরে করতে।

শেষ উইকেন্ডেই তো নিয়ে গেলে।

তুমি কি শনিবার তার সাথে লাইব্রেরিতে সময় কাটাতে চাও?

আমার বাসায় ডিনার করতে আসো।

একটু ঘোরাঘুরিও করতে পারবো।

তোমার বাবার সাথে?

সে ইচ্ছা আমার মোটেও নেই।

হ্যাঁ, কিন্তু তারপরে সব স্বাভাবিক হয়ে যায়।

আরি, গার্সিয়া আজ বাসায় আসছে।

যাতে করে আমি তোমাদের দুজনের যুক্তি-তর্ক শুনতে পারি।

- কী অবস্থা, নুনিয়ের? - ভালো, ধন্যবাদ।

তাহলে, তোমার বাসায় ডিনারে আসছি।

নিজের লোকেশন শেয়ার করুন।

তুমি কি আমাকে ব্লক করেছো?

কী হয়েছে?

আরমান্দো।

কী?

ঐ শালা আবার কী চায়? পুলিশকে ফোন করছি, দাঁড়াও।

হেই, থামো। তুমি কী চাও আমার পরিবার এসব জেনে যাক?

ওহ, এখন টনক নড়েছে, না?

মানে, হ্যাঁ, আমার পরিবার, সম্পূর্ণ স্কুল...

আর পুরো দুনিয়া।

শান্ত হও, ঠিক আছে?

সব ঠিক আছে।

তাকে আমি সামলাতে পারবো।

তুমি কি জানো, তিন বছর বয়স পর্যন্ত আমি কেবল চকলেট খেতাম?

সত্যি?

হেই!

মন্তব্যসমূহ

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left